Safe Food Bd

Safe Food Bd we seve chemical free product

26/08/2022

সুস্থ থাকতে প্রয়োজন সঠিক খাদ্যাভ্যাস। ভিটামিন (Vitamin) ও প্রোটিন (Protein) পরিপূর্ণ খাবার পূরণ করবে শরীরের সকল ঘাটতি। সেই কারণে শর্করা, প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ পরিপূর্ণ খাবার রোজকার খাদ্যতালিকায় রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। খাবার শরীরে পুষ্টি জোগানোর সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। তবে সব খাবারে (Foods) প্রয়োজনীয় উপাদান থাকে এমন নয়। এবার থেকে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই কয়টি খাবার। উপকারী উপাদানে পরিপূর্ণ এই সকল খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity Power) বৃদ্ধি করবে। সঙ্গে পূরণ করবে শরীরের সকল ঘাটতি।

১. নারকেল তেলকে (Coconut Oil) সুপার ফুডের দেবতা বলা হয়। এই তেল দিয়ে রান্না করতে শরীরে প্রয়োজনীয় উপাদান প্রবেশ করবে। ভিটামিন, খনিজ ও ফাইবারে পরিপূর্ণ এই তেল। ত্বক ও চুলের চর্চার জন্যও বেশ উপকারী নারকেল তেল।

২. রোজের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন পেঁপে (Papaya)। এতে উচ্চ প্যাপেই থাকে। সঙ্গে থাকে ভিটামিন এ, সি ও ই। ডায়াবেটিক, হৃদরোগের সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা খেতে পারেন পেঁপে। সঙ্গে অনিয়মিত ঋতুচক্রের সমস্যা সমাধান করবে এই পেঁপে। রোজ নির্দিষ্ট পরিমাণ পেঁপে খেতে পারেন।

৩. খাদ্যতালিকায় রাখুন ডিম (Egg)। ভিটামিন এ, শর্করা, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়ামে পরিপূর্ণ ডিম। রোজ সকালে একটি করে ডিম সেদ্ধ খেতে পারেন। এতে দূর্বলতা হ্রাস পাবে। সঙ্গে দূর হবে পেশীর ব্যথা। ওজন কমাতে সাহায্য করবে ডিম। সঙ্গে বৃদ্ধি পাবে রোধ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

৪. সারা বছরই বাজারে মজুত থাকে কলা (Banana)। এতে ক্যলসিয়াম, শর্করা, খনিজ লবন, ফসফরাস, ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি কমপ্লেক্স থাকে। শরীর ও মন সতেজ রাখে কলা। রোজ একটি করে কলা খেতে পারেন। এই ফল শরীররে পুষ্টি জোগানোর সঙ্গে সঙ্গে ত্বক ও চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে। ত্বক ও চুলের যত্ন নিতে ব্যবহার করতে পারেন কলার তৈরি প্যাক।

৫. রোজ খেতে পারেন একটি করে আপেল (Apple)। ফলের বাজারে সব সময়ই মজুত থাকে আপেল। এতে ৮০ শতাংশ জল থাকে। ভিটামিন সি, কে ই, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম সহ একাধিক পুষ্টিগুণ আছে আপেলে। তাই নিয়মিত আপেল খেলে শরীরে সকল ঘাটতি পূরণ হবে। সঙ্গে সুস্থ থাকা সম্ভব আপেলের গুণে।

19/07/2022

পানি আমাদের শরীরের জন্য প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে। শরীরকে হাইড্রেট রাখতে ও বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধেও অনেক উপকারী হিসেবে কাজ করে পানি। সকালে খালি পেটে পানি পান করলে তা বিপাকীয় হারকে প্রায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে পারে। আর এটি করলে তা খাবার দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘমেয়াদে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

