PURE TOUCH

PURE TOUCH PURE SPICE মূলত ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে খাঁটি

11/05/2023

মকতবে কিংবা আরবি শিক্ষক-শিক্ষিকার কাছে বাচ্চাদের কোরান শিখতে দিয়ে আপনি মনে কইরেন না বাচ্চার প্রতি দায়িত্ব পালন করা শেষ।বাচ্চাদেরকে সাথে নিয়ে মসজিদে নামাজ পড়তে যাবেন,বাসায় নামাজ পড়বেন।কোরান-হাদিস নিয়ে ওদের বয়স অনুযায়ী ওদের সাথে গল্পে গল্পে শেয়ার করবেন।ফজরের সালাতে পুরো পরিবার একসাথে উঠে সালাত আদায় করবেন।প্রতিদিন বিভিন্ন কাজে যে সকল মাসনূন দুয়া আছে সেগুলো পড়ার কথা বার বার মনে করাবেন।বাসায় তালিম করবেন।ওদের সাথে খুব সুন্দর করে মিশবেন।বাড়িতে বড় যারা আছে কিংবা নিজের বাবা-মা,শশুড়-শাশুড়ি তাদের সাথে সদাচরণ করবেন।আত্নীয়দের সাথে মিশবেন।ওদের সামনে নিজেরা কখনো মিথ্যা বলবেনা না ওদেরকে দিয়ে মিথ্যা বলাতে যাবেন না।আপনার বাচ্চা আপনাকেই অনুকরণ করবে এটা মাথায় রাখবেন সব সময়।

এখনকার যুগের বেশিরভাগ বাবা-মা বাচ্চাদের A+,ইংরেজিতে চটপটে কথা বলা,কোচিং, গান,নাচ,আবৃত্তি,আর্ট এসব পারদর্শিতা নিয়ে ব্যস্ত।অথচ এই সন্তানের সব কিছু নিয়ে আল্লাহ'র কাছে জবাবদিহিতা করতে হবে এটা যেন ভুলে না যাই।জীবনে চলতে গেলে আসলেই কোনটা জরুরী আর কোনটা অতিজরুরী সেটা আগে ঠিক করতে হবে।

দুনিয়া নিয়ে যতটা ব্যস্ত আর এফোর্ট আমরা দেই পরকাল নিয়েও যদি একটু সিরিয়াস হই,প্যারেন্টিং এর মূল বিষয়গুলোতে যদি একটু নজর দেই তাহলে সন্তান বখাটে হবেনা।সামাজিক অবক্ষয়গুলো কমে আসবে ইন শা আল্লাহ।

09/04/2023

থ্রি ইডিয়টসের চেয়ে ছিচোড়ে মুভিটা আমার কাছে বেশি প্রিয়।কারণ, থ্রি ইডিয়টস আপনাকে বলবে, তুমিও জিতবে।বাট ছিচোড়ে মুভিটা আপনাকে বলবে, তুমি হারবে, তারপরেও তুমি বেঁচে থাকবে।

"জীবনের কাছে হেরে গেলাম" লিখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহাগ ছেলেটা মরে গেল। হয়তো তাকে কেউ কখনও বলেনি, জিতে যাওয়া মানেই জীবন না, হেরে যাওয়ার মধ্যেও থাকে বেঁচে থাকার আনন্দ।

শিব খেরা, ডেল কার্নেগি থেকে আমাদের বাবা মা, বারবার আমাদের একটা কথাই বলে, তুমিও জিতবে। শক্ত হও। উঠে দাঁড়াও। দৌড়াও। জিততে তোমাকে হবেই।
কিন্তু কেউ কখনও বলে না, তুমিও হারবে। তুমিও তো রক্ত মাংসেরই মানুষ, তোমারও ক্লান্ত লাগবে। একটু বসো। সবসময়ই উঠে দাঁড়ানোর দরকার নাই। সবসময়ই দৌড়ানোর দরকার নাই।একটু বিশ্রাম করো। অনেকক্ষণ তো শক্ত থেকেছো, এবার একটু নরম হও।কেউ বলে না।

বলে না বলেই, সোহাগের মতো ছেলেমেয়েগুলো ঝুলে পড়ে। কেউ রিলেশনশিপের জন্য, কেউ টাকার জন্য, কেউ ক্যারিয়ারের জন্য, কেউ রেজাল্ট বা সিজির জন্য, কেউ বা একটুখানি ভালোবাসার জন্য।

হেলাল হাফিজ এক বুক কষ্ট নিয়ে লিখেছিলেন,

কেউ বলেনি,
ক্লান্ত পথিক,
দুপুর রোদে গাছের নিচে একটু বসে জিরিয়ে নিও...

ওদিকে হুমায়ূন আজাদ লিখেছিলেন আরো ভয়ঙ্কর কথা।

আমি সম্ভবত খুব ছোট্ট কিছুর জন্যে মারা যাবো
খুব ছোট একটি স্বপ্নের জন্যে
খুব ছোট দুঃখের জন্যে
আমি হয়তো মারা যাবো কারো ঘুমের ভেতরে
একটি ছোট দীর্ঘশ্বাসের জন্যে
একফোঁটা সৌন্দর্যের জন্যে।

মা বাবা, শিক্ষক, গার্জিয়ান, বন্ধু, সমাজ, পৃথিবী, আপনাদের সবার কাছে আমার একটাই অনুরোধ,জিতে যাওয়ার মোটিভেশন দেন, সমস্যা নাই।কিন্তু হেরে যাওয়াদের কথাও একটু বলেন। পৃথিবীতে সবাই জিততে আসে নাই। সবার জেতার দরকারও নাই। কিন্তু এই পৃথিবীতে সবাই বাঁচতে আসছে।

