Tanjim Ahmed Ratul

Tanjim Ahmed Ratul � � নতুন গল্প এবং পুরাতন সকল পর্ব গুলো মিস না করতে!

ফলো দিয়ে রাখুন ��

� ধন্যবাদ ���

পুরান ঢাকার কালো যাদুঘর নারী!পুরান ঢাকার এক গলির ভেতরে এক রহস্যময় বাড়ি ছিল। বাইরে থেকে দেখলে সেটা ছিল সাধারণ—জরাজীর্ণ দে...
23/06/2025

পুরান ঢাকার কালো যাদুঘর নারী!

পুরান ঢাকার এক গলির ভেতরে এক রহস্যময় বাড়ি ছিল। বাইরে থেকে দেখলে সেটা ছিল সাধারণ—জরাজীর্ণ দেয়াল, মরচে ধরা গেট। কিন্তু স্থানীয়রা জানত, এই বাড়ির ভেতরে স্বাভাবিক কিছু নেই। রাত হলে আশেপাশের বাড়িগুলোতে অদ্ভুত শব্দ ভেসে আসত—হাসির মতো কিংবা দূরের কোনো নারীর কান্না শুনা যেত।
এক রাতে স্থানীয় পুলিশ সেই বাড়িতে অভিযান চালাল। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন ইন্সপেক্টর খালিদ। দরজা ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই এক ভয়াবহ দুর্গন্ধে সবাই হাঁসফাঁস করে উঠল। ভেতরে ঢুকতেই দেখা গেল—মেঝে জুড়ে ছড়ানো আছে মৃত প্রাণীর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, কালো মোমবাতি, রক্তে লিখা অজানা চিহ্ন, আর ভাঙা আয়নাগুলোয় কারো মুখ বি'কৃতভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।

বাড়ির মালিক ছিল এক বৃদ্ধা, যার নাম নাজমা। লোকমুখে শোনা যেত, সে জিনদের সাহায্যে মানুষের ক্ষতি করে। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করল এবং বাড়ি তল্লাশি শুরু করল। খালিদের দল আবিষ্কার করল এক অদ্ভুত জিনিস—একই নারীর নাম ও ছবি অসংখ্য কাগজ, বোতল আর মাটির পুতুলে লেখা।

খালিদ নাজমাকে জিজ্ঞেস করল, "এতবার তুমি একই নারীর ক্ষতি করার চেষ্টা করেছ? কেন?"

নাজমার চোখে জ্বলজ্বল করে উঠল। সে কাঁপতে কাঁপতে বলল, "আমি এই মেয়েটার উপর সবচেয়ে ভয়ানক জাদু প্রয়োগ করেছি! কিন্তু কোনো কিছুই কাজ করেনি। আমার জিনেরা ফিরে এসে বলেছে, 'ওই বাড়িতে আমরা কাউকে দেখতে পাই না! যেন একটা অদৃশ্য দেয়াল আমাদের ঠেকিয়ে রাখে!'"

খালিদ অবাক হয়ে ভাবল, কে এই নারী, যাকে জাদু স্পর্শই করতে পারেনি? তিনি ফোন করলেন সেই নারী—আমিনা নামের এক শিক্ষিকা—কে।

আমিনা সব শুনে স্তম্ভিত হয়ে গেলেন। খালিদ জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি কি কোনো অদ্ভুত ঘটনা টের পেয়েছিলেন?"

আমিনা একটু ভেবে বললেন, "কিছু রাতে জানালায় প্রচণ্ড আঘাত শুনতে পেতাম, যেন কেউ বাইরে থেকে ধাক্কা দিচ্ছে। আবার মাঝেমধ্যে ঘরের লাইটগুলো নিজে নিজে জ্বলে আর নিভে যেত। আমরা ভেবেছিলাম, বিদ্যুৎ সমস্যা। কিন্তু..." তার কণ্ঠে ভয় মিশে ছিল।

খালিদ কৌতূহলী হয়ে প্রশ্ন করলেন, "আপনি কোনো বিশেষ আমল করেন? কোনো দুয়া বা জিকির?"

আমিনা হাসলেন। "আমি প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা আয়াতুল কুরসি, সূরা ফালাক, নাস আর ইখলাস পড়ি। কখনোই মিস করি না। আর... রাতে শোয়ার আগে সূরা ইয়াসিনের নবম আয়াত তিলাওয়াত করি।"

খালিদের মনে পড়ল, এই আয়াতটির বিশেষ ফজিলত আছে—এটা তিলাওয়াত করলে শয়তান অদৃশ্য হয়ে যায়।

কিন্তু গল্প এখানেই শেষ নয়।

পুলিশ যখন নাজমাকে নিয়ে যাচ্ছিল, সে হঠাৎ চিৎকার করে উঠল, "ওকে সাবধান! আমিনা, তুমি নিরাপদ নও! আমার জিনেরা ফিরে আসবে—তারা ক্ষমা করবে না!"

সেই রাতেই আমিনার বাড়িতে আবার অদ্ভুত ঘটনা শুরু হলো। জানালায় আঘাত, দরজায় খোঁচা... কিন্তু এবার আমিনা ভয় পেলেন না। তিনি আয়াতুল কুরসি পড়লেন, আর ঘরের চার কোণে লবণ ছিটিয়ে দিলেন—যেমনটা নবী (সা.) এর সুন্নত।

হঠাৎ এক ভয়ানক চিৎকার শোনা গেল, যেন কেউ পুড়ে যাচ্ছে! তারপর... নিস্তব্ধতা।

পরদিন সকালে আমিনার দরজায় কালো পায়ের ছাপ দেখা গেল—যেন কেউ পিছু হটে গেছে। নাজমা জেলে আ'ত্মহ'/ত্যা করল, আর তার শেষ কথাগুলো ছিল— "ওরা হার মানেনি... ওরা আসছে..."

কিন্তু আমিনা জানতেন, আল্লাহর নামেই সবচেয়ে বড় হিফাজত।
ঘটনা টি পুরান ঢাকার

গল্প: পুরান ঢাকার কালু যাদুঘর
লেখক: ভূতের গল্প লেখক সান

দ্রষ্টব্য: গল্পের লেখায় ছোটখাটো ভুল থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। যদি সম্ভব হয়, মেসেজের মাধ্যমে জানাবেন। সবশেষে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না, আজকের গল্পটি আপনার কেমন লেগেছে।

Note: This AI-generated image portrays a fictional scenario designed for creative and storytelling purposes. It may include elements that could be unsettling to some viewers. Please exercise discretion when viewing. The content aims to delve into themes of suspense and mystery and does not endorse or encourage any form of violence.

#ভূতেরগল্প #ভৌতিক

আমার স্বামীর দ্বিতীয় স্ত্রী আমি। একটা দূর্ঘটনার  কবলে পরে আমার স্বামী আমাকে বিয়ে করে। আমার স্বামী একজন বড়ো ব্যবসায়ী। ব্য...
15/06/2025

আমার স্বামীর দ্বিতীয় স্ত্রী আমি। একটা দূর্ঘটনার কবলে পরে আমার স্বামী আমাকে বিয়ে করে। আমার স্বামী একজন বড়ো ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ের কাজেই গিয়েছিল আমাদের গ্রামে। আমার ছোটোখাটো পরিবার। আমার বাবা একজন ইমানদার মানুষ। মসজিদের ইমাম। মা মারা যায় ছোটোবেলায়। এরপর আর বাবা আমার দিকে তাকিয়ে বিয়ে করেনি৷ আমি পড়াশোনায় ভালো ছিলাম। নিজের পুরো সময়টা পড়ায় মন দেওয়ার চেষ্টা করতাম। আমার জীবনটাও বেশ রঙিন কাটছিল। টাকা ছিল না তবে সুখের কমতি ছিল না। শান্তির কমতি ছিল। বড়ো কোনো আশা ছিল না। তবে বাবার জন্য কিছু একটা করার ইচ্ছা সবসময় ছিল৷

আমার স্বামীর নাম আরাব চৌধুরি বয়স ৪৩ বছর। তিনি যখন আমাদের গ্রামে আসেন তখন আমার বয়স ছিল সতেরো বছর। আমাদের গ্রামে বিশাল বড়ো বাঙলো উনার। উনি যতবারেই গ্রামে আসতেন আমার বাবা খাবার দিয়ে আসতেন। এতে অবশ্য তিনি আমার বাবাকে টাকা দিতেন। যে কয়বার উনি গ্রামে এসেছেন সে কয়বার আমি উনাকে কখনও মুখোমুখি দেখিনি।যেদিন আমার সাথে তার মুখোমুখি দেখা হয় সেদিনেই উনার সাথে আমার বিয়ে হয়।

