Toha Natural Food Point

Toha Natural Food Point Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Toha Natural Food Point, Health Food Shop, Dhaka.

১০০% ন্যাচারাল এবং সাইড ইফেক্ট মুক্ত গ্যারান্টি।
আপনার শিশুর আগামী ভবিষ্যৎ টা নিশ্চিত করুন পুষ্টিকর খাবারের মাধ্যমে।
কেমিক্যাল কে না বলি ন্যাচারাল খাবার গ্রহণ করি।
আপনার বাচ্চার সুস্বাস্থ্যই আমাদের মূল লক্ষ্য।

🥚 বাচ্চাকে কোন ডিম দিবেন? কোন মাস থেকে দিবেন?? ৬ মাস পূর্ণ হলে (weaning শুরু হলে)➡️ ডিমের কুসুম (yolk) অল্প করে দেওয়া যা...
05/01/2026

🥚 বাচ্চাকে কোন ডিম দিবেন? কোন মাস থেকে দিবেন??

৬ মাস পূর্ণ হলে (weaning শুরু হলে)
➡️ ডিমের কুসুম (yolk) অল্প করে দেওয়া যায়
➡️ ৮–৯ মাস থেকে পুরো ডিম (সাদা + কুসুম) দেওয়া নিরাপদ
প্রথমবার ডিম দিলে ২–৩ দিন লক্ষ্য করবেন কোনো অ্যালার্জি (র‍্যাশ, বমি, ডায়রিয়া) হচ্ছে কিনা। অনেক বাচ্চা শুরু থেকে নিতে পারে অনেক বাচ্চা ৮,৯,১০ এমনকি ১ বছর+ ও লেগে যেতে পারে। আমি বলবো- ৮ মাসে শুরু করুন।

🥚 কোন ডিম বাচ্চার জন্য বেশি উপকারী?
✅ ১. দেশী মুরগীর ডিম ⭐⭐⭐⭐⭐ (সবচেয়ে ভালো)
সহজে হজম হয়
প্রোটিন, আয়রন, ভিটামিন A ও D বেশি
হরমোন/কেমিক্যাল কম
👉 ৬ মাস থেকেই সবচেয়ে ভালো অপশন

✅ ২. কোয়েলের ডিম ⭐⭐⭐⭐
আয়রন ও মিনারেল ভালো
অ্যালার্জির ঝুঁকি তুলনামূলক কম
ছোট সাইজ হওয়ায় বাচ্চাদের জন্য সুবিধাজনক
👉 ৬–৭ মাস থেকে দেওয়া যায় (১টা দিয়ে শুরু)
👉বাচ্চা খাওযার আগ্রহ দেখালে আস্তে আস্তে পরিমান বাড়াতে পারেন।

⚠️ ৩. ব্রয়লার মুরগীর ডিম ⭐⭐
পুষ্টি আছে, তবে
হরমোন/ফিডের কারণে কিছুটা সমস্যা। তবে ভালোভাবে সিদ্ধ করে দিবেন।
👉 সম্ভব হলে দেশী ডিম, না পেলে ব্রয়লার ডিম।

❌ ৪. হাঁসের ডিম (১ বছরের আগে নয়)
খুব ভারী
হজমে কষ্ট হয়
অ্যালার্জির ঝুঁকি বেশি
👉 ১ বছরের আগে না দেওয়াই ভালো

✔️ বাচ্চার জন্য ডিম দেওয়ার সেরা নিয়ম
ভালোভাবে সেদ্ধ করে দিন

লবণ/মসলা দেবেন না (১ বছর কম বাচ্চা হলে)
ডিমের সাথে বিভিন্ন ফ্রুট,সবজি,আটা যোগ করে প্যানকেক,চাপটি,মাফিন,কেক,পুডিং বানিয়ে দিতে পারেন।

প্রথমে ১–২ চামচ দিয়ে শুরু করুন
সপ্তাহে ২–৩ দিন যথেষ্ট প্রথম অবস্থায়
১ বছর পর থেকে সপ্তাহে ৫ দিন,পছন্দ করলে প্রতিদিন।

❌জোর করে খাওয়াবেন না,খেতে না চাইলে কিছুদিন বাদ রেখে আবার ভিন্ন ভাবে ট্রাই করবেন।🥰

