Fish Farm Expert

Fish Farm Expert Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Fish Farm Expert, Village: Dhala, Post office: Dhalla, Post Code: Police Station: Trishal, : District: Mymensingh, BD, Mymensingh.

Contact Us anytime
Mobile: 01911313020
Our Address:
Village: Dhala, Post office: Dhalla, Post Code: 2223 Police Station: Trishal, District: District: Mymensingh, Bangladesh আমরা বাংলাদেশের যে কোন স্থানে যে কোন ধরনের মাছের পোনা বিক্রি করে থাকি। এবং হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকি। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে ফোন করতে পারেন। �
�phone number=01911313020

আমাদের কাছে পাবেন= শিং, মাগুর, পাবদা, গুলশা, মনোসেক্স

তেলাপিয়া, কই, পাঙ্গাস,তারা বাইম,টেংরা, ব্ল্যাক কার্প,চিতল ইত্যাদি যে কোন সাইজের পোনা যেমন-২০০/৩০০/৫০০/৮০০/১০০০/১৫০০/২০০০/৩০০০/৪০০০/৫০০০ লাইনের মাছ।
ঠিকানাঃ ময়মনসিংহ / ত্রিশাল
মাছ চাষের জন্যে প্রয়োজন বিশ্বাস যুগ্য প্রতিষ্ঠান ও উন্নত জাতের মাছের পোনা সেই লক্ষ অনুযায়ী আমরা দিচ্ছি চাষি ভাইদের কে সুস্থ সবল মাছের পোনা।

06/05/2026

থাই পাঙ্গাস মাছ চাষ বর্তমানে অত্যন্ত লাভজনক কারণ এই মাছ খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং প্রতিকূল পরিবেশেও টিকে থাকতে পারে। নিচে উন্নত পদ্ধতিতে থাই পাঙ্গাস চাষের মূল ধাপগুলো আলোচনা করা হলো:
# # ১. পুকুর নির্বাচন ও প্রস্তুতি
* **পুকুরের আয়তন:** ২০ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশের পুকুর চাষের জন্য সুবিধাজনক।
* **গভীরতা:** পুকুরে কমপক্ষে ৪-৫ ফুট পানি থাকা প্রয়োজন।
* **পুকুর শুকানো:** প্রথমে পুকুর শুকিয়ে রাক্ষুসে মাছ ও আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। এরপর প্রতি শতাংশে ১ কেজি হারে চুন প্রয়োগ করতে হবে।
* **পানি সেচ:** চুন দেওয়ার ৫-৭ দিন পর পরিষ্কার পানি দিয়ে পুকুর পূর্ণ করতে হবে।
# # ২. পোনা নির্বাচন ও মজুদ
* **পোনা নির্বাচন:** বিশ্বস্ত হ্যাচারি থেকে উন্নত জাতের পোনা সংগ্রহ করুন। ৩-৪ ইঞ্চির সুস্থ-সবল পোনা মজুদের জন্য আদর্শ।
* **মজুদ ঘনত্ব:** একক চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতাংশে ১৫০-২০০টি পোনা মজুদ করা যেতে পারে। তবে উন্নত পানি ব্যবস্থাপনা (যেমন- এরিয়েটর) থাকলে সংখ্যা বাড়ানো যায়।
* **পোনা অবমুক্তকরণ:** রোদেলা দুপুরে পোনা না ছেড়ে সকাল বা সন্ধ্যায় তাপমাত্রা যখন কম থাকে, তখন পোনা পুকুরে ছাড়ুন। ছাড়ার আগে অবশ্যই পোনাগুলো পুকুরের পানির তাপমাত্রার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।
# # ৩. খাদ্য ব্যবস্থাপনা
পাঙ্গাস মাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য সঠিক প্রোটিনযুক্ত খাবারের বিকল্প নেই।
* **খাদ্যের ধরণ:** ডুবন্ত বা ভাসমান—যেকোনো ফিড দেওয়া যায়। তবে ভাসমান ফিড দিলে মাছ কতটুকু খাচ্ছে তা বোঝা সহজ হয় এবং পানির অপচয় কম হয়।
* **প্রয়োগ মাত্রা:** মাছের দেহের ওজনের ৩-৫% হারে দৈনিক দুইবার (সকাল ও বিকেলে) খাবার দিতে হবে। মাছ বড় হওয়ার সাথে সাথে শতকরা হার কমিয়ে আনতে হবে।
# # ৪. পানি ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা
* **পানি পরিবর্তন:** পাঙ্গাস চাষে প্রচুর পরিমাণে খাবার দেওয়ায় পানি দ্রুত নষ্ট হতে পারে। তাই মাঝেমধ্যে কিছু পানি বের করে দিয়ে নতুন পানি যোগ করলে মাছের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
* **রোগ প্রতিরোধ:** পানির পরিবেশ ঠিক রাখতে প্রতি মাসে একবার প্রতি শতাংশে ২৫০ গ্রাম চুন বা জিওলাইট ব্যবহার করা যেতে পারে।
* **গ্যাস দূর করা:** পুকুরের তলায় গ্যাস হলে হররা টেনে গ্যাস বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
# # ৫. মাছ আহরণ
সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে ৬-৭ মাসের মধ্যে একটি পাঙ্গাস মাছের ওজন প্রায় ৫০০-৮০০ গ্রাম বা তার বেশি হয়ে থাকে। এই সময়ে মাছ বাজারে বিক্রির উপযোগী হয়।
> **বিশেষ পরামর্শ:** পানির গুণাগুণ বজায় রাখতে নিয়মিত অ্যামোনিয়া পরীক্ষা করুন এবং অতিরিক্ত খাদ্য প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন। এতে উৎপাদন খরচ কমবে এবং লাভের পরিমাণ বাড়বে।

