SL Mart

SL Mart আলহামদুলিল্লাহ আমরা বিগত ৫ বছর ধরে শতভাগ খাঁটি পণ্য গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ নিশ্চিত করে আসছি।🌿
আমাদের পণ্য তালিকা দেখতে পিন পোস্ট ভিজিট করুন।
(6)

01/06/2026

"আমি ভাবতাম যে, বান্দা হলো সেই ব্যক্তি, যে প্রথমে আল্লাহকে ভালোবাসে.. যাতে আল্লাহ তাকেও ভালোবাসেন।
যতক্ষণ না আমি সর্বশক্তিমান আল্লাহর আয়াত পড়লাম,
"فسوف يأتي الله بقومٍ يُحبُّهم ويُحبُّونه"
”অচিরে আল্লাহ এমন সম্প্রদায় সৃষ্টি করবেন, যাদেরকে তিনি ভালোবাসবেন এবং তারা তাঁকে ভালোবাসবে।” (সুরা মায়োদা)

আমি জানলাম যে, প্রথমে যিনি ভালোবাসেন, তিনি আল্লাহ।
আমি মনে করতাম যে, বান্দা হলো সেই, যে প্রথমে তাওবা করে.. যাতে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন;
যতক্ষণ না আমি তাঁর বাণী পড়লাাম,
"ثُمَّ تَابَ عليهم ليتوبوا"
”অতঃপর তিনি সদয় হলেন তাদের প্রতি যাতে তারা ফিরে আসে।“ (সুরা তাওবা)

আমি জানলাম যে, আল্লাহ আমাদের তাওবা করার আগেই তাওবা করতে অনুপ্রাণিত করেন।
আমি ভেবেছিলাম যে, বান্দা প্রথমে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে, তারপরে আল্লাহ তার উপর সন্তুষ্ট হন। যতক্ষণ না আমি তাঁর বাণী পড়লাম,
"رضي الله عنهم ورضوا عنه"
”আল্লাহ সে সমস্ত লোকদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে।” (সুরা তাওবা)

আমি জানলাম যে, আল্লাহই প্রথম তাঁর বান্দার প্রতি সন্তুষ্ট।
#হে আল্লাহ, আমাদেরকে তাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করো. যাদেরকে তুমি ভালোবাসো, যাদেরকে ‍তুমি ক্ষমা করো, যাদের প্রতি তুমি সন্তুষ্ট থাকো এবং যাদেরকে তুমি মার্জনা করো।

সংগৃহীত

👶 নবজাতকের মাথায় কখন থেকে তেল দেওয়া যেতে পারে?অনেক বাবা-মা নবজাতকের মাথায় জন্মের পর থেকেই তেল দেওয়ার কথা ভাবেন। তবে ...
30/05/2026

👶 নবজাতকের মাথায় কখন থেকে তেল দেওয়া যেতে পারে?

অনেক বাবা-মা নবজাতকের মাথায় জন্মের পর থেকেই তেল দেওয়ার কথা ভাবেন। তবে শিশুর মাথার ত্বক (স্ক্যাল্প) জন্মের পরের কয়েক মাস খুবই কোমল ও সংবেদনশীল থাকে। তাই তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কিছু বিষয় জানা জরুরি।

✅ সাধারণত ৩ মাস বয়সের পর থেকে শিশুর মাথায় তেল দেওয়া নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়।

কেন ৩ মাসের পর?
✔️ এই সময়ের পর শিশুর স্ক্যাল্প তুলনামূলকভাবে শক্ত ও সহনশীল হয়ে ওঠে।
✔️ ক্রেডল ক্যাপ (Cradle Cap) এবং স্ক্যাল্পে জ্বালাপোড়া বা ইনফেকশনের ঝুঁকি কিছুটা কমে।
✔️ উপযুক্ত ও নিরাপদ তেল ব্যবহার করলে সাধারণত কোনো সমস্যা হয় না।

