15/07/2023
দৈনিক তিনবেলা গতানুগতিক খাবারের বাইরেও আমরা প্রায় প্রত্যেকে হালকা নাস্তা হিসেবে প্রতিদিনই কিছু না কিছু খেয়ে থাকি। সামর্থ্য , রুচি বা সচেতনতা অনুযায়ী সেই নাস্তার আইটেম
বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। একটি কথা দুঃ খজনক সত্য যে, নাস্তা হিসেবে আমরা চারপাশে যে খাবারগুলো পাই তার অধিকাংশই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। সেগুলো কিছুটা স্বাদযুক্ত এবং
সাময়িকভাবে ক্ষুধার তাড়না মেটালেও দীর্ঘমের্ঘ য়াদে শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনে।
মজার ও ব্যাপক উপকারী আইটেম নিয়ে আমাদের ড্রাই ফ্রু টস আপনাদের জন্য প্রস্তুত!
সম্পূর্ণ ঘর্ণ রোয়াভাবে এবং বাছাইকৃত সেরা উপাদান দিয়ে প্রস্তুত করা হয় U HUT Organic Food Service এর মিক্সড ড্রাই ফ্রূটস এবং সবগুলো কৌটায় সমানভাবে সবগুলো উপাদান বিদ্যমান।
পুষ্টিগুণের পাওয়ার হাউস বলা হয় মিক্সড ড্রাই ফ্রূটসকে। শুকনো ফল ও বাদামই সাধারণত ‘ড্রাই ফ্রূটস’ নামে পরিচিত। এরকম অনেকগুলো ড্রাই ফ্রূটস যখন সমন্বয় করে একসাথে
মিলিয়ে নেওয়া হয় অধিকতর পুষ্টির নিশ্চয়তায় একেই মিক্সড ড্রাই ফ্রূটস বলা হয়ে থাকে। ড্রাই ফ্রূটস আয়রন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, বিভিন্ন ভিটামিন, এসেন্সিয়াল ফ্যাট এবং অন্যান্য
বিভিন্ন পুষ্টির উপাদানের একটি চমৎকার উৎস।
যেকোন ধরনের মিষ্টি, জর্দা , সেমাই, পায়েসের সঙ্গে অনায়াসেই মানিয়ে যাওয়ার মতো একটি খাবার হলো ড্রাই ফ্রূটস! এছাড়া মজার ফ্রূট কাস্টার্ড বানাতে আর কোন ঝামেলা পোহাতে
হবেনা, যদি ঘরে থাকে এই বিশেষ আইটেম!
ফ্রেশ ফলের থেকেও ড্রাই ফ্রূটসের মধ্যে ফাইবারের পরিমাণ বেশি আর এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল বর্তমা র্ত ন। এছাড়া ড্রাই ফ্রূটসে অনেক ফাইবারের পাশাপাশি থাকে
প্রচুর পরিমান অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট এবং পলিফেনল। পলিফেনল এবং অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট রক্তপ্রবাহ ইমপ্রূভ করতে সাহায্য করে, হজমে সাহায্য করে, শরীরে জারণ সংক্রান্ত সমস্যার
সমাধানেও ড্রাই ফ্রূটসের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।.
গর্ভা বস্থায় ড্রাই ফ্রূটস খাওয়া অনেক উপকারী। আয়রনের অভাব পূরণ করে। ড্রাই ফ্রূটস শিশুর হাড় ও দাত বিকাশে প্রয়োজন। আলুবোখারা এবং খেজুরজু জরায়ুর পেশী শক্তিশালী
করার জন্য পরিচিত।
বাচ্চাদের জন্য ড্রাই ফ্রূটস খুবই উপকারী খাবার। বাচ্চাদের খুবই পছন্দের মুখরোচক এবং স্বাস্থ্যকর খাবার হতে পারে এই ড্রাই ফ্রূটস! সাধারণত ৬ মাস বয়সের পর থেকে শিশুকে
খাবারের সাথে ড্রাই ফ্রূটস পাউডার করে খাওয়াতে পারেন। এতে করে শিশুর রক্তস্বল্পতা রোধ করবে, শক্তি বুস্টার হিসেবে কাজ করবে, কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করবে, স্বাস্থ্য উন্নতি করবে এবং
চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি করবে মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করবে।.