এই পৃথিবীর প্রতিটা মানুষ ছোট্ট একটা স্বপ্ন ডিজার্ভ করে, একটুখানি সিমপ্যাথি ডিজার্ভ করে, এক ফোঁটা রোদ্র ডিজার্ভ করে, ছোট্ট একটা ঘাসফুল ডিজার্ভ করে।
এই পৃথিবীর আলো বাতাস, জল বা জোছনায় সবার সমান অধিকার আছে। জিতে যাওয়া মানুষটার যেমন দোয়েলের শিষ শোনার অধিকার আছে, হেরে যাওয়া মানুষটারও তেমন এক ফোঁটা বৃষ্টির পানি পাওয়ার অধিকার আছে।

জয়ের মালা বিজয়ীরই থাকুক, ওটার ভাগ কেউ চায় নাই। তাই বলে হেরে যাওয়া মানুষের উপর থেকে এক টুকরো মেঘের ছায়া কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারো নাই।
কারো না।

From the wall of Kuldeep Dutta ❣️

প্রাচীন যুগে চীনারা যখন শান্তিতে বসবাস করার সিদ্ধান্ত নিল তখন তারা গ্রেট ওয়াল নির্মাণ করলো। চীনারা ভেবেছিল এটার উচ্চতার...
02/03/2023

প্রাচীন যুগে চীনারা যখন শান্তিতে বসবাস করার সিদ্ধান্ত নিল তখন তারা গ্রেট ওয়াল নির্মাণ করলো। চীনারা ভেবেছিল এটার উচ্চতার জন্য কেউ টপকে তাদের আক্রমণ করতে পারবে না।
গ্রেট ওয়াল নির্মাণের প্রথম একশো বছরের মধ্যেই চীনারা তিন বার আক্রান্ত হয়। আশ্চর্যের বিষয় কোনোবারই আক্রমণকারীদের দেওয়াল টপকানোর বা ভাঙার প্রয়োজন হয় নাই। কারণ প্রত্যেকবারই আক্রমণকারীরা দেওয়াল পাহারারত রক্ষীদের উৎকোচ দিয়ে সামনের গেট দিয়ে ঢুকে গেছে। চীনারা অনেক পরিশ্রম করে মজবুত দেওয়াল তৈরি করেছিল। কিন্তু তারা
দেওয়াল পাহারা দেওয়া রক্ষীদের চরিত্র মজবুত করার জন্য কোন পরিশ্রমই করেনি।
তাহলে দেখা যাচ্ছে দেওয়াল মজবুত করার থেকে চরিত্র মজবুত করার প্রশ্নটিই আগে আসে। শুধু দেওয়াল মজবুত করার ফলাফল শূন্য।
তাই অনেক আগেই প্রাচ‍্যদেশীয় দার্শনিকরা বলে গেছেন তুমি যদি কোন সভ্যতা ধ্বংস করতে চাও তাহলে তিনটি কাজ কর-
(ক) যে জাতিকে পদানত করতে চাও তার পারিবারিক গঠন আগে ধ্বংস করো। পারিবারিক গঠন ধ্বংস করতে হলে সংসারে মায়ের ভূমিকাকে খাটো করে দেখাও যাতে সে গৃহবধূ পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করে।
(খ) শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দাও। এটা করতে হলে শিক্ষককে প্রাধান্য দিও না। সমাজে তার অবস্থান নিচু করে দেখাও যাতে তার ছাত্ররাই তাকে উপহাস করে।
(গ) তরুণ সমাজ যেন অনুসরণ করার মত কোন রোল মডেল না পায়। তাই তাদের জ্ঞানীদের নানাভাবে অপমান কর। রোল মডেলদের নামে অসংখ্য মিথ্যা কুৎসা রটাও যাতে তরুণ সমাজ তাদের অনুসরণ করতে দ্বিধাবোধ করে।

"যারা নিয়মিত আকাশপথে ভ্রমণ করেন তারা লেখাটি অবশ্যই  পড়বেন"আপনি যদি  আকাশপথে ভ্রমণ করেন, তবে  বন্ধু বৎসল যাত্রী কিংবা আপন...
02/03/2023

"যারা নিয়মিত আকাশপথে ভ্রমণ করেন তারা লেখাটি অবশ্যই পড়বেন"

আপনি যদি আকাশপথে ভ্রমণ করেন, তবে বন্ধু বৎসল যাত্রী কিংবা আপনার পাশের সীটে বসা প্রতিবেশীর কাছ থেকে সাবধান থাকুন।

বয়স্ক ভদ্রমহিলা প্লেনের ভিতরে আমার পাশে বসেই আমাকে তাঁর ব্যাগটি ওভারহেড লাগেজ বগিতে রাখার জন্য সবিনয় অনুরোধ করেন। আমি বেশ খাটো হওয়ায় আইলের অন্য পাশে বসা ভদ্রলোক এসে উনার লাগেজটি ওভারহেড বগিতে রাখেন।

ভদ্রমহিলা খুব প্রাণবন্ত, অমায়িক, বন্ধুবৎসল। মিনিটেই আমাকে একেবারে আপন করে নিলেন। যেন আমাদের অনেক দিনের জানাশোনা। পুরো ফ্লাইটে নানা বিষয়ে আমাদের কথা হয়। উনি অসুস্থ। বিদেশে যাচ্ছেন সন্তানদের কাছে। সেখানে ওদের সাথে বেশ কয়েক মাস সময় কাটাবেন। চিকিৎসাও করাবেন।

গল্পের ফাঁকে একসময় পাইলটের ঘোষণা আসে - আমরা দুবাই এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করতে যাচ্ছি। এমন সময় ভদ্রমহিলা- আমাকে কন্যা হিসাবে সম্বোধন করে খুব কাতর হয়ে বলেন- উনার পেটের ব্যথা বাড়তে শুরু করছে। উনি ব্যথায় ছটফট করতে থাকেন। ব্যথায় উনার শরীর ঘামছে, উনি খুবই অস্থির। চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে।

মাতৃবয়সী ভদ্রমহিলার জন্য মায়া হলো। আল্লাহ না করুন। কোনো বিপদ যেন না হয়। কোনো দূর্ঘটনা যেন না ঘটে। মহিলা যেন অনন্ত নিজ গন্তব্য পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেন। সন্তানেরা নিশ্চয়ই মায়ের অপেক্ষায় বসে আছে।

