19/09/2026
সর্বশেষ সমাপ্ত অর্থবছরের (২০২৫-২৬) তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) ও নিবন্ধন অধিদপ্তরের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন বা নিবন্ধন খাত (প্রধানত ভূমি, ফ্ল্যাট ও সম্পত্তি হস্তান্তর) থেকে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১৫,০০০ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব ও ট্যাক্স অর্জিত হয়ে থাকে। [1, 2]
নির্দিষ্ট অর্থবছর ভিত্তিক রেজিস্ট্রেশন খাতের অর্জিত রাজস্বের বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
২০২৩-২৪ অর্থবছর: এই অর্থবছরে নিবন্ধন অধিদপ্তর সারা দেশের সাব-রেজিস্ট্রি অফিসসমূহের মাধ্যমে ১৫,০০৪ কোটি টাকারও অধিক রাজস্ব আদায় করেছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছর: এই অর্থবছরে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও অর্থনৈতিক ধীরগতির কারণে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কিছু কম হলেও আনুমানিক ১৪,৫০০ থেকে ১৫,০০০ কোটি টাকার মতো রাজস্ব অর্জিত হয়েছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছর (বিগত অর্থবছর): সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে এই খাত থেকে ট্যাক্স ও রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৫,৫০০ কোটি টাকা। [1, 2]
রেজিস্ট্রেশন খাতের ট্যাক্সের প্রকারভেদ:
রেজিস্ট্রেশন খাত থেকে মূলত ৩টি প্রধান উপায়ে সরকার ট্যাক্স ও রাজস্ব পায়:
১. উৎস কর (ট্যাক্স): সম্পত্তি বা জমি ক্রেতা-বিক্রেতার কাছ থেকে আদায়কৃত আয়কর (যা এনবিআর-এর আয়কর খাতে জমা হয়)।
২. রেজিস্ট্রেশন ফি: দলিলের মূল্যের ওপর নির্ধারিত সরকারি ফি (যা আইন মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধন অধিদপ্তরে জমা হয়)।
৩. স্ট্যাম্প শুল্ক ও স্থানীয় সরকার কর: জমি স্থানান্তরের ক্ষেত্রে স্ট্যাম্প শুল্ক (১.৫%) এবং এলাকাভেদে স্থানীয় সরকার কর। [1, 2, 3, 4]
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) পর বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব অর্জিত হয় এই নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন অধিদপ্তরের সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলোর মাধ্যমে। [1]