শীতের শিশুর যত্ন নি ন
25/11/2025

শীতের শিশুর যত্ন নি ন

কি ভাবছেন? শুধু মিষ্টি খেলেই বাচ্চার দাঁত ক্ষয় হয়? 😳ভয়ঙ্কর সত্য হলো—বাচ্চা খাবার খেতে শেখার আগেই,দাঁত ওঠার আগেই,শুধু একট...
18/11/2025

কি ভাবছেন? শুধু মিষ্টি খেলেই বাচ্চার দাঁত ক্ষয় হয়? 😳

ভয়ঙ্কর সত্য হলো—
বাচ্চা খাবার খেতে শেখার আগেই,
দাঁত ওঠার আগেই,
শুধু একটি ভুলেই তার মুখে ক্যাভিটির জীবাণু ঢুকে যেতে পারে!

👉 যখন মা-বাবা ঠোঁটে চুমু দেন,
👉 বা লালা বাচ্চার মুখে সরাসরি পৌঁছে যায়,
তখন বড়দের দাঁতে থাকা Streptococcus mutans নামের ব্যাকটেরিয়া সরাসরি বাচ্চার মুখে ঢুকে পড়ে।

এমনকি বাচ্চার দাঁত ওঠার আগেই—
এই ব্যাকটেরিয়া মাড়ির ভিতরেই বাসা বাঁধতে থাকে,
আর দাঁত উঠলেই শুরু হয় নীরব ক্ষয়।

🦷 ফল?
দাঁত না ওঠা শিশুও ভবিষ্যতের ক্যাভিটির শিকার।

সতর্ক হোন।
কারণ বাচ্চার হাসি নষ্ট হয় অনেক সময়…
মিষ্টি খাওয়ানোর কারণে নয়,
বরং আমাদের ভালোবাসার ভুল পদ্ধতির কারণে। 💔
Collected

14/11/2025

কয়েল পোড়ানোর ধোঁয়ায় থাকা রাসায়নিক পদার্থ দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। অ্যারোসলের বিষাক্ত কণা স্নায়ুতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যা স্নায়বিক ব্যাধি সৃষ্টি করতে পারে। মশা তাড়ানোর জন্য মশারি, প্রাকৃতিক তেল বা বৈদ্যুতিক মশা তাড়ানোর যন্ত্র ব্যবহার করে এই স্বাস্থ্য-ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

☝️মশার কামড় থেকে যে রোগগুলো হয়, তার ধারণা আমাদের থাকলেও, মশার কয়েল থেকে কী কী ক্ষতি হতে পারে, তা অনেকেই জানেন না। সাম্প্রতিক একটি গবেষণা থেকে জানা গেছে, মশার কয়েলে যে পরিমাণ রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, তা নির্ধারিত মাত্রার থেকে বেশি। মশার কয়েলে ব্যবহৃত বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান বাতাসের সঙ্গে মিশে যায়। সেগুলোই আমাদের নাকে ঢোকে। আরও একটি বিষয়, কয়েলে থাকা কিছু রাসায়নিক পদার্থ ত্বকের মাধ্যমে আমাদের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এই সমস্যা সব থেকে বেশি হয় নবজাতক শিশুদের। কারণ, তাদের মধ্যে তখনো রোগ প্রতিরোধক্ষমতা ভালো করে গড়ে ওঠে না।

👉 মশার কয়েলে পাইরেথ্রয়েডের মতো রাসায়নিক রয়েছে, যা থেকে শ্বাসকষ্ট, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা ও ত্বকের জ্বালা হতে পারে—যদি বেশি পরিমাণে বা দীর্ঘ সময় ধরে শ্বাস নেওয়া হয়। সম্প্রতি জার্মানির ল্যুরেক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। তাঁরা জানান, কয়েল তৈরিতে কাঠের গুঁড়া ও নারকেলের মালার গুঁড়া ব্যবহার করা হয়। এর ধোঁয়া এতোটাই সূক্ষ্ম যে তা সহজেই আমাদের শ্বাসনালি ও ফুসফুসের বায়ুথলির মধ্যে পৌঁছে সেখানে জমা হতে পারে। আর খুব সূক্ষ্ম হওয়ার জন্য কণাগুলো বাতাসেও কয়েক দিন ভাসমান অবস্থায় থাকতে পারে। অর্থাৎ মশার কয়েল নেভার বহুক্ষণ পরেও ঘরে অবস্থানকারী মানুষের শ্বাসনালিতে কয়েলের ধোঁয়ার কণা ঢুকতে পারে। এর ফলে ফুসফুসের বায়ুথলির কণায় রক্ত জমে যাওয়া থেকে নানা ক্ষতি হতে পারে। ঠিক একই সমস্যা গুলো মশা তাড়ানোর ইলেকট্রিক যন্ত্রের লিকুইড গ্যাস থেকে থেকে হতে পারে।

