28/09/2026
মানুষের কাছে ঋণ চাইবেন না। এর বদলে পড়বেন - ইয়্যা কানা'বুদূ ওয়া ইয়্যা কানাসতা'ঈন। দেখবেন, সম্মান বাড়বে, সম্পদও বাড়বে ইনশা আল্লহ্। কারণ এই আয়াতের অর্থটা পুরোপুরি এক আল্লহ্ তা'আলার একত্ববাদ ঘোষণা করে।
"হে আল্লহ্! আমরা শুধু তোমারই ইবাদাত করি এবং শুধু তোমার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি।"
এই আয়াত বারবার পড়বেন। দেখবেন, মানুষের কাছে সাহায্য চাইতে ইচ্ছে করবেনা, ইনশা আল্লহ্। কিছু দরকার? মানুষের কাছে গেলে পেতেও পারেন, নাও পারেন, এমনকি সম্মান হারানোর সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু যখন বলবেন, "ইয়্যা কানা'বুদু ওয়া ইয়্যা কানাসতা'ঈন" - তখন আপনি মহান আল্লহ্ পাকের সাহায্য পাবেন অবশ্যই। সাথে সম্মানহানির ভয় তো নেই-ই, উল্টো সম্মান বাড়বে দুনিয়া ও আখিরাতে, ইনশা আল্লহ্।
তবে আমার মূল বিষয়বস্তু অন্য কিছু। সূরা ফাতিহার অন্য একটি আয়াত নিয়ে, যেখানে প্রায়ই মানুষদের ভুল বলতে শুনি। সেটা হলো, পরের আয়াতে "সিরাত্বল্লাযীনা" শব্দের উচ্চারণ। এখানে বহু মানুষ বলে "সিরাতাল্লাযীনা"!
অথচ এখানে যে "তা" শব্দ আছে, সেটা আরবির "ت" না, বরং সেটা সম্পূর্ণ আলাদা একটা হরফ "ط" (ত্ব)। সামনের ওপরের পাটির দুই দাঁতের গোড়ার সঙ্গে জিহ্বার আগা লাগিয়ে "ط" (ত্ব) উচ্চারণ করতে হয়। সাধারণ "ت" উচ্চারণের সময় মুখ হালকা থাকে, কিন্তু ط উচ্চারণের সময় মুখ ও গলার ভেতরটা একটু ভারী রাখতে হয়।
"সিরাত্বল্লাযীনা আন'আমতা আলাইহিম"
অনেক মানুষ বছরের পর বছর এখানে ভুল উচ্চারণ "সিরাতাল্লাযীনা" পড়ছে! ভুল ধরিয়ে দেওয়ার লোক নেই কিংবা বয়স ও অন্যান্য অজুহাতে কুরআন বিশুদ্ধভাবে শেখার আগ্রহটাও নেই অনেকের। আর এটাই সবচেয়ে বড় ভুল। যে জীবন কুরআনকে পেছনে রাখে, সে জীবন নিজেই পিছিয়ে যায়।
তাই আপনার কিংবা আশেপাশের কারও যদি কুরআন তিলাওয়াত নিয়ে সংশয় থাকে, অন্তত নামাজের সূরাগুলো শতভাগ বিশুদ্ধ পড়ার নিয়্যতে হলেও নাযেরা শিখে ফেলুন, অন্যদেরও গুরুত্ব বোঝান। শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য আলিফ থেকে শুরু করে কুরআনের প্রতিটা সূরার উচ্চারণ শুদ্ধ করে দিতে আমরা তো আছিই, ইনশা আল্লহ্..
লেখাটা সিরাট ইনস্টিটিউট থেকে নেওয়া✨
ছবিতে Nooriyat Zone এর বাথ সল্ট🌻