আমি স্টুয়ার্ড বোতাম টিপে বিমান কর্তৃপক্ষকে সমস্যার কথাটা জানাই ।

স্টুয়ার্ডস কিছু ব্যথানাশক ঔষধ মহিলাকে খেতে দিয়ে আমরা না নামা পর্যন্ত অপেক্ষা করার জন্য পরামর্শ দেন। পাইলট আমাদের সবাইকে শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন- প্রয়োজনে প্লেন ল্যাণ্ড করার সাথে সাথে জরুরি ইমার্জেন্সি মেডিকেলের ব্যবস্থা করা হবে।
মহিলা আমার হাত খুব দৃঢ়ভাবে আকড়ে ধরে আছেন। অন্যান্য যাত্রীরা সবাই ধরে নিয়েছে আমি মহিলার কন্যা অথবা নিকটাত্মীয়া কেউ। আমি কি করবো বুঝতে পারছিনা।

আমরা একসময় বিমান বন্দরে অবতরণ করি । প্লেনে যে ভদ্রলোক মহিলার লাগেজটি ওভারহেড বগিতে রাখতে সাহায্য করেছিলেন তিনি তার লাগেজ নামিয়ে আমাকে ইশারায় বলেন -আমি যেন এই মহিলার থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখি। এবং কেবিন ক্রুদের কাছে পরিষ্কার করে দেন যে আমরা একসঙ্গে ভ্রমণ করছি না। ভদ্রলোককে মনে হলো - দয়াময় কর্তৃক প্রেরীত আমার উদ্ধারকারী।

এরপর, কেবিন ক্রুরা এসে আমাকে জিজ্ঞাসা করে আমরা একে অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত কিনা। আমি স্পষ্টভাবে তাদের বলি- জ্বিনা। আমাদের কেবলমাত্র বিমানের সীটে বসার পরপরই দেখা হয়েছে। আমরা বিমান থেকে বিদায় নিতে শুরু করি এবং আমি বিদায় জানানোর সাথে সাথে মহিলা তার হ্যান্ডব্যাগটা বহন করার জন্য আমাকে কাকুতি মিনতি করতে থাকেন। বলে- মাগো । তোমার মায়ের বসয়ী মহিলাকে এভাবে একা ফেলে যেয়োনা। তুমি আমার হ্যান্ডব্যাগটা টার্মিনাল পর্যন্ত বহন করো।

এবার কেন যেন আমি একটু ভয় পাচ্ছিলাম। সেই ভদ্রলোক আমার চোখের দিকে তাকালেন এবং জোর দিয়ে মাথা নেড়ে বললেন- আমি যেন কোনো ভাবেই মহিলার কোনো লাগেজই বহন না করি।

বয়স্ক মহিলাকে কেবিন ক্রুদের কাছে হুইলচেয়ারের জন্য অপেক্ষায় রেখে আমি বেশ অপরাধী ফিল করে বিমান থেকে প্রস্থান করি।

যখন আমরা আমাদের লাগেজ আসার জন্য অপেক্ষা করছি - ঠিক তখনি বেশ জোরে হৈচৈর শব্দ শুনতে পাই । ভদ্র মহিলা হুইলচেয়ার ছেড়ে কেবিন ক্রু থেকে পালানোর চেষ্টা করছেন। সৌভাগ্যক্রমে বিমানবন্দরের পুলিশরা ছিলো উনার চেয়ে দ্রুত । তারা উনাকে ধরে হুইলচেয়ারে ফিরিয়ে আনে।

এই ভদ্রমহিলা এবার আমাকে ডাকতে শুরু করে....তুমি আমার সাথে এটা কিভাবে করতে পারো......তোমার লাগেজ আমার কাছে রেখে কেনো তুমি আমাকে ছেড়ে যাচ্ছো ।

আমি পুরোই থ হয়ে যাই। এবার আমি বুঝতে পারি- উনি তার হ্যাণ্ডব্যাগে এমন কিছু বহন করছেন- যার দায়ভার উনি আমার উপর দিতে চাচ্ছেন। যিনি কৌশলে আমাকে ফাঁসিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন।

পুলিশ উনার হ্যান্ডব্যাগ তল্লাশি করে দেখে পুরো ব্যাগভর্তি অবৈধ ড্রাগ। আমার পুরো শরীর ভয়ে হিম হয়ে যায়। জীবনে এরকম ঘটনার মুখোমুখি আমি কোনোদিন হইনি। আরেকটু হলেই আমি নিজেই এই অবৈধ ড্রাগের ব্যাগটি বহন করতাম।

আমি বুঝতে পারছিনা- সিকিউরিটি স্ক্যান চ্যাকে ধরা না পড়ে, পুরো সিকিউরিটি সিস্টেম ফাঁকি দিয়ে মহিলা এই অবৈধ ড্রাগ নিয়ে কিভাবে প্লেনে প্রবেশ করে এতোদূর পর্যন্ত এলেেন।

সেই ভদ্রলোকও উনার লাগেজের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। উনি আমার মনের ভাব বুঝতে পেরে বলেন-লাগেজ স্ক্যানতো মেশিনে করে কিন্তুু মেশিনের পেছনেতো মানুষই থাকে। সিকিউরিটি সিস্টেম তিন ধাপ এগুলো ড্রাগ ডীলাররা ত্রিশ ধাপ এগোয়। তাছাড়া, সিকিউরিটি সিস্টেমের অনেক লোকই এসবের সাথে জড়িত থাকে। কর্তৃপক্ষের সাথে ডীলারদের লেনদেন যখন সঠিকভাবে হয়না- তখনই সাধারণত এরা ধরা পড়ে। আমার প্রথম থেকেই যেন মহিলাকে সন্দেহ হচ্ছিলো।

এরপর, ভদ্রলোক নিজ থেকেই সিকিউরিটি পুলিশদের বলেন- আমার সাথে মহিলার কোনো সম্পর্ক নেই। আমাদের বিমানের ভিতরেই দেখা হয়েছে।