তবে মনে রাখবেন—

শিশুর মাথায় যদি লালচে ভাব, ক্ষত, র‍্যাশ বা সংক্রমণের লক্ষণ থাকে, তাহলে তেল ব্যবহার না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
🔸 সুগন্ধিযুক্ত বা রাসায়নিকসমৃদ্ধ তেল এড়িয়ে চলুন।
🔸 তেল ব্যবহারের পর শিশুর ত্বকে কোনো অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করুন।

আপনার শিশুর ত্বক ও মাথার যত্ন সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান।

©

28/05/2026

উৎসবের দিনে কারোর মন খারাপ না হোক। কেউ একলা না থাকুক। কারোর চোখ না ভিজুক। ঈদ মোবারাক.!'🤍

📢 গরুর মাংসের কালা ভুনা হোক কিংবা শাহী বিফ বিরিয়ানি— খাঁটি সরিষার তেল ছাড়া কি আর জমে? 🤤খাবারে অতুলনীয় স্বাদ, মন মাতানো ঘ...
24/05/2026

📢 গরুর মাংসের কালা ভুনা হোক কিংবা শাহী বিফ বিরিয়ানি— খাঁটি সরিষার তেল ছাড়া কি আর জমে? 🤤

খাবারে অতুলনীয় স্বাদ, মন মাতানো ঘ্রাণ আর জাদুকরী কালার আনতে খাঁটি সরিষার তেলের কোনো বিকল্প নেই। আর সেই তেল যদি হয় সম্পূর্ণ রাসায়নিক ও ভেজালমুক্ত, তাহলে তো পুষ্টি আর স্বাস্থ্য সচেতনতায় যোগ হয় এক নতুন মাত্রা! 🪵✨

আপনার শতভাগ স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা নিয়ে এসেছি কাঠের ঘানিতে ভাঙা প্রিমিয়াম মাঘি সরিষার তেল।

কেন আমাদের কাঠের ঘানির তেলই সেরা?

✓কোল্ড প্রেসড (Cold Pressed) পদ্ধতি: কাঠ ও পাথরের ঘানিতে একদম মৃদু চাপে এই তেল বের করা হয়। ফলে তেলের প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণ, ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট একদম অক্ষুণ্ন থাকে।

✓শতভাগ খাঁটি ও ভেজালমুক্ত: কোনো রকম কৃত্রিম রঙ, কেমিক্যাল বা ঝাঁঝ বাড়ানোর উপাদান ব্যবহার করা হয় না।

✓মাঘি সরিষার জাদু: বাছাইকৃত সেরা মানের মাঘি সরিষা থেকে তৈরি, যা রান্নায় এনে দেয় আসল দেশি স্বাদ আর মনকাড়া ঝাঁঝালো সুবাস।

✓ তত্ত্বাবধানে প্রস্তুত: আমরা প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত যত্ন ও পরিচ্ছন্নতার সাথে সম্পন্ন করি, যাতে আপনার পরিবার পায় একদম নিরাপদ খাবার।

💡কালা ভুনা, বিরিয়ানি, যেকোনো ভর্তা কিংবা আচার— সরিষার তেলের আসল স্বাদ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা পেতে আজই আপনার রান্নাঘরে নিয়ে আসুন আমাদের কোল্ড প্রেসড সরিষার তেল।

23/05/2026

__যদি দুঃখের সময় আকাশের সাথে কথা বলতে হয় গালিব,
তবে সুখের বেলায় মানুষ কেন?

অফারের উপর অফার , তার উপর অফার, সাইড দিয়ে অফার, ডানে, বামে, উপরে, নিচে সব দিক দিয়ে অফার দিলেও সেল হবে না প্রিয় যদি না...
23/05/2026

অফারের উপর অফার , তার উপর অফার, সাইড দিয়ে অফার, ডানে, বামে, উপরে, নিচে সব দিক দিয়ে অফার দিলেও সেল হবে না প্রিয় যদি না রিজিকে থাকে অর্ডার 😂

যায় হোক, আমাদের পেজে কি কি আটা পাওয়া যায় জানেন????

