Bismillah Health Care

Bismillah Health  Care Dr.Motiur Rahaman
(1)

IBS হজম সমস্যা ন্যাচারাল ও লাইফস্টাইল পরিবর্তন করার মাধ্যমে দুর করার নিরাপদ একটি প্রতিষ্ঠান।দেশ ও প্রবাসীরা উপকার পাবেন ইনশাআল্লাহ। এই পর্যন্ত ৪০০০+IBS সমস্যা দূরীকরণে সহায়তা করতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ।
https://youtube.com/.motiurrahaman?feature=shared

08/06/2026

IBS শতভাগ ভালো হবে — এই কথাটি অনেকেই শুনতে চান। বাস্তবে Irritable Bowel Syndrome (IBS) একটি দীর্ঘমেয়াদি হজমজনিত সমস্যা, তবে সুখবর হলো সঠিক নিয়ম মেনে চললে অধিকাংশ মানুষ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন এবং লক্ষণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। অনেকের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় কোনো উপসর্গও থাকে না।
IBS পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছু বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ:
কোন খাবারে সমস্যা বাড়ে তা চিহ্নিত করা
অতিরিক্ত তেল, ঝাল, ফাস্টফুড ও গ্যাস তৈরি করে এমন খাবার কমানো
পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা
নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করা
পর্যাপ্ত পানি পান করা
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া
IBS সাধারণত কয়েক ধরনের হতে পারে:
IBS-C (কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি)
IBS-D (ডায়রিয়া বেশি)
IBS-M (দুটোই পালাক্রমে)
IBS-U (অনির্দিষ্ট ধরণ)
প্রতিটি ধরনের চিকিৎসা ও খাদ্যাভ্যাস কিছুটা আলাদা হতে পারে। তাই নিজের উপসর্গ বুঝে পরিকল্পনা করা জরুরি।
অনেক সময় মানুষ ভয় পেয়ে ভাবেন এটি বিপজ্জনক রোগ। কিন্তু IBS সাধারণত ক্যান্সার বা আলসারের মতো ক্ষতিকর রোগ নয়। তবে যদি ওজন দ্রুত কমে যায়, রক্তপাত হয়, জ্বর থাকে বা রাতে ঘুম ভেঙে পেটের সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ধৈর্য ধরে জীবনযাত্রা পরিবর্তন করলে এবং নিয়ম মেনে চললে IBS অনেকটাই “ভালো হয়ে গেছে” এমন অনুভূতি পাওয়া সম্ভব।

IBD ভালো রাখার ৬টি কার্যকর উপায় IBD (Inflammatory Bowel Disease) যেমন Crohn's Disease এবং Ulcerative Colitis একটি দীর্ঘম...
07/06/2026

IBD ভালো রাখার ৬টি কার্যকর উপায়

IBD (Inflammatory Bowel Disease) যেমন Crohn's Disease এবং Ulcerative Colitis একটি দীর্ঘমেয়াদি অন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগ। সঠিক জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করলে উপসর্গ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

✅ ১. সুষম ও নিরাপদ খাবার খান
যে খাবার খেলে আপনার পেটের সমস্যা বাড়ে, সেগুলো চিহ্নিত করে এড়িয়ে চলুন। অতিরিক্ত তেল-মসলা, প্রক্রিয়াজাত খাবার ও ফাস্টফুড কম খাওয়ার চেষ্টা করুন।

✅ ২. পর্যাপ্ত পানি পান করুন
ডায়রিয়া বা ঘন ঘন মলত্যাগের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা জরুরি।

✅ ৩. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন
স্ট্রেস অনেক সময় IBD-এর উপসর্গ বাড়িয়ে দিতে পারে। নিয়মিত নামাজ, মেডিটেশন, হাঁটাহাঁটি বা পছন্দের কাজের মাধ্যমে মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।

✅ ৪. নিয়মিত ঘুমান
প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ভালো ঘুম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ভূমিকা রাখে।

✅ ৫. চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন
নিজে থেকে ওষুধ বন্ধ বা পরিবর্তন করবেন না। নিয়মিত ফলোআপ এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

✅ ৬. হালকা ব্যায়াম করুন
প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম হজমশক্তি উন্নত করতে এবং শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

💡 মনে রাখবেন, IBD পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপন ও চিকিৎসা—এই তিনটির সমন্বয় প্রয়োজন।

📌 আপনার বা আপনার পরিচিত কারও IBD থাকলে পোস্টটি শেয়ার করুন, যাতে আরও মানুষ সচেতন হতে পারেন।