ঘটনা আরও তিনমাস আগের। উনি গ্রামে এসেছিলেন ব্যবসায়ের কাজে। বরাবরেই গ্রামে আসলে রান্নার ভারটা আমার উপরেই পড়ে। যেদিন দেখি বাড়িতে অনেক ভালোমন্দ রান্না হচ্ছে সেদিন বুঝতে পারি উনি এসেছেন। শেষবার যখন উনি এসেছিলেন সেদিন রান্না করে বাবাকে ডাকতে গিয়ে দেখি তিনি শুয়ে আছেন। অবেলায় শুয়ে থাকতে দেখে বাবার কাছে গিয়ে লক্ষ্য করলাম বাবা ভীষণ জ্বরে কাঁতরাচ্ছে। আমার উপস্থিতি টের পেয়ে বাবা আমাকে বললেন

"আয়েশা মা, তুমি খাবারটা চৌধুরি সাহেবের জন্য নিয়ে যাও। আজকে আমার শরীর ভীষণ খারাপ লাগছে। বাইরেও বৃষ্টি। গতরে একদম শক্তি নেই যে উঠে খাবার নিয়ে যাব।"

বাবার শারিরীক কষ্ট বুঝতে পেরে আমিই এ বাদল বৃষ্টি ভেদ করে কচু পাতা মাথায় দিয়ে উনার বাড়িতে যাই। বেলা তখন দুপুর দুটো। আমি যেতেই আরাব চৌধুরি আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন

"কী চাই? এখানে কেন এসেছো?"

আমি কিছুটা ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে উত্তর দিলাম

"আপনার জন্য খাবার নিয়ে এসেছি। বাবা ভীষণ অসুস্থ । তাই আসতে পারে নি।"

সেদিন এতটাই ভয়ার্ত ছিলাম যে উনার মুখের দিকে তাকিয়ে কথা বলার সাহস পাচ্ছিলাম না। শরীরটাও থরোথরো করে কাঁপছিল। আমাকে কাঁপতে দেখে তিনি হালকায় গলায় জিজ্ঞেস করলেন

"কাঁপছো কেন? সামনে তো বাঘ ভাল্লুক বসে নেই। খাবার কী সবসময় তুমি রান্না করো?"

আমার ভয়ার্ত গলায় উত্তর আসলো

"জ্বি স্যার আমিই রান্না করি।"

তিনি বেশ স্বাভাবিক গলায় আমাকে বললেন

"খাবারটা টেবিলের উপর রেখে চলে যাও। আর রাতে রান্নার প্যারা নিতে হবে না। রাতে আমি খাব না।"

"জ্বি স্যার"

আমি খাবারটা রেখে বাড়ি থেকে বের হলাম। কথোপকথনের সময় একটাবারও আমার উনার চোখের দিকে তাকনোর সাহস হলো না। এমনকি দেখতে কেমন সেটাও আমি বলতে পারব না। আমি বাড়ির গেইটের সামনে আসতেই চারপাশ অন্ধকারে মেঘের গর্জন দিয়ে ছেয়ে যাচ্ছিল। ভয়ে আমি জড়োসড়ো হয়ে গেইটের কোণে দাঁড়িয়ে আছি। আকাশের দিকে তাকিয়ে লক্ষ্য করলাম চারপাশে মেঘেরা খেলা করছে। যখনই বাড়ি যাবার জন্য পা বাড়ালাম তখনই বৃষ্টির ঢল আকাশ থেকে নামতে শুরু করলো।

আমি তাড়াহুড়ো করে গেইট থেকে বের হয়ে রাস্তায় আসলাম। পুরো শরীর বৃষ্টির পানিতে ভিজে গেছে। আমি বের হতেই পাড়ার মহসীনের সাথে আমার দেখা। মহসীন এ পাড়ার সবচেয়ে ইতর লোক। বাবার কাছ থেকে কয়েকটা টাকা ধার পায় সে।।সে ধারের টাকা বাবার পরিশোধ করতে বিলম্ব হচ্ছে বলে আমাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয় বাবাকে। বাবা অবশ্য এতে একদম নারাজ। কারণ একজন বাবা তো জেনে শুনে একটা লম্পটের সাথে নিজের মেয়েকে তুলে দিতে পারে না। তাই সবসময় সুযোগ খুঁজে আমার ক্ষতি করার।

আমাকে ভেজা অবস্থায় দেখে তার লালসার চোখ আমার উপর পড়ল। আমার হাতটা ধরে নোংরা ভাষায় বলতে লাগল

"কী রে মা**গি আমারে বিয়ে করতে পারিস না। অথচ ভেজা শরীর নিয়ে বুইড়া বেডার সাথে শুইতে আসছিস। চরিত্রহীন মেয়ে। খালি বাড়ি থেকে এমনে বের হইছস। বুঝি না কী করে আইছস। তোরে আজকে হয় আমার সাথে বিয়ে দিবে নাহয় তোর নামে কলঙ্ক রটাব।"

মহসীন এ কথাগুলো বলেই আমাকে টানতে টানতে বাড়ির দিকে নিয়ে যাচ্ছে আর লোক জড়ো করছিল।।সব লোক সমাগম আমার বাড়ির সামনে। সবার হৈ হুল্লোরে বাবা জ্বর শরীর নিয়ে বের হলো। মহসীন বাবাকে দেখেই বলে উঠল

"মাইয়া বিয়ে দিতে সমস্যা। ভাড়া খাটাইতে সমস্যা নাই? তাই না? বুইড়া বেডার কাছে মাইয়া পাঠায়ছেন খুশি করে টাকা আনার জন্য। "

এরপর গ্রামের কিছু মানুষকে উদ্দেশ্য করে বলল

"এই আয়েশার বাপ একটা ভন্ড হুজুর। নিজে ইমামতি করে মাইয়ারে ভাড়া খাটায়। এ বাদলা দিনে এ মাইয়া বাঙলো থেকে বের হয়ছে। বাঙলোতে একা শুধু আরাব চৌধুরি থাকে এটা সবার জানা। ভেজা শরীর নিয়ে লুকিয়ে বের হতে গিয়েই আমার হাতে ধরা পড়ছে।।এটা তো সমাজের জন্য ক্ষতি। এই নষ্টা মেয়ের জন্য আর ভন্ড হুজুরের জন্য তো সমাজ নষ্ট হইব। যদিও মাইয়া খারাপ। তবুও এতদিন আয়েশার বাপ আমাদের নামাজ পড়ায়ছে সে সুবাদে একটা সুযোগ দেওয়া যায়। আমি চাই আয়েশারে বিয়ে করতে। এত দূর্নাম জেনেও বিয়ে করতে চাই কারণ মাইয়ার মা নাই। অসহায় মাইয়া বিয়ে করলে সওয়াব আছে। আর বিয়ের পর ঠিকমতো টাইট দিলে চরিত্রও ঠিক হয়ে যাইব। এহন আপনারা যা সিদ্ধান্ত নেন।"

গ্রামবাসী সবাই মহসীনের কথায় তাল মিলিয়ে বাবাকে ছিঃ ছিঃ করতে লাগল। বাবার চোখ বেয়ে কান্না জড়ছে। ছোটো একটা বিষয় এত বড়ো হয়ে যাবে কে জানত। কান্না গলায় বাবা বলল

"দরকার হয় সমাজ ছাইড়া চইলা যামু। তবুও আমার মেয়েরে এ লম্পটের হাতে তুলে দিমু না। চৌধুরি সাহেব অনেক ভালো মানুষ। আমি উনাকে কাছ থেকে চিনি। সে ভরসায় নিজের শরীর খারাপ ছিল তাই আয়েশাকে দিয়ে খাবার পাঠায়ছি।।আমার মেয়ে নষ্টা না। একটা লম্পট ছেলের কথায় আমার মেয়েকে দয়াকরে এ অপবাদ দিবেন না। "

মহসীনকে লম্পট বলায় মহসীন রেগে আমার বাবার কাছে তেড়ে গিয়ে বাবার গালে থাপ্পড় কষিয়ে দিয়ে বলল

"নষ্টা মেয়ে জন্ম দিয়ে নষ্টামি করে আমাকে লম্পট বলা।"

গ্রামবাসীও বাবাকে মারার জন্য তেড়ে আসতে লাগল।।সত্যি বলতে সেখানে যারা উপস্থিত ছিল সবাই মহসীনের কথায় উঠছিল বসছিল। আমি বুঝতে পারছিলাম তাদের মহসীন আগেই টাকা দিয়ে কিনে এ নাটক সাজিয়ে ফেলেছে। সুযোগের অপেক্ষায় থাকা মহসীন হুট করে সুযোগ পেয়ে আজকে ঝোপ বুঝে কোপ মারল। গ্রামবাসীকে এভাবে তেড়ে আসতে দেখে বাবা ভীষণ ভেঙে পড়ে। দাঁড়ানো থেকে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়ে।

