Grow Together

Call Directions Website Contact the business

Grow Together প্রান, প্রকৃতি ও কৃষি।
কৃষিই সমৃদ্ধি

10/10/2026
03/10/2026

ভ্যালু চেইন।

মধ্যরাতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মানুষের চিকিৎসার ঠিকানা!রাতের আঁধারে রাজধানীর মিরপুরে যা ঘটেছে, সেটি শুধু একটি ভবন ভাঙচুরের ঘ...
26/09/2026

মধ্যরাতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মানুষের চিকিৎসার ঠিকানা!

রাতের আঁধারে রাজধানীর মিরপুরে যা ঘটেছে, সেটি শুধু একটি ভবন ভাঙচুরের ঘটনা নয়। ধ্বংস হয়েছে এমন একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, যেখানে প্রতিদিন শত শত নিম্নআয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ চিকিৎসা নিতে আসতেন।

২৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে দুই শতাধিক, কোথাও কোথাও প্রায় ২৫০ জনের একটি দল হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, মুখোশধারীরা প্রথমে নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি ও মারধর করে। এরপর টিকা, ওষুধ, ভ্যাকসিন, সরকারি রেজিস্টার ও নথি, আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন, জেনারেটর, ফ্রিজ, এসি এবং নগদ অর্থসহ বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে যায়। পরে একটি পাকা ও তিনটি আধাপাকা ভবনও ভেঙে ফেলা হয়। তথ্যসূত্র দৈনিক প্রথম আলো

রাড্ডার কর্মকর্তাদের দাবি, নগদ প্রায় ১১ লাখ ৪০ হাজার টাকাসহ সব মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ দেড় কোটির বেশি। তাদের অভিযোগ, এর পেছনে প্রায় ১০ কাঠা জমি দখলের উদ্দেশ্য থাকতে পারে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

ঘটনার পর সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি হলো, যে জায়গায় দরিদ্র মা, শিশু, কিশোর-কিশোরী ও সাধারণ মানুষ চিকিৎসা ও টিকাদান সেবা পেতেন, সেই জায়গাটিই যদি দখল ও ভাঙচুরের শিকার হয়, তাহলে ক্ষতিটা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের নয়, ক্ষতিটা সাধারণ মানুষের।

আরও উদ্বেগের বিষয়, প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে সরকারের সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে রাড্ডার মিরপুর কার্যক্রমের প্রায় পাঁচ দশকের ইতিহাসের কথাও উঠে এসেছে।

এ ঘটনায় শাহ আলী থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় স্থানীয় বিএনপি নেতা হানিফ মিয়ার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে হানিফ মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন এবং সেখানে কী হয়েছে, সেটিও তিনি জানেন না। ফলে কারা হামলা করেছে, কেন করেছে এবং এর পেছনে জমি দখলের কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা তদন্তেই পরিষ্কার হওয়ার কথা।

একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙা খুব সহজ। কিন্তু সেখানে চিকিৎসা নিতে আসা মানুষের আস্থা, সেবা ও নিরাপত্তার জায়গাটি আবার তৈরি করা অনেক কঠিন।

আইন যদি সত্যিই সবার জন্য সমান হয়, তাহলে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি। কে হামলা করেছে, কে নির্দেশ দিয়েছে, কী লুট হয়েছে এবং জমি দখলের কোনো চেষ্টা ছিল কি না, সবকিছুর জবাব জনগণের সামনে আসা দরকার।

কারণ একটি ভবন ধ্বংস হলে ইট-পাথর সরিয়ে আবার ভবন বানানো যায়। কিন্তু অসহায় মানুষের চিকিৎসার দরজা বন্ধ হয়ে গেলে তার মূল্য অনেক বেশি।

24/09/2026

#ইরান

*মানুষের সবচেয়ে বড় ভুল নিজের খাবার উৎপাদনের দ্বায়িত্ব অন্যের হাতে তুলে দেয়া*বর্তমানে আমাদের খাদ্যে স্বনির্ভরতা এবং নিজেদ...
22/09/2026

*মানুষের সবচেয়ে বড় ভুল নিজের খাবার উৎপাদনের দ্বায়িত্ব অন্যের হাতে তুলে দেয়া*

বর্তমানে আমাদের খাদ্যে স্বনির্ভরতা এবং নিজেদের মৌলিক চাহিদার ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রন নেই। আধুনিক সমাজ ব্যবস্থা মানেই পরাধীনতা আর নির্ভরশীলতা। মানুষ বেচে থাকার জন্য সবচেয়ে মৌলিক উপাদান হলো খাদ্য।