18/07/2022

এই তীব্র গরমে নিজেকে সুস্থ রাখা জরুরি। গরমে সুস্থ থাকতে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, তীব্র গরমে স্বাস্থ্যের ওপরে যে প্রভাব পড়ে, এতে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া হিটস্ট্রোকের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এ গরমে কী করতে পারেন, সে পরামর্শগুলো দেখে নিতে পারেন।
১. সরাসরি রোদে যাওয়া থেকে বা অধিক পরিশ্রম থেকে বিরত থাকুন। বিশেষ করে বেলা ১১টা থেকে তিনটা পর্যন্ত সরাসরি রোদে যাবেন না। এই সময়টা দিনের সবচেয়ে বেশি গরম থাকে।
২. সূর্যের আলো থেকে চোখ সুরক্ষার জন্য রোদচশমা ব্যবহার করুন। এ ছাড়া সূর্যের আলোয় সরাসরি যাওয়ার পরিবর্তে মাথায় ছাতা, টুপি, পায়ে জুতা-স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।
৩. তৃষ্ণা না পেলেও প্রচুর পানি পান করুন। পানি ছাড়াও ডাব, জুস, লাচ্ছি, লেবুপানি, দই প্রভৃতি খেতে পারেন। এতে শরীর আর্দ্র থাকবে।
৪. উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবারের পরিবর্তে অল্প অল্প খান।

৫. কোথাও যাওয়ার আগে সঙ্গে পানি অবশ্যই নেবেন।
৬. সুযোগ থাকলে একাধিকবার গোসল করতে পারেন। বিশেষ করে, ঘুমানোর আগে গোসল করে দিলে শরীরের তাপমাত্রা কম থাকবে।
৭. হালকা, ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের সুতি কাপড় পরবেন।
৮. ঘর যাতে ঠান্ডা থাকে এবং ঘরে যাতে বাতাস প্রবেশ করতে পারে, সে সুযোগ রাখবেন।
৯. কারও যদি শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, দুর্বলতা ও মাথা ঝিমঝিম করে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
১০. গরমের দিনে খাবার সামান্য এদিক-ওদিক হলেই পেটব্যথা হয়, পেট কামড়ায়, হজমে গোলমাল দেখা দেয়। বাইরের খাবার খাওয়ার আগে সচেতন থাকুন।
১১. গরমে আর ক্লান্তিতে বাইরের খোলা খাবার ও পানীয় গ্রহণের হার বেড়ে যায়। তার ওপর গরমে সহজেই খাদ্যদ্রব্য দূষিত হয়। বাড়ে মাছি ও পোকামাকড়ের বিস্তার, যা রোগবালাই ছড়াতে সাহায্য করে। এসবের ফলে বাড়ে পানি ও খাবারবাহিত রোগের প্রকোপ। এর মধ্যে একটি বড় সমস্যা হলো জন্ডিস। জন্ডিস থেকে বাঁচতে, বিশেষ করে রাস্তার খোলা খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।
১২. গ্রীষ্মের অতিরিক্ত গরমে ঘামাচির সমস্যা বাড়ে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অতিরিক্ত গরমে প্রচুর পানি পান করা উচিত। প্রতিদিন কমপক্ষে দুবার গোসল করা প্রয়োজন। প্রতিদিন অন্তত একবার গোসলের সময় সাবান মাখতে হবে। ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে।
১৩. গরমের সময়ের একটি মারাত্মক স্বাস্থ্যগত সমস্যার নাম হিটস্ট্রোক। চিকিৎসাশাস্ত্র অনুযায়ী, প্রচণ্ড গরম আবহাওয়ায় শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে শরীরের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে গেলে তাকে হিটস্ট্রোক বলে। হিটস্ট্রোক এড়াতে যথাসম্ভব ঘরের ভেতরে বা ছায়াযুক্ত স্থানে থাকুন। পানির সঙ্গে সঙ্গে লবণযুক্ত পানীয়, যেমন: খাবার স্যালাইন, ফলের রস, লাচ্ছি ইত্যাদিও পান করতে হবে। তাপমাত্রা বৃদ্ধিকারী পানীয়, যেমন: চা ও কফি যথাসম্ভব কম পান করা উচিত।
১৪. গরমে প্রচুর সবজি খেতে পারেন। শসা, টমেটো, ক্যাপসিকাম, লাউ, শাক-পাতা আপনার খাদ্যতালিকায় রাখুন। তথ্যসূত্র: জিনিউজ, বারডেম