আমি গ্রামবাসীকে চিৎকার করে বুঝানোর চেষ্টা করেও পারছিলাম না। পাশের বাড়ির মালতি চাচী আমার চুল ধরে বলতে লাগল

"নষ্টা একটা। তোর জন্য তো আমাদের মেয়েরা নষ্ট হবে। মহসীন যে তোকে বিয়ে করতে চায়ছে শুকরিয়া করে বিয়ে কর। নাহয় বাপ বেটিকে চুল ন্যাড়া করে গ্রাম ছাড়া করব।"

পরিস্থিতি খারাপের দিকে মোড় নিল। বাবা বসে আর কোনো কথা বলতে পারছিল না। আমি নিজেও মাটিতে বসে চিৎকার করে কাঁদতে লাগলাম।

হুট করেই একটা কণ্ঠ সব কিছু নিস্তব করে দিল। পেছন থেকে আরাব চৌধুরি বজ্র কণ্ঠে বলে উঠলেন

"সমস্যা আমাকে নিয়ে। মেয়েটা আমার বিছানায় গিয়েছে তাহলে মহসীন কেন বিয়ে করবে? এত উদার মানুষ হলে তো সমস্যা। সমস্যা যেহেতু আমাকে নিয়ে এ মেয়েকে বিয়ে আমিই করব। মেয়ের বাবা একজন সম্মানিত লোক। তার পেছনে আপনারা নামাজ পড়েন। সে মানুষটাকেই আপনারা অসম্মান করছেন। বিবেক কী বিকিয়ে দিয়েছেন? আয়েশার বাবাকে সবাই চিনেন কতটা সৎ তিনি। তারপরও আপনারা যা নয় তা বলছেন। আর মেয়ের দোষের শাস্তি বাবাকে কেন দিচ্ছেন? দোষ যেহেতু মেয়ে করেছে আর আমি এতে জড়িত৷ আয়েশাকে বিয়ে আমিই করব। "

আরাব চৌধুরির কথা শুনে সবার মুখ বন্ধ হয়ে গেলেও মহসীন বলে উঠল

"এসব মুখে বলায় সম্ভব। বিয়ে করলে এখন এ মুহুর্তে করেন। আমি কাজী ডাকি। বড়োলোকের মুখের কথার দাম নাই।"

আরাব চৌধুরী মহসীনের কলার ধরে বলে উঠল

"যাকে ডাকার ডাক। আমি এ মুহুর্তে আয়েশাকে বিয়ে করব৷ আমি এক কথার মানুষ। আমার জবান শক্ত।"

এরপর গ্রামবাসীর তোপে পড়ে আমার বিয়েটা হলো। কীভাবে সবটা পাল্টে গেল নিজেও বুঝলাম না। বাবা সেই যে মাথায় হাত দিয়ে মাটিতে বসেছিল আর কথা বলেনি। বিয়ের পরদিন বাবা কষ্ট সহ্য করতে না পেরে হার্ট এটাক করে মারা যায়। সবার অপমান এতসব কথা, নিজের মেয়ের এমন করে বিয়ে এসব বাবা সইতে পারেনি। বাবার মৃত্যুটা আমাকে একদম হতাশ করে দেয়। এ গ্রাম গ্রামের মানুষ আমার কাছে বিষের মতো লাগতে শুরু করে। আমি বাবার কবরের মাটি হাতে নিয়ে শুধু বলেছিলাম তোমার এ অপমানের প্রতিদান যেন প্রতিটা মানুষকে আল্লাহ দেয়। বাবা আমি চেষ্টা করব মাথা উঁচু হয়ে বাঁচতে। যত কষ্ট হোক যত সমস্যা হোক, আমার মাথা নোয়াব না। সবসময় নিজের আত্মসম্মান বাজায় রেখে উঁচু হয়ে বাঁচব।

বাবাকে করব দেওয়ার পরদিন আমি ঢাকায় আসি। এর মধ্যে আমার স্বামীর সাথে আমার কোনো কথায় হয়নি। ঢাকায় আসার পর জানতে পারি আমি তার দ্বিতীয় স্ত্রী আর সেখান থেকে আমার জীবনের গল্পের নতুন মোড় নিল।

গল্প_বেহালার_সুর
#পর্ব- ১

বিক্রয়ের জন্যPrice:450/–only (fixed)Delivery charge:150 টাকা/– একদম অরিজিনাল। হাতে পেয়ে দেখেশুনে নিতে পারবেন।ইমার্জেন্সি...
20/04/2025

বিক্রয়ের জন্য
Price:450/–only (fixed)
Delivery charge:150 টাকা/–
একদম অরিজিনাল। হাতে পেয়ে দেখেশুনে নিতে পারবেন।
ইমার্জেন্সি টাকার দরকার তাই 50 টাকা লসে বিক্রি করছি। তা নাহলে বিক্রি করতাম না।
কেউ নিতে চাইলে inbox করুন।

ভাবির রুমের পাশদিয়ে যাচ্ছিলাম।হঠাৎ করে ভাবি ডাক দিলো।ভাবির রুমে গিয়ে বললাম, – “ জ্বি ভাবি বলেন? ”...ভাবি বললো, – “ আমার ...
25/12/2024

ভাবির রুমের পাশদিয়ে যাচ্ছিলাম।হঠাৎ করে ভাবি ডাক দিলো।

ভাবির রুমে গিয়ে বললাম,
– “ জ্বি ভাবি বলেন? ”...

ভাবি বললো,
– “ আমার একটা ফেসবুক আইডি খুলতে হবে।তোর ভাই ফেসবুক বুঝেনা।তুই কি ফেসবুক আইডি খুলতে পারিস? ”

আমি বললাম,
– “ জ্বি ভাবি, পারি। ”...

ভাবি আমার হাতে ফোন দিয়ে ফেসবুক আইডি খুলে দিতে বললো। আমি তার ফোন দিয়ে আইডি খুলছিলাম, হঠাৎ করে মাথার মধ্যে শয়*তানি বুদ্ধি ভর করলো।

আমি বললাম,
– “ ভাবি, রেফারেন্স ছাড়া আইডি খুলা যাবে না। ”

ভাবি আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বললো,
– “ রেফারেন্স আবার কি? ”

আমি বললাম,
– “ রেফারেন্স হলো, পরিচিত কারো আইডির নাম দিতে হবে। যাতে আপনি কোন অপ"কর্ম করলে, আপনাকে সহজে খুঁজে পায়। ”

ভাবি বললো,
– “ আমি অতসব বুঝিনা, যেটা ভালো হয় কর। ”

আমি বললাম,
– “ ঠিক আছে, আমার রেফারেন্স দিয়ে দিলাম,পরে কোন অ'ঘটন ঘটা"ইয়েন না, তাহলে আমি বি*পদে পড়বো। ”...

ভাবির আইডির নাম দিলাম, – ❝ সুবোধের ভাবি ❞

ভাবিকে বো*কা বানিয়ে, আমার নাম দিয়ে আইডি খুলে দিলাম।মনে মনে পৈ"শা"চিক হাসি দিলাম। নিজের নামটা প্রচার হোক, মনে মনে সেলিব্রিটি সেলিব্রিটি ভাব লাগছিলো।আমি ছাড়া বাড়িতে মোবাইল সম্পর্কে তেমন বুঝতনা কেউ।

একদিন বাবা বললো, - ‘ফেসবুক আইডি খুলে দিতে।’বাবাকেও ভাবির মতো বুঝ দিয়ে, বো*কা বানিয়ে আইডি খুলে দিলাম।বাবার আইডির নাম, – ❝ সুবোধের বাবা ❞...

বাবা ফেসবুকে ফানি ভিডিও দেখে, আর খিল খিল করে হাসে।বাবার হাসিতে মা প্রচন্ড বির*ক্ত। মা আমাকে বললো, – “ তোর বাবাকে কি যেন খুলে দিছিস ফেসবুক নাকি কি যেন কয়, সেগুলো আমাকেও একটা খুলে দে। ”

মাকেও আমার নাম দিয়ে আইডি খুলে দিলাম।মায়ের আইডির নাম, – ❝ সুবোধের মা ❞...

