25/08/2025
আমার মেয়ের বিয়েতে ভরি ভরি গয়না আর ফার্নিচার না দিয়ে অল্প পরিমান কিছু দেবো।কিন্তু আমার কাছে মেয়ে ওয়ারিস হিসেবে যেই সম্পত্তি পাবে,সেটা দিয়ে মেয়েকে ছোট করে হলেও একটা ঘর বানিয়ে দেবো।অথবা ঘর করার একটা ছোট জায়গা কিনে দেবো, যেইটাতে একমাত্র হস্তক্ষেপ থাকবে শুধুমাত্র আমার মেয়ের, তার স্বামী,সন্তান,বাবা,ভাই,কেউ সেখানে কোনো অংশ পাবে না তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।এর ফলে অন্তত কোথাও অবহেলিত হতে হবে না ওকে।
আমার মেয়ে যেনো অন্তত বাড়ি টা ভাড়া দিয়ে হলেও মান্থলি একটা ইনকাম করতে পারে।
((জানো তো,আজকাল টাকা আর জায়গা থাকলে তাকে খুব মান্য করে ))
আর বাবার বাড়িতে ভাইয়ের সংসারে বা স্বামীর বাড়িতে অথবা নিজের ছেলের সংসারে অশান্তিতে থাকলে অন্তত আমার মেয়ে দিনশেষে এইটা ভেবে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারে যে,
আমার একটা ঘর আছে।🙂
সেই ঘর টাতে গিয়ে মাঝে মাঝে আমার মেয়ে আনন্দে চোখের জল ফেলবে।মন চাইলে বেলা গড়িয়ে ঘুম থেকে উঠবে,দেরিতে খাবে।কোনো কথা শুনানোর অধিকার কারো থাকবে না।
কথাগুলোতে অনেক প্রশ্ন উঠবে আমি জানি,কিন্তু বাস্তবতা বড্ড তিক্ত🙂যারা ভুক্তভোগী তারাই বুঝবে আমার কথা গুলোর মর্ম।
জীবনে মেয়েরা একটা সময় একটা ঘরের খুব অভাব বোধ করে।একটা ব্যক্তিগত ঘরের অভাব।
প্রতিটা মেয়ের একটা নিজস্ব যেটা একেবারে তার ঘর থাকা দরকার, অন্তত কারোর খোঁটা খেতে হবে না এই এটা তোমার ঘর না।😭😭
আমার মনে হয় প্রতিটি বাবা মায়ের এটাই করা উচিত। একটা মেয়ের শশুর বাড়ি যদি ভালো হয় তাহলে তো খুবই ভালো। কিন্তু যদি একবার খারাপ হয়ে যায় তাহলে সেই মেয়েটা না শান্তিতে শশুর বাড়িতে নিশ্বাস নিতে পারবে আর না বাপের বাড়িতে শান্তিতে থাকতে পারবে। তাহলে যদি তার একটা নিজের ঘর থাকে সে অন্তত শান্তিতে বাঁচতে পারবে।
আমি আমার মতামত শেয়ার করলাম। সবার মতামত সমান নাও হতে পারে।।।