29/06/2022

নানা কারণে পুরুষের শরীরে পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেয়। মূলত অনিয়মিত জীবনযাপন, মানসিক চাপ ইত্যাদি শরীরকে দুর্বল করে দেয়। তাছাড়া খাবারে ভেজাল, বায়ুতে দূষণ, পানিতে জীবাণুসহ আরো অনেক কারণ পুরুষের দুর্বলতার জন্য দায়ী।
চিকিৎসকরা মনে করেন, ভেজাল জীবনযাপন থেকে রেহাই পাওয়া সহজ কাজ নয়, আবার একেবারে অসম্ভবও নয়। তবে এক্ষেত্রে ওষুধের চাইতেও প্রাকৃতিক উপাদান বেশি কার্যকরী। আপনার ঘরে থাকা দুটি উপাদানে রয়েছে দারুণ শক্তি। যা শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও শরীরকে সব দিক থেকে সুস্থ রাখতে সক্ষম। চলুন জেনে নেয়া যাক খুব সহজ উপায়ে ঘরোয়া দারুণ একটি ওষুধ তৈরির উপকরণ ও প্রস্তুত প্রণালী সম্পর্কে। যা পুরুষের দুর্বলতা কাটাতে সক্ষম।


যা যা লাগবে

২ চা চামচ পেঁপের বীজ, ১ চা চামচ মধু।

তৈরি ও সেবন পদ্ধতি

প্রথমে পেঁপের বীজ বেটে নিন। এবার এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খান। এই ওষুধটি প্রতিদিন খেলে এনজাইম স্পার্ম কাউন্টের উন্নতি ঘটবে। যাতে আপনার দুর্বলতা অনেকটাই কেটে যাবে। এ ওষুধটি দুর্বলতা কাটিয়ে উর্বরতা বাড়ানোর পাশাপাশি আরো যা উপকার করে চলুন তা জেনে নেয়া যাক-

> আপনি অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়লে পেঁপে এবং মধু মিশ্রিত এই ওষুধটি খাওয়া শুরু করুন। কারণ এতে রয়েছে গ্লকোসিনোলেট নামে একটি উপাদান, যা সেলের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে ক্লান্তি ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

> ভাইরাস সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে এটি। আবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও শক্তিশালী করে। এই ওষুধে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং এমন কিছু শক্তিশালী উপাদান, যা শরীর থেকে সব রকমের ক্ষতিকর টক্সিন বা বিষ বের করে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে এতে রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশংকাও কমে যায়।

> এই ওষুধে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, যা পেশি গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাছাড়া যারা ওজন কমাতে চাইছেন, তারা এটি খেতে পারেন। কারণ পেঁপে ও মধুতে রয়েছে বেশ কিছু লিপিডস এবং পটাশিয়াম, যা মেটাবলিজম বাড়িয়ে চর্বি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

> এ ওষুধটি স্টমার ক্ষতিকর পোকাদের মেরে ফেলে। কারণ স্টমায় এসব ক্ষতিকারক উপাদানের মাত্রা যত বৃদ্ধি পাবে, তত হজমের সমস্যা বাড়বে। আর এ ধরনের রোগের হাত থেকে বাঁচতে এই ঘরোয়া ওষুধটির কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএ

কিশমিশ, খোরমা, শুকনো খেজুর, আমসি, আমসত্ত্ব ইত্যাদি আমাদের দেশে জনপ্রিয়। সাধারণ ফলকে শুকিয়ে ফেলার পর এর মধ্যকার উপাদানে...
22/06/2022