🩸বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা যায়, একটি সম্পূর্ণ মশার কয়েলে যে পরিমাণ ধোঁয়া উৎপন্ন করে, তা ১০০টি সিগারেটের ধোঁয়ার সমান। আবার যদি আপনি কোনো বদ্ধ ঘরে ৮ ঘণ্টা কয়েল জ্বালিয়ে রাখেন, তাহলে ১৪০টি সিগারেট ঐ বদ্ধ ঘরে জ্বালালে যে ধোঁয়া তৈরি হয়, তার সমান ক্ষতিকর ধোঁয়া উৎপন্ন হয়।

🤛 তাই যতটা পারবেন, মশার এই কয়েল থেকে দূরে থাকুন। কয়েল ব্যবহার কমিয়ে মশা তাড়ানোর জন্য মশারি, প্রাকৃতিক তেল বা বৈদ্যুতিক মশা তাড়ানোর যন্ত্র ব্যবহার করে এই স্বাস্থ্য-ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। আর কয়েল ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ ৩০ থেকে ৪০ মিনিট, তার থেকে বেশি নয়। আর যদি হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট থাকে, তাহলে কয়েল না ব্যবহার করাই শ্রেয়

অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি মুনাফার লোভে বিভিন্ন খাবারে ফরমালিন মেশায় তা আমরা সবাই জানি। এসব খাবার খেলে ধীরে ধীরে আমাদের শরীরে...
05/11/2025

অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি মুনাফার লোভে বিভিন্ন খাবারে ফরমালিন মেশায় তা আমরা সবাই জানি। এসব খাবার খেলে ধীরে ধীরে আমাদের শরীরে বাঁধবে নানা ধরনের রোগ, তা-ও কারও অজানা নয়। কিন্তু আমরা কি জানি, এ থেকে বাঁচার উপায় কী?

গবেষণায় দেখা গেছে ভিনেগার অথবা লেবু পানি দিয়ে খাবারের ফরমালিন অনেকটাই দূর করা সম্ভব। ৫ লিটার পানিতে এক কাপ লেবুর রস বা ভিনেগার মেশানোর পর সেই পানিতে ফলমূল বা শাকসবজি ভিজিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। এতে করে শতকরা ১০০ ভাগই খাবারের ফরমালিন দূর হয় বলে বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন।

যদি লেবু বা ভিনেগার দিয়ে খাবারের ফরমালিন দূর করা সম্ভব না হয় তবে এক্ষেত্রে আপনি বেছে নিতে পারেন লবণকে। ৫ লিটার পানিতে ১ টেবিল চামচ লবণের মিশ্রণে শাক সবজি ও ফলমূলের ফরমালিন দূর হবে শতকরা ৬১ ভাগ।

মাছ ও মাংসের ফরমালিন দূর করতে এইসব মিশ্রণের যেকোনো একটিতে ডুবিয়ে রাখুন টানা এক ঘন্টা। খাবারের শতকরা ৯০ ভাগ ফরমালিনই এই পদ্ধতি অপসারণ করতে আপনি সক্ষম হবেন আশা করি।

01/11/2025

গরম পেরিয়ে এখন শীত পড়তে শুরু করেছে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের সময়ে দেখা দেয় নানা অসুখ-বিসুখ। এ সময়ে ছড়ায় এমনি একটি মারাত্মক রোগের নাম টাইফয়েড। টাইফয়েড পানিবাহিত রোগ। 'সালমনেলা টাইফি' ও 'প্যারাটাইফি' নামক জীবাণু থেকে টাইফয়েড রোগ হয়ে থাকে।