✅ছেলে মেয়ের জন্য লজ্জা, ছি!ছি!!ছি!!!ধিক্কার!!! মায়ের ম'রদেহ ৭ দিন ধরে একা ফ্ল্যাটে পড়ে ছিল।নিঃসঙ্গতায় একা মারা গেলেন। মৃ...
01/06/2026

✅ছেলে মেয়ের জন্য লজ্জা, ছি!ছি!!ছি!!!ধিক্কার!!!
মায়ের ম'রদেহ ৭ দিন ধরে একা ফ্ল্যাটে পড়ে ছিল।
নিঃসঙ্গতায় একা মারা গেলেন। মৃত্যুর পরও সাত দিন কেউ তাঁর খোঁজ নিল না। লাশ পঁচে গলে গেছে, পোকায় খেয়েছে।আজকের ঘটনা,মিরপুরের।

তাঁর এক ছেলে যুগ্ম সচিব, আরেক ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক। মেয়ে ও জামাতাও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

তবুও ঈদের আনন্দের দিনগুলোতে কেউ একবার ফোন করেনি, কেউ খোঁজ নেয়নি।

উনার বাসার অবস্থা দেখলে মনে হয় দীর্ঘদিন অবহেলায় ছিলেন। কতদিন ঠিকমতো খেতে পারেননি, কত রোগ-শোক আর কষ্ট বুকে নিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন—তা কল্পনা করতেও কষ্ট হয়।
অথচ এই মা-ই ১০ মাস ১০ দিন গর্ভে ধারণ করেছিলেন সন্তানদের। নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে মমতা আর ত্যাগে তাদের লালন-পালন করেছেন। শিক্ষিত করেছেন, প্রতিষ্ঠিত করেছেন, সমাজে সম্মানিত অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছেন।

কিন্তু শেষ বয়সে তাঁর প্রাপ্য হলো নিঃসঙ্গতা, অবহেলা আর একাকী মৃত্যু।
কী নির্মম পরিণতি!
কেউ শেষবারের মতো কোন সন্তানকে পাশে পেলেন না।

তাঁদের নীরব কান্না আমরা অনেক সময় শুনতে পাই না।
আজ যাদের মা-বাবা বেঁচে আছেন, একবার ফোন করুন। তাঁদের গলার স্বর শুনুন। একটু সময় দিন। পাশে বসুন। খোঁজ নিন তাঁরা কেমন আছেন।

আজ আমরা ব্যস্ত, কাল হয়তো আমাদের সন্তানেরাও ব্যস্ত থাকবে।তখন যেন আমাদেরও একই পরিণতি না হয়।
মা-বাবাকে ভুলে যাবেন না। তাঁরা আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ, সবচেয়ে বড় ঋণ।
যাদের বাবা-মা বেঁচে আছেন, তাঁদের খোঁজ নিন, সেবা করুন, সম্মান করুন। আজ আপনি যা করবেন, আগামী প্রজন্মও সেটাই শিখবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন। আমাদের সমাজে যদি এমন কোনো অবহেলিত মা-বাবা থেকে থাকেন,অন্তত আগামী প্রজন্ম যেন জানতে পারে,এমন শিক্ষিত মানুষদের আমরা অমানুষ বলি।
Dr. Aminul Islam

✅✅গরুর পায়া বা নলি হাড় সকাল ১১টার মধ্যে খেয়ে ১৫ মিনিট রোদে থাকুন, অথবা সম্ভব হলে রোদে বসেই খান — এতে উপকার পাবেন।এমন কথা...
01/06/2026

✅✅গরুর পায়া বা নলি হাড় সকাল ১১টার মধ্যে খেয়ে ১৫ মিনিট রোদে থাকুন, অথবা সম্ভব হলে রোদে বসেই খান — এতে উপকার পাবেন।

এমন কথা অনেকেই বলে থাকেন, এর পেছনে কিছু বাস্তব কারণও আছে।

✅গরুর পায়া ও নলি হাড়ে প্রাকৃতিকভাবে কোলাজেন, জেলাটিন, বিভিন্ন অ্যামিনো অ্যাসিড, খনিজ উপাদান এবং অস্থিমজ্জা (Bone Marrow) থাকে। দীর্ঘ সময় ধরে রান্না করলে এসব উপাদান ঝোলে মিশে যায়। অনেকেই বিশ্বাস করেন, এগুলো শরীরের জয়েন্ট, হাড়, ত্বক ও সামগ্রিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।

✅অন্যদিকে, সকালবেলার রোদ শরীরে ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে। ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, খাবার থেকে পাওয়া কিছু পুষ্টি শরীর ভালোভাবে কাজে লাগাতে ভিটামিন ডি প্রয়োজন হয়।