বাবার মতো মা'ও এখন ফেসবুকে ফানি ভিডিও দেখে আর হাসে।বাড়ির সবার আইডিই আমার নাম দিয়ে খোলা।

বেশকিছুদিন কে*টে গেল। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলাম। হঠাৎ বাবা ফোন করে বাড়ি আসতে বললো।

বাড়িতে গিয়েই দেখি, বাড়ির সবাই নিরব হয়ে থম ধরে আছে। কেউ কোন কথা বলছেনা। মা আমাকে দেখে মুখ ঘুরিয়ে নিলো। বিষয়টা কি বুঝতে পারছি না।

বাবা আমাকে দেখে বললো,
– “ ছিঃ ছিঃ, তুই এমন কাজ করবি ভাবতেই পারিনাই।মান স"ম্মান সব শেষ করে দিলি।লোকের সামনে মুখ দেখাবো কি করে। ছিঃ ছিঃ ”

ঘটনা কি বুঝতে পারছি না।সবাই কি তাহলে জেনে গেছে যে, তাদের বোকা বানিয়ে আমার নাম প্রচার করার জন্য, আমার নাম দিয়ে তাদের আইডি খুলে দিছি।

আমি মিন মিন কর

গল্পর নাম : ১৬_বছর_বয়সপর্ব_৩ : শাওয়ার : Tanjim Ahmed Ratul শাওন দরজা ঠেলে রুমে ঢুকল। আমি তাকালাম। শাওনকে দেখে আমি সাথে স...
17/07/2024

গল্পর নাম : ১৬_বছর_বয়স
পর্ব_৩ : শাওয়ার
: Tanjim Ahmed Ratul

শাওন দরজা ঠেলে রুমে ঢুকল। আমি তাকালাম। শাওনকে দেখে আমি সাথে সাথে মুখ ঘুরিয়ে নিলাম।
উনি এখানে কেন! আমার কি ওনার সাথে এক রুমে থাকতে হবে এই ৭ দিন?
শাওন এসে টেবিল ল্যাম্প এর পাস থেকে ওর ফোন টা নিয়ে আবার বেরিয়ে গেলে। আমি যেন হাফ ছেড়ে বাচলাম।

একটু পরেই পিসামশাই দরজায় টোকা দিয়ে বলল, তুই কি জামা কাপড় আজ আর চেঞ্জ করবি না?!
জলদি কর। খাবার ত রেডি। সব গুলা শাড়ি পাতলা পাতলা। আর শাড়িগুলোর রঙ লাল, কমলা, মিষ্টি কালার, গোলাপি। অর্থাৎ শাশুড়ী মা সব কালারফুল শাড়ি দিয়ে ভরে দিয়েছেন।

দরকারি সব ই আছে। কয়েকটা লিপস্টিকও আছে। কিন্তু এত পাতলা শাড়ি পড়লে সব ই বুঝা যাবে।
অনেক বেছে বেছে একটা একটু তুলনামূলক ভাল পেলাম। জলদি ফ্রেস হয়ে সেটা পরে ডাইনিং এ এলাম। খাবার প্লেটে খাবার রেডি।
পিসা বলল,"দেখ তোর বর রান্নাও পারে।"
শাওন পিসামশাই এর কথায় কান দিল না। খাবার সার্ভ করতে লাগল। আমার প্লেটে যত ভাত দেওয়া হইছে আমি অতটা খাই না। পিসা বলল, কি রে খা।

- আমি এত খাইনা ত। (আমি)
- আরে diet বাদ দে। খা খা।(পিসা)
- সত্যিই পারব না।
শাওন আমার সামনে থেকে প্লেট টা নিয়ে ভাত কমিয়ে আমার সামনে দিল।
পিসা বলল, তা তোর অফিস কটা থেকে কটা। ৮ টা থেকে রাত কটা?
- কেন? (শাওন)
- না। আর কি একা একা থাকবে মেয়েটা কত সময়।(পিসা)
শাওন জানেই যে পিসা একা ফিরবে আমাকে না নিয়ে। তাই কথা বাড়িয়েও লাভ নেই।

আমার প্রশ্ন করতে ইচ্ছা হলো যে একা মানে। পিসা ত আছেই। কিন্তু বলতে পারলাম না। পিসার ফোন বেজে উঠল। পিসা নিজের রুমে গেল ফোন তুলতে।
শাওনের প্লেটে ১টা রুটি আর কি কি সবজি, শসা এগুলো। এতটুকু খেয়ে থাকে কেম্নে কে জানে। কিন্তু স্বাস্থ্য ত ভালই। আমি ওর দিকে তাকিয়ে ভাবছিলাম এগুলো শাওন আমার মুখোমুখি বসা। হঠাৎ শাওনের চোখে চোখ পড়ল। হার্ট এট্যাক পাওয়ার মত অবস্থা হল আমার। তাই সাথে সাথে আমি প্লেট একটু সামনের দিকে ঠেলে বললাম, "খাওয়া শেষ।"
বলেই তাড়াহুড়ো করে পালাতে গিয়েই ওচোট খেয়ে পড়লাম।
কি লজ্জাজনক বিষয়। পিসামশাই কথা শেষ করে ততক্ষনে হাজির।
- কিরে পরলি কিভাবে?
বলতে বলতে পিসা ধরে আমাকে উঠালেন।
শাওনের এবিষয়ে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।
- তুইও বসে আছিস। ধরলি না? (পিসা)
শাওন বলল, আমার ত আর আইনের মত লম্বা হাত না যে ধরব এখান থেকে।
একথা শুনে পিশা হাসতে লাগল। আমি নিজের রুমের দিকে গেলাম। নিজের মানে শাওনের।

শাওন পিশামশাই কে বলল, দয়া করে কাল ই ফিরে যাও আর ওকেও নিয়ে যাও।

"কি যে বলিস তোর মা আমাকে মেরে পুতে দিবে।" ফিসফিস করে পিশামশাই বলল।

শাওনের খাওয়া শেষ তাই উঠে এসে পিশার পাসে বসে স্বাভাবিক ভাবে তাকিয়ে বলল, সুন্দরবন ঘুরতে যাওয়ার টিকিট কেটে দিব, থাকা খাওয়া আর ১ মাস ঘুড়ার সব টাকা দিব। ডিল?

পিশামশাই একটু কেশে বলল, "ঘুষ?........ওসব ঘুষ টুষ আমি খাই না।"

শাওন তীক্ষ্ম চোখে তাকিয়ে বলল, "সাথে সাজেক যাওয়ার টিকিট বোনাস তোমার জন্য।"

পিশামশাই এর চোখ জ্বল জ্বল করে উঠল, সত্যি?

শাওন বলল "yeah, deal?"

আমতা আমতা করে পিশা বলল, "আমি হাতে কিছু পাওয়ার আগে বিশ্বাস করতেছিনা কিছু।"

"কাল ই পেয়ে যাবে," শাওন উঠে চলে গেল হাত ধুতে।

শাওন আগের মত আর হাসিখুশি নাই দেখে পিশার খারাপ লাগতে লাগল।
আগে কত এমন ডিল করেছে। শাওন জানে পিশামশাই ঘুরতে অনেক পছন্দ করে। শাওন টাকা দিয়ে দিয়ে পিশামশাইকে ঘুড়তে যেতে সাহায্য করত। পিসি রাগ করত যে এত কিসের ঘুড়াঘুড়ি।
পিশামশাই দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে খেতে আরম্ভ করল।

ঘরে এসে আমি বিছানায় বসে কনুই এ হাত দিয়ে রইলাম। বেশি ব্যথা লাগে নি। হাতের কনুইতে একটু লেগেছে। এমন ব্যথা আগেই অনেক পেয়েছি কাকি মনির থেকে। নিজের বাপ মা না থাকলে যা হয় আর কি।
যাইহোক বিছানার দিকে তাকাতেই ঘুম এসে গেল। কোনো চিন্তা না করেই বিছানায় শুয়ে পড়লাম।

দশটা বাজে।
শাওন রুমে আসল। আমি উল্টো দিকে মুখ করে শুয়ে ছিলাম। দরজার আওয়াজ শুনে বালিশের কোনা শক্ত করে চেপে ধরলাম। চোখ জোড়েসোরে বন্ধ করলাম।
শাওন লাইট অফ করে সোফায় শুয়ে পড়ল। বিছানা থেকে বালিশ ও নিল না।
যাই হোক আমার কি। আমি শান্তিতে ঘুমাই। হুহ। কিন্তু ওইদিনের শাওন আর আজকের শাওনের সাথে আকাশ পাতাল তফাত। তাও সাবধানে থাকা লাগবে। আমার বান্ধবীর বরের মত কাহিনী হলে?

কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘুমিয়ে গেলাম।
শাওন ঘুমাতে পারছে না। কারণ ওর সোফায় ঘুমানোর অভ্যাস নেই। সোফায় নড়াচড়াও করা যায় না। শাওনের ঘুম আসছে না।
সারা রাত ওর এভাবেই কেটে গেল।

ভোরে ওঠা শাওমের অভ্যাস। ৮ টায় অফিস। সেই অনুপাতে ৬ টায় উঠে গোসল করে নিজের নাস্তা নিজে তৈরি করে খেয়ে অফিসে যায়।
প্রতিদিনের মত আজও ভোরে উঠে নিজের শার্ট খুলে সোফায় রেখে তোয়ালে নিয়ে গোসল করতে গেল। গোসলখানা টা এমন যে একপাশে হাই কমোড অন্য দিকে শাওয়ার অর্থাৎ গোসল করার বাথটাব সব আছে। এই দুইয়ের মধ্যে প্লাস্টিকের মত পর্দা দেওয়া। শাওন বাথরুমে ঢুকে লাইটের সুইচ চাপতেই দেখল বাথরুমের লাইট জ্বলছে না। যদিও লাইট ছাড়া অত অন্ধকারও না। লাইট টা কমোডের দিকে সেট করা। শাওন একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলল মনে মনে বলল, লাইটার কি হলো। বলে পর্দার এইপাড়ে এসে লাইট টা নামালো। লাইট টা ঠিকই মনে হচ্ছে। নড়ে গেছে হয়ত।



এদিকে আমি ঘুম থেকে উঠে রুমে শাওনকে না দেখে মনে করলাম গোসল টা সেরে নিলেই ভাল। চট করে বেডরুমের দরজা আটকে শুধু তাওয়াল ব্লাউজ আর পেটিকোট নিয়ে ঢুকলাম বাথরুমে। ঢুকে দরজা আটকে দিলাম । কারন বাথরুমে শাড়ি পড়া অনেক ঝামেলা। একবারে গোসল করে বের হয়ে শাড়ি পড়া যাবে। শাড়ি খুলে বালতির পানিতে রাখলাম। শাওয়ার ছেড়ে দিলাম। একদম বৃষ্টির মত পানি পরে বলে আমার খুব ই ভাল লাগে। হাত দিয়া পড়ন্ত পানিগুলো ধরতে ভালো লাগছিল। ব্লাউজের পিছনের ফিতা খুলতে যাব হঠাৎ লাইট জ্বলে উঠল। আমি চমকে উঠলাম। শাওন পর্দা সরিয়ে এপাশে এলো। শাওনকে দেখে আমি ভুত দেখার মত অবস্থায় পরলাম। শাওনের গায়ে শার্ট নেই। এতে পরিস্থিতি আরো অন্য রকম লাগছে। শাওনও আমাকে দেখে অবাক হলো। শাওনকে দেখে দুই পা পিছানোর কারনে শাওয়ারের পানিতে আমার গা ভিজে যাচ্ছে। কি লজ্জাজনক অবস্থা। ভাগ্যিস শুধু শাড়ি টাই খুলেছিলাম। আমি দুই হাত দিয়ে নিজের গা ঢাকার চেষ্টা করে জো

গল্পর নাম : ১৬_বছর_বয়সপর্ব_২ : একসাথে_থাকব?Tanjim Ahmed Ratul (গত রাতের ঘটনা)- " ছাড়ুন আমাকে। লাগছে আমার।"শাওন ওর আঙুল দ...
13/07/2024

গল্পর নাম : ১৬_বছর_বয়স
পর্ব_২ : একসাথে_থাকব?
Tanjim Ahmed Ratul

(গত রাতের ঘটনা)
- " ছাড়ুন আমাকে। লাগছে আমার।"
শাওন ওর আঙুল দিয়ে আমার ঠোঁটের লিপস্টিক মুছে দিল। আমি ওনাকে ধাক্কা দেবার চেষ্টা করে বললাম, "শাওন দা প্লিজ ছাড়ুন আমাকে।"

*শাওন দা* কথাটা শুনা মাত্র শাওনের খেয়াল হলো যে এটা সুইটি না। আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেললাম। শাওন উঠে দাড়ালো। সুইটি শাওনের এক্স গার্লফ্রেন্ড। নেশা করার কারনে সব উল্টা পাল্টা লাগছে শাওনের। সোফায় বসে মাথা নিচু করে রইল।

শাওন মনে মনে বলল, এটা আমি কি করতে যাচ্ছিলাম! যাই হোক এখান থেকে বের হতে হবে আমার। সকালে ত হবেই না। গেলে এখনি যেতে হবে।

যেই ভাবা সেই কাজ। বাথরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে বেড়িয়ে পড়ল শাওন। সুমনা কে ফোন দিল । প্রায় রাত ১ টা বাজে তখন। সুমনা শাওনের ক্লাসমেট ছিল, এখন অফিসের কলিগ। ওরা বেশ ভাল বলেন বন্ধু। সুমনা ওর গাড়ি নিয়ে শাওনের বাসার সামনে থামিয়ে নামতে নামতে বলল, "এত রাতে ফোন দিলি, কি হয়েছে?
- ঢাকা যাব এখনি। (শাওন)
- ত যা তুই।
- তুই ড্রাইভ করবি।
- what? পারব না। বিয়ে করেছিল এক মেয়েকে পালিয়ে যাবি অন্য মেয়ের সাথে! (সুমনা হাসতে হাসতে বলল)
- মজা করিস না।
- সিরিয়াসলি?! তুই এখন গেলে বাসায় ঝামেলা হবে।
- আমি ড্রিংক না করে থাকলে আমিই চালাতাম। এখন কথা বাড়ালে আমার একাই যাওয়া লাগবে নিজের।
বলেই শাওন গাড়িতে উঠে ড্রাইভিং সিটের পাশের সিটে বসল। সুমনা তাই ড্রাইভিং সিটে এসে বসতে বসতে বলল, "সত্যি যাবি?"
- হ্যা
- আর তোর বউ এর কি হবে?
- that's none of my business.
- তোর বিয়েতে আমার আসাই উচিত হয়নি।
- তুই ত এমনিও ছিলিনা। (শাওন)
- ছুটি ত নিয়ে এসেছিলাম শান্তির ভ্যাকেশন কাটাব বলে ওসব বিয়ে টিয়ে তে যেতে আমার ভাল্লাগে না ৷ ধুর আর হলো না।
শাওন বাহিরের দিকে তাকিয়ে আছে।
তাই সুমনা বলল, সুইটি কে ভুলে যা🙄।
একটা নিঃশ্বাস ছেড়ে শাওন বলল, "ভুলে গেছি।"
- তাইলে কই পালাচ্ছিস?
শাওন বলল, টাইম লাগবে বাট সব নরমাল হয়ে যাবে।
সুমনা শাওনের কাধে হাত দিয়ে হাসি মুখে বলল, "জলদি হোক😎।"
শাওন কিছু বলল না।
সুমনা হঠাৎ খেয়াল করল শাওনের হাতে লিপস্টিক লেগে আছে।
- তোর হাতে এটা লিপস্টিক লেগে না?
শাওন নিজের হাতের দিকে খেয়াল করল। খেয়াল করে সুমনার দিকে তাকালো। সুমনা সন্দেহের চোখে তাকিয়ে আছে। সুমনা অনেক স্মার্ট। চটজলদি সব বুঝে যায়।
শাওন কথা ঘুড়িয়ে বলল, "গাড়ি স্টার্ট দে। "
সুমনা বলল, "অহহহহহহ। বুঝেছি "
সুমনা হাসতে লাগল।
- তুই যা ভাবছিস এমন কিছুই না।
- তাইলে? (সুমনা চোখ ছোট করে তাকিয়ে বলল)
কিহলো বল🤭।

- তোর মনে হয় এমন হবে?
- নিজের চোখে দেখতাছি।
- এমন কিছুই হয়নি।
- হয়েছে (সুমনা)
- হয়নি বললাম না।
- ওরে তুই কি লজ্জা পাচ্ছিস?
- তোকে ডাকাই ভুল হয়েছে।
- এখন আমার দোষ? বাহ বাহ। মেয়েটাকে এখন একা ফেলে যাচ্ছিস। কত সুন্দর। বাহ বাহ।
- ভুল হতে যাচ্ছিলো কিন্তু হয়নি। ড্রিংক করাই উচিত হয়নি। যাই হোক, খুশি তুই শুনে? চল এখন গাড়ি স্টার্ট দে।

সুমনা হা করে তাকিয়ে আছে যেন কি না কি করেছে শাওন।
শাওন আর মুখোভাব দেখে বিরক্তির সাথে বলল, হয়নি বললাম না।
- হলে ভাল হত। একটা ছোট্ট শাওন হত বা একটা ছোট্টো... মেয়েটার নাম কি? তোর বউ এর নাম?
- জানিনা।
- what?
- নাম জানিনা কিন্তু এতটুকু জানি যে ও নিজেই একটা বাচ্চা আর ওর কোনো বাচ্চা হবে না। তোদের ষড়যন্ত্রের জন্য এই অবস্থা আমার।
সুমনা এখন আমতা আমতা করে বলল, আমি কি জানতাম নাকি যে আন্টি এক বাচ্চা মেয়েকে...

