15/09/2025
গল্প :রক্তের চিঠি
লেখিকা:তাজু(ছদ্মনাম)
স্থান: রেভেনহিল, ইংল্যান্ড
সময়: ১৮৯২ সাল, শীতকাল
কুয়াশা ঢাকা শীতের সন্ধ্যা। রেভেনহিল — একটি নিঃস্তব্ধ ইংরেজ গ্রাম যেখানে সময় যেন থমকে গেছে। গত এক মাসে চারজন মানুষ নিখোঁজ হয়ে গেছে। যারা ফিরেছে, তারা ফিরেছে নিঃপ্রাণ দেহ হয়ে, গলায় দুটো ক্ষতচিহ্ন আর শরীরে এক ফোঁটা রক্তও নেই।
লোকজন বলাবলি করছে—
“এগুলো কোনো মানুষ না। এটা ওরা... রক্তচোষা!”
এই সময়ে লন্ডন থেকে আসে একজন রহস্যজট খুলতে পটু তরুণ—নিকোলাস ব্ল্যাকউড। দেখতে অভিজাত, তীক্ষ্ণ চোখ, ধূসর কোটের ভিতর একটা পুরনো রিভলভার আর একটি রূপার ক্রুশ সবসময় সাথে রাখে। সে একাধারে গোয়েন্দা, ইতিহাসবিদ, এবং অলৌকিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ।
নিকোলাস এই গ্রামেরই সন্তান, কিন্তু বহু বছর আগে শহরে চলে গিয়েছিলো। এবার ফিরে এসেছে কারণ—এই খুনগুলো তাকে তার মায়ের মৃত্যুর কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। তিনিও মারা গিয়েছিলেন এক অদ্ভুত ‘রক্তহীন’ অবস্থায়।
নিকোলাস যখন গ্রামের পুরনো লাইব্রেরিতে স্থানীয় ইতিহাস খুঁজছিল, তখন তার দেখা হয় এক অদ্ভুত সুন্দরী মেয়ের সঙ্গে—ক্যাটরিন হাওথর্ন। সাদা কোটে মোড়া, গভীর সবুজ চোখ, মুখে যেন কোনো এক গভীর বিষাদের ছাপ।
তিনি ধীরে এসে বললেন,
— “আপনি ব্ল্যাকউড, তাই না? আপনি যা খুঁজছেন, তা ইতিহাসে নেই... ওটা লুকিয়ে আছে রক্তে।”
নিকোলাস চমকে উঠে বলল,
— “আপনি কে?”
ক্যাটরিন শুধু হেসে বলল,
— “আমার নাম ক্যাটরিন। আমি জানি আপনি কাকে খুঁজছেন... এবং কেন।”
তারপর তিনি হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে গেলেন কুয়াশার ভেতর।
পরের রাতে, নিকোলাস পায় একটি চিঠি। কে যেন জানালার নিচে রেখে গেছে। চিঠিটি রক্তমাখা, এবং লেখা:
"Mr. Blackwood,
আপনি যদি সত্য জানেন, তবে আজ রাত বারোটায় পুরনো কবরস্থানে আসুন।
তবে সাবধান—প্রতিটি সত্যের দাম দিতে হয় রক্তে।
— ক্যাটরিন"
নিকোলাস বুঝতে পারল—এই মেয়ে কে? কী জানে সে? সে কি বন্ধু, না শত্রু?
(চলবে...)
আমি লেখা লেখির জগৎ এ নতুন দয়য়া করে কেউ ছোট করবেন নাহ ভূল টুরুটি দরিয়ে দিয়ে পাসে থাকবেন