✅তাই অনেকের ধারণা হলো—
পুষ্টিকর নলি হাড় বা পায়া খাওয়ার পর কিছু সময় রোদে থাকলে শরীর ভিটামিন ডি পাবে, ফলে হাড় ও শরীরের জন্য উপকারী পুষ্টিগুলো আরও ভালোভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হবে।

✅তবে একটা বিষয় মনে রাখা জরুরি, নলি হাড় খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদে যাওয়ার কোনো জাদুকরী বা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সরাসরি সম্পর্ক নেই। উপকারটা আসে মূলত দুটি ভালো অভ্যাস একসাথে করার মাধ্যমে—

✅ পুষ্টিকর খাবার খাওয়া
✅ নিয়মিত সকালের রোদ গ্রহণ করা

তাই বলা যায়,

✅"গরুর পায়া বা নলি হাড় শরীরকে পুষ্টি দেয়, আর সকালের রোদ শরীরকে ভিটামিন ডি দেয়। দুটো একসাথে হলে হাড়, জয়েন্ট ও শরীরের সার্বিক সুস্থতার জন্য ভালো অভ্যাস হতে পারে।" 🦴☀️

✅তবে যাদের ইউরিক অ্যাসিড, কিডনি সমস্যা, উচ্চ কোলেস্টেরল বা বিশেষ কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা আছে, তাদের পরিমিত পরিমাণে খাওয়া এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

Alhamdulillah
30/05/2026

Alhamdulillah

ঈদে গরু/খাসির মাংস খেতে চাইলে IBS বা হজম সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের একটু সচেতন হয়ে খেতে হবে। নিচের ৫টি টিপস মেনে চললে...
29/05/2026

ঈদে গরু/খাসির মাংস খেতে চাইলে IBS বা হজম সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের একটু সচেতন হয়ে খেতে হবে। নিচের ৫টি টিপস মেনে চললে অস্বস্তি অনেক কম হতে পারে—

১. অল্প পরিমাণে শুরু করুন

একবারে বেশি মাংস খাবেন না। প্রথমে ২–৩ টুকরা দিয়ে শুরু করুন। বেশি খেলে পেট ফাঁপা, গ্যাস, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়তে পারে।

২. চর্বিযুক্ত অংশ এড়িয়ে চলুন

অতিরিক্ত চর্বি ও ভাজাপোড়া IBS-এর উপসর্গ বাড়াতে পারে। তাই মাংসের চর্বি, কলিজা বেশি তেল দিয়ে ভাজা, নেহারি বা অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার কম খান।

৩. সালাদ ও আঁশযুক্ত খাবার সাথে রাখুন

শুধু মাংস না খেয়ে শসা, গাজর, লাউ, পেঁপে বা হালকা সবজি সাথে রাখুন। এতে হজম সহজ হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমে।

৪. ধীরে ধীরে ভালোভাবে চিবিয়ে খান

তাড়াহুড়া করে খেলে গ্যাস ও বদহজম বাড়ে। প্রতিটি লোকমা ভালোভাবে চিবিয়ে খেলে পাকস্থলীর ওপর চাপ কম পড়ে।

৫. খাবারের পর পর্যাপ্ত পানি ও হালকা হাঁটা

খাওয়ার পর সাথে সাথে শুয়ে পড়বেন না। ১০–১৫ মিনিট হালকা হাঁটুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন। এতে হজম ভালো হয় ও পেট ভারী লাগা কমে।

অতিরিক্ত ঝাল, সফট ড্রিংকস, কোল্ড ড্রিংকস ও একসাথে অনেক ধরনের খাবার IBS রোগীদের জন্য সমস্যা বাড়াতে পারে—এগুলো সীমিত রাখাই ভালো।

আলহামদুলিল্লাহ... এভাবেই পেটের সমস্যা IBS থেকে শতশত ব্যক্তি মুক্তি লাভ করছে...
28/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ... এভাবেই পেটের সমস্যা IBS থেকে শতশত ব্যক্তি মুক্তি লাভ করছে...

পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত সকল মুসলিম ভাই-বোনদের প্রতি। ত্যাগ, তাকওয়া ও মানবতার মহান শিক্ষা আমাদ...
27/05/2026

পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত সকল মুসলিম ভাই-বোনদের প্রতি। ত্যাগ, তাকওয়া ও মানবতার মহান শিক্ষা আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বয়ে আনুক। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলের কোরবানি কবুল করুন এবং দেশ ও জাতির জন্য রহমত, নিরাপত্তা ও উন্নতির দ্বার উন্মুক্ত করুন।
ঈদ মোবারক।

🌿 IBS-এর জন্য পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাবার 🌿IBS (Irritable Bowel Syndrome) একটি সাধারণ কিন্তু অস্বস্তিকর হজমজনিত সমস্যা, যেখা...
26/05/2026

🌿 IBS-এর জন্য পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাবার 🌿

IBS (Irritable Bowel Syndrome) একটি সাধারণ কিন্তু অস্বস্তিকর হজমজনিত সমস্যা, যেখানে পেট ফাঁপা, গ্যাস, পেট ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া বারবার দেখা দিতে পারে। এই অবস্থায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আপনার দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস।

🍽️ সঠিক খাবার নির্বাচন IBS নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখে।
কারণ ভুল খাবার পেটের অস্বস্তি বাড়িয়ে দিতে পারে, আর সঠিক খাবার দিতে পারে দীর্ঘস্থায়ী স্বস্তি।

✨ IBS রোগীদের জন্য উপযোগী খাবারের বৈশিষ্ট্য:
💚 সহজপাচ্য ও হালকা খাবার
💚 কম তেল-মশলা যুক্ত খাদ্য
💚 ফাইবারের সঠিক ভারসাম্য
💚 পেটকে বিরক্ত না করে এমন উপাদান
💚 নিয়মিত ও ছোট পরিমাণে খাবার গ্রহণ

🥗 সাধারণভাবে সহায়ক হতে পারে:
✔ সেদ্ধ বা গ্রিল করা খাবার
✔ ভাত, ওটস, কলা, আপেল (সহনশীল হলে)
✔ প্রচুর পানি পান
✔ প্রোবায়োটিক যুক্ত খাবার (যেমন দই)

🚫 এড়িয়ে চলা উচিত:
❌ অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার
❌ ঝাল ও প্রসেসড ফুড
❌ অতিরিক্ত ক্যাফেইন ও সফট ড্রিংক
❌ যেসব খাবারে ব্যক্তিগতভাবে সমস্যা হয়

💡 মনে রাখবেন, IBS সবার ক্ষেত্রে এক রকম নয়—তাই নিজের শরীরকে বুঝে খাবার নির্বাচন করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

💚 সঠিক খাদ্যাভ্যাসই হতে পারে আপনার পেটের দীর্ঘস্থায়ী স্বস্তির চাবিকাঠি।

🕋 আরাফার দিন — রহমত, ক্ষমা ও নাজাতের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন🤲আজ মুসলিম উম্মাহর জন্য এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ দিন আরা...
26/05/2026

🕋 আরাফার দিন — রহমত, ক্ষমা ও নাজাতের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন🤲

আজ মুসলিম উম্মাহর জন্য এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ দিন আরাফার দিন। এটি জিলহজ মাসের ৯ তারিখে পালিত হয় এবং হজের অন্যতম প্রধান অংশ হলো আরাফার ময়দানে অবস্থান করা।

এই দিনটি আল্লাহ তাআলার নিকট এতটাই মর্যাদাপূর্ণ যে, তিনি এই দিনে তাঁর বান্দাদের সবচেয়ে বেশি ক্ষমা করেন এবং অসংখ্য মানুষের গুনাহ মাফ করে দেন।

📖 হাদিসে এসেছে:
“আরাফার দিনের চেয়ে বেশি এমন কোনো দিন নেই, যেদিন আল্লাহ তাআলা এত বেশি মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন।” (সহিহ মুসলিম)

🤲আরাফার দিনের রোজা:
যারা হজে যান না, তাদের জন্য এই দিনের রোজা রাখা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
“আরাফার দিনের রোজা আগের এক বছর এবং পরের এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেয়।” (সহিহ মুসলিম)

🌿 এই দিনে আমাদের করণীয়:

বেশি বেশি ইস্তিগফার (আসতাগফিরুল্লাহ)করা
আন্তরিকভাবে দোয়া করা
আল্লাহর নিকট গুনাহ মাফ চাওয়া
নিজের পরিবার, প্রিয়জন ও পুরো উম্মাহর জন্য দোয়া করা
কুরআন তিলাওয়াত করা ও আল্লাহর স্মরণে থাকা

💔 এই দিনটি শুধু একটি দিন নয়—এটি আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার, জীবনকে নতুনভাবে শুরু করার এক সুবর্ণ সুযোগ।

🤍 আসুন, আজ আমরা সবাই আল্লাহর দরবারে হাত তুলে বলি—
হে আল্লাহ, আমাদের গুনাহ মাফ করুন, আমাদের অন্তরকে পবিত্র করুন এবং আমাদেরকে জান্নাতের পথে পরিচালিত করুন।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবুল করুন। আমিন।

Address

Rajshahi
6071

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bismillah Health Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bismillah Health Care:

Share