✓ মালটি গ্রেইন আটা
✓ মাসকলাই এর আটা
✓ দেশী লাল গমের আটা
✓দেশি যবের আটা
✓আলো চালের আটা
✓আমন লাল চালের আটা

ইউরিয়া ও কেমিক্যালমুক্ত, শতভাগ প্রাকৃতিক আমন ও আউশ ধানের লাল মুড়ি! 🌾✨বাজারের চকচকে সাদা, ইউরিয়া মিশ্রিত ক্ষতিকর মুড়ি ...
22/05/2026

ইউরিয়া ও কেমিক্যালমুক্ত, শতভাগ প্রাকৃতিক আমন ও আউশ ধানের লাল মুড়ি! 🌾✨

বাজারের চকচকে সাদা, ইউরিয়া মিশ্রিত ক্ষতিকর মুড়ি পরিহার করে নিজের এবং পরিবারের সুস্বাস্থ্যের জন্য বেছে নিন আমাদের সম্পূর্ণ ঘরোয়া উপায়ে তৈরি ঐতিহ্যবাহী লাল মুড়ি।

আমাদের এই লাল মুড়ির বৈশিষ্ট্য-

সম্পূর্ণ নিরাপদ: কোনো প্রকার ইউরিয়া বা ক্ষতিকারক কেমিক্যাল ছাড়াই অত্যন্ত যত্ন সহকারে ভাজা হয়।

নিজস্ব তত্ত্বাবধানে তৈরি: আমন ও আউশ ধানের চাল থেকে ঘরোয়া পরিবেশে তৈরি, যা এর খাঁটি স্বাদ ও পুষ্টিগুণ অটুট রাখে।

স্বাস্থ্যসম্মত: সাধারণ সাদা মুড়ির চেয়ে এই লাল মুড়িতে আঁশ বা ফাইবার বেশি থাকে, যা হজমশক্তির জন্য দারুণ উপকারী।

ঐতিহ্যবাহী স্বাদ: মুখে দিলেই পাবেন গ্রাম্য চালের সেই চেনা সুবাস ও মচমচে স্বাদ, যা বিকালের নাস্তায় পারফেক্ট।

🌾 মাটির হাঁড়ির সুবাস আর ঢেঁকির ছোঁয়া—শতভাগ খাঁটি ঐতিহ্যবাহী যবের ছাতু! 🌾আসসালামু আলাইকুম। বাজারে তো কত রকমের ছাতুই পাওয়া...
20/05/2026

🌾 মাটির হাঁড়ির সুবাস আর ঢেঁকির ছোঁয়া—শতভাগ খাঁটি ঐতিহ্যবাহী যবের ছাতু! 🌾

আসসালামু আলাইকুম। বাজারে তো কত রকমের ছাতুই পাওয়া যায়, কিন্তু মাটির হাঁড়িতে ভাজা আর ঢেঁকিতে কুটা ছাতুর সেই আদি ও আসল স্বাদ কি আর সহজে মেলে?

আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি একদম গ্রামীণ ঐতিহ্য মেনে তৈরি প্রিমিয়াম কোয়ালিটির যবের ছাতু।

✨ কেন আমাদের যবের ছাতু স্পেশাল?

✓ঐতিহ্যবাহী প্রস্তুত প্রণালী: যবগুলোকে প্রথমে মাটির হাঁড়িতে নিখুঁতভাবে ভাজা হয়, যার ফলে এতে আসে একটা চমৎকার মাটির সোঁদা গন্ধ। এরপর কোনো মেশিনে নয়, সরাসরি ঢেঁকিতে কুটে এই ছাতু তৈরি করা হয়।

✓অনবদ্য টেক্সচার: আমাদের ছাতুটা একদম পাউডারের মতো মিহিও না, আবার মুখে লাগার মতো খসখসে দানাদারও না। মাঝখানের এই নিখুঁত টেক্সচারের কারণে এটি খেতে অসাধারণ লাগে।