পুলিশ আমার পাসপোর্ট নিয়ে মহিলার সাথে একটা ছো্ট্ট অফিস ঘরে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়।
আমাদেরকে চতুর্দিক থেকে পুলিশ ঘেরাও করে রেখেছে। এবার আমি ঘামতে শুরু করি।
পুলিশ নানা কথা জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে। মহিলার সাথে কোথায় দেখা হয়েছে, কিভাবে দেখা হয়েছে। আমি কোথায় কোথায় গিয়েছিলাম। মহিলার সাথে আমার সম্পর্ক কি? আমি আদৌ মিথ্যা বলছি কিনা ? নানা রকম মেশিনে আমার আঙ্গুলের ছাপ নেয়া হয়।
আমার কোনো আঙ্গুলের ছাপ মহিলার হ্যান্ডব্যাগে আছে কিনা ইত্যাদিও পরীক্ষা করে দেখা হয়।
আমি আমার আপনজনকে ফোন করার জন্য অনুরোধ করলে- আমার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়।

এবার মহিলাকে বলেন- আমার পুরো নাম বলার জন্য।
মহিলা আমার পুরো নাম বলতে পারেনা। সৌভাগ্য যে, মহিলাকে আমি আমার পুরো নাম বলিনি।

প্রায় চল্লিশ মিনিট জেরার পর- বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ অন্য কারোর লাগেজ বহন না করা, স্পর্শ না করার পরামর্শ দিয়ে আমার জীবন বৃত্তান্ত সব তাদের ডাটা সিস্টেমে লিপিবদ্ধ করে আমাকে মুক্তি দেন। এই চল্লিশ মিনিটকে মনে হলো- আমার জীবনের সবচেয়ে ভয়াল, শীতল চল্লিশটি বছর।

সেদিন থেকে আপনার কাছে কতটা লাগেজ আছে তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আপনার লাগেজ। আপনার সমস্যা। যার লাগেজ সেই সামলাবে। আমি আপনাকে আপনার লাগেজ রাখার জন্য বড়জোড় একটি ট্রলি এনে দিতে পারি। এর বেশি কিছুনা। আমার নীতি হলো- যদি আপনি ওভারহেড বগিতে আপনার হ্যাণ্ডব্যাগ না রাখতে পারেন, এবং আমিই নিকটতম ব্যক্তি হই। তবে দয়া করে কেবিন ক্রু আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এই পরিস্থিতিতে আমি অসহায়ের সহায় হবো না। অসহায়কে অবশ্যই সাহায্য করবো ভালো কথা । কিন্তু নিজেকে যেন পরে অসহায় হতে না হয়।

সি-১...
পুরো লেখাটি এয়ারপোর্ট সেফটি এণ্ড সিকিউরিটি থেকে অনুবাদ করা।

12/02/2023

চাকরির বেতনের টাকাটা যখন আমার স্বামী আসিফের হাতে তুলে দিলাম, সে টাকাটা গুণে আমার দিকে তাকিয়ে বললো,
- “তুমি তো ৩০ হাজার টাকা বেতন পাও, এখানে তো দেখছি মাত্র ১০ হাজার টাকা!”

আমি বললাম- ১০ হাজার তোমাকে দিলাম, ১০ হাজার নিজের কাছে রাখলাম আর বাকি ১০ হাজার আমার বাবা-মায়ের জন্য।
আসিফ অবাক হয়ে বললো,
- “তোমার বাবা-মায়ের জন্য মানে! মেয়েকে বিয়ে দিয়েছে মানে মেয়ের উপর তাদের দায়িত্ব শেষ! আর স্বামীর বাড়ি পা রেখেছো মানে তোমারও তাদের উপর দায়িত্ব শেষ! আলাদা করে উনাদের প্রতিমাসে তোমার টাকা দিতে হবে না। দাও বাকি টাকাটা দাও!”

আমি বাবা-মায়ের জন্য যে টাকাটা আলাদা করে রেখেছিলাম, সেই টাকাটাও আসিফের হাতে তুলে দিলাম। আসিফ টাকাটা গুণে বললো
- “তোমার নিজের জন্য টাকা রাখতে হবে কেন? তোমার যা লাগে সবই তো আমি দিই!”
আসিফের কথার ধরণ দেখে বুঝতে পেরেছিলাম কি বুঝাতে চেয়েছে। আমি আমার জন্য রাখা টাকাটাও চুপচাপ তার হাতে দিয়ে দিলাম…

শ্বাশুড়িও কিছুটা তার ছেলে আসিফের মতোই। একদিন মার্কেট থেকে একই রঙের দুইটা শাড়ি এনে শ্বাশুড়িকে দেওয়ার পর শ্বাশুড়ি বললো,
- “বউমা, একই রঙের দুইটা শাড়ি এসেছো কেন? দুইটা দুই রকম আনতে?”
আমি বলেছিলাম- একটা আপনার জন্য, একটা আমার মায়ের জন্য।
সেদিন শ্বশুড়ি বিরক্ত হয়ে বলেছিল
- “তোমার আহ্লাদ দেখে বাঁচি না। মেয়ে মানুষের বিয়ের পর স্বামীর বাড়িই সব। এতো বাপের বাড়ির কথা চিন্তা করলে হবে?”
মাথা নিচু করে বলেছিলাম- ঠিক আছে, আর বাপের বাড়ির কথা চিন্তা করবো না!