- হয়েছে থাক চল এখন।
- রাগ করিস না৷ (সুমনা)
- রাগ করেও বা কি হবে(শাওন)
তারপরের ঘটনা ত সবাই জানেন।
শাওন চলে যাবার পর ২ মাস শাওনের কোনো খবর নেই। তার মা তাকে ফোন করে আসতে বললেই সে বলে কাল আসব, পরশু আসব, ১সপ্তাহের মধ্যে আসব। আমি বিন্দাস আছি। আমার কোনো চিন্তা নেই। তবে শাশুড়ী মা আমাকে দেখে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়েন। ছেলের বিয়ে উনি দিয়েছেন সত্যিই বাচ্চা মেয়ের সাথে যার শাওনের ব্যাপারে কোনো মাথা ব্যথাই নাই।
মূলত বিয়ে হঠাৎ দেবার কারন হলো সুইটি নামক মেয়েটার ভুত শাওনের মাথা থেকে সরানো। সেইজন্য সুমনার আর রবিনের (শাওনের বন্ধুর) হেল্প নিয়ে, শাওনের মা অসুস্থতার নাটক করে বাসায় ওকে এনে বিয়ে দিয়ে দিল। ছেলে ত রাজি ই না। অনেক কষ্টে তিনি ছেলের বিয়েটা দিয়েছেন। মেয়ে দেখে দিয়েছেন শাওনের পিসামশাই। তিনি শাওনের সাথে খুব ফ্রি। শাওনের জন্য পিসামশাই ভালো মেয়েই ঠিক করবে এই বিশ্বাসে বিয়ে দিয়ে এখন পস্তাতে হচ্ছে শাওনের মায়ের। তাই একদিন পিসামশাইকে তিনি বলে বসলেন, "ওকে শাওনের কাছে রেখে আসো। শাওন আর আসবে না, ভাল মত চিনি ওকে আমি। তুমি রেখে আসো মিলা কে।"
- তা না হয় কাল ই দিয়ে আসব। (পিসামশাই)
- আজ ই (শাশুড়ী)
- আজই?!
- এক নয় শাওনের কাছে দিয়ে আসো নাইলে ওকে আমি আজ ই ওর কাককাকীর কাছে পাঠাই দিব।(রেগে এই কথা বললেন শাশুড়ী মা)
- যথা আজ্ঞা। তুমি রাগ করোনা। আমি যাচ্ছি।

পরে পিসামশাই আমাকে এসে বললেন, ব্যাগ গুছা, বেড়াতে যাব আমরা।
- বেড়াতে? (আমি)
আমি ত খুশিতে শেষ এই ঘরে সারাদিন ভাল্লাগে না। পিসামশাইকে আমি ছোট থেকে চিনি। উনি একজন যার সাথে আমি গল্প করি।

খুশির ঠেলায় ৫ মিনিটে রেডি হয়ে নিচে এলাম। শাশুড়ী মা বললেন তোমার এসব শাড়ি পরা আর চলবে না, আমি যা দিব তাই ই এখন থেকে পরবে। বলে এক টান দিয়ে আমার হাতের ব্যাগ টা নিলেন।
তিনি নিজের রুমে গিয়ে একটা ট্রলি ব্যাগ আমার হাতে ধরালেন। আর বললেন, যাও এখন। শাওনের খেয়াল রাখবে।
"মানে??" এটা বুঝলাম না আমি। তাই প্রশ্ন করে উঠলাম।
"মানে আবার কি? শাওনের কাছে পাঠানো হচ্ছে তোকে" পিসিমনি বলল।
আমার মাথায় আকাশ ভেংগে পড়ল।
- আমি যাব না। (বলে উঠলাম আমি)
- যাবেনা মানে?(শাশুড়ী মা)
তার চোখ গরমে ভয় পেলাম। সেই ভয় কাটাতে পিসামশাই বলল, "আরে মাত্র কয়েকদিনের জন্য যাব আবার চলে আসব।"
- কয়েকদিন আবার কি....(কাকিমনি)
কাকিমনিকে থামিয়ে দিয়ে পিসামশাই বলল, আরে এত কিসের কথা। যাই এখন।
আমার তাও যেতে ইচ্ছা করছিল না। মোটামুটি চোখ গরম আর মিথ্যা আশ্বাসে রওনা হলাম।

সন্ধ্যার দিকে শাওনের বাসায় পৌছলাম। অন্য রকম ভয় কাজ করছে। পিসামশাই কলিং বেল দিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই শাওন দরজা খুলে দিল।
দরজা খুলেই বলল, পিসা তুমি?

গল্পর নাম : ১৬_বছর_বয়সপর্ব_১ : ফুলসজ্জাTanjim Ahmed Ratul দরজা খুলে শাওন রুমে ঢুকতেই আমার ভয় লাগতে শুরু হলো। লাগাটাই স্ব...
12/07/2024

গল্পর নাম : ১৬_বছর_বয়স
পর্ব_১ : ফুলসজ্জা
Tanjim Ahmed Ratul

দরজা খুলে শাওন রুমে ঢুকতেই আমার ভয় লাগতে শুরু হলো। লাগাটাই স্বাভাবিক। কারন কয়েকদিন আগেই আমি আমার বান্ধবীর ফুলসজ্জার গল্প শুনেছিলাম। ওর বিয়ে মাত্র ১০ দিন আগে হয়েছে। ওর বছস ১৫ বছর। আমার চেয়ে ও ১ বছরের ছোটো। ওর নাম তমা। তমা বলেছিল ফুলসজ্জার রাতে নাকি ওর হাসবেন্ড ওকে মেরেছিল। কারন টা অনেক আজীব। ওর হাসবেন্ড নাকি ওর শাড়ি খুলে দিতে চেয়েছিল তখন ও বাধা দিয়েছিল । আর নাকি তমার সাথে অনেক বাজে কাজ করেছে ওর অই হাসবেন্ড যেটা ও বলতেই চাইল না। কিন্তু কি বাজে কাজ? অত শত জানিনা। কিন্তু শাওন দা কি আমাকে মারবে? উনি ত ভাল ছেলে।
হঠাৎ দরজা বন্ধ করার শব্দে আমার ঘোর কাটল। শাওন দা কে দেখে স্বাভাবিক মনে হলোনা যদিও ঘরের ঝাপসা আলোতে কিছুই বুঝতে পারছি না। উনি কি অসুস্থ?। উনি এমনিও অনেক দেরি করে তারপর এসেছেন। এত সময় আমার ২ ঘন্টা ঘুম হত। এখন ১২ টা বাজে।
১০ টার সময় আমাকে শাওনের মা মানে আমার শাশুড়ী আমাকে সাজিয়ে বসিয়ে দিয়ে গেছে। শাওনের কাজিন ভাই দের সব বউ গুলা আমাকে বলে গেছে যে, "ঘুমিয়ে পরো না, শাওনের জন্য অপেক্ষা করবা।" আমি শুধু মাথা নাড়ছিলাম।

বাড়ির বড়রা অর্থাৎ শাওন এর কাকিমা, পিসিমনি আর কে কে যেন বলল, "আজ স্বামী যা চায় তাই ই দিবা।"
স্বামী মানে ত শাওন দাদা। কিন্তু আমার কাছে কি চাইবে?
তাই উল্টো প্রশ্ন করলাম, "কি চাইবে উনি? আমার কাছে ত কিছুই নেই!"
ঘরের সব মেয়েরা জোরে হেসে উঠল। শাওনের পিসি মনি হাসতে হাসতে বললেন, " বউদি এ ত পুরা বাচ্চাদের মত কথা বলছে🤣🤣।" শাওনের মা আমার দিকে শক্ত মুখ করে তাকিয়ে আছে।
"গ্রামের মেয়েরা একটু কম বুঝে maybe" বলে হেসে দিলো শাওনের এক কাজিন।
"আজ ই সব বুঝে যাবে। যাই হোক সবাই বের হও এখন। শাওন কে পাঠাই", বললেন শাওনের কাকিমনি।
সবাই মুচকি হাসছিল।আমিও বুঝতেছিলাম না কি হচ্ছে আমার সাথে।
সবাই যাবার সময় ঘর অন্ধকার করে দিয়ে গিয়েছে। অন্ধকার আমার ভালো লাগে না। তাও বসে আছি। মরিচ বাতি গুলোর হালকা আলো ভালই লাগছে।

