29/06/2024
রিয়া: আ*হহহ আমি আর পারছি না" আমাকে ছেড়ে দেন। আমার খুব ক*ষ্ট হচ্ছে, প্লিজ আমাকে ছেড়ে দেন! আমি আর নিতে পারছি না!
আদিত্য: এই চুপ করেন আমি আপনাকে বিয়ে করেছি। আপনাকে কি ছেড়ে দেওয়ার জন্য কি এতো গুলো টাকা দিয়ে আপনাকে বিয়ে করছি নাকি? দেখেন আজকের জন্য আপনাকে কিনে নিয়েছি বিয়েও করেছি। সো এইসব ন্যাকা কান্না আমার সামনে করেন না! আমাকে আমার মতো করতে দে।
কথক: আদিত্য কথাটা বলে রিয়ার উপরে আবার ঝাপিয়ে পড়লো! আর রিয়া চোখ দিয়ে টপ টপ করে পানি পড়ছে৷ রিয়া চিৎকার করতে গিয়েও পারছে না। আদিত্য ওর ঠোঁটের সাথে নিজের ঠোঁট লাগিয়ে রেখেছে। আদিত্য রিয়ার দুই হাত চেপে ধরে নিজের মতো করে আদর করতে লাগলো! আদিত্য অনেকক্ষন করার পর ক্লান্ত হয়ে রিয়ার বুকের উপরে সুয়ে পড়ে। রিয়া নিজের অজান্তে আদিত্যর মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো! আদিত্য ওর হাত সরিয়ে দিয়ে মুখ তুলে বললো?
আদিত্য: কি ব্যাপার আপনে আমার এতো ভালোবাসা দিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন কেন?
রিয়া: আমি জানি না কেন জানো আপনার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে ইচ্ছে করলো!
আদিত্য: শুনুন আবার রেডি হোন আবার ও আদর করবো!
রিয়া: জি" স্যরি তখন কান্না করে ডিস্টার্ব করার জন্য। আসলে প্রথম প্রথম তো অনেক ব্যা*থা পাচ্ছিলাম!
আদিত্য: এবার চিৎকার দিলে আপনার খবর আছে!
রিয়া: জি আর করবো না" আপনার মতো করতে পারেন। আমি রেডি হয়ে আসছি"
কথক:আদিত্য রিয়ার উপরে আবার ঝাপিয়ে পড়লো! রিয়া সব কিছু চোখ বন্ধ করে সয্য করতে লাগলো! আর আদিত্যর ভালোবাসা গুলো অনুভাব করতে লাগলো! রিয়া জানে এইটা স্বামী ভালোবাসা না, তার দেহ লোভ তাকে আদর করছে৷ তার পর আদিত্যকে স্বামী হিসাবে তার ভালোবাসা গুলো গ্রহণ করে নিলো! আদিত্য আবার ক্লান্ত হয়ে গেলো" আদিত্য এভাবে সারা রাত রিয়ার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে থাকে। দুইজন ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে যায়! ৯টার দিকে রিয়ার ঘুম ভেঙে যায়" আদিত্যর দিকে তাকিয়ে ভাবতে লাগলো?
রিয়া: কতটা নিষ্পাপ বাচ্চাদের মতো ঘুমিয়ে আসছে। ইচ্ছে করে আপনাকে শক্ত করে জড়িয়ে বুকে মাথা দিয়ে সারাটা জীবন পাড় করে দেয়। ছি ছি রিয়া তুই এই গুলো কি ভাবিস! তুই শুধু তার ১রাতের বউ, তোকে আজ তার কাছ থেকে চলে যেতে হবে!
কথক: রিয়া কথা গুলো ভাবতে লাগলো" আদিত্য ঘুম ভাঙতে দেখে রিয়া ওর দিকে তাকিয়ে আছে। আদিত্য তাড়াতাড়ি করে উঠে ঘড়ির টাইম দেখে বললো?
আদিত্য: এই ৯টা না বেজে গেছে' আমাকে ডাক দেন নাই কে?
