30/01/2025
শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে এক আওয়ামী বুদ্ধিজীবীর খোলা চিঠি। পড়ে দেখুন, ভালো লাগবে।
আওয়ামী লীগের কোনো নেতা কিংবা শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত কোনো ব্যক্তি যদি এই লেখাটি তাঁর কাছে পৌছে দিতে পারেন তবে সবিশেষ কৃতজ্ঞ থাকবো।
কান ফেলে শুনুন
আপনি ক্ষমতায় থাকতে কথাগুলো কখনোই বলতে পারতাম না। কারন লেখাটি প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথে আপনার দলীয় উশৃংখল কর্মীরা আমার বাড়িঘর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে আমাকে জানে মেরে ফেলতে বিন্দুমাত্র কুন্ঠাবোধ করতো না। দলীয় ফোরামে যদিও আপনার অনেক সমালোচনা করেছি কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আপনাকে এসব কথা বলবার মতো সাহস আমার কেন বাংলাদেশে কারোই ছিল না।
প্রথম থেকে যদি বলি, তবে বলতে হয়, আওয়ামী লীগের মতো বৃহৎ দল চালাবার মতো মেধা, প্রজ্ঞা এবং দূরদর্শিতা আপনার ছিল না। শুধু দলের ঐক্যের প্রতীক বিবেচনায় সেদিন বঙ্গবন্ধুর কন্যা হিসেবে আপনাকে ঐ আসনটি ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। প্রয়াত জনাব মালেক উকিল সাহেবের নেতৃত্বে ১৯৭৯ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেই কিন্তু আওয়ামী লীগ বেশ ভালোভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। ৩৯ টি আসন পেয়ে তাঁরা বিরোধীদলের আসন অর্জন করেছিল।বঙ্গবন্ধুর পতনের পর অনেকেই বলাবলি করছিল, আওয়ামী লীগ আগামী একশো বছরেও রাজনীতিতে ঠাঁই পাবে না। কিন্তু সেটি পেয়েছিল আপনার নেতৃত্ব ছাড়াই।
দ্বিতীয়ত , আপনি দলের ভেতর কোন নেতৃত্বের বিকাশ একেবারেই সহ্য করতে পারেন নি। আপনার পিতা ভুল বশত:তাজুদ্দিনকে দূরে ঠেলে দিয়েছিলেন, আর আপনি সজ্ঞানে কামাল হোসেনের মতো মানুষকে দূরে ঠেলে দিয়েছেন, তোফায়েল , রাজ্জাক সাহবদের মতো ত্যাগী নেতাদের নানাভাবে অপদস্ত করেছেন। তাঁদের জনপ্রিয়তা আপনি মেয়েলি প্রতিহিংসায় সহ্য করতে পারেননি। অথচ বাংলাদেশের স্বাধীনতায় এসব নেতার অবদান জ্বলজ্বল করে এখনো জ্বলছে। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানী সাহেবকে আপনি ধরে রাখতে পারেননি।
তৃতীয়ত , অতো বড় দলের নেতা হিসেবে কী বলা উচিত আর কী উচিত নয় এই জ্ঞান আপনার ছিল না। আপনি কথা বলতেন সাধারণ মানুষের মতো ঝগড়ার বডি ল্যাঙ্গুয়েজে। সেসব কথায় বড় নেতা কিংবা দেশের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের কোন ছাপ ছিল না। মাধুর্যহীন , প্রতিহিংসার বাক্য এবং শব্দ আপনার বক্তব্যকে অত্যন্ত নিম্নমানের বক্তব্যে পরিণত করতো। একটি বক্তব্যের পনের আনা জুড়ে থাকতো বিরোধীদের সমালোচনা। আর সে সমালোচনায় কোনো রাজনৈতিক প্রজ্ঞা একেবারেই ছিল না। ছিল ব্যক্তিগত আক্রমণের রোষানল।
চতুর্থত , বঙ্