⚠️ টাইফয়েডের কারণ-

টাইফয়েডের অন্যতম কারণ হলো দূষিত খাবার গ্রহণ। বিশেষ করে স্কুল-কলেজে দূষিত ঝাল মুড়ি, আচার, চটপটি, ফুচকা‌, আইসক্রিম ইত্যাদির মাধ্যমে খুব দ্রুত এই জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে এবং পানির মাধ্যমেও এই রোগের জীবাণু ছড়ায়। এ রোগের জটিলতাও নেহাত কম নয়। রক্তক্ষরণ, অগ্নাশয়ে প্রদাহ, মেরুদণ্ডে সংক্রমণ এমনকি কিডনিতেও বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে টাইফয়েড থেকে।

🩸টাইফয়েডের লক্ষণ-

প্রচণ্ড মাথাব্যথা, গলাব্যথা, পেটব্যথা, শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া, জ্বরে শরীরের তাপমাত্রা ১০৩-১০৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, চামড়ায় লালচে দানা বা র‍্যাশ দেখা দেওয়া টাইফয়েডের প্রাথমিক লক্ষণ। অনেক ক্ষেত্রেই এই জ্বর প্রথম সপ্তাহে ধরা পড়ে না। দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহে জ্বর ধরা পড়ে এবং মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। ওষুধ চলা অবস্থায়ও সপ্তাহ খানেক জ্বর থাকতে পারে।

🤛 কী করবেন?

✓রক্ত পরীক্ষা: টাইফয়েড পানিবাহিত জীবাণুর মাধ্যমে ছড়ায়। তাই টাইফয়েড হয়েছে কি না, তা বুঝতে সবার আগে জ্বর শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ পরে অসুস্থ ব্যক্তির ভিডাল(widal) নামক রক্ত পরীক্ষা করতে হবে।

✓পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা: সব সময় পরিষ্কার পোশাক পরতে হবে। নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। অবশ্যই হাত ভালোভাবে ধুতে হবে। ঘরের জিনিসপত্র নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে এবং আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র আলাদা করে রাখতে হবে।

✓পানি, খাবারে সতর্কতা: পানি ফুটিয়ে পান করতে হবে। বাইরের খাবার খেলে সব সময় সচেতন থাকতে হবে। অপরিষ্কার শাক-সবজি ও কাঁচা-ফলমূল খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

30/10/2025

যদি কারও শরীরে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণজনিত রোগ হয় এবং সেই রোগ নিরাময়ে কেউ যদি রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শমত সঠিক পরিমাণে এবং পর্যাপ্ত সময় ধরে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ না করেন তাহলে ব্যাকটেরিয়াগুলো পুরোপুরি ধ্বংস না হয়ে উল্টো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। তখন এই ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে ওই অ্যান্টিবায়োটিক পরে আর কাজ করে না।

🤔 অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স কী?

✓যখন ব্যাকটেরিয়াগুলো এমন জিনগত পরিবর্তন অর্জন করে, যার ফলে অ্যান্টিবায়োটিক তাদের মেরে ফেলতে বা তাদের বৃদ্ধি বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়, তখন অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স ঘটে।

✓এটি একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, কিন্তু মানুষের কিছু ভুল কার্যক্রমের ফলে এটি দ্রুততর হচ্ছে।

▶️ কেন অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়?

•অ্যান্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ও ভুল ব্যবহার:
প্রয়োজন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া বা ভুল নিয়মে খেলে ব্যাকটেরিয়ার প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়।

•অসম্পূর্ণ চিকিৎসা:
অ্যান্টিবায়োটিকের সম্পূর্ণ কোর্স শেষ না করলে কিছু ব্যাকটেরিয়া বেঁচে থাকতে পারে এবং রেজিস্ট্যান্স গড়ে তুলতে পারে।

•অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর সংক্রমণ:
মানুষ থেকে মানুষে রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার ঘটলে সেটি ছড়িয়ে পড়ে।

🛑অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের প্রভাব-

•চিকিৎসা ব্যর্থতা:
যে অ্যান্টিবায়োটিকগুলো আগে কাজ করত, সেগুলো আর কাজ করে না, ফলে সংক্রমণের চিকিৎসা করা কঠিন ও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে।

•গুরুতর অসুস্থতা ও মৃত্যু:
সংক্রমণের গুরুতর অসুস্থতা, দীর্ঘমেয়াদী অক্ষমতা এবং মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পায়।

• স্বাস্থ্যসেবার উপর চাপ:
কার্যকর ওষুধের অভাব স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও চ্যালেঞ্জিং করে তোলে।

✍️কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়?