রিয়া: আপনে এতো সুন্দর করে ঘুমিয়ে আছেন" তাই আপনার ঘুম নষ্ট করতে ইচ্ছে করলো না।
আদিত্য: উফফ ন্যাকা কথা বলেন কে? আপনার আব্বুর না আজ অপারেশন! আপনে যাবেন না নাকি?
রিয়া: হ্যা যাবো' আচ্ছা আপনে গোসল করে আসেন। আমি তার পর গোসল করতে যাবো!
আদিত্য: আপনে যান আমি পরে যায়!
রিয়া: আমার অনেক সময় লাগবে তাই আপনে আগে যান!
কথক: আদিত্য আর কথা না বাড়িয়ে চলে গেলো! ওয়াশরুমে গিয়ে গোসল করতে লাগলো! আর এইদিকে রিয়া রাতের কথা গুলো ভাবতে লাগলো?
ফ্ল্যাশব্যাক
কথক: রিয়া রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে" আর ওর সাথে লেখা আছে, তার দেহ বিক্রি করতে চাই। ওই রাস্তা দিয়ে আদিত্য বাইক নিয়ে যাচ্ছিলো! তখনই বোরকা পড়া মেয়েটা নতুন দেখে আদিত্য বাইক থামায়! আদিত্য বললো?
আদিত্য: এই মেয়ে কত নিবেন?
রিয়া: আমি নতুন তো তাই জানি না কত করে নিতে হয়!
আদিত্য: ও আচ্ছা" আপনাকে আমি ১ রাতের জন্য নিতে চাই! যে টাকা চাইবেন সেই টাকা দিবো"
রিয়া: পুরো ১রাত করতে চাইলে" আমাকে ১লাখ টাকা দিতে হবে!
আদিত্য: ওমা বলেন কি? এতো টাকা, ওকে সমস্যা নাই বাইকে উঠেন!
কথক: রিয়া আদিত্যর বাইকে উঠতে অনেক ভয় পেতে লাগলো। নিজেকে শান্ত করে ভাবলো?
রিয়া: এমনিতে আজ সারা রাত ওনি আমাকে টার্চ করবেই। সেখানে আর ভয় পেয়ে কি হবে"
কথক: রিয়া কথা গুলো ভেবে, আদিত্যর বাইকে উঠলো! আদিত্য থেকে অনেকটা দূরে বসলো" আদিত্য বললো?
আদিত্য: এতো দূরে বসার মানে কি? একটু পর তো! আমি আপনার সব দেখে ফেলবো।এমন কি টার্চ ও করবো সেখানে এতো দূরে বসে লাভ আছে! তা একটা ব্যক্তি গত প্রশ্ন করবো আপনাকে?
রিয়া: হুম বলেন?
আদিত্য: এতো কাজ থাকতে আপনে এই ব্যবসায় কেন? নামলেন!
রিয়া: আপনাকে এইটা কেন বলবো" আপনার দেহ লাগবে পেয়ে গেলে হয়ে গেছে। সেখানে আমার সম্পর্ক জেনে কি হবে"
আদিত্য: তাও ঠিক ওকে স্যরি "
কথক: আদিত্য বাইক চালাতে চালাতে সোজা একটা কাজী অফিসের সামনে থামালো" রিয়া এইটা একদম৷ চমকে গেলো"
আদিত্য: নামেন?
রিয়া: এখানে কেন?
আদিত্য: বিয়ে করবো আপনাকে? কারণ আমি চাই আপনাকে এক রাতের জন্য বিয়ে করতে। আমি বুঝতে চাই, বিবাহ করে বউয়ের সাথে সম্পর্ক করার মজা কেমন হয়। অনেক তো হারাম ভাবে করছি এখন একটু হালাল ভাবে করবো!
রিয়া: না আমি বিয়ে করবো না আপনাকে" আমি আপনাকে দে*হ বিক্রি করতে এসেছি। আপনাকে বিয়ে করার জন্য আমি আছি নাই!