পরদিন সকালে অফিস যাওয়ার সময় আসিফকে বললাম,
- আমাকে ভাড়া বাবদ ২০০ টাকা দিও। আর শোনো, বাসায় ফেরার সময় আমার জন্য নতুন দুই সেট ব্রা*-পেন্টি* নিয়ে এসো, আর হ্যাঁ ফার্মেসি থেকে এক প্যাকেট প্যাডও। ব্রা আনার সময় ভুল সাইজ এনো না কিন্তু! যদি আনো, তাহলে তোমারই আবার সেটা চেঞ্জ করে আনতে হবে।
কথার ধাক্কাটা হয়তো আসিফ নিতে পারেনি। তাই বোবা হয়ে গেলো! আমি মানিব্যাগ থেকে ২০০ টাকা নিয়ে অফিস চলে গেলাম…

অফিস থেকে ফেরার পর শ্বাশুড়ি একটা শাল দেখিয়ে বললো,
- “এটা রিনা (আমার ননদ) আমার জন্য কিনে পাঠিয়েছে। কেমন হয়েছে বউ মা?”
কিছুটা অবাক হয়ে বললাম
- রিনার তো বিয়ে হয়েছে। সে শ্বাশুড়ির জন্য শাল না কিনে কোন আক্কেলে আপনার জন্য কিনেছে বুঝলাম না! বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িই মেয়েদের নিজের বাড়ি! জানি না রিনার এতো আহ্লাদ কেন? যা হোক, শালটা আমি নিয়ে গেলাম। পরে সময় মতো রিনার কাছে পাঠিয়ে দিবো! একথা বলে শ্বাশুড়ির গা থেকে শালটা খুলে নিজ রুমে চলে আসলাম…

কিছুক্ষণ পর আসিফ বাসায় ফিরলে তাকে জিজ্ঞেস করলাম,
- আমার জিনিস এনেছো?
আসিফ মুখ ভোঁতা করে বললো- “না, আনিনি!”
কিছুটা রেগে বললাম,
- আনো নি কেন? আমার পেট ব্যথা শুরু হয়েছে। একটু পর যখন পিরিয়ড শুরু হবে, তখন বিদেশ থেকে আনা এই দামী কম্বলে রক্তের দাগ লেগে গেলে সেটা কি ভালো লাগবে? আমার কথা শুনে আসিফ তাড়াতাড়ি রুম থেকে বের হয়ে গেলো…

কিছুক্ষণ পর এক প্যাকেট প্যাড এনে আমার হাতে দেওয়ার পর আমি বললাম
- বাকী জিনিস কোথায়?
আসিফ মাথা নিচু করে ১০ হাজার টাকা হাতে দিয়ে বললো
- “আজ থেকে তোমার জিনিস তুমিই কিনো। মেয়েদের সব জিনিস পুরুষ কিনতে পারে না!”

পরদিন বাবা বাসায় এসে আমার স্বামী-শ্বাশুড়ির সামনে আমাকে বললো,
- “মা, আমার বয়স হয়েছে। কখন কি হয় বলা যায় না। তুই তোর প্রাপ্য সম্পত্তিগুলো বুঝে নে।”

বাবার দিকে তাকিয়ে বললাম,
- কিসের সম্পত্তি বাবা? তুমি জানো না, মেয়েরা বিয়ের পরে পর হয়ে যায়? তুমি যেদিন আমায় বিয়ে দিয়েছো, সেদিনের পর থেকেই আমার প্রতি তোমার দায়িত্ব শেষ! আর আমি যখন শ্বশুরবাড়িতে পা রেখেছি, তখনই তোমার প্রতি আমার দায়িত্ব শেষ! আমার স্বামী-শ্বাশুড়ি আমাকে সেটাই শিখিয়েছে!

বাবা অবাক হয়ে বললো,
- “মা, এসব তুই কি বলছিস?”
আমি বললাম- ঠিক বলেছি বাবা, আমার কিছুই লাগবে না।
আসিফ আমতা আমতা করে আমাকে বললো,
- “তুমি আমাদের ভুল বুঝছো, বিষয়টা এমন না!”
শান্ত গলায় আসিফকে বললাম,
- তুমিই বলো বিষয়টা কেমন? আমার কি ইচ্ছে হতে পারে না, যে মানুষটা আমাকে এতো বড় করলো, পড়াশোনা শিখিয়ে যোগ্য পাত্রের সাথে বিয়েও দিলো, তার জন্য কিছু করতে? আজ আমি চাকরি করছি সবটা তো উনার জন্যই। উনি তো চাইলেই পারতেন উনার মেয়েকে পড়াশোনা না করাতে। আমার বিয়ে হয়ে গেছে বলে উনার প্রতি আমার সব দায়িত্ব শেষ হয়ে যাবে? মেয়ে বিয়ে দিলেই যদি বাবা-মায়ের দায়িত্ব শেষ হয়ে যেতো, তাহলে আমার বাবা এখানে আসতো না আমার প্রাপ্য আমাকে বুঝিয়ে দিতে।
আসিফ আর কোন কথা না বলে মাথা নিচু করে রইলো…

আমি তখন শ্বাশুড়িকে বললাম,
- এক মাকে ছেড়ে আরেক মায়ের কাছে এসেছি। আমার দুই-দুইটা মা! যে মেয়ের দুই-দুইটা মা, সে তো একটু আহ্লাদি হবেই। আমি এক মায়ের জন্য কিছু কিনবো, আরেক মায়ের জন্য কিনবো না, সেটা কিভাবে হয় মা, আপনিই বলুন?

শ্বাশুড়ি মাথা নিচু করে কাঁদতে লাগলো…

আসিফ আমার হাত ধরে বললো,
- “তুমি তোমার সম্পত্তি নাও কিংবা না নাও, এতে আমার বিন্দু পরিমাণ আপত্তি নেই। কিন্তু তুমি আমাকে কখনো ছেড়ে যেও না। আমি চাই তোমার সাথে থেকে হলেও আমার নিচঁ মন-মানসিকতার পরিবর্তন হোক।”

বাবা আমাদের এসব কথা শুনে অবাক হয়ে বললো- “মা রে, আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না!”
হেসে বললাম- তেমন কিছু না বাবা। একটু সমস্যা হয়েছিল, তোমার সামনেই সেটা সমাধান হয়ে গেলো।