যখন কোনো ব্যক্তি, সমাজ বা রাষ্ট্র তার খাদ্যের জন্য পুরোপুরি অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তখন সে তার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আংশিক বা পূর্ণাঙ্গভাবে হারায়।

উৎপাদনকারী যেকোনো সময় খাদ্যের সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে, পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বাড়িয়ে দিতে পারে, কিংবা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে তারা খাদ্যকে ব্যবহার করতে পারে।

নিজে উৎপাদন না করলে, খাবারে কি ধরনের রাসায়নিক, কীটনাশক বা ক্ষতিকারক উপাদান মেশানো হচ্ছে, তার ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। ফলে দীর্ঘমেয়াদে আমাদের স্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকিতে পড়ে।

অনেকেই বলবেন, আমাদের দেশ তো খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ণ। কিন্তু পুষ্টিতে তো অনেক অনেক পিছিয়ে। যখন খাদ্য উৎপাদনের দ্বায়িত্ব অদক্ষ কৃষকের হাতে তুলে দেয়া হয়, তখন জাতীর দূর্ভোগের শেষ থাকে না। এই অশিক্ষিত কৃষক, না জানে সার প্রয়োগের পরিমান, না জানে নির্দিষ্ট কীটনাশকের মাত্রা। জমিতে ইচ্ছামত রাসায়নিক সার আর কীটনাশক প্রয়োগের ফলে নিজেরাও ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে সাথে গোটা জাতির অস্তিত্বকে সংকটের মুখে ফেলে দিয়েছে।

আজকাল খাদ্য দ্রবে এমন কিছু অপদ্রব্যের অস্তিত্ব মিলছে যা রীতিমতো শরীরে শিহরণ জাগানোর মত।

তারমধ্যে কয়েকটি অপদ্রব্যের বিষয়ে নিম্নে আলোচনা করা হলো :

★ খাদ্যে হেভি মেটাল : খাদ্যে হেভি মেটাল বা ভারী ধাতু (যেমন- সিসা, ক্যাডমিয়াম, পারদ ও আর্সেনিক) হলো একধরনের বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান, যা দূষিত মাটি, পানি, ও কীটনাশকের মাধ্যমে আমাদের খাদ্যচক্রে প্রবেশ করে।খাদ্যে ভারী ধাতু আসার কারণ ও উৎস হলো :

# শিল্প ও পরিবেশগত দূষণ: কলকারখানার বর্জ্য এবং শিল্প এলাকার দূষিত পানি ও মাটি।

# কৃষি উপাদান: ফসলে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার।

# ভূগর্ভস্থ পানি: সেচ কাজের জন্য ব্যবহার করা দূষিত বা আর্সেনিকযুক্ত পানি।

ফলাফল :

# স্বাস্থ্যঝুঁকি,অঙ্গহানি: দীর্ঘকাল ধরে শরীরে ভারী ধাতু জমলে কিডনি ও যকৃতের (লিভার) কার্যকারিতা নষ্ট হতে পারে।

# স্নায়ুবিক ক্ষতি: শিশু ও ছোটদের মস্তিষ্কের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয় এবং স্নায়বিক ক্ষতি হয়।

# কোষ ও ডিএনএ ক্ষতি: এগুলো কোষে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস তৈরি করে ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করে, যার ফলে ক্যানসারের মতো জটিল রোগ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

# শরীরে স্থায়ীভাবে জমা হওয়া: ভারী ধাতু সহজে শরীর থেকে বের হতে চায় না এবং ধীরে ধীরে হাড় ও কোষে জমা হতে থাকে

*সাধারণ কিছু খাদ্য উৎস:

# চাল ও পানীয়: আর্সেনিক সাধারণত চাল ও ভূগর্ভস্থ পানিতে পাওয়া যায়।

# শাক-সবজি ও ফলমূল: মাটি ও সার দূষণের কারণে শাক-সবজি (যেমন- পালং শাক, বেগুন) ও ফলে (যেমন- পেয়ারা) ক্যাডমিয়াম ও সিসার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

# মাছ: বড় প্রজাতির সামুদ্রিক মাছে পারদের মাত্রা বেশি থাকে।

★ কীটনাশকের প্রভাব : খাদ্যে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ মানবস্বাস্থ্য, পুষ্টিমান এবং পরিবেশের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।

*স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব :

# তীব্র সমস্যা: কীটনাশকযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, মাথা ব্যথা ও ত্বকে ফুসকুড়ি হতে পারে।

# দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি: নিয়মিত কীটনাশকযুক্ত খাবার গ্রহণের ফলে কিডনি ও যকৃৎ (লিভার) ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ক্যানসারের মতো রোগের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বাড়ে।

# স্নায়ু ও হরমোনজনিত সমস্যা: কীটনাশক মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্র ও হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ব্যাহত করে।

খাদ্যের মান ও পুষ্টির ওপর প্রভাব :

# পুষ্টিমান হ্রাস: অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে ফসলের স্বাভাবিক পুষ্টিগুণ ও স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়।

# বিষাক্ত অবশিষ্টাংশ: ফলমূল, শাকসবজি ও শস্যদানায় কীটনাশকের বিষাক্ত অংশ থেকে যায়, যা রান্নার পরেও সম্পূর্ণ দূর হয় না।

*পরিবেশ ও মাটির ওপর প্রভাব :

# মাটির উর্বরতা হ্রাস: কীটনাশকের প্রভাবে মাটির উপকারী জীবাণু ও উর্বরতা শক্তি কমে যায়।

# জীববৈচিত্র্য ক্ষতি: এটি খাদ্যচক্রের মাধ্যমে পানি ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে।

★ পিফাস : খাদ্যে পিফাস (PFAS) বা পার- এবং পলিফ্লুরোঅ্যালকাইল উপাদান হলো একদল মানবসৃষ্ট ক্ষতিকর রাসায়নিক, যা পরিবেশে বা মানবশরীরে সহজে ভেঙে যায় না। এই কারণে এদেরকে "ফরএভার কেমিক্যালস" (Forever Chemicals) বা চিরস্থায়ী রাসায়নিক বলা হয়। রান্নার নন-স্টিক পাত্র, ফাস্ট ফুডের প্যাকেট বা মোড়ক এবং দূষিত পানি ও মাটির মাধ্যমে এই বিষাক্ত রাসায়নিক আমাদের খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করছে।

*খাদ্যদ্রব্যে পিফাস যেভাবে প্রবেশ করে :

# খাদ্য প্যাকেজিং: ফাস্ট ফুডের বাক্স, পিজ্জার বক্স, পপকর্ন ব্যাগ এবং তেল-গ্রিজ প্রতিরোধী কাগজের মোড়কে পিফাস ব্যবহার করা হয়। এসব মোড়ক থেকে রাসায়নিক সরাসরি খাবারে স্থানান্তরিত হয়।

# নন-স্টিক রান্নার পাত্র: টেফলন বা নন-স্টিক কোটিংযুক্ত কড়াই ও প্যান অতিরিক্ত উত্তপ্ত হলে বা স্ক্র্যাচ (দাগ) পড়লে রান্নার সময় খাবারে পিফাস মিশে যেতে পারে।

# দূষিত পানি ও মাটি: শিল্পবর্জ্যের কারণে নদী বা ভূগর্ভস্থ পানি এবং চাষের মাটি পিফাস দ্বারা দূষিত হয়। এই মাটিতে উৎপাদিত চাল, শাকসবজি এবং কফিতেও পিফাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

# মাছ ও মাংস: দূষিত জলাশয়ের মাছ এবং পিফাসযুক্ত ঘাস বা পানি খাওয়া গবাদি পশুর মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যের মাধ্যমে এটি মানুষের শরীরে পৌঁছায়।

*স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব :

দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে পিফাস জমা হলে বিভিন্ন জটিল রোগ দেখা দিতে পারে:

# ক্যান্সারের ঝুঁকি: এটি কিডনি, লিভার এবং টেস্টিকুলার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

# রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস: শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা হ্রাস করে।

# হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: থাইরয়েডের সমস্যা এবং শরীরের স্বাভাবিক মেটাবলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটায়।

# গর্ভধারণে জটিলতা: গর্ভবতী নারীদের উচ্চ রক্তচাপ এবং নবজাতকের কম ওজন নিয়ে জন্মানোর পেছনে এটি দায়ী হতে পারে।

পৃথিবীতে মানুষ কর্তৃক কৃত সবচেয়ে বড় অপরাধ হলো নিজের খাবার উৎপাদনের দ্বায়িত্ব অন্যের হাতে তুলে দেয়া। আজ সারা পৃথিবী এই অপরাধের প্রায়শ্চিত্ত করছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে প্রতি পাঁচজনে একজন মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারেন। বাংলাদেশেও ক্যানসারের ঝুঁকি ও রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।