✓অ্যান্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার:
কেবলমাত্র রেজিস্টার্ড ডাক্তারদের পরামর্শে এবং সঠিক নিয়মে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে হবে।

✓সংক্রমণ প্রতিরোধ:
ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

✓সচেতনতা বৃদ্ধি:
অ্যান্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার ও রেজিস্ট্যান্স সম্পর্কে মানুষ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

29/10/2025

জন্ডিস নিজে কোনো রোগ নয়, বরং এটি রোগের লক্ষণ। জন্ডিস হতে পারে নানা কারণে। জন্ডিস বলতে সাধারণত লিভারের প্রদাহজনিত জন্ডিসকেই বোঝানো হয়। ভাইরাস থেকে শুরু করে নানা ধরনের ওষুধ, অ্যালকোহল ইত্যাদি কারণে লিভারে প্রদাহ হতে পারে। আমাদের দেশে লিভার প্রদাহের প্রধান কারণ হেপাটাইটিস A, E এবং B ভাইরাস। এর মধ্যে প্রথম দুটি পানি ও খাদ্যবাহিত আর তৃতীয়টি ছড়ায় মূলত রক্তের মাধ্যমে। হেপাটাইটিস এ ভাইরাস প্রধানত শিশুদের জন্ডিসের কারণ, তবে যেকোনো বয়সের মানুষই হেপাটাইটিস ই ও বি ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে।

⚠️ প্রস্রাবের রং, চোখ ও ত্বক হলদে দেখালে জন্ডিস হয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়। অনেক কারণেই জন্ডিস হতে পারে। তাই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে জন্ডিসের কারণ, মাত্রা, জটিলতা ইত্যাদি জেনে নেওয়া উচিত। আর জন্ডিসের রোগীরা তাদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে খুবই বিভ্রান্তিতে থাকে। কী খেতে হবে আর কী খাওয়া যাবে না, এই নিয়ে পরামর্শের যেন শেষ থাকে না। কারণ, জন্ডিস রোগীর পথ্যের ব্যাপারে প্রচলিত বিশ্বাস অনেক ক্ষেত্রেই আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের সঙ্গে খাপ খায় না।

🤛 কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়?

সব সময় বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্য খেতে হবে। শরীরে রক্ত নেওয়ার দরকার হলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং করে নিতে হবে। ডিসপোজিবল সিরিঞ্জ ব্যবহার করাটাও খুবই জরুরি। বিশেষ করে হেপাটাইটিস বি-এর টিকা প্রত্যেকেরই নেওয়া উচিত। যাঁরা সেলুনে শেভ করেন, তাঁদের খেয়াল রাখতে হবে যেন আগে ব্যবহার করা ব্লেড বা ক্ষুর পুনরায় ব্যবহার করা না হয়। জন্ডিস হলে টিকা নিয়ে কোনো লাভ হয় না। তাই সুস্থ থাকতে আগেই টিকা নিতে হবে। হেপাটাইটিস বি-এর ক্ষেত্রে প্রথম মাসে একটি, দ্বিতীয় মাসে একটি বা ছয় মাসের মধ্যে একটি ডোজ দেওয়া হয়। হেপাটাইটিস এ-এর ক্ষেত্রে একটি ডোজই যথেষ্ট। আর দুই ক্ষেত্রেই পাঁচ বছর পর পর বুস্টার টিকা দেওয়া হয়।

👉চিকিৎসা-

যেহেতু জন্ডিস কোনো রোগ নয়, তাই এর কোনো ওষুধ নেই। ৭ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে রক্তে বিলিরুবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে গেলে জন্ডিস এমনিতেই সেরে যায়। এই সময়ে পর্যাপ্ত বিশ্রামই চিকিৎসা। এ সময় ব্যথার ওষুধ যেমন: প্যারাসিটামল, অ্যাসপিরিন, ঘুমের ওষুধসহ অন্য কোনো অপ্রয়োজনীয় ও কবিরাজি ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। এককথায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধই বাস্তবে সেবন করা ঠিক না। এতে হিতে বিপরীত হওয়ার ঝুঁকিটাই বেশি থাকে।