যাই হোক বর্তমান সময়ে আসা যাক।

আমি ঘাট থেকে নেমে ওনার কাছে গেলাম। শাওন দা দরজায় হেলান দিয়ে দাড়িয়ে ছিল।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কি ঠিক আছেন? নাকি অসুস্থ?
উনি আমার দিকে নরম চোখে তাকালেন কিন্তু কোনো উওর দিলেন না।
আমি আবার বললাম, কাউকে ডেকে আনব?
এই কথা বলে কোনো উওরের অপেক্ষা না করেই আমি দরজার খুলতে গেলাম। তখন উনি হঠাৎ আমার হাত ধরলেন। আমি ভয় পেয়ে গেলাম।
আমি শুনলাম উনি বললেন, "Don't go. Stay with me."
আমি দ্বিধায় পরে বললাম, আচ্ছা।
কিন্তু শাওন দা আমার হাত ধরে দরজার সাথে হেলান দিয়ে দাড়িয়ে রইল। আমি কি করব বুঝতেছি না। এইভাবে কি সারারাত দাড়িয়ে থাকব? আমিই কয়েক মিনিট পর হাত টা ছাড়িয়ে নিয়ে বিছানার দিকে যেতে লাগলাম। তখন শাওন বলল, "সব তোমার নাটক ছিল! সব মিথ্যা ছিল?"

আমি ঘুরে তাকালাম কারন শাওন দা
কি বলছে কিছু বুঝলাম না। উনি কি মদ খেয়েছেন? এইজন্য ই কি ২ ঘন্টা দেরি করে এসেছেন?

উনি আস্তে করে কার একটা নাম বললেন কিন্তু আমি ঠিক শুনতে পেলাম না। তারপর উনি আমার দিকে এগুতে লাগলেন। আমি কি করব বুঝতে পারছি না।
কিছু বুঝে ওঠার আগেই শাওন দা আমাকে ধাক্কা দিয়ে বিছানায় ফেলে দিল। আমি বললাম, "কি করছেন আপনি?"
শাওন আমার দুই হাত বিছানার সাথে চেপে ধরল।

- ছাড়ুন আমার লাগছে। ব্যথা পাচ্ছি।
শাওন আমার দুই হাত ওর এক হাতের মুঠোতে ধরল। আর অন্য হাত দিয়ে আমার শাড়ির আচল বুক থেকে সরিয়ে দিল। সবকিছু এত আচমকা হচ্ছে যে আমি কেদে দিলাম।
- প্লিজ ছাড়ুন আমাকে। কি করেছি আমি।
শাওন আমার কোমড়ে হাত দিল। আমার সারা শরীর শিউরে উঠল।

আমি কাদতে কাদতে বললাম, "আপনি খুব খারাপ। ছাড়ুন আমাকে। লাগছে আমার।"
শাওন আমার দুই হাত ছেড়ে দিল। সাথে সাথে আমি ওকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিবার চেষ্টা করলাম। কিন্তু পারলাম না।
শাওন ওর আঙুল দিয়ে আমার ঠোঁটের লিপস্টিক মুছে দিল। আমি ওনাকে ধাক্কা দেবার চেষ্টা করে বললাম, "শাওন দা প্লিজ ছাড়ুন আমাকে।"
আমার শরীর খুব দুর্বল লাগছে। সকাল থেকে না খাওয়া। আর এখন এসব। আমার গায়ে আর একটুও শক্তি নেই। তাই আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেললাম।



যখন চোখ খুললাম তখন সকাল হয়েছে। প্রায় সাড়ে সাতটা। মাথা ঝিম মেরে আছে। আশেপাশে তাকিয়ে বুঝার চেষ্টা করলাম আমি কোথায় আছি। হঠাৎ গতকাল রাতের কথা মনে এলো। মনে পরাতেই নিজের শরীরের দিকে তাকালাম। গায়ে একটা চাদর দেওয়া। আমি তাড়াতাড়ি উঠে বসে নিজের শাড়ি ঠিক করে নিলাম। রুমে শাওন নেই। কোথায় উনি?

কাল রাতে কি হয়েছিলো! আমি জ্ঞান হারানোর পরর আর কিছুই মনে নেই আমার। জলদি ফ্রেস হয়ে নিচে নেমে আসলাম। কাকিমনি, পিসিমনি আর আমার শাশুড়ী নাস্তা তৈরি করছেন।
আমাকে দেখে কাকিমনি মিষ্টি হাসি দিয়ে বললেন, এত জলদি ঘুম ভেঙে গেল?!

আমি কিছু বলার আগেই পিসি মনি বললেন, এখানে তোর কোনো কাজ নেই। তুই উপরে শাওনের কাছে।

শাওনের মার মুখেই শুধু হাসি নেই। উনি অনেক চিন্তিত মনে হচ্ছে।

৮ টার পরেই সবাই নিচে আসতে লাগল নাস্তা করতে। শাওনের মা আমাকে বললেন, শাওন কোথায়, এখনো ত এলোনা! এত দেরি ত ও করেই না।

শাওনের কাজিন বলে উঠল, প্রতিদিন আর আজ কি এক?
সবাই হেসে উঠল।
আমি মনে মনে ভাবলাম যে, শাওন দা ত রুমে নেই, নিচেও কোথাও নেই। গেলেন কোথায় উনি?

আমি বলে উঠলাম, "উনি ত নেই উপরে।"
- নেই মানে!
আমার শাশুড়ী তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকালেন।

- কোথায় ও? (পিসিমনি)
- আমি জানিনা।

আমি দোটানায় পরে গেলাম। এ কি অবস্থা সবাই আমাকে কেন জেরা করছে! কাল রাতে উনি আমার সাথে যা করেছে এর পর আমার উনার বিষয়ে জানার আর ইচ্ছা নাই।

পিসিমনি ভ্রু কুচকে আবার বললেন, জানিনা মানে কি! রাতে ছিল না তোর সাথে?
আমি বললাম, ছিল ত কিন্তু....

-কিন্তু কি? (শাশুড়ী)
আমার শাশুড়ী ব্যস্ত হয়ে পরলেন। ছেলের কোনো খবর কেউ জানেনা বাসার এইজন্য।
আমি এখন কি বলব? কিভাবে বলব আমি জ্ঞান হারানোর পর কি হলো কিছুই ত জানিনা। আর কাল রাতের কাহিনীও খুব একটা সুন্দর না যে বলব।

পিসিমনি বলল, আরে বৌদি শান্ত হও। গেছে হয়ত কোথাও কাজে। ছেলে কি পিচ্চি যে কেউ ধরে নিবে।

সবাই খেতে বসে পড়ল। শুধু শাশুড়ী মা ই বাকি রইলেন।

05/07/2024

_পৃথিবীতে কিছুই স্থায়ী না!🙂
তাই যেকোনো সময় প্রিয় কিছু হারাতে প্রস্তুত থাকো!💔🥀

অদ্ভুত_তিনিTanjim Ahmed Ratul Part:20(last)দোলনায় বসে আছি আমি আমার পাশে আমান আমি আকাশ দেখছি। আমান আর আমাকে এসবে বাধা দেয়...
02/07/2024

অদ্ভুত_তিনি
Tanjim Ahmed Ratul
Part:20(last)