With Sudip Danny – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
06/05/2026

With Sudip Danny – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

05/05/2026

লাল রুই মাছের পোনা বুকিং চলছে

05/05/2026

টাইগার মনোসেক্স তেলাপিয়া চাষ বর্তমানে বেশ লাভজনক, কারণ এই জাতটি সাধারণ তেলাপিয়ার তুলনায় দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং এদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেশি। সফলভাবে চাষ করার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন:
# # # ১. পুকুর প্রস্তুতি
* পুকুরটি রৌদ্রোজ্জ্বল স্থানে হওয়া ভালো।
* পুকুরের তলার কাদা পরিষ্কার করে বিঘা প্রতি **১ কেজি চুন** প্রয়োগ করতে হবে।
* চুন দেওয়ার ৫-৭ দিন পর পর্যাপ্ত পানি দিয়ে তাতে জৈব বা রাসায়নিক সার প্রয়োগ করে প্রাকৃতিক খাবার (প্লাঙ্কটন) তৈরি করতে হবে।
# # # ২. পোনা নির্বাচন ও মজুত
* ভালো মানের হ্যাচারি থেকে পোনা সংগ্রহ করা জরুরি।
* পোনা মজুতের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন সেগুলো অবশ্যই **শতভাগ মনোসেক্স** (পুরুষ মাছ) হয়। কারণ স্ত্রী তেলাপিয়া পুকুরেই বাচ্চা দেয়, ফলে মাছের ঘনত্ব বেড়ে গিয়ে বৃদ্ধি কমে যায়।
* প্রতি শতাংশে সাধারণত **২০০-২৫০টি** পোনা ছাড়া যায় (পুকুরের গভীরতা ও ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভর করে)।
# # # ৩. খাদ্য ব্যবস্থাপনা
* মাছের ওজনের ওপর ভিত্তি করে দিনে ২-৩ বার উন্নত মানের ভাসমান ফিড দেওয়া প্রয়োজন।
* পোনা অবস্থায় প্রোটিনের পরিমাণ **৩০-৩৫%** থাকা ভালো এবং মাছ বড় হওয়ার সাথে সাথে তা কিছুটা কমানো যেতে পারে।
# # # ৪. পানির গুণাগুণ ও স্বাস্থ্য রক্ষা
* পানির রং অতিরিক্ত সবুজ হয়ে গেলে সার বা খাবার দেওয়া সাময়িক বন্ধ রাখতে হবে।
* মাঝে মাঝে পুকুরে হররা (চেইন) টেনে তলার বিষাক্ত গ্যাস বের করে দিতে হবে।
* অক্সিজেনের অভাব হলে নতুন পানি সরবরাহ করতে হবে।
# # # ৫. বাজারজাতকরণ
টাইগার মনোসেক্স তেলাপিয়া সাধারণত **৪ থেকে ৫ মাস** চাষ করলেই একেকটি মাছের ওজন ৪০০-৬০০ গ্রাম হয়ে যায়, যা বাজারে বিক্রির জন্য উপযুক্ত সময়।
আপনার কি কোনো নির্দিষ্ট হ্যাচারি বা পোনা ছাড়ার পরিমাণ নিয়ে কোনো পরিকল্পনা আছে

