Chasi Vi

Chasi   Vi চাষীদের সাহায্য করার জন্য এই page বানানো হয়েছে। চাষীদের কষ্টকে আমরা অনুভব করতে পারি। সহযোগিতা করুন।

19/02/2026
12/02/2026

পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন পদ্ধতি।

বাংলাদেশে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের জন্য রবি মৌসুমে (অক্টোবর-নভেম্বর) সুস্থ ও মাঝারি আকারের (২০-২৫ গ্রাম) কন্দ নির্বাচন করে, সুনিষ্কাশিত দোআঁশ মাটিতে ১.৫-২ ফুট সারিতে রোপণ করতে হয় [৩, ৪, ৮]। কন্দ রোপণের পর সুষম সার (গোবর, ইউরিয়া, পটাশ) ব্যবস্থাপনা, নিয়মিত সেচ, আগাছা পরিষ্কার এবং ফুল আসলে পাখি বসার ব্যবস্থা করলে হেক্টর প্রতি ৫০০-৭০০ কেজি পর্যন্ত বীজ উৎপাদন সম্ভব।

পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন পদ্ধতির বিস্তারিত ধাপসমূহ:

১. উপযুক্ত সময়: কন্দ রোপণের সেরা সময় হলো কার্তিক মাস (মধ্য অক্টোবর-মধ্য নভেম্বর)

২. মাতৃকন্দ নির্বাচন ও প্রস্তুতি: ভালো মানের ও রোগের হাত থেকে মুক্ত মাঝারি আকারের (৩-৪ সেমি ব্যাস) পেঁয়াজ কন্দ নির্বাচন করতে হবে। রোপণের আগে কন্দের মাথা কেটে দিলে দ্রুত ও একসাথে চারা গজায়।

৩. জমি তৈরি: জমি ৪-৫টি চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। বেড তৈরির সময় পর্যাপ্ত গোবর সার দিতে হবে।

৪. রোপণ পদ্ধতি: সারি থেকে সারি ১.৫-২ ফুট এবং কন্দ থেকে কন্দ ১-১.৫ ফুট দূরত্বে কন্দ রোপণ করতে হবে।

৫. সার ও পরিচর্যা: প্রতি শতকে ইউরিয়া ২০০-২৫০ গ্রাম এবং পটাশ সার ব্যবহার করা উচিত। নিয়মিত সেচ (বিশেষ করে ফুল আসার সময়) এবং আগাছা দমন নিশ্চিত করতে হবে।

৬. পরাগায়ন ও রোগ দমন: পেঁয়াজের ফুলে মৌমাছি ও অন্যান্য পোকা পরাগায়নে সাহায্য করে। ছত্রাকজনিত সমস্যা (যেমন- পার্পল ব্লচ) দেখা দিলে ছত্রাকনাশক ব্যবহার করতে হবে।

৭. বীজ সংগ্রহ: ফুলের মাথা (কদম) বা আম্বেল যখন ধূসর বর্ণ ধারণ করে এবং বীজ কালো রঙের হয়, তখন তা ২-৩ ধাপে সংগ্রহ করতে হবে।

৮. শুকানো ও সংরক্ষণ: সংগৃহীত বীজ ভালোভাবে রোদে শুকিয়ে আর্দ্রতা রোধক পাত্রে বা কৌটায় সংরক্ষণ করতে হবে।

সাধারণত, কন্দ থেকে বীজ উৎপাদন পদ্ধতিটি বেশি লাভজনক এবং এতে ফলন বেশি পাওয়া যায়

29/01/2025

Address

Birbhum, Westbengal
Dubrajpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chasi Vi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category