✓আলহামদুলিল্লাহ্‌, শতভাগ অথেনটিক স্বাদ: টেস্ট মা শা আল্লাহ! মুখে দিলেই বুঝবেন কোনো কৃত্রিমতা বা ভেজাল নেই। ঠিক ছোটবেলায় নানী-দাদীদের হাতের তৈরি ছাতুর সেই আসল স্বাদ পাবেন।

🥣 স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর
গরমের দিনে পেট ঠাণ্ডা রাখতে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে, ওজন কমাতে কিংবা ঝটপট এনার্জি পেতে যবের ছাতুর কোনো জুড়ি নেই। সেহরি, সকালের নাস্তা বা বিকেলের হালকা খাবারে পানি, সামান্য গুড় বা কলা দিয়ে মাখিয়ে নিলেই তৈরি পুষ্টিকর এক বাটি খাবার!
খাঁটি জিনিসের কদর যারা বোঝেন, এই ছাতু শুধু তাদের জন্যই!

🌼সীমিত স্টক আছে, তাই দেরি না করে খাঁটি স্বাদের অভিজ্ঞতা নিতে এখনই আমাদের ইনবক্স করুন।

📝অর্ডার করতে: আপনার নাম, ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার লিখে আমাদের InBox করুন।

🚚ডেলিভারি: সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারির সুবিধা রয়েছে।

খাঁটি ও পুষ্টিকর লাল গমের আটা – এখন আপনার হাতের মুঠোয়! 🌾বাহির থেকে কেনা চকচকে সাদা আটার চেয়ে, শরীরের পুষ্টির জন্য ঘরোয়াভ...
19/05/2026

খাঁটি ও পুষ্টিকর লাল গমের আটা – এখন আপনার হাতের মুঠোয়! 🌾

বাহির থেকে কেনা চকচকে সাদা আটার চেয়ে, শরীরের পুষ্টির জন্য ঘরোয়াভাবে ভাঙানো লাল গমের আটার কোনো বিকল্প নেই। আপনার পরিবারের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আমরা নিয়ে এসেছি একদম কেমিক্যাল-মুক্ত, সম্পূর্ণ খাঁটি ও ঘরোয়াভাবে তৈরি দেশী লাল গমের আটা।

আপনার পছন্দ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আমাদের কাছে দুই রকম আটাই পেয়ে যাবেন:

✓ফুল ফাইবার (Full Fiber) আটা: গমের লাল খোসা বা ভুসি সহ ভাঙানো। যারা ডায়েট করছেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য এটি দারুণ কার্যকরী।

✓ফাইবার ছাড়া আটা: এটিও শতভাগ খাঁটি লাল গম থেকে তৈরি, তবে ভুসি কিছুটা চেলে নেওয়া হয়। যারা একদম নরম ও ফুলকো রুটি পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি পারফেক্ট।

🌟 আমাদের লাল গমের আটার বৈশিষ্ট্য:
✓বাছাইকৃত প্রিমিয়াম কোয়ালিটির দেশী লাল গম থেকে তৈরি।
✓কোনো প্রকার কৃত্রিম রঙ, প্রিজারভেটিভ বা কেমিক্যাল মেশানো হয় না।
✓সম্পূর্ণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে ঘরোয়া যত্নে প্রস্তুত।
✓এই আটার রুটি দীর্ঘ সময় নরম থাকে এবং এর স্বাদ ও সুঘ্রাণ অতুলনীয়।

🛒 অর্ডার করার নিয়ম:
আপনার কত কেজি আটা লাগবে এবং আপনি কোন ধরনটি (ফুল ফাইবার নাকি ফাইবার ছাড়া) নিতে চান, তা আমাদের ইনবক্স করুন।

18/05/2026

কখনো কখনো সবচেয়ে বেশি ক্ষমা চাওয়ার দরকার হয় নিজের কাছেই। এই বাক্যটা শুনতে সহজ, কিন্তু এর ভেতরে যে উপলব্ধি কাজ করে, সেটা অনেক গভীর। কারণ জীবনের এক পর্যায়ে এসে আমরা বুঝতে পারি—অন্যরা আমাদের যতটা কষ্ট দিয়েছে, তার একটা বড় অংশ আমরা নিজের অজান্তেই নিজের ওপর হতে দিয়েছি। আমরা এমন অনেক কিছু সহ্য করেছি, যেগুলো আসলে কখনোই আমাদের প্রাপ্য ছিল না।