04/05/2026

বাংলাদেশে দেশি শিং মাছ চাষ অত্যন্ত লাভজনক, কারণ এটি প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকতে পারে এবং বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। নিচে দেশি শিং মাছ চাষের আধুনিক ও সঠিক পদ্ধতি আলোচনা করা হলো:
# # ১. পুকুর নির্বাচন ও প্রস্তুতি
শিং মাছ চাষের জন্য পুকুর খুব বেশি গভীর হওয়ার প্রয়োজন নেই।
* **পুকুরের ধরন:** দোআঁশ বা কাদা-দোআঁশ মাটির পুকুর সবচেয়ে ভালো।
* **গভীরতা:** পুকুরের পানির গভীরতা ২ থেকে ৪ ফুটের মধ্যে রাখা আদর্শ।
* **পুকুর শুকানো:** প্রথমে পুকুরের পানি সরিয়ে তলার কাদা শুকিয়ে নিতে হবে। এরপর প্রতি শতাংশে ১ কেজি হারে চুন প্রয়োগ করতে হবে।
* **নিরাপত্তা:** শিং মাছ বৃষ্টির সময় পুকুর থেকে উঠে যাওয়ার প্রবণতা দেখায়। তাই পুকুরের চারপাশ ১-২ ফুট উঁচু ঘন জাল (বানা) দিয়ে ঘিরে দিতে হবে।
# # ২. পোনা নির্বাচন ও মজুত
চাষের সফলতা নির্ভর করে মানসম্মত পোনার ওপর।
* **পোনা সংগ্রহ:** বিশ্বস্ত হ্যাচারি থেকে পোনা সংগ্রহ করতে হবে।
* **মজুত ঘনত্ব:** একক চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতাংশে ৫০০ থেকে ১,০০০টি পোনা ছাড়া যেতে পারে। তবে নিবিড় পদ্ধতিতে এর চেয়ে বেশিও চাষ করা হয়।
* **মজুত সময়:** বৈশাখ থেকে কার্তিক মাস শিং মাছের পোনা মজুত করার উপযুক্ত সময়।
# # ৩. খাদ্য ব্যবস্থাপনা
শিং মাছ সাধারণত রাতে খেতে পছন্দ করে।
* **খাদ্যের ধরন:** মাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য ৩০%-৩৫% প্রোটিন সমৃদ্ধ ভাসমান বা ডুবন্ত ফিড ব্যবহার করতে হবে।
* **পরিমাণ:** মাছের ওজনের ৩% থেকে ৫% হারে দৈনিক ২ বার খাবার দিতে হবে (ভোরবেলা ও সন্ধ্যায়)। মাছ বড় হওয়ার সাথে সাথে খাবারের শতকরা হার কমিয়ে আনতে হবে।
# # ৪. পানি ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা
* শিং মাছের পুকুরে খুব বেশি কাদা বা পচা জৈব পদার্থ থাকা উচিত নয়। এতে অ্যামোনিয়া গ্যাস বেড়ে মাছ মারা যেতে পারে।
* মাসে অন্তত একবার পানি পরিবর্তন করে নতুন পানি দিলে মাছের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
* মাঝে মাঝে তলার গ্যাস বের করার জন্য হররা (চেইন বা দড়ি টেনে তলা পরিষ্কার করা) টানতে হবে।
# # ৫. রোগবালাই প্রতিকার
শিং মাছের সাধারণ সমস্যা হলো লেজ বা পাখনা পচা রোগ। এটি হলে পুকুরে জীবনুনাশক বা লবণ ও পটাশ ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে নিয়মিত পানি পরিষ্কার রাখলে রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।
# # ৬. মাছ আহরণ
পোনা ছাড়ার ৫ থেকে ৭ মাসের মধ্যে মাছ বিক্রির উপযোগী হয়। একটি মাছের ওজন সাধারণত ৬০ থেকে ৮০ গ্রাম বা তার বেশি হলে বাজারজাত করা যায়।
**একটি বিশেষ পরামর্শ:** চাষ শুরুর আগে স্থানীয় মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শ নিলে এবং পানির গুণাগুণ (pH ও অ্যামোনিয়া) নিয়মিত পরীক্ষা করলে ফলন আরও ভালো পাওয়া সম্ভব।