উপাদানসমূহঃ
কাঠ বাদাম
জাম্বু কাজু বাদাম
আখরোট
পেস্তা বাদাম
গোল্ডেন কিসমিস
ব্ল্যাক কিসমিস
এপ্রিকট
গোল্ডেন খুরমা
ড্রাই নারকেল চিড়া
জাম্বু চিনা বাদাম
ব্লাক খুরমা
মোরব্বা শুকনো
কুমড়া বীজ
সূর্যমুর্যখী বীজ
ড্রাই তিন ফল ও
জার্দা আলু
আসুন সংক্ষেপে জেনে নেই এই পাওয়ার হাউস মিক্সড ড্রাই ফ্রূটস কিছু উপাদানের গুনাবলী। আরও বিস্তারিত জানতে চাইলে গুগলে উল্লেখিত উপদানের উপকারিতা লিখে সার্চ দিলেই
হবে।
কাঠবাদাম: কাঠবাদামে আছে ভিটামিন “বি” “ই” ও “ডি”, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস! এছাড়াও রয়েছে প্রচুর মিনারেলস!
কাঠবাদাম স্মৃতিস্মৃ শক্তি প্রখর করে এছড়া ডায়াবেটিস রোগীদের গ্লূকো গ্লূ জের মাত্রা ঠিকঠাক রাখতে কাজ করে।
কাজুবা জু দাম: কাজুবা জু দামে আছে ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, পটাসিয়াম, ভিটামিন ই।
পেস্তাবাদাম: এতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি ৬, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার ও মিনারেলস।
আখরোট: এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং আনসাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, ওমেগা থ্রি, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, আয়রন, প্রোটিন, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও
ফাইবার।
কিসমিস: হজমে সাহায্য করে, রক্তশূন্য শূ তা দূরদূ করে, এতে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম যা দাঁতদাঁ আর হাড় মজবুত করে, দেহে শক্তি সরবরাহ করে: দুর্বলর্বতা দূরী দূ করণে কিসমিসের জুড়িজু মেলা
ভার। কিসমিসে রয়েছে চিনি, গ্লূকো গ্লূ জ এবং ফ্রূক্টোজ, যা তাৎক্ষণিকভাবে দেহে এনার্জি সরবরাহ করে।
এপ্রিকট: ক্যান্সার রোধ করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূরদূ করে। হার্ট এটাক এর ঝুকি কমায়। অতিরিক্ত ওজন কমাতে বিশেষ কার্যকর্য রী। চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় ও ছানি পড়া রোধ করে। এতে
রয়েছে ভিটামিন এ সি ও ই যা গর্ভবর্ভ তী নারীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। চুল পড়া বন্ধ করে ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
ত্বীন ফল: কুরআনে বর্নিতর্নি ত্বীন ফল নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। অনেক পুষ্টিগুণে ভরপুর তীনে আছে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-বি, পটাশিয়াম,
ম্যাগনেশিয়াম, জিংক, কপার, আইরন ইত্যাদি।
খুরমা খেজুরজু: খেজুরজু অতি মিষ্টিজাত ফল। এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালোরি এবং রয়েছে প্রচুর খাদ্যগুণ, যেমন ভিটামিন-বি,-সি, আয়রন এবং প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও
ক্যালসিয়াম, অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন-কে।
কুমড়া বীজ: এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, প্রোটিন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, ফসফরাসের মতো একাধিক উপাদান।
জর্দা আলু: এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-বি২, ভিটামিন-বি৩, ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি রয়েছে।
সূর্যমূর্যখী বীজ: এতে রয়েছে এন্টি-এজিং প্রপার্টিজ যা ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। এর মধ্যকার ভিটামিন ‘ই’ ও বিটা ক্যারোটিন ত্বককে তারুণ্যদীপ্ত করে ও ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখে।
চূল পড়া রোখ করে। কলেস্টরল কমায়। এর মধ্যকার ম্যাগনেশিয়াম নার্ভ সেলের অতিরিক্ত ক্যালশিয়ামের মাত্রা কমিয়ে স্নায়ুতন্ত্রকে সঠিকভাবে কাজ করাতে সাহায্য করে।