19/01/2025
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, খাদ্যে ভেজালের কারণে দেশে নিত্যনতুন রোগের প্রকোপ বাড়ছে। মানুষের রোগশোক লেগেই থাকছে। ভেজাল হিসেবে নানা বিষাক্ত ও ক্ষতিকর উপাদান বিভিন্ন খাদ্য হয়ে মানুষের দেহে প্রবেশ করে। এমন কোনো পরিবার পাওয়া যাবে না যারা খাদ্যে ভেজালের কারণে ভুক্তভোগী হয়নি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম জাফর উল্লাহ বলেন,
খাদ্যে ভেজাল শুধু ঢাকায়ই নয়, সারা দেশেই ছড়িয়ে আছে।
পরীক্ষাগারে দেখা গেছে, তেলের রং কখনো স্বচ্ছ বা গাঢ় করা অথবা ঝাঁজ বাড়ানোর জন্য বিশেষ ধরনের রং ও রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আবার হলুদ-মরিচের গুঁড়ায় এখনো ইটের গুঁড়া জাতীয় উপাদান মেশানো হয়।
জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান সূত্র জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সারা দেশ থেকে ঢাকার মহাখালী ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয় ৫১টি খাদ্যপণ্যের ৭৪০টি নমুনা। সয়াবিন তেলের ২৮টি নমুনার মধ্যে ২১টি ভেজাল ও সাতটি খাঁটি পাওয়া গেছে। একইভাবে সরিষার তেলের ৫৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর ২৯টি নমুনায় ভেজাল ও ২৬টিতে খাঁটি তেল পাওয়া গেছে।
----
সেজন্যই আমি বহুপণ্য বাজার থেকে কিনা বন্ধ করে দিয়ে অনলাইন উদ্যোক্তাদের থেকে কিনছি। দাম দিয়ে বিষযুক্ত খাবার না কিনে বিষমুক্ত খাবার কিনতে চাইলে অনলাইন উদ্যোক্তাদের থেকে কিনতে পারেন।
কাদের কাছ কিনলে প্রতারিত হবেন না, কিছু কিনার সময় আমাকে জিজ্ঞাসা করলে আমি অভিজ্ঞতা থেকে সহায়তা করতে পারবো।