03/05/2026

টাইগার মনোসেক্স তেলাপিয়া চাষ বর্তমানে বাংলাদেশের মাছ চাষিদের কাছে খুবই জনপ্রিয়, কারণ এই মাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। নিচে পর্যায়ক্রমে আধুনিক চাষ পদ্ধতি আলোচনা করা হলো:
১. পুকুর প্রস্তুতি
* **পুকুর নির্বাচন:** অন্তত ৬ মাস পানি থাকে এমন পুকুর নির্বাচন করুন। পুকুরটি খোলামেলা স্থানে হওয়া ভালো যাতে প্রচুর সূর্যালোক পায়।
* **পুকুর শুকানো ও রাক্ষুসে মাছ দমন:** পুকুরের পানি শুকিয়ে রাক্ষুসে মাছ (শোল, গজার, বোয়াল) এবং অপ্রয়োজনীয় মাছ দূর করতে হবে। পানি শুকানো সম্ভব না হলে প্রতি শতাংশে ১ ফুট পানির গভীরতার জন্য ৩০-৩৫ গ্রাম রোটেনন পাউডার ব্যবহার করা যায়।
* **চুন প্রয়োগ:** মাটির গুণাগুণ ভেদে প্রতি শতাংশে ১-২ কেজি চুন প্রয়োগ করতে হবে। এটি পানির পিএইচ (pH) নিয়ন্ত্রণ করে।
* **সার প্রয়োগ:** চুন দেওয়ার ৫-৭ দিন পর প্রাকৃতিক খাবার (প্লাঙ্কটন) তৈরির জন্য প্রতি শতাংশে ৪-৫ কেজি গোবর অথবা ১০০ গ্রাম ইউরিয়া ও ৫০ গ্রাম টিএসপি সার প্রয়োগ করুন।
২. পোনা মজুদ
* **পোনা নির্বাচন:** বিশ্বস্ত হ্যাচারি থেকে উন্নত জাতের এবং সুস্থ 'মনোসেক্স' (শুধুমাত্র পুরুষ) তেলাপিয়ার পোনা সংগ্রহ করুন। সাধারণ তেলাপিয়া দ্রুত বংশবিস্তার করে পুকুর ভরে ফেলে, ফলে মাছ বড় হয় না।
* **মজুদ ঘনত্ব:** পুকুরের গভীরতা ৩-৪ ফুট হলে প্রতি শতাংশে ২০০-২৫০টি পোনা ছাড়া যায়। পোনা ছাড়ার আগে অবশ্যই পানির তাপমাত্রার সাথে খাপ খাইয়ে (Conditioning) নিতে হবে।
৩. খাদ্য ব্যবস্থাপনা
* **খাদ্য নির্বাচন:** দ্রুত বৃদ্ধির জন্য অন্তত ২৮-৩০% প্রোটিন সমৃদ্ধ ভাসমান ফিড (Floating Feed) ব্যবহার করা সবচেয়ে লাভজনক।
* **খাওয়ানোর নিয়ম:** মাছের মোট ওজনের ৩-৫% হারে দৈনিক খাবার দিতে হবে। মাছ বড় হওয়ার সাথে সাথে খাবারের শতকরা হার কমিয়ে আনতে হয়। সাধারণত সকালে এবং বিকেলে দুই বার খাবার দেওয়া ভালো।
৪. পরিচর্যা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা
* **পানি পরিবর্তন:** পুকুরের পানি অতিরিক্ত সবুজ হয়ে গেলে বা পানি থেকে দুর্গন্ধ আসলে কিছু পানি বের করে নতুন পানি যোগ করতে হবে।
* **অক্সিজেন সরবরাহ:** মেঘলা দিনে বা ভোরে অক্সিজেন স্বল্পতা দেখা দিলে পানি নাড়াচাড়া করতে হবে অথবা এরটর (Aerator) ব্যবহার করা যেতে পারে।
* **নমুনা সংগ্রহ:** প্রতি ১৫ দিন পর পর জাল টেনে মাছের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী খাবারের পরিমাণ পুনরায় নির্ধারণ করতে হবে।
৫. মাছ আহরণ
সঠিকভাবে খাবার ও যত্ন নিলে ৪-৫ মাসের মধ্যে প্রতিটি মাছ ৩৫০-৫০০ গ্রাম ওজনের হয়ে থাকে। এই সময়ে মাছ বাজারে বিক্রির উপযোগী হয়।
**বিশেষ পরামর্শ:** তেলাপিয়া চাষে লাভের মূল চাবিকাঠি হলো ভালো মানের পোনা এবং সঠিক সময়ে পরিমিত পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করা। পোনা ছাড়ার আগে পুকুরে প্রাকৃতিক খাবার পর্যাপ্ত আছে কি না তা পরীক্ষা করে নেওয়া জরুরি।
টাইগার মনোসেক্স তেলাপিয়া নিয়ে আপনার কি বিশেষ কোনো অভিজ্ঞতা আছে, নাকি নতুন করে প্রকল্প শুরু করার পরিকল্পনা করছেন?