শ্বাশুড়ির কাছে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে বললাম
- আহারে সোনা, শালটা নিয়ে গেছি বলে কান্না করতে হবে না?
শ্বাশুড়ি আমার কান টেনে বললো,
- “ফাজিল মেয়ে, মায়ের সাথে ঢং করা হচ্ছে? শালের জন্য না, আমি আমার করা ভুলের জন্য, আর এক মেয়েকে বিয়ে দিয়ে আরেকটা মেয়ে পেয়েছি, সেই খুশিতে কান্না করছি।”

মানুষ কখনো ভুলের উর্ধ্বে নয়। সংসার জীবনে এমন সমস্যা হতেই পারে। আপনার প্রতিবাদের কৌশলটা শুধু একটু অন্য রকম হোক…

-প্রতিবাদের কৌশল হোক অন্য রকম
-আবুল বাশার পিয়াস
(Copied)

তোমার হাসিতে পৃথিবী হাসে, তোমার কোন তুলনা হয়না, তুমি সেরাদের সেরা, তোমার তুলনা তুমি নিজেই, তোমার জন্য এ বিশ্বকাপ-2022,অভ...
04/01/2023

তোমার হাসিতে পৃথিবী হাসে, তোমার কোন তুলনা হয়না, তুমি সেরাদের সেরা, তোমার তুলনা তুমি নিজেই, তোমার জন্য এ বিশ্বকাপ-2022,অভিনন্দন আর্জেন্টিনা ৷

13/12/2022

#সন্তান_ও_শিক্ষা

অর্থবিত্ত হওয়া সত্ত্বেও আমি আমার একমাত্র ছেলেকে কখনো দশ টাকার বেশি টিফিন খরচ দেইনি। সে বরাবরই তার বন্ধুদের দেখিয়ে বলে বাবা দেখো আজ সে কতো ব্রাণ্ডেড ঘড়িটা পরে এসেছে। বাবা দেখো তার স্কুল ব্যাগটা ইম্পোর্টেট। সুন্দর না বাবা!

আমি মাথা নাড়িয়ে শুধু সম্মতি দেই।
আমার ছেলের সাহস কিন্তু হয়নি কখনো সেম জিনিসটা চাওয়ার। একদিন তার পায়ে সামান্য ব্যথা। স্কুল যাওয়ার সময় বললো বাবা আমাকে তোমার সাথে অফিসের গাড়িতে নিয়ে স্কুলে নামিয়ে দিবে?

আমি তার সমস্যার কথা বিবেচনা করে বললাম ঠিক আছে। এরপর প্রায় এক সপ্তাহ সে আমার সাথেই গেলো। আমি চুপচাপ তাকে নামিয়ে দিতাম। আমার ছেলের এখন দেখছি হেঁটে যেতে ইচ্ছে করছেনা। পরের দিন সকালে আমাকে বলার আগে আমিই বলে দিলাম অফিসিয়াল জিনিস ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নিষিদ্ধ। বাড়ি থেকে স্কুল দশ মিনিটের পথ নির্দিষ্ট সময়ের আরোও কিছুক্ষণ আগে বের হবে হেঁটে যেতে পারবে। ছেলে আমার প্রচন্ড মন খারাপ করে বসে রইলো।

এদিকে আমার স্ত্রীও মন খারাপ করেছে। কেনো করি এমন! এর উত্তর জানা নেই।

আজ সন্ধ্যায় ছেলে আমার বাড়িতে এসেই বলেছে জানো আমার বন্ধু শহরের সবচেয়ে সেরা স্কুলে ভর্তি হয়েছে। আমিও ………

বলার আগেই আমি তাকে থামিয়ে জানতে চাইলাম বাবা প্রতিষ্ঠান সেরা হয় নাকি ছাত্র? ধরো আমি তোমায় সে স্কুলে দিলাম কিন্তু তুমি ফেইল করলে কোনো এক সাবজেক্টে তাহলে আমি কি বলবো তুমি ফেইল নাকি স্কুল?

ছেলে বললো বুঝেছি বাবা।
আমি তার মাথায় হাত দিয়ে বললাম এই পর্যন্ত তোমার ক্লাসের কোনো ছেলেই তোমাকে কাটাতে পারেনি। তুমিই ফার্স্ট বয়। সুতরাং তুমি যেখানে সেরাটা দিবে সেই স্থানই সেরা তোমার মতো।

এরপর সে আর এরকম কোনো কথা বলেনি।
আজ বিকেলে ছেলে বলছে বাবা একজন এক্সট্রা টিউটর দরকার। আমার ম্যাথ ইংলিশে একটু সমস্যা হচ্ছে। আমি ছেলেকে বললাম বাবা একটু কষ্ট করতে হবে। আমি যখন রাত করে বাসায় ফিরবো ন'টা কিংবা দশটায় আমার কাছেই তোমাকে ম্যাথ আর ইংলিশ করতে হবে।

বাবা তুমি টায়ার্ড থাকো না?

আমি হেসে বললাম, না বাবা। আমার কাছে এতো সামর্থ্য নেই তোমাকে এক্সট্রা টিউটর দেওয়ার। আমি বরং একটু কষ্ট করি। কি বলো?

ছেলে আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো ঠিক আছে বাবা।

স্ত্রী রাতের বেলা জিজ্ঞেস করলেন তুমি এরকম দশটা টিউটর রাখতে পারো কিন্তু!

কিন্তু আমি চাই আমার সন্তান বুঝুক আরাম করে কিছু পাওয়া যায় না। মানুষের জীবনে অভাব আসলে তা কিভাবে মোকাবিলা করতে হয় সে সিস্টেম সে শিখুক। কোনো কিছুই মন্দ নয় সে বুঝুক।

আমার স্ত্রী চুপ হয়ে গেলেন।

মাঝে মাঝে আমার ছেলেকে নিয়ে আমি ফুটপাতে হাঁটি। পথশিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন মানুষের সম্পর্কে জানাই। সে জানুক পৃথিবী শুধু চিন্তায় সুন্দর। বাস্তবে খুব কঠিন।

আমি চাওয়া মাত্রই তাকে কিছু দেইনি।
একদিন সে বলেছিলো বাবা তুমি এরকম কেনো?