মানুষ হিসেবে আমরা স্বাভাবিকভাবেই সম্পর্ককে ধরে রাখতে চাই। আমরা চাই মানুষ আমাদের বুঝুক, আমাদের পাশে থাকুক, আমাদের ভালোবাসুক। এই চাওয়াগুলোর ভেতরে কোনো ভুল নেই। বরং এগুলো মানবিক। কিন্তু সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন এই চাওয়াগুলো পূরণ করতে গিয়ে আমরা নিজের সীমা ভুলে যাই। আমরা নিজের কষ্ট, নিজের অপমান, নিজের অবহেলাকে ছোট করে দেখতে শুরু করি—শুধু এই আশায় যে সম্পর্কটা টিকে থাকুক, মানুষটা থেকে যাক।

অনেকেই আছেন যারা মানুষকে খুব সহজে বিচার করতে পারেন না। তারা অন্যদের জায়গা থেকে ভাবতে চেষ্টা করেন, তাদের পরিস্থিতি বুঝতে চান, তাদের ভুলগুলোকে ক্ষমা করেন। তারা বিশ্বাস করেন—প্রতিটা মানুষের ভেতরে একটা ভালো দিক আছে, আর সেই ভালো দিকটাকে যদি একটু সুযোগ দেওয়া যায়, তাহলে মানুষ বদলাতে পারে। এই মানসিকতা আসলে খুব সুন্দর। এটা একজন মানুষের সহানুভূতি আর উদারতার পরিচয় দেয়।

কিন্তু একই সঙ্গে একটা কঠিন সত্যও আছে—সবাই সেই সুযোগের মূল্য দেয় না। সবাই আপনার দয়া, আপনার ভালোবাসা, আপনার ধৈর্যকে সম্মান করবে না। কেউ কেউ এগুলোকে স্বাভাবিক ভেবে নেয়, কেউ কেউ এগুলোকে দুর্বলতা মনে করে। আর তখনই শুরু হয় ভেতরের ক্ষয়।

আপনি হয়তো বারবার কাউকে ক্ষমা করেছেন, ভেবেছেন—এইবার হয়তো সে বুঝবে। আবার সুযোগ দিয়েছেন, ভেবেছেন—এইবার হয়তো সে বদলাবে। কিন্তু প্রতিবারই একই জায়গায় ফিরে গেছেন—অবহেলা, অসম্মান, কষ্ট। আর এই চক্রটা চলতে চলতে একসময় আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়েন, কিন্তু তবুও থামতে পারেন না। কারণ আপনি সম্পর্কটাকে হারাতে ভয় পান, অথবা আপনি বিশ্বাস করেন—আরেকটু চেষ্টা করলে সব ঠিক হয়ে যাবে।

এই জায়গাটাই সবচেয়ে জটিল। কারণ এখানে আপনি অন্য কারো জন্য না, নিজের ভেতরের বিশ্বাসের জন্য লড়াই করছেন। আপনি বিশ্বাস করতে চান—আপনার দেওয়া ভালোবাসা একদিন না একদিন মূল্য পাবে। কিন্তু যখন বাস্তবতা সেই বিশ্বাসের সাথে মেলে না, তখন একটা অদ্ভুত দ্বন্দ্ব তৈরি হয়—আপনি কি ভুল করছেন, নাকি আপনি ঠিক মানুষটার কাছে পৌঁছাতে পারছেন না?