03/05/2026

তারা বাইম বা কুঁচে বাইম মাছ আমাদের দেশে বেশ জনপ্রিয় এবং লাভজনক। এটি অন্যান্য মাছের তুলনায় বেশ শক্তপোক্ত, তাই সঠিক নিয়মে চাষ করলে অল্প পুঁজিতে ভালো লাভ করা সম্ভব। নিচে তারা বাইম চাষের ধাপগুলো সহজভাবে দেওয়া হলো:
# # # ১. পুকুর বা চৌবাচ্চা নির্বাচন
* **পুকুরের আকার:** ৫-১০ শতাংশের ছোট পুকুর বা গর্তে চাষ করা সুবিধাজনক।
* **পানির গভীরতা:** ২.৫ থেকে ৩ ফুট পানি থাকলেই চলে।
* **চৌবাচ্চা:** পাকা হাউজ বা চৌবাচ্চাতেও বালু ও মাটি দিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি করে চাষ করা যায়।
# # # ২. পুকুর প্রস্তুতি
* **মাটি ও কাদা:** পুকুরের তলায় অন্তত ৬ ইঞ্চি নরম কাদা থাকা জরুরি, কারণ বাইম মাছ কাদায় লুকিয়ে থাকতে পছন্দ করে।
* **চুন প্রয়োগ:** পুকুর শুকিয়ে শতাংশ প্রতি ১ কেজি চুন দিয়ে মাটি শোধন করে নিতে হবে।
* **নিরাপত্তা বেষ্টনী:** বাইম মাছ খুব সহজেই কাদার ভেতর দিয়ে বা বৃষ্টির সময় পুকুর থেকে চলে যেতে পারে। তাই পুকুরের চারপাশ জাল (Net) বা পলিথিন দিয়ে অন্তত ১-২ ফুট উঁচু করে ঘিরে দিতে হবে।
# # # ৩. পোনা সংগ্রহ ও মজুদ
* **পোনা নির্বাচন:** সুস্থ ও সবল পোনা নির্বাচন করুন। সাধারণত ৪-৫ ইঞ্চির পোনা মজুদের জন্য ভালো।
* **মজুদ ঘনত্ব:** শতাংশ প্রতি ৩০০-৪০০টি পোনা মজুদ করা যেতে পারে। পোনা ছাড়ার আগে অবশ্যই পটাশ মিশ্রিত পানিতে শোধন করে নিতে হবে।
# # # ৪. খাদ্য ব্যবস্থাপনা
বাইম মাছ মূলত নিশাচর এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার পছন্দ দেয়।
* **প্রাকৃতিক খাবার:** পুকুরে আগে থেকেই খৈল ও সার দিয়ে প্রাকৃতিক খাবার (জুপ্ল্যাঙ্কটন) তৈরি করে নিতে হবে।
* **সম্পূরক খাবার:** ছোট মাছের শুঁটকির গুঁড়ো, চালের কুঁড়া, আটা ও ফিশমিল মিশিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করে দেওয়া যায়। এ ছাড়া কুচিলা বা কেঁচো এদের প্রিয় খাবার।
* **সময়:** এরা রাতে খেতে পছন্দ করে, তাই সন্ধ্যার পর মোট খাবারের ৬০-৭০% খাবার দিতে হবে।
# # # ৫. পানির যত্ন ও রোগবালাই
* মাঝে মাঝে পুকুরে চুন বা জিওলাইট ব্যবহার করলে পানি পরিষ্কার থাকে।
* বাইম মাছের সাধারণত রোগবালাই কম হয়, তবে অনেক সময় গায়ে ঘা (Red spot) দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে লবণ পানি বা সিআই ব্যবহার করা যেতে পারে।
# # # ৬. মাছ আহরণ
পোনা ছাড়ার ৭-৮ মাসের মধ্যে একেকটি তারা বাইম ৫০-৮০ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে। এই ওজনে বাজারে এর বেশ ভালো চাহিদা থাকে।
**টিপস:** পুকুরের এক কোণে কিছু কচুরিপানা রাখলে মাছ লুকানোর জায়গা পায় এবং রোদ থেকে সুরক্ষা পায়। তবে কচুরিপানা যেন পুরো পুকুর ঢেকে না ফেলে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। #

02/05/2026

শিং মাছ চাষ অত্যন্ত লাভজনক, কারণ এই মাছ অল্প জায়গায় এবং কম অক্সিজেনযুক্ত পানিতেও বেঁচে থাকতে পারে। নিচে শিং মাছ চাষের আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি আলোচনা করা হলো:
# # # ১. পুকুর নির্বাচন ও প্রস্তুতি
* **পুকুরের ধরন:** দোআঁশ বা কাদা-দোআঁশ মাটির পুকুর সবচেয়ে ভালো। পুকুরটি আয়তাকার হলে ব্যবস্থাপনায় সুবিধা হয়।
* **গভীরতা:** পানির গভীরতা ২.৫ থেকে ৪ ফুট রাখা আদর্শ। খুব বেশি গভীর হলে সূর্যের আলো নিচ পর্যন্ত পৌঁছায় না, যা শিং মাছের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
* **পুকুর শুকানো ও চুন প্রয়োগ:** পুকুর শুকিয়ে রাক্ষুসে মাছ ও ক্ষতিকর পোকা দূর করতে হবে। এরপর প্রতি শতাংশে ১ কেজি হারে চুন প্রয়োগ করে তলার মাটি শোধন করতে হবে।
# # # ২. পানি ব্যবস্থাপনা ও সার প্রয়োগ
* চুন দেওয়ার ৩-৪ দিন পর পুকুরে পানি দিতে হবে।
* প্রাকৃতিক খাবার তৈরির জন্য প্রতি শতাংশে ৩-৪ কেজি গোবর, ১০০ গ্রাম ইউরিয়া এবং ৫০ গ্রাম টিএসপি সার প্রয়োগ করা যেতে পারে। তবে নিবিড় পদ্ধতিতে চাষ করলে সার প্রয়োগ না করলেও চলে।
# # # ৩. পোনা মজুত
* **জাত নির্বাচন:** বর্তমানে "এ জে আই" বা উন্নত জাতের শিং মাছের পোনা চাষে বেশি ফলন পাওয়া যায়।
* **মজুত ঘনত্ব:** একক চাষের ক্ষেত্রে প্রতি শতাংশে ৫০০-৮০০টি পোনা (সুস্থ ও সবল) ছাড়া যায়। মিশ্র চাষ করলে এই সংখ্যা কিছুটা কমিয়ে অন্য মাছের সাথে সমন্বয় করতে হবে।
* **পোনা শোধন:** পুকুরে ছাড়ার আগে পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট মিশ্রিত পানিতে পোনাগুলো শোধন করে নেওয়া উচিত যাতে ছত্রাক সংক্রমণ না হয়।
# # # ৪. খাদ্য ও পুষ্টি ব্যবস্থাপনা
শিং মাছ মূলত রাতে খেতে পছন্দ করে, তবে অভ্যাসের মাধ্যমে দিনের বেলাতেও খাবার দেওয়া যায়।
* **খাবারের ধরন:** বাণিজ্যিকভাবে তৈরি ডুবন্ত (Sinking) ফিড শিং মাছের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
* **পরিমাণ:** মাছের দেহের ওজনের ৩-৫% হারে খাবার প্রতিদিন দুই ভাগে (ভোরে এবং সন্ধ্যায়) ভাগ করে দিতে হবে। মাছ বড় হওয়ার সাথে সাথে খাবারের পরিমাণ সমন্বয় করতে হয়।
# # # ৫. রোগ প্রতিরোধ ও পরিচর্যা
* **পানির গুণমান:** পানি বেশি সবুজ বা নোংরা হয়ে গেলে আংশিক পানি পরিবর্তন করতে হবে। নিয়মিত জীবানুনাশক ব্যবহার করা ভালো।
* **শীতকালীন সতর্কতা:** শিং মাছের ক্ষত রোগ প্রতিরোধের জন্য শীতের শুরুতে প্রতি শতাংশে ৫০০ গ্রাম লবণ এবং ২০০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করা কার্যকর।
# # # ৬. মাছ আহরণ
সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে ৭-৮ মাসের মধ্যে একেকটি মাছ ৬০-৮০ গ্রাম ওজনের হয়ে যায়। এই সময়ে বাজারে মাছের ভালো দাম পাওয়া যায় এবং জাল টেনে বা পুকুর শুকিয়ে মাছ আহরণ করা যায়।

