19/04/2025
সম্ভব তুমি বল ছেলে আমার!
বাবা- ভেবে দেখ আমি কিন্তু ভালরজন্যই বলছি।
মা- সে হয়না তুমি যা বলনা কেন আমি পারবোনা আপন ছেলের সাথে।
বাবা- পারতে হবে আশা আমার কাছে আস শোন ওকে দেখাবে তোমার এই বড় বড় দুধ নীচু হয়ে তোমার পাছা দেখাবে দেখবে ও তাকাবে, মাঝে মাঝে ওর সাথে দুধের ছোয়া লাগাবে ছেলে পাগল না হয়ে পারবেনা।
মা- আমি পারবোনা আমার দ্বারা হবেনা তুমি যা বলনা কেন।
আমি বাবা আর মায়ের কথা শুনে আর থাকতে পারলাম না লুঙ্গি তুলে বাঁড়া বের করে খিচতে লাগলাম আর মনে মনে মাকে চুদতে লাগলাম।
আমার সারে ৭ ইঞ্চি বাঁড়া লোহার রডের মতন শক্ত হয়ে লাফাচ্ছে, আমি খিচে চলছি। এক সময় চিড়িক চিড়িক করে বীর্য ফেলে দিলাম। এর পড় বাড়ির দিকে গিয়ে কলপার থেকে ঘুরে আসলাম।
আমি- মা ওমা কেউ এসেছিল।দোকানে ঢুকতে ঢুকতে বললাম।
মা- না।
আমি- তবে তুমি আর বাবা যাও আমি বন্ধ করে আসছি। ওনারা যেতে আমি সব গুছিয়ে আসলাম।
পরের দিন যথারীতি দোকানে বাবাও এল।
বিকেল হলেই বাবা বলল বাবা একটু এনে দিবি।
আমি- ঠিক আছে বলে এনে দিলাম। আর বললাম খেয়ে চুপচাপ বসবে মা আসলে বক বক করবেনা কিন্তু।
বাবা- না বকব না।
মা- আসল ৯ টা নাগাদ
বাবা- একদম চুপচাপ কিছুই বলছেনা।
আমি- কাস্টমার কে মাল দিচ্ছিলাম। ফাকে মাকে বললাম বাবাকে বাড়ি নিয়ে যাও।
মা- বাবাকে বলল যাও মেয়েটা একা আছে আস্তে আস্তে বাড়ি যাও আমরা বন্ধ করে আসছি।
বাবা- আচ্ছা বলে উঠে সোজা চলে গেল।
মা- কিরে আজ এত চুপচাপ খায় নাই।
আমি- হ্যা খেয়েছে তবে আমি আগে বলে নিয়েছি একদম বক বক করবেনা। তাই চুপচাপ।
মা- এভাবে বলে নিবি ওর আজে বাজে কথা আমার ভাল লাগেনা।
আমি- মা এবার বন্ধ করি বলে বাইরের জিনিশ আনতে গেলাম। তুমি ভেতোরটা ঝার দাও।
মা- ঝার দিতে লাগল আমি বাইরের জিনিস এনে ভেতরে রাখতে লাগলাম, মা নীচু হয়ে ঝার দিতে ছিল আমি ইচ্ছে করে হাঁতে নিয়ে এসে মায়ের পাছায় আমার খাঁড়া বাঁড়া ঠেকিয়ে দিয়ে বললাম সর এগুলো রাখব।
মা- এই যা লেগে গেল বলে সরে দারাল।
আমি- না মা তোমার লাগেনিতো।
মা- না না ঠিক আছে। তোর আনা হয়ে গেছে।
আমি- হ্যা মা
মা- তুই টুলে বস আমি ভাল করে ঝার দিয়ে দিচ্ছি।
আমি- টুলের উপর বস্তে মা নিচু হয়ে ঝার দেওয়ার সময় মায়ের দুধ দূটো দেখতে পেলাম। উ কি বড় বড়। মা আঁচল ফেলে দিয়ে ঝার দিচ্ছে এর পড় বসে পড়ল হাটুর চাপে দুধ দুটো ঠেলে বেড়িয়ে আসছে। উহ কি সুন্দর মায়ের দুধের খাঁজ। মুহূর্তের মধ্যে আমার বাঁড়া তিড়িং তিড়িং করে লাফিয়ে উঠল।
মা- ঝার দিতে লাগল আমি বাইরের জিনিস এনে ভেতরে রাখতে লাগলাম, মা নীচু হয়ে ঝার দিতে ছিল আমি ইচ্ছে করে হাঁতে নিয়ে এসে মায়ের পাছায় আমার খাঁড়া বাঁড়া ঠেকিয়ে দিয়ে বললাম সর এগুলো রাখব।
মা- এই যা লেগে গেল বলে সরে দারাল।
আমি- না মা তোমার লাগেনিতো।
মা- না না ঠিক আছে। তোর আনা হয়ে গেছে।
আমি- হ্যা মা
মা- তুই টুলে বস আমি ভাল করে ঝার দিয়ে দিচ্ছি।
আমি- টুলের উপর বস্তে মা নিচু হয়ে ঝার দেওয়ার সময় মায়ের দুধ দূটো দেখতে পেলাম। উ কি বড় বড়। মা আঁচল ফেলে দিয়ে ঝার দিচ্ছে এর পড় বসে পড়ল হাটুর চাপে দুধ দুটো ঠেলে বেড়িয়ে আসছে। উহ কি সুন্দর মায়ের দুধের খাঁজ। মুহূর্তের মধ্যে আমার বাঁড়া তিড়িং তিড়িং করে লাফিয়ে উঠল।
