17/08/2025
লেখক
ভাই একবার পারলে বিকেলে একটু আসিস। একটু দরকার আছে তোর সাথে!”, ফোনের ওপার থেকে গলাটা শুনে চেনা গেল, লোপাদির গলা। লোপাদি , লোপা বোস, ফ্ল্যাটের সবচেয়ে বড় অবিবাহিত, ও লাস্যময়ী রমণী।
বয়স প্রায় ২৭-২৮ বছর। পাড়া দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় বুক আর পাছার দোলনে যে কোন জঙ্গধরা-লিঙ্গ কেও সজীব করে দিতে পারবে। বুকের সুডৌল স্তনের সাইজ প্রায় ৩৮ হবে, সাথে ৪০ সাইজের ভারি পাছা।
থাকে আমাদের ফ্ল্যাটের নিচের তলায়। বহুবার একে দেখেছি স্নান করা কাপড়ে, সে যেন গামছা জড়ানো পরি।
তখন সবে এসেছি ফ্ল্যাটে, ওদের বাড়ি গিয়ে একদিন বেল বাজিয়ে দাড়িয়ে আছি লোপা দিদি এসে দরজা খুলল।
শুধু একটা ব্লাউজ আর সায়া পরে। তখন ছোট ছিলাম ক্লাস সেভেন। যদিও সব কিছুই জানতাম।
সেদিন বাড়ি ফিরে বাথরুমে কেটেছিল 30 মিনিট ।যৌবনে ফেটে পরা এরকম শরীর ভোগের গল্পই আজকে আপনাদের বলব।
আমার নাম প্রলয় সেন, বয়স কুড়ি, হাল্কা পাতলা ভুরিওয়ালা (সমস্ত বাঙালি মায়েদের অতিরিক্ত স্নেহের দান) শরীর। থাকি উত্তরপাড়া বলে একটা ছোট শহরে।
এক সময় জিম করলেও হাই স্কুলে ঢোকার সাথে সাথেই তা গেছে। এখন তো কলেজের সময় আরই হয় না। এটা যে সময়ের কথা তখন দ্বাদশ শ্রেণীতে সবে পা রেখেছি।
এ হেন সময়ে বাংলা পরতে ভর্তি হলাম স্কুলের এক স্যারএর কাছে। কিন্তু বিশেষ কিছু সুবিধা না করতে পেরে অগত্যা ছেড়ে এলাম লোপা দিদির কাছে। লোপা দি বাংলায় বি এ পাশ। যেতাম সপ্তাহে দুদিন।
লোপাদির বাবা অধিকাংশ সময়ে বাইরে থাকত। আর মা থাকত লোকের বাড়ি রান্নার কাজে।
এরকম ই এক দিন সোমবারের সন্ধেতে পরতে গেছি। বিকেলে বৃষ্টি হয়ে ঠান্ডা হাওয়া দিচ্ছে। পরতে গিয়ে বসে আছি। লোপাদি বাথরুমে গেছে পোশাক পাল্টাতে।
আমরা বোসতাম একটা ছোট খাটে পাশপাশি। সেদিন লোপাদি বাথরুম থেকে বেরতেই আমার চোখ কপালে উঠে গেল।
পরনে শুধু একটা টপ,আর নিচে প্যাণ্টি। আমার দিকে তাকিয়ে হেসে বলল,”কি দেখছিস?”। আমি জবাব দিলাম,”তোমাকে, মানে ইয়ে এরকম ভাবে আগে তো দেখিনি।
লোপা আবার সেই মোহময়ী হাসি দিয়ে বলল,”আর বলিস না বৃষ্টিতে সব ভিজে গেছে আর বাড়ির গুলোও শুকায়নি। যাইহোক শুরু কর।” বলে আমার পাশে এসে বসল।
ঠান্ডা হাওয়াতেও রূপার শরীরের উষ্ণতা পাশে বসা আমাকেও উত্তেজিত করে দিচ্ছিল। আমি একটা বার্মুডা পরে বসে নিজেকে সামলানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি।
নিচের লিঙ্গে শিরশিরানি দিচ্ছে। আস্তে আস্তে আমারও কন্ট্রোল ছাড়তে শুরু করেছে। আস্তে আস্তে নিচের একজন