02/05/2026

টাইগার মনোসেক্স তেলাপিয়া মাছের পোনা

01/05/2026

টাইগার মনোসেক্স তেলাপিয়া চাষ বর্তমানে বেশ লাভজনক কারণ সাধারণ তেলাপিয়ার তুলনায় এটি দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং খাবার গ্রহণে বেশ দক্ষ। নিচে উন্নত পদ্ধতিতে এর চাষ প্রক্রিয়ার প্রধান ধাপগুলো আলোচনা করা হলো:
# # ১. পুকুর নির্বাচন ও প্রস্তুতি
* **পুকুরের অবস্থান:** রোদ পড়ে এমন জায়গায় পুকুর হতে হবে। পুকুরটি বন্যামুক্ত হওয়া জরুরি।
* **পুকুর শুকানো ও তলা মেরামত:** পুকুর শুকিয়ে অপ্রয়োজনীয় জলজ আগাছা ও রাক্ষুসে মাছ (যেমন শোল, বোয়াল) দূর করতে হবে।
* **চুন প্রয়োগ:** মাটির গুণাগুণের ওপর ভিত্তি করে শতাংশ প্রতি **১-২ কেজি চুন** ছিটিয়ে দিতে হবে। এটি মাটির অম্লতা দূর করে এবং রোগজীবাণু ধ্বংস করে।
* **সার প্রয়োগ:** চুন দেওয়ার ৫-৭ দিন পর শতাংশ প্রতি ৪-৫ কেজি গোবর অথবা ১০০ গ্রাম ইউরিয়া ও ৫০ গ্রাম টিএসপি সার প্রয়োগ করে পানি দিতে হবে।
# # ২. পোনা সংগ্রহ ও মজুদ
* **উন্নত জাতের পোনা:** বিশ্বস্ত হ্যাচারি থেকে উন্নত মানের টাইগার মনোসেক্স তেলাপিয়ার পোনা সংগ্রহ করতে হবে। খেয়াল রাখবেন যেন পোনাগুলো একই আকারের হয়।
* **মজুদ ঘনত্ব:** পুকুরের গভীরতা ৩-৪ ফুট হলে প্রতি শতাংশে **১৫০-২০০টি** পোনা মজুদ করা যেতে পারে। তবে নিবিড় চাষ পদ্ধতিতে এর চেয়ে বেশিও চাষ করা যায়।
* **পোনা অবমুক্তকরণ:** সরাসরি পোনা পুকুরে না ছেড়ে, পলিথিনসহ পুকুরের পানিতে কিছুক্ষণ ভাসিয়ে রেখে পানির তাপমাত্রার সাথে মানিয়ে নিয়ে তারপর ছাড়তে হবে।
# # ৩. খাদ্য ব্যবস্থাপনা
* **সম্পূরক খাবার:** তেলাপিয়া সব ধরণের খাবার খেলেও দ্রুত বৃদ্ধির জন্য উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ ভাসমান দানাদার খাবার (Floating Feed) দেওয়া সবচেয়ে ভালো।
* **খাবারের নিয়ম:** মাছের ওজনের ওপর ভিত্তি করে প্রতিদিন ২-৫% হারে খাবার দিতে হবে। দিনের খাবার সকালে এবং বিকেলে দুই ভাগে ভাগ করে দেওয়া উত্তম।
# # ৪. পানি ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা
* পুকুরের পানি বেশি সবুজ হয়ে গেলে সার দেওয়া বন্ধ রাখতে হবে।
* পানির পিএইচ (pH) এবং অক্সিজেনের মাত্রা ঠিক রাখতে মাসে অন্তত একবার তলার গ্যাস বের করার ব্যবস্থা করতে হবে (যেমন হররা টানা)।
* পানির স্বচ্ছতা এবং গুণমান বজায় রাখতে মাঝে মাঝে পানি পরিবর্তন বা চুন-লবণ ব্যবহার করা যেতে পারে।
# # ৫. মাছ আহরণ
সঠিকভাবে খাবার ও যত্ন নিলে টাইগার মনোসেক্স তেলাপিয়া **৪-৫ মাসের** মধ্যেই ২৫০-৩৫০ গ্রাম বা তার বেশি ওজনের হয়ে যায়। তখন এটি বাজারে বিক্রির উপযুক্ত হয়।
> **বিশেষ পরামর্শ:** মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং দ্রুত বৃদ্ধির জন্য ভালো মানের ভিটামিন প্রিমিক্স খাবারের সাথে মিশিয়ে দিতে পারেন।
>
আপনার খামারের পুকুরটি কত শতাংশের বা কতগুলো পোনা ছাড়ার পরিকল্পনা করছেন?