তাকে বলেছিলাম সময় হলে বুঝবে।

দুই তিন আগে সে ইলিশ পোলাও খাবে।
তাকে বললাম টাকাতো কম। তোমার কাছে কিছু আছে? থাকলে ইলিশ আনা যাবে। ছেলে আমার পঞ্চাশটি দশ টাকার নোট বের করে দিল।
আমি অবাক হয়ে বললাম তুমি খরচ করোনি?

সে মুচকি হাসি দিয়ে বললো, না বাবা। জমিয়েছি। আমার পরিচিত এক ভাই স্কুলে না খেয়েই আসে। কোনো টাকাও নেই তার কাছে। আসলে সে খুব অসহায় বাবা। আমি মাঝে তাকে ক্ষুধার্ত দেখে বুঝতে পারি সেদিনই তার সাথে খাই কারন তখন সে না করে না। অন্যান্য দিনগুলো টাকা খরচ করিনা। জমিয়ে রাখি কারন বাসা থেকে মা যা দেয় তাতো যথেষ্ট কারন কিছু মানুষ সামান্যটুকুও পায় না।

আমি ছেলের দিকে তাকিয়ে আছি।
সেই গুছানো টাকা নিয়ে আরোও টাকা মিলিয়ে ইলিশ এনে ছেলেকে ইলিশ পোলাও খাওয়ালাম।

ইচ্ছে করেই অভাব ফিল করাই যাতে সে বুঝুক জীবনটা কঠিন। অনেক কঠিন।

ঈদের বাজারে গিয়ে তাকে বলেছি সাধ্যের মধ্যে নিতে। সে একটা প্যান্ট নিয়েছে শুধু। জানতে চাইলে বলে তোমার জন্য পাঞ্জাবি আর মায়ের জন্য শাড়ি নিয়েছি।

আমি হাসলাম।
সে বুঝতে শিখেছে টাকা কিভাবে খরচ করতে হয়।
একদিন বসে বসে বলছে বাবা সায়েমটা আর মানুষ হলো না অথচ আংকেল তার জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। যা চেয়েছে সে, তার সবটাই তাকে দিয়েছেন।
আমি ছেলেকে বললাম আমি কি তোমাকে কিছু দিতে পারিনি?

ছেলে আমার কোলে মাথা রেখে বললো প্রতিটা চাহিদা পূরন করে শিখিয়েছ অভাবে যেন স্বভাব নষ্ট না হয়। তুমি জীবনের যে শিক্ষা দিয়েছ বাবা তা সব কিছুর উর্ধে। তুমি শিখিয়েছ অভাবকে কিভাবে ভালবাসতে হয়। আমি এখনো জানি আমার বাবার আমি ছাড়া কিছু নাই। বাকীটা আমাকে করে নিতে হবে। সবকিছু ইউটিলাইজ করতে হবে। আমি সাধারণ জামাকাপড়েও হীনমন্যতায় ভুগি না বাবা। কারন আমি জানি আমি কে!

তোমার দেয়া শিক্ষা আমি সারাজীবন ধরে রাখবো বাবা। চাওয়া মাত্রই পেয়ে গেলে আমি কখনো জানতামই না পঞ্চাশ দিন না খেয়ে টিফিন মানি জমালে পাঁচশো টাকা জমা হয়। তুমি আছো বলেই সম্ভব। আমি মানুষকে মানুষের চোখে দেখি। আমি বুঝি জীবন কতো কঠিন।

আমার স্ত্রী আমাকে আজ খুব খুশি।
বুঝতে পেরেছেন আমার উদ্দেশ্যটা।

প্রায় দশ বছর পর ছেলে প্রাইভেট কার কিনেছে নিজ ইনকামে। হাসতে হাসতে বলে বিগত পাঁচ বছরে টিফিন মানি আর বোনাসের জমিয়ে এটা কিনেছি।

বুঝতে পেরেছিলাম ছেলে আমার সঞ্চয়ী হয়েছে।
সাথে হয়েছে ভালো মানুষ।

সপ্তাহ খানিক পর যাবতীয় সম্পত্তি তার নামে লিখে দিয়ে বললাম সামলে রেখো। ছেলে দলিল আমার হাতে দিয়ে বললো তোমরা সাথে থেকো। আর কিছু লাগবে না।

আজ তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে আমার স্ত্রী নীলিমাকে বললাম দেখেছো আমি ভুল করিনি। আমি আমার সন্তানকে মানুষ করতে গিয়ে জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাটাই দিয়েছি যেমনটা আমার বাবা দিয়েছিলেন আমাকে। আমি অভাবে সন্তানকে লজ্জিত হওয়া নয় বরং দৃঢ় থাকতে শিখিয়েছি।

কালেক্টেড

05/12/2022

পুরুষ মানুষ বিয়ের পরেও ছাত্র‘ই থেকে যায়.!

বউ মনে করে ‘মা‘ শিখিয়ে দিচ্ছে,
মা মনে করে ‘বউ‘ শিখিয়ে দিচ্ছে।

স্বামী-স্ত্রী প্রচন্ড ঝগড়ার পর স্বামী রাগ করে অফিসে চলে গেল। 🙂দশ মিনিট পরে স্ত্রীর ফোন "আমি চললাম, তোমার সংসার ছেলে মেয়ে...
03/12/2022

স্বামী-স্ত্রী প্রচন্ড ঝগড়ার পর স্বামী রাগ করে অফিসে চলে গেল। 🙂

দশ মিনিট পরে স্ত্রীর ফোন "আমি চললাম, তোমার সংসার ছেলে মেয়ে সব ফেলে। যে দিকে দু'চোখ যায়।🙂
স্বামী ঠিক আছে, যাও বলে ফোনটা কেটে দিল। (এটা বিশ্বাস) ।🥰

দুপুরে লাঞ্চ টাইমে বাসায় এসে দেখে স্ত্রী কোথাও যায়নি বাসাতেই আছে এবং রান্না বান্না করে টেবিলে খাবার সাজিয়ে রেখেছে। (এটা মায়া)🥰