আদিত্য: আরে বিয়ে করলে কি সমস্যা" এমন নিজেকে মনে হবে না আপনে পতি*তা মেয়ে। স্বামী কাছে নিজের দে*হ দিয়েছেন! আর আমার একটু শখ হইছে তাই বিয়ে করতে চাচ্ছি। আর এমনিতে আপনার জীবনেও বিয়ে হবে না। আমাকে বিয়ে করে নেন" তাও বলতে পারবেন। আপনার একবার হলেও বিয়ে হইছে, এমন পতি*তা হলে আপনাকে কেউ বিয়ে করবে না।
কথক: রিয়া কিছু বলতে যাবে তখনই রিয়ার ছোট বোন রূপা ফোন দিয়ে কান্না করতে বললো?
রূপা: আপু তুমি কোথায়? আব্বুর অবস্থা যে ভালো না। তুমি যত তাড়াতাড়ি পারো টাকা জোগার করে নিয়ে আসো আপু! ডাক্তার বলছে তাড়াতাড়ি অপারেশন না করলে আব্বুকে বাঁচানো যাবে না।
রিয়া: বোন আমার আর একটা দিন যাক! আমি টাকা নিয়ে চলে যাবো তুই কান্না করিস না। আমি আমার আব্বুকে কিছু হতে দিবো না। আমার জীবন দিয়ে হলেও আব্বুকে বাঁচিয়ে রাখবো!
রূপা: তাড়াতাড়ি আসো আপু, আমার খুব ভয় করছে!
রিয়া: ভয় পাস না বোন, আমাদের আব্বুর কিছু হবে না। আমি সকালে টাকা নিয়ে চলে আসবো!আচ্ছা বোন আমি ফোনটা রাখি"
কথক: রূপা ফোনটা কেটে দিলে' রিয়া ফোনটা রেখে কান্না করতে লাগলো" আদিত্য বললো?
আদিত্য: আপনার আব্বু অসুস্থ নাকি?
রিয়া: জি" দেখেন তাড়াতাড়ি চলেন" আমাকে আরো কাজ করতে হবে। না হলে আমি আমার আব্বুকে বাঁচাতে পারবো না!
আদিত্য: আরে নিজের আব্বুকে বাঁচাতে চাইলে। আমাকে বিয়ে করে নিন"তাহলে তো এখন থেকে তাড়াতাড়ি যেতে পারি!
রিয়া: ওকে বিয়ে করবো তাহলে আমাকে দেনমোহর টাকা পরিশোধ করতে হবে। আর যদি আপনে রাজি থাকেন তাহলে বিয়েটা করবো!
আদিত্য: ওকে ডান টাকা নিয়ে ভাবতে হবে না। আমার একবার যখন শখ হইছে, তখন আমি বিয়ে করবোই!
রিয়া: ওকে চলেন"
কথক: রিয়া আর আদিত্য কাজী অফিসের ভিতরে যায়! শাক্ষি চাইলে আদিত্য ওখান কার দুইজন মানু্ষকে টাকা দিয়ে কিনে নেয়! তার পর ৫লাখ টাকা দেনমোহর দুইজন বিয়ে করে ফেলে! বিয়ে শেষ করে দুইজন আবার বাইক করে রওনা দেয়! আদিত্য রিয়াকে বলল?.
আদিত্য: আচ্ছা আপনে তো চাইলে ২০লাখ টাকাও দেনমোহর করতে পারতেন। বাট আপনে শুধু ৫লাখ টাকা চাইলেন কে?
রিয়া: আমি ওতো টাকা দিয়ে কি করবো" আমার ৫লাখ টাকা লাগবে। আমার আব্বু অপারেশন করার জন্য।
আদিত্য: ও আচ্ছা' তা আপনার টাকা কি হস্পিটালে পাঠিয়ে দিতে হবে নাকি?
রিয়া; জি আমার দেনমোহর টাকা আমাকে দিয়ে দেন!
আদিত্য: দিবো সকালে' আর আপনে যদি আমাকে খুশি করতে পারেন। তাহলে আপনার আব্বুর জন্য যত টাকা লাগে সব দিবো!