30/04/2026

পাঙ্গাস মাছ চাষ বর্তমান সময়ে অত্যন্ত লাভজনক কারণ এই মাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং যেকোনো পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারে। নিবিড় বা আধা-নিবিড় পদ্ধতিতে পাঙ্গাস চাষের মূল ধাপগুলো নিচে দেওয়া হলো:
# # # ১. পুকুর নির্বাচন ও প্রস্তুতি
* **পুকুর:** পুকুরটি খোলা জায়গায় হওয়া ভালো যেখানে পর্যাপ্ত রোদ লাগে। গভীরতা ৪-৫ ফুট হওয়া আদর্শ।
* **শুকানো ও চুন প্রয়োগ:** পুকুর শুকিয়ে তলদেশের কাদা সরিয়ে ফেলতে হবে। এরপর প্রতি শতাংশে ১ কেজি হারে চুন প্রয়োগ করতে হবে।
* **পানি সরবরাহ:** চুন দেওয়ার ৫-৭ দিন পর পানি দিতে হবে। পুকুরের চারপাশ জাল দিয়ে ঘিরে দিলে মাছ বাইরে যেতে পারবে না।
# # # ২. পোনা নির্বাচন ও মজুদ
* **উন্নত জাত:** দ্রুত বৃদ্ধির জন্য থাই পাঙ্গাস চাষ করা সবচেয়ে জনপ্রিয়।
* **পোনা মজুদ:** পোনা ছাড়ার আগে ৫-১০ মিনিট পুকুরের পানির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। প্রতি শতাংশে ৮০-১০০টি (পুকুরের পরিবেশ ভেদে কম-বেশি হতে পারে) সুস্থ পোনা ছাড়া যায়।
* **মজুদ পরবর্তী যত্ন:** পোনা ছাড়ার পর ১-২ দিন কোনো খাবার দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।
# # # ৩. খাদ্য ব্যবস্থাপনা
পাঙ্গাস চাষের প্রধান খরচ হলো খাবার। ভালো ফলনের জন্য অবশ্যই মানসম্মত ফ্লোটিং (ভাসমান) ফিড ব্যবহার করা উচিত।
* **পরিমাণ:** মাছের মোট ওজনের ৩-৫% হারে খাবার দিতে হবে।
* **সময়:** প্রতিদিন সকালে এবং বিকেলে নির্দিষ্ট সময়ে খাবার দেওয়া ভালো।
* **প্রোটিন:** খাবারে অন্তত ২৫-২৮% প্রোটিন থাকা জরুরি।
# # # ৪. পানি ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা
* **পানি পরিবর্তন:** পাঙ্গাস মাছ প্রচুর খাবার খায়, ফলে পুকুরের পানি দ্রুত নষ্ট হতে পারে। নিয়মিত পানি পরিবর্তন করলে মাছ দ্রুত বাড়ে।
* **অক্সিজেন:** পানিতে অক্সিজেনের অভাব হলে এয়ারেটর ব্যবহার করা যেতে পারে অথবা নতুন পানি যোগ করতে হবে।
* **রোগবালাই:** নিয়মিত জাল টেনে মাছের বৃদ্ধি পরীক্ষা করতে হবে। লেজ বা পাখনা পচা রোগ দেখা দিলে অভিজ্ঞ মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শ নিতে হবে।
# # # ৫. মাছ আহরণ
সঠিকভাবে খাবার ও যত্ন নিলে ৫-৬ মাসের মধ্যে একেকটি পাঙ্গাস মাছ ৮০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। বাজারে চাহিদা অনুযায়ী এই সময়ে মাছ আহরণ করা সবচেয়ে লাভজনক।
**একটি টিপস:** পাঙ্গাসের সাথে কিছু কার্প জাতীয় মাছ (যেমন- রুই, কাতলা) চাষ করলে পুকুরের পরিবেশ ভালো থাকে এবং বাড়তি লাভ পাওয়া যায়।
আপনি কি আপনার হ্যাচারির জন্য কোনো নির্দিষ্ট ফরমূলা বা বড় আকারের প্রজেক্টের কথা ভাবছেন?

