শতভাগ নিরাপদ খাদ্য গ্রহন করুন / চল সকলে মিলে ভেজালমুক্ত খাদ্য গ্রহন করি ঃ
জীবন ধারনে খাদ্য গ্রহনের বিকল্প কিছু নেই। তবে আমরা যা জীবন ধারনের জন্য খাদ্য হিসেবে গ্রহন করছি, তা আমাদের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ন নয় তো!!! হতেই পারে। কেননা? বর্তমান বাজার দখল করে আছে কৃত্রিম ভাবে উৎপাদিত প্যাকেটজাত নানাবিধ দ্রব্যসামগ্রী। কতটা স্বাস্থ্যসম্মত? যাচাই করে খাচ্ছেন? না!!! আমরা কি জানি? যে খাবার আমরা আমাদের জীবন
বাচাতে, নিজেকে সুস্থ-সবল রাখতে, নিজেদের সন্তানের সুস্বাস্থ্যের লক্ষ্যে এমনকি গর্ভবতী মায়েদের নিরাপদ স্বাস্থ্যের জন্য খাবারের মাধ্যমে আমরা যা গ্রহন করে যাচ্ছি তা কতটা স্বাস্থ্যসম্মত? এইটুকু অসাবধানতার জন্য আমাদের খাদ্যই আমাদের নানা রকমের রোগ-বালাই এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। ভেজালযুক্ত খাদ্য গ্রহনের ফলে রোগ হচ্ছে, রোগ প্রতিকারের জন্য চিকিৎসার ব্যায়বহুল খরচ মেটাতে অনেক পরিবার সর্বশান্ত হয়ে যাচ্ছে।
আমরা সকলেই জানি, খাদ্যের প্রকারভেদ ২ টি। উদ্ভিজ্জ এবং প্রাণীজ। উভয় খাবার থেকেই আমরা আমাদের দেহের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান, ভিটামিন ও মিনারেল পাই। কিন্তু আমরা পুষ্টিকর খাবার ভেবে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত মারাত্মক ক্ষতি সাধন করতে পারে এমন বিষ খেয়ে চলেছি। কারণ খাদ্যসামগ্রী উৎপাদন থেকে শুরু করে প্যাকেটজাত হয়ে বাজারে প্রবেশের আগে অবধি নানা পর্যায়ে মিশ্রিত হয় নানারকমের কেমিক্যালস এবং রাসায়নিক দ্রব্য। দীর্ঘদিন পর্যন্ত সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে ছত্রাকনাশক ও প্রিজারভেটিভ ইথারেল। যা আমাদের দেহে ক্যান্সারের মত মারন রোগ তৈরী করতে সক্ষম। পতনরোধক হিসেবে ব্যাবহার করা হচ্ছে অতিমাত্রার ফরমালিন ও!
ক্রেতাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার উপর বিশেষভাবে লক্ষ্য রেখেই "লায়ন্স বাজার" নিয়ে এসেছে শতভাগ নিরাপদ ও খাঁটি দ্রব্যসামগ্রী। সম্পূর্ণ জৈব প্রকৃয়ায় উৎপাদিত নিরাপদ পণ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে তা ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দিতে "লায়ন্স বাজার" এর এই ব্যবস্থাপনা। ভেজালমুক্ত প্রাকৃতিক খাদ্যের নিশ্চয়তা আমাদের মৌলিক অধিকার। এই মৌলিক অধিকার পূরন করা আর ভোক্তাদের জন্য নিরাপদ পণ্যসামগ্রীর ব্যবস্থা করে দেওয়াই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। আমাদের পণ্যের ব্র্যান্ডিং নাম লায়ন্স বাজার।
সুতরাং, বুঝতেই পারছেন তো? নিজেদের জন্য, নিজের পরিবার এর জন্য, নিজের দেশের জন্য কিছু করতে চাইলে নিজেকে সুস্থ রাখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আসুন আজ থেকেই আমরা অনিরাপদ ও ভেজালযুক্ত খাদ্য পরিহার করে শতভাগ নিরাপদ খাদ্য গ্রহন করি, এবং নিজেদের পরিবারের সকলের জন্য নিরাপদ ও ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করি।