*ক্যানসারের বর্তমান পরিস্থিতি ও পরিসংখ্যান :

# নতুন আক্রান্ত: বাংলাদেশে প্রতিবছর ১ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে ক্যানসারে আক্রান্ত হন।

# মৃত্যু: প্রতিবছর ক্যানসারে প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি মানুষ মারা যান।

# মোট রোগী: দেশে বর্তমানে ক্যানসারে আক্রান্ত প্রায় ৩ লাখ ৪৬ হাজার মানুষ চিকিৎসাধীন আছেন।

# বৃদ্ধির হার: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ২০১৮ সালের তুলনায় ক্যানসার আক্রান্তের হার প্রায় ১১% এবং মৃত্যুর হার প্রায় ৮% বেড়েছে। ২০৫০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা দ্বিগুণ হতে পারে।

তাই আসুন আমরা নিজেদের খাবার নিজেরা উৎপাদন করি। আপনি পেশায় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার যাই হোন না কেনো, মূল কাজের পাশাপাশি নিজের খাবার নিজে উৎপাদন করুন। পরিবারের সকল সদস্যকে খাদ্য উৎপাদনে উৎসাহিত করুন। বাচ্চারা কৃষির সাথে সম্পৃক্ত থাকলে সোসাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকবে।

গ্রামের একজন মহিলা সংসারের কাজের পাশাপাশি তার নিজের ১০-১২ টা মুরগি, ৬-৭ টা হাস, ৩-৪ টা ছাগল, ১-২ টা গরু থাকে, পাশাপাশি বাড়ির আঙ্গিনায় সবজির বাগান থাকে। তারা পারলে আমরাও পারবো।

মনে রাখবেন, নিজের পরিবারের জন্য আপনার সর্বোত্তম উপহার আলিসান ফ্ল্যাট বা দামি গাড়ি নয়, বরং নিরাপদ বিষমূক্ত খাবার।

19/09/2026

১৫,৭১৭ - অপ্রতিম = ১৫,৭১৬

18/09/2026

😀

চোখ খুলুন!!ইলন মাস্ক ২০২৭ থেকে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত যা যা হবে, তার প্রেডিকশন দিয়েছে, যা দেখার পর আমি নিজেকেই বিশ্বাস করতে প...
17/09/2026

চোখ খুলুন!!

ইলন মাস্ক ২০২৭ থেকে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত যা যা হবে, তার প্রেডিকশন দিয়েছে, যা দেখার পর আমি নিজেকেই বিশ্বাস করতে পারছি না

২০২৭: ডিজিটাল কাজের প্রায় সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে এআইয়ের হাতে।

২০২৮: সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও কোডিংয়ে মানুষ আর এআইয়ের গতির সাথে পাল্লা দিতে পারবে না।

২০২৯: টেসলার অপটিমাসের মতো রোবটগুলো বিশ্বের সেরা সার্জনদের চেয়েও নিখুঁত অপারেশন করবে।

২০৩০: মানুষের সামগ্রিক বুদ্ধিমত্তাকে একাই ছাড়িয়ে যাবে এআই (Superintelligence)।

২০৩১: পৃথিবীতে হিউম্যানয়েড রোবটের সংখ্যা ১০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে।

২০৩২: অটোমেশনের কারণে বিশ্বের সামগ্রিক অর্থনীতি বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

২০৩৩: পেনশনের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয় করার সনাতন ধারণা তার আসল অর্থ হারাবে।

২০৩৪: কাজ না করলেও মানুষের জন্য নিশ্চিত আয়ের ব্যবস্থা-ইউনিভার্সাল হাই ইনকাম (UHI) চালু হবে।

২০৩৫: কাজ করা আর কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না, মানুষের জন্য কাজ হবে সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক।

২০৩৬: ১০০ কোটি হিউম্যানয়েড রোবট মানুষের পুরো কর্মশক্তির মোট কাজের পরিমাণকে ছাড়িয়ে যাবে।
Save & Share 🙂
©Nasir Uddin Shamim

15/09/2026

এই রকম একটা সমাজের স্বপ্ন সবার। ভিডিওটা দেখতে পারেন।। অসাধারন।

Address

Head Office: 747 Badhon Tower , Shewrapara, Mirpur, , Farm: গ্রাম: চরপুখুরিয়া, কামারখালী, মধুখালী, ফরিদপুর
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Grow Together posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Grow Together:

Shortcuts

Share