30/04/2026

দেশি শিং মাছের পোনা 👉👉
শিং মাছ (চাষি শিং) বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা বর্তমানে বেশ লাভজনক, কারণ এটি অল্প জায়গায় বেশি ঘনত্বে চাষ করা যায় এবং বাজারে এর চাহিদা ও দাম দুটোই বেশি। নিচে শিং মাছ চাষের আধুনিক ও সহজ পদ্ধতিগুলো তুলে ধরা হলো:
# # ১. পুকুর নির্বাচন ও প্রস্তুতি
* **পুকুরের ধরন:** পুকুরটি বন্যামুক্ত এবং পর্যাপ্ত রোদ পায় এমন স্থানে হওয়া উচিত। শিং মাছের জন্য **১.৫ থেকে ৪ ফুট** গভীরতার পুকুর সবচেয়ে ভালো।
* **পুকুর শুকানো:** পুকুরের তলার মাটি শুকিয়ে নিতে হবে। যদি সম্ভব হয়, তলার পচা কাদা তুলে ফেলতে হবে।
* **চুন প্রয়োগ:** প্রতি শতকে ১ কেজি হারে চুন প্রয়োগ করে মাটির অম্লতা দূর করতে হবে।
* **পুকুর পাড় মেরামত:** শিং মাছ খুব সরু জায়গায় দিয়েও বেরিয়ে যেতে পারে। তাই পুকুরের চারপাশ জাল (ব্যানার নেট) দিয়ে ঘিরে দেওয়া নিরাপদ।
# # ২. পোনা নির্বাচন ও মজুত
* **উন্নত জাত:** দ্রুত বৃদ্ধির জন্য 'মোনোসেক্স শিং' বা উন্নত হাইব্রিড জাতের পোনা নির্বাচন করা উচিত।
* **পোনা মজুত:** প্রতি শতকে **৫০০ থেকে ১০০০টি** পোনা (আকারের ওপর নির্ভর করে) মজুত করা যেতে পারে। পোনা ছাড়ার আগে অবশ্যই নিয়ম অনুযায়ী খাপ খাইয়ে (Conditioning) নিতে হবে।
* **মজুত সময়:** বৈশাখ থেকে আষাঢ় মাস পোনা মজুতের উপযুক্ত সময়।
# # ৩. খাদ্য ব্যবস্থাপনা
শিং মাছ মূলত নিশাচর, তাই এদের সূর্যোদয়ের আগে এবং সন্ধ্যার পর খাবার দেওয়া বেশি কার্যকর।
* **খাবারের ধরন:** ভালো ফলনের জন্য প্রোটিনসমৃদ্ধ (৩০-৩৫%) বাণিজ্যিক ভাসমান ফিড ব্যবহার করা উচিত।
* **পরিমাণ:** মাছের দেহের ওজনের **৩-৫%** হারে খাবার দিতে হয়। মাছ বড় হওয়ার সাথে সাথে খাবারের হার কমিয়ে আনতে হবে।
# # ৪. পানি ব্যবস্থাপনা
শিং মাছ চাষে পানি দ্রুত নষ্ট হতে পারে।
* পুকুরে অতিরিক্ত এমোনিয়া হলে মাছ উপরে ভেসে ওঠে বা মারা যেতে পারে। তাই মাঝে মাঝে পানি পরিবর্তন করা বা ওয়াটার ট্রিটমেন্ট করা প্রয়োজন।
* পুকুরের তলদেশে গ্যাস জমলে তা দূর করার ব্যবস্থা নিতে হবে।
# # ৫. রোগ বালাই ও প্রতিকার
শিং মাছের সাধারণত 'ক্ষত রোগ' বা পাখনায় পচন দেখা দিতে পারে।
* রোগ প্রতিরোধের জন্য শীতের শুরুতে পুকুরে লবন ও চুন প্রয়োগ করা ভালো।
* অতিরিক্ত ঘনত্ব বা নোংরা পানির কারণে রোগ বেশি হয়, তাই পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি।
# # ৬. মাছ আহরণ
সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে **৬ থেকে ৭ মাসের** মধ্যে মাছ বাজারজাত করার মতো বড় হয় (সাধারণত ৮০-১০০ গ্রামে)। শিং মাছ সাধারণত পানি শুকিয়ে বা জাল টেনে ধরতে হয়।
**পরামর্শ:** আপনার যদি নির্দিষ্ট কোনো এলাকার (যেমন: ময়মনসিংহ বা গাজীপুর অঞ্চল) বাজার দর বা বিশেষ নার্সারি সম্পর্কে জানার থাকে, তবে জিজ্ঞেস করতে পারেন। আপনার খামারের পোনা বা হ্যাচারির প্রচারণার জন্য কোনো বিজ্ঞাপনের বয়ান দরকার হলেও জানাতে পারেন।

Address

Village: Dhala, Post Office: Dhalla, Post Code: Police Station: Trishal, : District: Mymensingh, BD
Mymensingh
2223

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fish Farm Expert posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Fish Farm Expert:

Share