রিয়া: দরকার নাই' আমার দেনমোহর টাকা দিলে আমার চলবে। আর কিছু আমার দরকার নাই"
আদিত্য: ওকে আপনার ইচ্ছে"
কথক: রিয়া রাতের কথা ভাবা শেষ করে কয়েক ফোটা পানি ফেললো! আদিত্য এইদিকে গোসল করতে লাগলো" রিয়া পুরো রুম গুছাতে লাগল" রুম গুছিয়ে ক্লান্ত হয়ে খাটে বসতে। আদিত্য বের হয়ে আসলো" আদিত্যকে দেখে রিয়া বললো?
রিয়া: আপনার গোসল করতে এতো সময় লাগলো'
আদিত্য: আরে দূর গোসল করতে গিয়ে মহা সমস্যা পড়ছিলাম!
রিয়া: কিসের সমস্যা "
আদিত্য: ঠাস করে পড়ে গেছিলাম, কোমরে একটু লাগছে। তাই অনেকক্ষন পানি ঢলছিলাম"
রিয়া: আহ কই ব্যাথা পাইছেন দেখি?
কথক: রিয়া আদিত্যর কাছে গিয়ে আদিত্যকে বসিয়ে
দিয়ে! কোমর হাত বুলিয়ে দিতে লাগলো?
রিয়া: মুভ নাই '
আদিত্য: আছে ওই ড্রায়ের ভিতরে "
কথক: রিয়া ড্রায়ের ভিতর থেকে মুভ টা বের করে! আদিত্যর কাছে এসেছে আদিত্যকে উপর করে সুয়ে দিয়ে। ওর কোমরে আলত করে মুভ লাগিয়ে দিতে লাগলো! আদিত্য রিয়ার হাত ধরতে রিয়া কেপে উঠলো! আদিত্য ব্যাথার জায়গায় রিয়ার হাতটা রেখে বললো?
আদিত্য: ওইখানে করে দেন'
রিয়া: আচ্ছা দিচ্ছি"
কথক:রিয়া আদিত্যর বলা কথা মতো সেই খানে মুভ লাগিয়ে দিতে লাগলো! মুভ লাগিয়ে দিয়ে রিয়া বললো?
রিয়া: আচ্ছা আপনে সুয়ে থাকেন" আমি গোসল করে আসছি! আর কিছু মনে করেন না' আপনার শার্ট প্যান্ট নিয়ে গেলাম!
আদিত্য: কি করবেন?
রিয়া: গোসল করে এসেছে কি পড়বো" বোরকার নিচে তো কিছু একটা পড়া লাগবে তাই না!
আদিত্য: ও আচ্ছা পাশে রুমে যান' গিয়ে আলমারি দেখেন গা অনেক গুলো ড্রেস পাবেন! আমার ছোট কাজিনের ড্রেস আছে!
রিয়া: আপনার কাজিনের ড্রেস আমি পড়বো! আমার কি লাগবে নাকি? আর আপনার বাসায় কেউ তো নাই। সবাই কোথায় গেছে"
আদিত্য: এখানে কেউ থাকে না' মাঝে মাঝে সবাই ঘুড়তে আছে! সবাই ঢাকা থাকে" আমি শুধু এখানে থাকি' ১মাস পর আবার ঢাকা চলে যাবো!
রিয়া: ও আচ্ছা'
কথক:রিয়া পাশের রুমে গিয়ে আলমারি থেকে একটা থ্রি পিচ নিয়ে এসেছে। ওয়াশরুমে চলে গেলো গোসল করে থ্রি পিচ পড়ে এসেছে। রিয়া আয়নার সামনে চল আছড়াতে লাগলো! আদিত্য রিয়ার দিকে অপলক ভাবে তাকিয়ে দেখতে লাগলো! আদিত্য আস্তে আস্তে করে রিয়াকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরলো। রিয়া আদিত্যর স্পর্শ পেয়ে চোখ বন্ধ করে ফেললো! আদিত্য রিয়াকে সামনের দিকে ঘুড়িয়ে গলায় কিস করতে লাগলো! রিয়া আদিত্যর মাথার চুল খামচি দিয়ে বুকের সাথে চেপে ধরলো! আদিত্য গভীর ভাবে যেতে নিবে সাথে সাথে রিয়া সরিয়ে দিয়ে বললো?