কিশমিশ, খোরমা, শুকনো খেজুর, আমসি, আমসত্ত্ব ইত্যাদি আমাদের দেশে জনপ্রিয়। সাধারণ ফলকে শুকিয়ে ফেলার পর এর মধ্যকার উপাদানের ঘনত্ব বেড়ে যায় বলে শুকনো ফলে সাধারণ ফলের চেয়ে পুষ্টি বা ক্যালরি বেশি। শুকনো আম বা আমসত্ত্বতে আছে প্রচুর ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই

18/06/2022

মানুষ কীভাবে সুস্থ থাকতে পারে এবং কোন উপায়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে, সেটি নিয়ে নানামুখী গবেষণা হয়েছে বিশ্বজুড়ে।

চিকিৎসক এবং পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী না হলে অল্প অসুস্থতাতেও মানুষ খুব সহজে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোগের আক্রমণও জোরালো হয়।

এক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস এবং জীবন-যাপনের পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করছেন চিকিৎসকরা।

মানুষ সচরাচর যে ধরণের খাবার খায়, সেগুলো হচ্ছে - শর্করা, প্রোটিন এবং ফ্যাট বা চর্বি জাতীয় খাবার।

বিজ্ঞাপন

এ ধরণের খাবার শরীরের জন্য অবশ্যই প্রয়োজন। মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নির্ভর করে ভিটামিন এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট-এর উপর।

দুগ্ধজাত খাবার
দুগ্ধজাত খাবারগুলো বিজ্ঞানের ভাষায় প্রোবায়েটিকস হিসেবে পরিচিত। যেমন- দই, ঘোল, ছানা ইত্যাদি।

মানুষের পাকস্থলিতে যে আবরণ আছে, সেটার ভেতরে বেশ কিছু উপকারী জীবাণু কার্যকরী হয়।

বাংলাদেশের একজন চিকিৎসক হাসান শাহরিয়ার কল্লোল বলেন, পাকস্থলীতে যদি উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা কমে যায় তখন সেখানে ক্যান্সার বাসা বাঁধতে পারে।

দুগ্ধজাত খাবারগুলোর পাকস্থলীতে উপকারী জীবাণুকে বাঁচিয়ে রাখে। ভিটামিন ডি এর জন্য দিনের কিছুটা সময় শরীরে রোদ লাগাতে হবে। এটা খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনাচরণের সাথে সম্পৃক্ত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক নাজমা শাহীন বলেন, যার শরীরের গঠন ভালো এবং সেখানে কোন ঘাটতি থাকবে না, তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি হবে।

তিনি বলেন, যেমন শিশু জন্মের পর থেকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

24/04/2022
ফলের রাজা আম। পাকা আমের মত সুস্বাদু ফল খুব কমই আছে। গ্রীষ্মকালের প্রচণ্ড দাবদাহে একটা গাছপাকা আম আপনাকে সুমিষ্ট প্রশান্ত...
20/04/2022

ফলের রাজা আম। পাকা আমের মত সুস্বাদু ফল খুব কমই আছে। গ্রীষ্মকালের প্রচণ্ড দাবদাহে একটা গাছপাকা আম আপনাকে সুমিষ্ট প্রশান্তির স্বাদ এনে দিতে পারে। গ্রীষ্মের মৌসুমী ফলগুলোর মধ্যে আমের আবেদন সার্বজনীন। আপনাকে সচেতন থাকতে হবে যে, তা রাসায়নিকমুক্ত কিনা। কেননা এর উপরেই নির্ভর করছে আপনার আর আপনার পরিবারের সুস্বাস্থ্য।

এক নজরে দেখে নিন ফরমালিনমুক্ত আম চেনার উপায়

গাছপাকা আমের উপর অবশ্যই মাছি বসবেঃ আম কিনতে গেলে একটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল করবেন তা হল- আমের ওপর মাছি বসে কিনা। আমে রাসায়নিক ফরমালিন বা কার্বাইড দেওয়া থাকলে সে আমের উপরে কখনই মাছি বসবে না।