এই দ্বন্দ্বের মাঝখানেই আমরা নিজের অনুভূতিগুলোকে অবহেলা করতে শুরু করি। আমরা ভাবি—“আমার কষ্টটা এত গুরুত্বপূর্ণ না”, “ওর পরিস্থিতিটা বেশি কঠিন”, “আমাকে একটু বেশি বুঝতে হবে।” ধীরে ধীরে আমরা নিজের ভেতরের কণ্ঠস্বরটাকে চুপ করিয়ে দিই।

কিন্তু সত্যি হলো—নিজের কষ্টকে অস্বীকার করা কখনোই সমাধান না। আপনি যতই সেটা চাপা দেন, সেটা ততই ভেতরে জমতে থাকে। একসময় সেটা হতাশা হয়ে বের হয়, কখনো রাগ হয়ে, কখনো আবার সম্পূর্ণ শূন্যতা হয়ে। তখন আপনি বুঝতে পারেন—আপনি অনেকদিন ধরে নিজের সাথে অন্যায় করে আসছেন।

ইসলামও এই জায়গাটাতে খুব স্পষ্ট। ইসলাম দয়া, সহানুভূতি, ক্ষমাশীলতাকে উৎসাহ দেয়—কিন্তু একই সঙ্গে নিজের ওপর জুলুম করতে নিষেধ করে। আল্লাহ তাআলা বলেন, “তোমরা নিজেদের ওপর জুলুম করো না।” এই কথার ভেতরে শুধু বড় অন্যায়ের কথা বলা হয়নি; এর ভেতরে নিজের প্রতি অবহেলা, নিজের সম্মানকে তুচ্ছ করা—এসবও অন্তর্ভুক্ত।

নবী ﷺ বলেছেন, “তোমার শরীরেরও তোমার ওপর অধিকার আছে।” এই হাদিসটা শুধু শারীরিক যত্নের কথা বলে না; এটা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—আপনার পুরো সত্তারই আপনার ওপর অধিকার আছে। আপনার মন, আপনার আবেগ, আপনার সম্মান—এসবেরও যত্ন নেওয়া আপনার দায়িত্ব।

যখন আপনি বারবার কষ্ট পেয়ে চুপ থাকেন, যখন আপনি নিজের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেন না, তখন আপনি আসলে নিজের সেই অধিকারটাকেই অস্বীকার করছেন। আর এই অস্বীকার একসময় আপনাকে ভেতর থেকে ফাঁকা করে দেয়।

অনেক সময় আমরা “ভালো মানুষ” হওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে এই ভুলটা করি। আমরা ভাবি—ভালো মানুষ মানে সব সহ্য করা, কাউকে না বলা, কাউকে কষ্ট না দেওয়া। কিন্তু বাস্তবে ভালো হওয়া আর নিজের প্রতি অবিচার সহ্য করা এক জিনিস না।

নবী ﷺ বলেছেন, “মু’মিন একই গর্ত থেকে দুইবার দংশিত হয় না।” এই কথার ভেতরে একটা গভীর শিক্ষা আছে—আপনি যদি বারবার একইভাবে আঘাত পান, তাহলে সেখানে সচেতন হওয়া জরুরি। একই ভুল বারবার মেনে নেওয়া কোনো ধৈর্য না; সেটা নিজের প্রতি অবহেলা।

একটা সময় এসে বুঝতে হয়—সবাইকে খুশি রাখা সম্ভব না, আর সেটার দায়িত্বও আপনার না। আপনি যতই চেষ্টা করুন, কেউ যদি আপনাকে সম্মান না করে, তাহলে আপনার ভালোবাসা তার কাছে মূল্য পাবে না। তখন আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়—আপনি কি নিজের মূল্য বুঝবেন, নাকি অন্যের অবহেলাকে স্বাভাবিক বলে মেনে নেবেন?

এই জায়গায় “boundaries” বা সীমারেখা খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সীমারেখা মানে কাউকে দূরে ঠেলে দেওয়া না; বরং নিজেকে সুরক্ষিত রাখা। আপনি ঠিক করবেন—কোন আচরণ আপনি মেনে নেবেন, আর কোনটা না। আপনি শিখবেন—“না” বলা কোনো অপরাধ না, বরং নিজের সম্মান রক্ষা করার একটি উপায়।