রিয়া: আর না, কি করছেন" কেবল গোসল করলাম! আচ্ছা আমাকে ছাড়েন রান্না করতে হবে তো।
আদিত্য: করতে হবে না অনলাইন থেকে অর্ডার দিবো!
রিয়া: না বাহিরের খাবার অর্ডার দিতে হবে কেন? রান্না করতে পারি আমি!
আদিত্য: ওকে নিচে যান গিয়ে দেখেন গা" কিচেন আছে" ফ্রিজে মাছ মাংস সব আছে" আর কোনটা কি সব লেখা আছে!
রিয়া: ও আচ্ছা, তা আপনে কি বাসায় একায় থাকেন নাকি?
আদিত্য: হ্যা কেন?
রিয়া: খাবার খান কিভাবে অর্ডার দিয়ে দিয়ে নাকি?
আদিত্য: না, কাজের ভুয়া রান্না করে দিয়ে যায়! প্রতিদিন বাট ৫দিন ছুটি নিয়েছে ওনি!
রিয়া: ও আচ্ছা,
কথক: রিয়া চলে যেতে নিলো" আদিত্য বললো?
আদিত্য: আচ্ছা আপনার আব্বুকে কোন হস্পিটালে রাখা হইছে!
কথক: রিয়া হস্পিটালে নাম বললো তার পর আদিত্য ওকে চলে যেতে বলে। রিয়া নিচে চলে আছে, দেখে পুরো ড্রায়ংরুম এলোমেলো হয়ে আছে" রিয়া কোথা থেকে শুরু করবে বুঝতে পারছে না! রিয়া আগে ভাত বসিয়ে দিয়ে" তার পর এক এক করে সব কিছু পরিষ্কার করতে লাগলো" সোফায় উপরে থাকা সব কিছু গুছিয়ে রাখলো! ফুল দানি গুলো সব সাজিয়ে রেখে দিয়ে সোফায় ধাপাস করে বসে পড়লো! আদিত্য নিচে এসেছে দেখে রিয়া সোফায় বসে আছে। আদিত্য রিয়াকে বললো?
আদিত্য: কি হলো আপনে এখানে বসে আসেন কেন? ১ঘন্টা হয়ে গেলো। আমাকে তো ডাক ও দিলেন না"
রিয়া: ও ভাত বসিয়ে দিয়ে এসেছি" আর মাছ মাংস ভিজিয়ে রেখেছি৷ আচ্ছা আপনে থাকেন আমি রান্না শেষ করে নেয়,
কথক: রিয়া তাড়াতাড়ি করে গিয়ে রান্না করতে লাগলো! আর আদিত্য পুরো ড্রায়ংরুম থেকে অবাক! আদিত্য রান্না ঘরে গিয়ে দেখে রিয়া পেয়াজ কাটছে আর কান্না করছে! আদিত্য ভ্রু কুচকে বললো?
আদিত্য: আরে কান্না করেন কে? আপনার আব্বু অপারেশন শুরু হয়ে গেছে তো! আর আপনার আব্বু কিছু হবে না। আলহামদুলিল্লাহ ঠিক হয়ে যাবে সব"
রিয়া: কি আমার আব্বুর অপারেশন শুরু হয়ে গেছে।
আদিত্য: হ্যা ১ঘন্টা আগেই টাকা পাঠিয়ে দিয়েছি এতোক্ষনে মনে হয়। ওনার অপারেশন শেষ হয়ে গেছে "
রিয়া: আপনাকে কিভাবে যে ধন্যবাদ দিবো!
কথক: রিয়া কথাটা বলে দৌড়ে এসেছে আদিত্যকে জড়িয়ে ধরে! আদিত্য ওকে নিজের অজান্তে জড়িয়ে ধরলো! হঠাৎ রিয়ার মনে হলো, তরকারি তুলে দিয়েছে। রিয়া আদিত্যকে ছেড়ে দিয়ে তরকার কাছে গেল!