গাছপাকা আমের গায়ে সাদাটে ভাব থাকবেঃ গাছপাকা আম হলে দেখবেন, আমের গায়ে এক ধরণের সাদাটে ভাব থাকে, সেরকম রঙিন ভাব থাকেনা। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য রাসায়নিকে দেওয়া আম হয় সুন্দর, দাগহীন ও পরিষ্কার।

গাছপাকা আমের গায়ে অনেক দাগ থাকেঃ গাছপাকা আমের ত্বকে দাগ থাকে। রাসায়নিকে পাকানো আমের গা হয় দাগহীন। কারণ কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফর্মালিন ও কার্বাইড দিয়ে পাকানো হয়।

কেমিক্যাল যুক্ত আমের কোন সুস্বাদ বা টক-মিষ্টি গন্ধ নেইঃ আম কেনার পর সেই আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন যে আমে কোন সৌরভ নেই কিংবা আমে টক-মিষ্টি কোনো স্বাদই নেই- বুঝবেন যে সে আমে ফর্মালিন জাতীয় কোন রাসায়নিক দ্রব্য দেওয়া হয়েছে।

বদ্ধ জায়গায় আম কিছুক্ষণ রাখুনঃ আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছপাকা আম হলে কিছুক্ষণ পর গন্ধে মৌ মৌ করবে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই সুমিষ্ট গন্ধ পাওয়াই যাবে না।

খোসার রঙের ভিন্নতাঃ গাছপাকা আমের গায়ের রঙও আলাদা। গোড়ার দিকে একটু গাঢ় রঙ থাকে গাছপাকা আমে। রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে পাকানো আমের আগাগোড়া হলদে রঙ হয়ে যায়। হিমসাগর সহ আরও বেশ কিছু জাতের আম পাকলেও সবুজ থাকে। গাছপাকা হলে এসব আমের ত্বকে কালো কালো দাগ পড়ে। রাসায়নিক দিয়ে পাকানো হলে আমের ত্বক হয় মসৃণ ও সুন্দর।

আমের সুমিষ্ট গন্ধ পাওয়া যাবেঃ ফরমালিনমুক্ত আম চেনার উপায় একটি উপায় হচ্ছে গন্ধ শুকে দেখা। আম কেনার আগে নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুকুন। গাছপাকা আম হলে অবশ্যই বোঁটার কাছে চেনা গন্ধ পাবেন। ওষুধ দেওয়া আমে গন্ধ খুব বেশি থাকে না কিংবা বাজে বা ঝাঁজালো গন্ধ থাকে। ফলে বোঝা যায় যে আমটা আসলে গাছপাকা না।

13/04/2022

freshfoodbd.xyz

25/03/2022

গুড় খাওয়ার ১৫ গুণ!
কালের কণ্ঠ অনলাইন ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ০১:৩

গুড় খাওয়ার ১৫ গুণ!
অ- অ অ+
ভেবে দেখেছেন কখনো, বাড়ির বয়স্ক মানুষেরা অনেকেই খাওয়ার পাতে বা সকালে খালি পেটে গুড় খান কেন?
জানলে অবাক হয়ে যাবেন, গুড় কোনো অংশে মহৌষধির চেয়ে কম কিছু নয়। এক চামচ গুড় শরীরের ভেতর যাওয়া পর্যন্ত যা অপেক্ষা!
তার পরে কোন কোন দিক থেকে উপকৃত হবেন আপনি?

কোষ্ঠকাঠিন্যের যম :
পেটে যাওয়ার পরে গুড় হজমশক্তি বাড়ায়। সেই সঙ্গে এর ভিতরে থাকা শর্করা কোষ্ঠও সাফ করে। আপনি যদি দীর্ঘ দিন কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন, তবে রোজ এক চামচ গুডজ় আপনাকে স্বস্তি দিতে পারে।

বিজ্ঞাপন


লিভার ভাল রাখে :
গুড় লিভার থেকে যাবতীয় টক্সিন দূর করে শরীরকে সুস্থ রাখে। ফলে, শরীর থেকে টক্সিন বের করতে চাইলে রোজ এক কামড় গুড় হতে পারে আপনার সহায়!

