27/04/2026
সাতক্ষীরার আম স্বাদে ও গন্ধে অতুলনীয় হওয়ায় দেশ ও দেশের বাইরে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই জেলার আম সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সবার জন্য।
১. জনপ্রিয় জাতসমূহ
সাতক্ষীরায় মূলত বেশ কয়েক ধরনের আমের চাষ হয়, তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় জাতগুলো হলো:
হিমসাগর: এটি সাতক্ষীরার সবচেয়ে বিখ্যাত আম। এর পাতলা খোসা এবং আঁশহীন মিষ্টি স্বাদের জন্য এটি সবার প্রিয়।
ল্যাংড়া: সুগন্ধ এবং চমৎকার স্বাদের জন্য এই জাতটি পরিচিত।
আম্রপালি: মিষ্টি ও গাঢ় রঙের জন্য এটি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
গোবিন্দভোগ ও বোম্বাই: সিজনের শুরুতে এই জাতগুলো বাজারে আসে।
২. বিশেষত্ব ও গুণাগুণ
আগে পাকে: ভৌগোলিক অবস্থান ও আবহাওয়ার কারণে বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার (যেমন রাজশাহী বা চাঁপাইনবাবগঞ্জ) তুলনায় সাতক্ষীরার আম প্রায় ১৫-২০ দিন আগে পাকে।
রপ্তানিযোগ্য মান: সাতক্ষীরার আম কয়েক বছর ধরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে (যেমন যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি) রপ্তানি হচ্ছে। এখানকার আম বিষমুক্ত ও নিরাপদভাবে চাষ করার জন্য বিশেষ খ্যাতি রয়েছে।
মাটির গুণ: এই অঞ্চলের মাটি আম চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী, যা আমকে বিশেষ মিষ্টতা প্রদান করে।
৩. আমের ক্যালেন্ডার (পাকার সময়)
সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী আম বাজারজাত করা হয়:
মে মাসের শুরু: গোবিন্দভোগ ও গোপালভোগ।
মে মাসের মাঝামাঝি: হিমসাগর।
জুন মাস: ল্যাংড়া ও আম্রপালি।
৪. অর্থনীতিতে অবদান
সাতক্ষীরার অর্থনীতির একটি বড় অংশ আম চাষের ওপর নির্ভরশীল। প্রতি বছর এখানে কয়েক হাজার কোটি টাকার আমের ব্যবসা হয় এবং এটি হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে।
ফ্রেশ বাগান বাই লাবিব এর সঙ্গে থাকুন।