আদিত্য: বাহ রে আমি কি আপনাকে বলছিলাম।আমাকে জড়িয়ে ধরতে, নিজেই ধরেন। আবার নিজেই ছেড়ে দিয়ে চলে গেলেন!
রিয়া: দূর তরকারি পুড়ে যাচ্ছে তো" আর খুশিতে জড়িয়ে ফেলছি দু:খীত!
আদিত্য: ভালো কাজ করেন' আবার কান্না করেন না!
রিয়া: আমি ওইটাতে কান্না করি নাই" পেয়াজ কাটলে কান্না হবেই।
আদিত্য: হ্যা কইছে কই দেখি আমি কাটবো!
কথক: রিয়া আদিত্যর কথা শুনে এগিয়ে দেয়" আদিত্য কিছুক্ষন কেটে রিয়া তাকিয়ে দেখে আদিত্য কান্না করছে। রিয়া আদিত্যর দিকে তাকিয়ে হাসতে লাগলো!
রিয়া: কি স্যার কান্না করেন কে?
আদিত্য: কই কান্না করছি "
রিয়া: বুঝছি যান আপনে আমি বাকি রান্না শেষ করে আসছি!
কথক: আদিত্যকে পাঠিয়ে দিলো" রিয়া রান্না শেষ করতে করতে ১১ টা বেজে গেলো! রিয়া সব খাবার টেবিলে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখলো! তার পর আদিত্য ঘ্রাণ শুকতে শুকতে টেবিলে কাছে এসেছে চেয়ার টেনে বসতে বসতে বললো?
আদিত্য: বাহ অনেক সুন্দর ঘ্রাণ বের হইছে তো। তাড়াতাড়ি খেতে দেন ক্ষুধা লাগছে অনেক!
রিয়া: আপনাকে আমি খাওয়া দিবো"
আদিত্য: খাওয়া দিবেন' ওকে তাহলে তো আরো ভালো হবে!
কথক: রিয়া একটা প্লেটে খাবার বের সব কিছু দিয়ে একটু একটু করে খাওয়া দিতে লাগলো। আদিত্য লক্ষি ছেলেদের মতো খাইতে লাগলো! রিয়া আদিত্যকে খাইতে দিতে দিতে মনে মনে ভাবলো?
রিয়া: জানি আমি আপনে এই বিয়েটা শখের বসে করছেন। কিন্তু আপনে এই বিয়ের গুরুত্ব টা হইতো কোনোদিন বুঝবেন না। আপনার সাথে বিয়ে হয়ে গেছে মানে? আপনে আমার স্বামী! আজ হইতো আপনার সাথে থাকা শেষ দিন! কিন্তু আমি বেঁচে থাকতে আপনে আমার স্বামী হয়ে সারাজীবন বেঁচে থাকবেন। প্রতিটা মেয়ের জীবনে একবার হয়! সেইখানে আমার আপনার সাথে হইছে" আপনাকে ছাড়া আমি কাউকে স্বামী হিসাবে আর চাই না।
কথক: রিয়া কথা গুলো মনে মনে ভাবতে ভাবতে রিয়ার চোখ দিয়ে কয়েক ফোটা পানি পড়তে। আদিত্য অবাক হয়ে বললো?
গল্পের_নাম_এক_রাতের_বউ
লেখিকা_সাইমা_ইসলাম_হ্যাপি
পর্ব_সূচনা
চলবে...!
গল্প পড়তে ভালোবাসেন নতুন নতুন গল্প পেতে ফলো দিয়ে রাখুন নিচের পেজটি পরবর্তী গল্প আপলোড করা হলে নোটিফিকেশন পেয়ে যাবেন ধন্যবাদ
নেক্সট পার্টগুলো সবার আগে আইডিতে দেওয়া হবে নীল লেখায় চাপ দিয়ে আইডি ফলো করুন 👉KADER blog