05/06/2021
🌼আম পাকানোর টোটকা :
🍁সাধারণত আমরা বাগান থেকে সকালে আম সংগ্রহ শুরু করি, দেন প্যাকেজিং করি এবং তা শেষ হলে কুরিয়ারে বুকিং দেই। বুকিং দেওয়ার ১ থেকে সর্বোচ্চ ৩ দিনের মধ্যে আপনাদের হাতে আম পৌঁছে যায়। যেহেতু আমরা কাঁচা আম পাঠাই তাই প্রাকৃতিক ভাবে আম পাকানোর কিছু টোটকা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি -
🌼 #আম ডেলিভারি পাওয়ার পর কী করবেন:
🌼কেমিক্যাল না থাকার কারণে আমগুলো স্বাভাবিক যত্নে পাকবে না। বাড়তি যত্ন নিয়ে আমগুলোকে পাকাতে হবে।ক্যারেটের ভিতরে কোন আম নষ্ট বা চাপ খাওয়া হলে তা আলাদা করে রাখবেন।
🌼অবশিষ্ট আমগুলোকে পুনরায় ক্যারেটের মধ্যে কাগজ দিয়ে ভালভাবে ঢেঁকে গরম পরিবেশে রাখুন। এবার আমভর্তি আস্ত ক্যারেটটিকে কাপড় বা বস্তা দিয়ে ঢেঁকে গরম কোন রুমে - যেমন স্টোর রুমে পাকাতে দিন।
🌼ক্যারেটে রাখা আম দিনে সকালে - বিকালে অন্তত দুইবার পরিক্ষা করুন। পাকা আমগুলোকে সরিয়ে খেয়ে ফেলুন অথবা ফ্রীজে নরমালে সংরক্ষণ করুন। নতুবা ২৪ ঘন্টার মধ্যেই আম পঁচে যাবে। আমগুলো কখনোও বাজারের আমের মত সুন্দরভাবে পাকবে না বা রং আসবে না। বোঁটার কাছে পঁচন, চামড়ায় ছোট ছোট কালো দাগ এগুলো স্বাভাবিক।
🌼আরেকটি উপায় হলো কাগজের ব্যাগে কিংবা পেপারে মুড়ে সাথে একটি কলা কিংবা আপেল রেখে দিতে পারেন। কলা কিংবা আপেল থেকে নির্গত ইথিলিন আম পাকতে সাহায্য করে দ্রুত। (তবে পূর্বের পদ্ধতি অনুসরণ করার চেষ্টা করুন।
🌼ফ্যানের বাতাস, এসিরুম, ফ্রিজ কিংবা ঘরের ব্যালকনিতে কাঁচা আম রাখবেন না। এতে আম গুলো নষ্ট হবে ।
🌼তিন বেলা আম গুলো চেক করুন। গন্ধ শুকে দেখুন অথবা টিপে দেখে পাকা আম গুলো সরিয়ে ফেলুন। ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে চাইলে, অবশ্যই পরিপূর্ণ পাকা আম সংরক্ষণ করবেন নরমালে।
🌼আমাদের আমে নূন্যতম কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না, তাই বাজারের আমের মত আমাদের আম পাকার পর দেখতে আকর্ষণীয় হবে না। আমাদের পাকা আমের বোটার দিকে পঁচা শুরু করতে পারে। গায়ে ছোট ছোট কালো দাগ থাকতে পারে। তবে একদম বেশি দাগ হলে দেখুন পঁচে গেল কিনা?
🌼সাবধান: খোলা ঝুড়িতে, মেঝেতে, এসি রুমে, ফ্যানের নিচে, ঠান্ডা পরিবেশে কখনোও আম পাকবে না। এতে আমগুলো পঁচে যাবে, চামড়া কুঁচকিয়ে যাবে, আম আধাপাকা, আধাকাঁচা লাগবে।