এরপর দুজন দুই রুমে মুড অফ করে শুয়ে আছে, কারো কোন কথা নেই। কেউ কাউকে খেতেও ডাকছে না নিজেও খাচ্ছে না। (এটা অভিমান) 🥰

বিকেলে স্ত্রী তার বাচ্চাকে নিয়ে কোচিং-এ চলে গেল। (এটা দায়িত্ববোধ)🥰

স্বামী বেচারা প্রচন্ড ক্ষুধার্ত হয়ে ডাইনিং টেবিলে গিয়ে দেখে দুটো প্লেট সাজানো, দুটো গ্লাসে পানি ঢালা, তারপর কি ভেবে ফিরে এলো রুমে। ঠিক করলো স্ত্রী এলে দুজন একসাথে খাবে। (এটা অপেক্ষা) 🥰

রুমে এসে স্ত্রীর মোবাইলে টেক্সট করলো, "তুমি যে কারনে যেতে পারোনি, আমিও সে কারণে খেতে পারিনি।" এটা ভালোবাসা..!🥰🖤

শুধু ভালোবাসা দিয়ে সংসার টেকে না, সংসার টিকে থাকার জন্য দরকার বিশ্বাস, মায়া,অভিমান,দায়িত্ববোধ এবং অপেক্ষার...!🥀🥰

সঙ্গীর সঙ্গে যত ঘনিষ্ঠ হবেন সম্পর্ক ততই মজবুত হবে
30/11/2022

সঙ্গীর সঙ্গে যত ঘনিষ্ঠ হবেন
সম্পর্ক ততই মজবুত হবে

৪ টি কুকুর ও ১ টি চিতাবাঘের মধ্যে দৌড় প্রতিযোগিতা দেয়ার মূল লক্ষ্য ছিলো দ্রুতক্ষমতা দেখাকিন্তু অবাক করার বিষয় হলো চিত...
29/11/2022

৪ টি কুকুর ও ১ টি চিতাবাঘের মধ্যে দৌড় প্রতিযোগিতা দেয়ার মূল লক্ষ্য ছিলো দ্রুতক্ষমতা দেখা

কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো চিতাবাঘ তার জায়গা থেকে এক চুলও নড়েনি।

রেস কো-অর্ডিনেটরকে জিজ্ঞেস করা হলো কি হয়েছে, চিতাবাঘ কেনো দৌড়াচ্ছে না। তিনি উত্তর দিলেন: কখনও কখনও নিজেকে সেরা, তা প্রমাণ করার চেষ্টা করা অপমানজনক।

শক্তি দেখানোর জন্য নিচের স্তরে নেমে যাওয়ার দরকার নেই।

চিতা তার গতি ব্যবহার করে শুধুমাত্র শিকার করার জন্য, কুকুরের কাছে প্রমাণ করতে নয়, যে সে সবচেয়ে দ্রুতগতিসম্পন্ন এবং শক্তিশালী....

♥️ সংগ্রহিত ♥️

17/09/2022

বিপদে পড়ে টাকা চেয়েছেন কারো কাছে, সাথে সাথেই ব্যবস্থা করে দিয়েছে। তারমানে এই নয় যে আপনার জন্য অলস টাকা নিয়ে সে বসে ছিলো। কেউ আপনার খাবারের বিল আগে দিয়ে দিয়েছে, মানে এই নয় যে তার কাছে টাকার পাহাড় আছে। লোকাল বাসে আপনার ভাড়াটা পরিচিত কেউ দিয়ে দিয়েছে, মানে এই নয় যে তার মানিব্যাগ ভর্তি টাকা আছে। তার টাকার পাহাড় নেই কিন্তু পাহাড়ের চেয়েও উঁচু একটা মন আছে..I

কেউ আপনাকে বিনয়ের সাথে 'সরি' বলেছে মানে এই নয় যে সব দোষ তার। কিছু দোষ হয়তো আপনারও ছিল অথবা তার আসলে কোনো দোষই ছিল না, শুধু অহেতুক ঝগড়া করে সম্পর্কটা নষ্ট করতে চায়নি বলেই সে সরিটা নিজেই বলে দিয়েছে। এটা তার দুর্বলতা নয়, এটা তার বিনয়।

কেউ আপনার সব কথা মেনে নিয়েছে মানে এই নয় যে, আপনি সবসময় যৌক্তিক কথা বলেন। বরং আপনাকে সে প্রচন্ড ভালোবাসে বলেই আপনার যৌক্তিক অযৌক্তিক সব কথাই সে মেনে নেয়। যাতে আপনি এতটুকু কষ্ট না পান।
সব কথার জবাব সবাই মুখে দেয় না। কেউ কেউ সময়ের হাতে ছেড়ে দেয়। কেউ একটু হেসেই চলে যায়। তার হাসির মানে এই নয় যে আপনার কথা তার ভালো লেগেছে।

যার সম্পর্কে আপনি খুব মিথ্যা বাজে কথা বলেছেন তিনি সেসব শুনেও প্রতিবাদ না করে চলে গেছে মানে এই নয় যে সে আসলেই তাই যা আপনি তার সম্পর্কে বলেছেন। বরং লোকটার তার নিজের প্রতি সম্মানটা অনেক বেশি যার কারণে কারো নোংরা কথার জবাব দিয়ে তিনি তর্কে জড়াতে চায়নি।

কেউ আপনাকে ক্ষমা করে দিয়েছে মানে এই নয় যে আপনি খুব ছোট ভুল করেছেন বা কোনো অপরাধই করেননি। বরং এমনও হতে পারে তিনি বিচারটা মহান স্রষ্টার হাতেই তুলে দিয়েছেন।

প্রতিশোধ না নেওয়াটাই কখনো কখনো বড় প্রতিশোধ হয়ে যায়।

Address

Ha Noi
Yen Nguu
60

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PURE TOUCH posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to PURE TOUCH:

Share