03/12/2023
সাইয়্যিদুনা হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রতিদিন ও প্রতিরাতে পবিত্র কা’বা শরীফ উনার উপর ১২০টি রহমত মুবারক নাযিল করেন। তন্মধ্যে তাওয়াফকারীদের জন্য ৬০টি, নামাযীদের জন্য ৪০টি ও দর্শনার্থীদের জন্য ২০টি রহমত নাযিল করেন।”
উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত হলো যে, পবিত্র মক্কা শরীফ, কা’বা শরীফ, মদিনা শরীফ, রওযা শরীফ, বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ, মসজিদে কুবা শরীফ ও তৎসংলগ্ন স্থান ও বস্তুসমূহ মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে বিশেষভাবে সম্মানিত ও মর্যাদাপ্রাপ্ত। শুধু তাই নয়, সেগুলো মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন মুবারকের অন্তর্ভুক্ত।
মূলত: কা’বা শরীফ উনার এ ফযীলত ও মর্যাদার কারণেই আমাদের হানাফী মাযহাবের ফতওয়া মুতাবিক পবিত্র কা’বা শরীফ উনার ছাদে উঠা মাকরূহ তাহরীমী। শুধু তাই নয়, ফিক্বাহের কিতাবে উল্লেখ আছে, বিনা জরুরতে সাধারণ মসজিদের ছাদে উঠাও মাকরূহ। তাই যে সকল জায়নামাযে পবিত্র কা’বা শরীফ উনার ছবি রয়েছে, তাতে নামায পড়া আদব ও তাক্বওয়ার খেলাফ বা মাকরূহ। শুধু তাই নয় কাট্টা কুফরী চির জাহান্নামী হওয়ার কারণ। কেননা সেই মহাসম্মানিত জায়নামাজসমূহ মাটিতে বিছানোর কারণে পদদলিত হওয়াটাই স্বাভাবিক। আর যদি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য বা অবজ্ঞা করে কা’বা শরীফের নকশা পা দ্বারা মাড়ায় বা দলিত করে তবে স্পষ্ট কুফরী হবে।
এজন্য বেয়াদবদের প্রসঙ্গে মসনবী শরীফে উল্লেখ আছে যে-
بے ادب محروم گشت از لطف رب
“বেয়াদব মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত মুবারক থেকে বঞ্চিত।” নাঊযুবিল্লাহ!