মা- ঝার শেষ করে বল নে এবার শাটার ফেল হয়ে গেছে তো।
আমি- হ্যা মা বলে বেড়িয়ে শাটার ফেললাম। এবং পেছন দিয়ে ভেতরে আসলাম।
মা- হয়েছে চল।
আমি- দারাও ক্যাশ গুছিয়ে নেই।
মা- কই দেখি বলে আমার সাথে হাত লাগাল। দুজনে গুছিয়ে বাড়ি গেলাম।
পরের দিন দুপুরে বাড়ি গেলে দেখি মা কলপারে দারিয়ে স্নান করছে।
আমি- মা আজ এত দেরি হল।
মা- কি করব কাচাকাচি ছিল তাই
আমি- বাবা কই, বোন এখনো কলেজ থেকে ফেরেনি।
মা- খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে ওকে খাওতে আরো দেরী হয়ে গেল। তর বোনের আজ আসতে দেরী হবে। তুই এক কাজ করবি আমার পিঠে একটু সাবান লাগিয়ে দিবি। একা একা পারা যায়না।
আমি- ঠিক আছে দারাও গামছা পরে আসছি বলে ঘরে গিয়ে সব ছেরে গামছা পরে এলাম। হাঁতে সাবান খোসা নিয়ে মায়ের চওড়া পিঠে সাবান লাগিয়ে দিতে লাগলাম ব্লাউজ খোলা, পাশ দিয়ে দুধ দেখা যাচ্ছে। কি ফর্সা আমার মা আর তেমন ফিগার গামছার ভেতর বাঁড়া দারিয়ে গেছে, ভাল করে রগড়ে রগড়ে মায়ের পিঠে সাবান লাগিয়ে দিলাম।মা- নে এবার হয়েছে বলে খোসা নিয়ে নিজের দু পায়ে সাবান দিতে লাগল, ধবধবে ফর্সা মায়ের পা দুটো।
আমি পাশে দারিয়ে মায়ের সাবান দেওয়া দেখছি, আর বাঁড়া দুপায়ের মাঝে চেপে রেখেছি, ভেতরে টন টন করছে।
মা- সাবান লাগানো শেষ করে বলল বালতিতে জল ভরে দে বাবা।
আমি- কল চেপে বালতি ভরে দিলাম, পা ফাকা করে দারাতে আমার বাঁড়া গামছা ঠেলে বেড়িয়ে আসছে সেটা মায়ের চোখে পরে গেল।
মা- দে এবার ধেলে নেই বলে গায়ে জল ঢালল। শাড়ি ভিজে জাওয়ায় মায়ের দুধের বোটা দেখা যাচ্ছে। মা হাত দিয়ে রগড়াতে একটা দুধ বেড়িয়ে গেল, উহ কি বড় আর কালো বোটা মায়ের দুধের। এক মুহূর্ত দেখতে পেলাম। আরকে বালতি ভর বাবা।
আমি- এইত বলে বালতি ভরলাম কল চেপে।
মা- সামনে দারিয়ে আবার জল ঢালল।
আমি- মায়ের দুধ সম্পূর্ণ দেখতে পেলাম। এবং আমার বাঁড়া ধরে গামছার ভেতর চেপে রাখলাম।
মা- নে আমি যাচ্ছি তুই স্নান করে আয়।
আমি- ঠিক আছে মা, বলে মায়ের দিকে তাকালাম, মা হেটে যাচ্ছে। উহ কি বড় পাছা মায়ের শাড়ি লেপটে আছে মায়ের পাছার সাথে একদম তানপুরার মতন।
যাহোক হবে মনে হয় ভেবে আমিও স্নান করে ঘরে ফিরলাম।
খেয়ে একটা ঘুম দিলাম, ঘুম ভাঙল কেয়ার ডাকে, উঠে তাকাতে দেখি কেয়া।
বোন- দাদা দোকানে যাবিনা ৫ টা বাজে।
আমি- হ্যা বলে উঠে পরলাম আর ওর দিকে তাকালাম দেখি নাইটি পরে দাঁড়ানো। ভেতরে মনে হয় কিছু পরেনি, দুধ দুটো খাঁড়া খাঁড়া বেশ বড় মায়ের মতন। কিরে কখন বাড়ি এলি।
বোন- এইত কিছুখন আগে খেয়ে উঠে তোকে ডাকতে এলাম।এবার ওঠ দাদা।
আমি- যাচ্ছি বলে উঠে বসলাম।
কেয়া- দাদা তোর অনেক কষ্ট হয় দুবেলা দোকানদারী করিস।
আমি-দূর পাগল দোকানে বসে থাকা এতে আর কি কষ্ট। তুই বস আমার পাশে, আর কেমন চলছে পড়াশুনা।
কেয়া- এই চলছে দাদা, আমি তোর জন্য একটা চাকরির ফর্ম এনেছি এবার বসবি।
আমি- সময় কই।
কেয়া- না দাদা তোকে চাকরি করতে হবে। আমি সাহায্য করব নোট ঘুছিয়ে দেব।
আমি- তুই অনেক বড় হয়ে গেছিস রে।