⚠️ সাবধানতা-

রোগীকে বাইরের খাবার সব সময় পরিহার করতে হবে। বিশেষ করে খুব সাবধান থাকতে হবে পানির ক্ষেত্রে। জন্ডিস থাক বা না থাক, পানি না ফুটিয়ে পান করা যাবে না। বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে রাস্তায় ভ্রাম্যমান দোকানে বানানো ঝাল মুড়ি, ফুচকা, চটপটি, বোরহানি আর সালাদের ব্যাপারে। কারণ, হেপাটাইটিস এ বা ই-এর মতো পানিবাহিত ভাইরাসগুলো এসবের মাধ্যমেই ছড়িয়ে থাকে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের খুব সাবধান থাকা উচিত। এ সময় মায়েরা প্রায়ই বাইরের খাবার খেয়ে থাকেন। আর গর্ভাবস্থায় শেষ তিন মাসে যদি হেপাটাইটিস ই হয়, তবে তা থেকে মা ও গর্ভের শিশুর মৃত্যুর আশঙ্কা শতকরা ৫০ ভাগেরও বেশি।

👉 খাবার কেমন হবে?

খাবারের ব্যাপারে তেমন কোনো বিধিনিষেধ নেই। তবে ভাইরাল হেপাটাইটিসে যকৃতের কার্যকারিতা কিছুটা হলেও ব্যাহত হয়। তাই যকৃৎ ও পিত্তথলির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না হয় এমন কিছু খাবার এড়িয়ে চলাই উচিত। যেমন চর্বিজাতীয় খাবার (ঘি, মাখন, যেকোনো তেলে ভাজা খাবার বা ফাস্টফুড, গরু-খাসির মাংস ইত্যাদি)। জন্ডিসের রোগীদের ক্যালরির উৎস হিসেবে তাই সহজে হজমযোগ্য সরল শর্করা, যেমন: শরবত, ভাত, জাউভাত, সুজি, রুটি ইত্যাদি বেশি খাওয়া উচিত।

👉 বিশ্রাম কেমন হবে?

পূর্ণ বিশ্রাম মানে এই সময়ে ভারী কোনো কাজ বা পরিশ্রমের কোনো কাজ না করা। কারণ, ভাইরাল হেপাটাইটিস লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি করে। ফলে পূর্ণ বিশ্রাম না নিলে বা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমের ফলে জন্ডিসের মাত্রা বেড়ে গিয়ে জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

🛑 কিছু ভ্রান্ত ধারণা-

❌ অনেকে মনে করে, জন্ডিস হলে বেশি বেশি পানি পান করতে হবে। খেতে হবে বেশি করে আখের রস, ডাবের পানি, গ্লুকোজের শরবত ইত্যাদি। আসলে ব্যাপারটি এ রকম নয়। জন্ডিস রোগীকে সাধারণ মানুষের মতোই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেতে হবে। সমস্যা হতে পারে স্বাভাবিকের চেয়ে কম পানি পান করলে। বেশি বেশি পানি খেলে ঘন ঘন প্রস্রাব হয় বলে তা কিছুটা হালকা হয়ে এলেও রক্তে বিলিরুবিনের পরিমাণ এতে বিন্দুমাত্র কমে না। বরং ঘন ঘন প্রস্রাব করার জন্য রোগীকে বারবার টয়লেটে যেতে হলে রোগীর বিশ্রামে ব্যাঘাত ঘটে।

❌ আখের রস আমাদের দেশে জন্ডিসের একটি বহুল প্রচলিত ওষুধ। রাস্তার পাশের যে দূষিত পানিতে আখ ভিজিয়ে রাখা হয় সেই পানি মিশ্রিত আখের রস খাওয়া থেকে হেপাটাইটিস এ বা ই ভাইরাস মানুষের শরীরে ছড়াতে পারে।

❌ আরেকটি প্রচলিত বিশ্বাস হচ্ছে জন্ডিসের রোগীকে হলুদ দিয়ে রান্না করা তরকারি খেতে দিলে নাকি জন্ডিস বাড়তে পারে। কথা হলো, রক্তে বিলিরুবিন নামক একটি হলুদ রঞ্জকের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণেই জন্ডিস দেখা দেয়। এর সঙ্গে খাবারের হলুদের কোনো ধরনের যোগাযোগ নেই।