দোলনায় বসে আছি আমি আমার পাশে আমান আমি আকাশ দেখছি।
আমান আর আমাকে এসবে বাধা দেয় না৷
একটু পর পর সে আমার মুখে, গলায়, কানে,বুকের একটু উপরে কিস করছে৷
এই ২০ মিনিটে এই নিয়ে ৩০০ টা চুমু দিয়ে৷
এবার তো মুখের সামনে এসে ঠোঁটে করে সরে বসছে৷
--বলছি কলিজা কাইটা মোরে ভোরে রাখেন আপনি৷ আর চুমু দিয়া লাগবে না এক বারে আপনার ভেতরে থাকি৷
😤
--তা মন্দ হয় না তোমাকে এই কলিজায় রাখুমু 😚
--আমান। 😤
--মেঘ।😘
--আমা.....ন😤
--মে.....ঘ😘
--হুহ
--হাহা
--হাসার কি আছে।
--কিছু না একটা জিনিস দেখবা৷
--কি।
--চলো
আমান আমাকে ধরে উঠালেন এক হাতে ওনাকে ভর দিয়ে ঘরে আসি৷
ওহ আপনাদের তো বলাই হয় নি আমার ৮মাস চলছে।
(মেঘের ভেতর কিছু শক্তি আছে এটার কারনে সে দূর্বল চিকন হয়ে গেছে ঠিকি কিন্তু তার vampire বাচ্চা তার শরীর থেকে খুব সামান্য পরিমান রক্ত নেয় যার ফলে মেঘ এখনো একটু সুস্থ আছে।)
--কি দেখাবা বলো।
--আয়নায় তাকাও৷
আমি আয়নায় তাকালাম।
আমান তাকালো আমার পেটের দিকে শারীর আঁচল শরিয়ে এক পাশে হাত দিলো৷
আমার পেটের খানিকটা অংশ আলো হয়ে গেল। স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে বাচ্চাদুটোকে কে কম্পিউটার এর মতো৷
--আমান ওরা আমাদের বাবু৷
--হুম ওরা আমাদের বাবু৷
--সত্যি (আমি কেঁদেই দিসি খুশিতে)
--হুম সত্যি
এভাবে কিছু সময় দেখার পর আমাকে ধরে বিছানায় বসিয়ে দেয়।
--শুনো
--হুম
--বলছি কষ্ট হয় নাকি অনেক৷
--তুমি একটা বেবি ---- করো তার পর বলো কষ্ট হয় নাকি 😏
--আমি বেবি, 🙄
--হা হা আমার বর টা অনেক কিউট দেখতে জানো তুমি।
--না কেমনে জানবো বৌ বাদে কারোর সাথে কথা বলি নাতো৷
--ওহ তাইতো৷ এই দেখ৷ বিদেশিদের মতো ব্রাউন চুল গুলো সব সময় উপরে থাকে এই চোখ যখন তাকায় এই চোখে, উফ মার ডালা। এই ঠোট দুটো ফর্সা গালে গোলাপি ঠোঁট দুটো অসম্ভব সুন্দর। এই কানের এখানে এইযে এইটা কি পরো এতে তোমাকে আরো সুন্দর লাগে আর যখন তুমি সাদা সার্ট পরো৷ তোমার মেঘ তোমার দিকে তাকিয়ে থেকেই সারা জীবন কাটিয়ে দিবে। 😇
--ওরে এতো পরক করে দেখো তুমি আমাকে।
--দেখবো না মানে আমি দেখবো না তো কে দেখবে। বলো বাবুরা তোমাদের বাবা কে শুধু আমারই তো দেখবো।
--হুম বাবুরা আর বাবুদের মা বুচ্চি আমি।
--হয়, আল্লাহ মা উফ
--কি হলো (অস্থির হয়ে)
--তোমার বাবুরা ফুটবল খেলে৷ (কাঁপতে কাঁপতে)
--বাবুরা মাকে কষ্ট দিও না সোনারা অনেক চকলেট দিবো তোমাকে আমি।
--তোমার,
কথা শুনছে,
বুঝি।
--হুম শুনছে ওদের সাথে আমার ব্রেনের কানেকশন আছে৷
--কেমনে কি।
--বুঝবা না তুমি৷
--বুঝালে তো
--আমান (চাঁদনি খান)
--হ্যা আম্মু।
--এই দেখ কটা বাজে মেঘকে খাবার দিস নাই ডক্টর কি বলছে মনে নাই।
--মা একটু আগেইতো খেলাম। (আমি)
--ডক্টর প্রতি ৩০ মিনিট পর পর খাওয়াতে বলছে। খেয়ে নে।
--এতো।
--চুপ মারবো কিন্তু।
আমি খেয়ে নিলাম মায়ের হতে।
এই ৮ মাসে এক বারো মনে হয় নি আমার আম্মু নেই। মা আমাকে আম্মুর থেকেও বেশি ভালেবেসেছে।
এভাবে কেটে গেল দিন৷
আজ মেঘের হটাৎ করেই পেইন উঠছে ডেলিভারি ডেট এখনো ১৫ দিন পর।
ডক্টর বললো
--চিন্তা নাই এমনটা হয়৷
---কিন্তু মেঘের পেইন এমনি উঠে নি ডক্টর পরে গেছিলো।
--কি বলেন।
ডক্টর দৌড়ে অপারেশন থিয়েটারে যায়৷
আসলে সকাল এখনো হয় নি রাত বাজে ৪.৫৬ এমন সময় বাথরুমে চিৎকার শুনে আমান বাথরুমে গিয়ে দেখে মেঘ পরে আছে ডক্টর কে ডাকতে ডক্টর ভাবছে এমনি পেইন উঠেছে। এমন সময় সবাই ঘুম ছিলো।
--মেঘ কেন ডাকলি না আমাকে।
--চিন্তা করিস না আমান ঠিক হয়ে যাবে।
২ ঘন্টা পর,
ডক্টর বেরিয়ে এলেন,
--মি.আমান
--ডক্টর মেঘ। আমার বাচ্চারা
--ওরা ভালে আছে কিন্তু আপনার স্ত্রী এর এমনি ব্লাড ছিলো না তার উপর আরো রক্ত গেছে ওনাকে বাঁচাতে পারি নি।
--sorry mr.aman we try our level best but. She is no more.(অন্য ডক্টর )
এটা শুনে আমান কিছু সময়ের জন্য থমকে গেল দুনিয়াটা এক মিনিটে তার পাল্টে গেছে।
কি হচ্ছে এগুলা।
--আমান এখনো কিছু হাত থেকে যায় নি ওকে vampire করে দে। যা। দাড়িয়ে থাকিস না৷
--মায়ের কথা তার কানে যাচ্ছে না৷
এদিকে ডক্টর এদের মুখে vampire শুনে থতমত খেয়ে গেছে।
--আমান (চিৎকার দিয়ে)
--আম্মু.
--যা৷
আমান দেরি না করে দৌড়ে চলে আসে এসে মেঘকে কামড়াতে থাকে পাগলের মতো হয়ে গেছে৷
--এই তোর কি হইছে চোখ বন্ধ করে আছিস কেন৷ উঠ না দেখ আমাকে ক্ষমা করে দে।
মেঘ।
ছেলেকে এমন করতে দেখে চাঁদনি খান তাকে ধরে বসে।
--বাবা শান্ত হ। চোখ বন্ধ করে শুন ও বেঁচে আছে। ফিল কর ওর হৃদস্পন্দন।
আমান চোখ বন্ধ করে আসলে সে মেঘকে ফিল করছে।
--দেখ তোর একটা ছেলে একটা মেয়ে।
আমান ফিরে তার ছেলে মেয়ের দিকে তাকায়৷ অশ্চর্যের বিষয়ে তারা হাসছে।
এটা দেখে আমান তাদের দু'জনকে কোলে নেয়।
----------------------------------------------------------

৫ বছর পর,
--পাপা তুমি আমাকে ধরতে পারো না৷
--তবে রে দাড়াও মেয়ে।
আমান তার মেয়ের সাথে ছুটছে।
--তোমারা থামবা।
আমান তুমি কি পাগল হয়ে গেছো ওদের পড়াবো আমি কি এই ভর সন্ধা বেলায় ধরা ধরি খেলছো।
আদ্রিজা চলো অনেক হইছে।
--পাপা প্লিজ, মম কে বলো, জাস্ট গিভ মি 10 মিনিট।
--কোন 10 মিনিট না এখনি চলো।
--আরে বাচ্চা।
--আমান।
--রাতে খেলবে পাপা। মায়ের সাথে এখন যাও সোনা।
আদ্রিজা মন খারাপ করে ভাই এর কাছে চলে আসে।
--ভালো হইছে আমাকে আরো ১০ মিনিট আগে পড়াতে বসাইছে মম।
--হিহি পড়।
(দুই ভাই বোন প্রচুর ঝগড়া করে দুজন দুজনপর সাথে কিন্তু অন্তরের টান অনেক
আদ্রিজা আর আদ্র)
রাতে দুই জন কে ঘুম পাড়িয়ে মেঘ রুমে এলো,
(আর আপনাদের তো বলাই হয় নি৷ সেদিন মেঘের উপর আমান কাজ করাতে পেরেছিলো। আমানের কামড়ের বিশে মেঘ এখন vampire এ পরিনত হইছে। দুজোনের খুব সুখি পরিবার৷ মা,আর দুটো বাবুকে নিয়ে ভালোই কাটছে দিন।এ ভালোবাসা ১০০০ বছরের। )
রুমে এসে দেখি সারা রুম গোলাপ দিয়ে সাজানো৷
--কি ব্যাপার আজ কিছু আছে নাকি৷ ।
--আছে তো(আমার কোমড় ধরে)
--কি আছে।
--২৬ বছর আগে এই দিন আমি তোমার রক্ত খেয়েছিলাম প্রথম 😁
--ওরে দাড়াও তবে রে।
--না কোন দাড়া দা

Address

Munshigonj
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tanjim Ahmed Ratul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category