সর্দি-কাশি তাড়ায় :
গুড় সর্দি-কাশিও তাড়ায়। সর্দি হলে একটু গুড় খেয়ে দেখুন। স্বস্তি বোধ করবেন।

রক্ত পরিষ্কার রাখে :
গুড় যেহেতু লিভার থেকে টক্সিন বের করে দেয়, সেই জন্য রক্তও সাফ থাকে।

শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় :
গুড় কোষ্ঠ সাফ করে, রক্ত সাফ রাখে। ফলে, আপনা থেকেই শরীরের প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়ে।

শরীর সাফ রাখে :
শুধু লিভারই নয়, তার পাশাপাশি অন্ত্র-ফুসফুস এবং শরীরের অভ্যন্তরের অনেক যন্ত্রই পরিষ্কার রাখে গুড়।

মেনস্ট্রুয়াল ব্যথা কমায় :
যাঁদের মেনস্ট্রুয়েশনের সময় পেটে ব্যথা হয়, তাঁরা সেই সময়ে গুড় খেয়ে দেখতে পারেন। সঙ্গে সঙ্গে স্বস্তি পাবেন!

রক্তাল্পতা রোধ করে :
গুড় হিমোগ্লেবিনের সংখ্যা বাড়ায়! ফলে, রক্তাল্পতা রোধে এর বিকল্প নেই বললেই চলে!

মিনারেল ম্যাজিক :
গুড় শরীরের মিনারেলের ঘাটতি পূরণ করে। ১০ গ্রাম গুড় প্রায় ১৬ মিলিগ্রাম মিনারেলের জোগান দেয়!

স্টমাক ঠান্ডা রাখে :
গুড় সারা শরীর তো বটেই, বিশেষ করে স্টমাক ঠান্ডা রাখে। ফলে, কর্মক্ষমতা বাড়ে।

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রক :
গুড়ে সোডিয়াম আর পটাসিয়াম থাকে, যা ব্লাড প্রেসারের ভারসাম্য বজায় রাখে!

শ্বাসকষ্ট কমায় :
গুড় যেহেতু শরীর ঠান্ডা রাখে, সেহেতু আপনা থেকেই শ্বাসকষ্টে স্বস্তি মেলে। অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিসের মতো অসুখে রোজ গুড় খেলে উপকার পাওয়া যায়।

গাঁটের ব্যথা কমায় :
গাঁটের ব্যথায় গুড় স্বস্তি এনে দেয়। এমনি এমনি বা এক গ্লাস দুধের সঙ্গে খান- দেখবেন, উপকার পাচ্ছেন!

মেদ ঝরায় গুড় :
গুড় শরীর থেকে টক্সিন বের করার পাশাপাশি মেদ গলাতেও সাহায্য করে। ফলে, রোজ গুড় খেলে শরীর ঝরঝরে থাকে।

ক্লান্তি নিরোধক :
গুড় রক্ত পরিষ্কার করে, শ্বাসকষ্ট কমিয়ে, মেদ গলিয়ে শরীরকে ঝরঝরে রাখে। ফলে, কর্মক্ষমতা যেমন বাড়ে, তেমনই ক্লান্তিও কমে!
তাহলে? শীতকালটা চলে গেলেই কি আপনারও গুড় খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে?
ভেবে দেখুন দেখি একবার!

12/03/2022
11/03/2022

নিরাপদ খাবার মানুষের বেঁচে থাকা এবং সুস্থ থাকার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বাড়তি খাদ্য উৎপাদনে বড় অর্জন আনতে গিয়ে বেড়েছে রাসায়নিক সারের প্রয়োগ। আর মাটির ওপর নির্বিচারে রাসায়নিক প্রয়োগের ফলে খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু খাদ্যের গুণগতমান নষ্ট হয়েছে। প্রাণ বৈচিত্র্য হারিয়ে যাচ্ছে।

Address

Mirpur
1216

Telephone

+8801911047231

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Safe Food Bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Safe Food Bd:

Share