*** জন্ডিসে আক্রান্ত মায়ের দুগ্ধদানে মানা নেই।
জন্ডিস রোগে আক্রান্ত মা নিশ্চিন্তে তাঁর সন্তানকে দুধপান করাতে পারেন। তবে মায়ের যদি হেপাটাইটিস বি ভাইরাসজনিত জন্ডিস হয়ে থাকে তবে শিশুর জন্মের সঙ্গে সঙ্গেই হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের টিকা এবং ইমিউনোগ্লোবুলিন ইনজেকশন দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। কারণ, মায়ের দুধের মাধ্যমে না ছড়ালেও, মায়ের ঘনিষ্ঠ সাহচর্যে শিশুর হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

⭐ নবজাতকের জন্ডিস-

সব ঠিকঠাক থাকলেও জন্মের পর শতকরা ৭০ থেকে ৮০ ভাগ নবজাতকের জন্ডিস হতে পারে। জন্ডিস আক্রান্ত শিশুর প্রায় ৫০ শতাংশের বেলায় একে বলে স্বাভাবিক জন্ডিস। শিশুর যকৃৎ পুরোপুরি কর্মক্ষম হয়ে উঠতে একটু দেরি হলে রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গিয়ে এই জন্ডিস হয়। এ সময়ে কোনো অবস্থায়ই নবজাতককে বুকের দুধ খাওয়ানো থেকে বিরত রাখা যাবে না। স্বাভাবিক জন্ডিস সাত দিনের মধ্যেই সেরে ওঠার কথা। তবে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জন্ডিস দেখা দিলে, সাত বা দশ দিনের পরও না সারলে, শিশু খাওয়া বন্ধ করে দিলে বা কমিয়ে দিলে, জ্বর বা সংক্রমণের লক্ষণ থাকলে, বিলিরুবিনের মাত্রা দ্রুত বাড়তে থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

শীতে শিশুর বিশেষ যত্ন নিতে হবে তা না হলে শিশু বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারে
28/10/2025

শীতে শিশুর বিশেষ যত্ন নিতে হবে তা না হলে শিশু বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারে

১ বছর বয়সের আগে বাচ্চাদের খাবারে লবণ, চিনি, গরুর দুধ ও মধু না দেওয়ার কারণ-🧂 লবণএক বছরের কম বয়সী শিশুর কিডনি সম্পূর্ণভাবে...
22/09/2025

১ বছর বয়সের আগে বাচ্চাদের খাবারে লবণ, চিনি, গরুর দুধ ও মধু না দেওয়ার কারণ-

🧂 লবণ

এক বছরের কম বয়সী শিশুর কিডনি সম্পূর্ণভাবে পরিণত হয় না।

লবণের সোডিয়াম বাচ্চার কিডনিতে বাড়তি চাপ ফেলে।

অতিরিক্ত লবণ ভবিষ্যতে রক্তচাপ ও হার্টের রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

🍬 চিনি( ২ বছরের আগে না)❌

চিনি হজম করা ছোট শিশুর জন্য কঠিন।

অতিরিক্ত চিনি দাঁতের ক্ষতি (tooth decay) করতে পারে।

চিনি খাওয়ালে বাচ্চা প্রাকৃতিক খাবারের স্বাদে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

ভবিষ্যতে স্থূলতা ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

🥛 গরুর দুধ

এক বছরের আগে গরুর দুধ দিলে:

এতে আয়রন কম থাকে → রক্তশূন্যতা (iron deficiency anemia) হতে পারে।

প্রোটিন ও মিনারেল বেশি থাকায় কিডনিতে চাপ পড়ে।

অ্যালার্জি ও হজমের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

তাই ১ বছর বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধ বা ফর্মুলা দুধই মূল পানীয়।

🍯 মধু

এক বছরের কম বয়সে মধু খাওয়ালে infant botulism (এক ধরনের গুরুতর খাদ্যবাহিত অসুখ) হতে পারে।

বাচ্চার অন্ত্রে টক্সিন তৈরি হয়ে শ্বাসকষ্ট ও পক্ষাঘাতের ঝুঁকি তৈরি করে।

👉 তাই ডাক্তাররা বলেন, এক বছর বয়সের পর ধীরে ধীরে এই খাবারগুলো সীমিত পরিমাণে দেওয়া যেতে পারে।

Address

Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Toha Natural Food Point posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share