যে মানুষটা একসময় সবাইকে খুশি রাখতে গিয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিল, সে একসময় শিখে যায়—নিজের জন্যও জায়গা রাখতে হয়। নিজের অনুভূতিগুলোকে গুরুত্ব দিতে হয়। নিজের শান্তিকে অগ্রাধিকার দিতে হয়।

এই শেখাটা সহজ না। কারণ এতদিন ধরে আপনি যেভাবে চলেছেন, সেটা বদলাতে গেলে ভেতরে একটা ভয় কাজ করে—মানুষ কী ভাববে, সম্পর্কটা ভেঙে যাবে কি না, আপনি একা হয়ে যাবেন কি না। কিন্তু এই ভয়কে অতিক্রম করেই আসল পরিবর্তন শুরু হয়।

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে অন্যের মতামতকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিতে। আগে যেখানে অন্যের একটি কথাই আপনাকে ভেঙে দিত, সেখানে ধীরে ধীরে আপনি বুঝতে শুরু করেন—সব কথা সত্য না, সব মতামত গুরুত্বপূর্ণ না। আপনি শিখে যান—কোনটা গ্রহণ করতে হবে, আর কোনটা ছেড়ে দিতে হবে।

এই জায়গায় এসে আপনি নিজের কাছে ফিরে আসতে শুরু করেন। আপনি বুঝতে পারেন—আপনি অন্যদের জন্য যতটা ছিলেন, নিজের জন্য ততটা ছিলেন না। আর এখান থেকেই শুরু হয় নিজের কাছে ক্ষমা চাওয়ার প্রক্রিয়া।

নিজেকে বলা—“আমি তখন যতটুকু বুঝেছি, ততটুকুই করেছি। আমি খারাপ ছিলাম না, আমি শুধু সীমা জানতাম না।” এই স্বীকারোক্তিটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটা আপনাকে guilt থেকে বের হতে সাহায্য করে, আর growth-এর দিকে নিয়ে যায়।

নিজের কাছে ক্ষমা চাওয়া মানে নিজেকে দোষী করা না; বরং নিজের পাশে দাঁড়ানো। এটা মানে—আপনি নিজের ভুলগুলো থেকে শিখছেন, নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলছেন।

এই প্রক্রিয়ার সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসে তখন, যখন আপনি নিজের জীবনকে অন্যদের approval-এর ওপর নির্ভর করে না দেখে, নিজের শান্তির ওপর ভিত্তি করে দেখতে শুরু করেন। আপনি আর কাউকে প্রমাণ করার জন্য বাঁচেন না; আপনি বাঁচেন কারণ আপনি শান্ত থাকতে চান, নিজের সাথে সৎ থাকতে চান।

এটাই আসল healing। এটা কোনো একদিনে হয় না, এটা ধীরে ধীরে হয়। কখনো আপনি এগোবেন, কখনো আবার পিছিয়ে পড়বেন। কিন্তু প্রতিবারই আপনি একটু একটু করে শক্ত হবেন, একটু একটু করে নিজের কাছে ফিরে আসবেন।

জীবনের সবচেয়ে শক্তিশালী comeback কোনো বড় সাফল্য না। এটা হলো—ভেঙে পড়ার পরও নিজের ভেতরের আলোটাকে নিভতে না দেওয়া। আপনি যতবারই ভেঙে পড়ুন, যদি আপনি আবার দাঁড়াতে পারেন, যদি আপনি নিজের ভেতরের সেই আলোটাকে ধরে রাখতে পারেন—তাহলেই আপনি জিতেছেন।

আর সেই জয়ের শুরুটা হয় খুব ছোট একটা সিদ্ধান্ত থেকে—নিজের কাছে সৎ হওয়া, নিজের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া, আর নিজের প্রতি সেই দয়া দেখানো, যেটা আপনি এতদিন অন্যদের জন্য দেখিয়ে এসেছেন।

লিখাটা কালেক্টেড কিন্তু প্রতিটা লাইনের সাথে একমত।

Address

৬৮/৫৯ পূর্বটেংরী (স্টেশন রোড), ঈশ্বরদী পাবনা।
Pabna
6620

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SL Mart posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to SL Mart:

Share