Sall Market

Sall Market Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sall Market, Grocers, Gazipur kaliganj, Dhaka.

লুচ্চামি (পর্ব-২)সেদিন বিকেলবেলা, রাজু বসে ছিল চায়ের দোকানে। গরম চায়ের কাপে ফুঁ দিতে দিতে সে ভাবছিল, আজ মালতীকে একটু বেশ...
18/02/2025

লুচ্চামি (পর্ব-২)

সেদিন বিকেলবেলা, রাজু বসে ছিল চায়ের দোকানে। গরম চায়ের কাপে ফুঁ দিতে দিতে সে ভাবছিল, আজ মালতীকে একটু বেশি ক্ষেপানো দরকার! তাই সে মালতীর উঠোনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মুখে একটা গান ধরল,

"এই যে রাগী রাগী মেয়ে, হাসলে লাগে কত সোহাগে!"

মালতী তখন বাসন মাজছিল। রাজুর কথা শুনে সে একবার তাকাল, তারপর কিছু না বলে নিজের কাজে মন দিল। কিন্তু রাজু তো চুপ করে থাকার পাত্র নয়! সে আবার বলল,

— "মালতী, তোমার হাতের থাপ্পড় কি একটুও নরম হয় নাকি খুব ব্যথা লাগে?"

এইবার মালতী গামছাটা জল থেকে তুলে ঝাঁপট দিয়ে দিল রাজুর গায়ে! ভিজে একদম চুপসে গেল রাজুর জামা। আশেপাশের সবাই হেসে গড়াগড়ি খাচ্ছে।

রাজু গম্ভীর মুখে বলল,
— "এটা তো শুধু জল ছিল, কষ্ট হল না। কিন্তু মালতী, যদি একদিন সত্যি তুমি আমার জন্য কাঁদো?"

মালতী অবাক হয়ে তাকাল। এই লুচ্চা রাজু এত সিরিয়াস কথা বলছে কেন?

লুচ্চামির শাস্তি

দিন কেটে যায়। একদিন রাজুর এক দুষ্টুমি সত্যিই বড় বিপদে ফেলে দিল তাকে। মালতীর ছোট ভাই বকুল খেলতে গিয়ে কাঁদছিল। রাজু মজা করে বলল,
— "ওরে, তুই যদি কাঁদা থামাস, তাহলে তোকে এক ডজন মিষ্টি খাওয়াব!"

বকুল সত্যি বিশ্বাস করে কাঁদা থামাল। কিন্তু রাজু মিষ্টি না দিয়ে উল্টো হেসে বলল,
— "ওরে বোকা, আমি কি সত্যি কথা বলেছি?"

বকুল ভীষণ কষ্ট পেল। সে দৌড়ে বাড়িতে গিয়ে মালতীকে সব বলে দিল। মালতী এবার রেগে আগুন!

সেই রাতে গ্রামে একটা বিচার বসল। সবাই রাজুকে ডেকে বলল,
— "তোমার এই দুষ্টুমি আর চলবে না! আজ থেকে তোমাকে এক মাস ধরে গ্রামে কোনো দুষ্টুমি করা যাবে না। যদি আবার লুচ্চামি করো, তবে তোমার জন্য বড় শাস্তি অপেক্ষা করছে!"

রাজু মাথা চুলকে বলল,
— "আচ্ছা আচ্ছা, আর দুষ্টুমি করব না।"

কিন্তু সত্যি কি রাজু বদলাবে? নাকি তার লুচ্চামির আরও ভয়ানক কাণ্ড অপেক্ষা করছে?

(গল্পটি পার্ট 3 পরতে চাইলে ফলো দিয়ে আমার পাশে শুয়ে পরুন 🤭

ধন্যবাদ

লুচ্চামিরচনাঃ (আপনার নাম)গ্রামের নাম বাঘডাঙ্গা। ছোট্ট, নিরিবিলি এক গ্রাম, যেখানে সবাই সবাইকে চেনে। এখানে একটা মানুষ আছে,...
18/02/2025

লুচ্চামি

রচনাঃ (আপনার নাম)

গ্রামের নাম বাঘডাঙ্গা। ছোট্ট, নিরিবিলি এক গ্রাম, যেখানে সবাই সবাইকে চেনে। এখানে একটা মানুষ আছে, যার নাম রাজু। নামটা যতই সাধারণ হোক, তার কীর্তিকলাপ মোটেও সাধারণ নয়! পুরো গ্রাম তাকে বলে "লুচ্চা রাজু"।

রাজুর দিন শুরু হয় কাঁথা মুড়ি দিয়ে ঘুমানোর ভান করে, কিন্তু চোখ তার গলির মেয়েদের দিকে। গলি দিয়ে যে-ই যাক, রাজুর একখানা মন্তব্য থাকবেই। বাজারে গেলে মাছওয়ালার সাথে দর কষাকষি করবে এমনভাবে, যেন সে-ই গ্রামের সবচেয়ে গরিব মানুষ! কিন্তু টাকা-পয়সার অভাব তার নেই, শুধু পয়সা খরচ করতে তার প্রবল অনীহা।

এদিকে গ্রামের মেয়ে মালতী খুব রাগী স্বভাবের। রাজুর এসব কাণ্ড তার একদম সহ্য হয় না। একদিন সে রেগে গিয়ে বলেই ফেলল,
— "আর একদিন যদি এই লুচ্চামি করো, তবে এমন থাপ্পড় মারব যে দাঁত পড়ে যাবে!"

রাজু মুচকি হেসে উত্তর দিল,
— "তোমার হাতে মার খাবার শখ আমার অনেক দিন ধরেই!"

মালতীর মুখ রাগে লাল, আর গ্রামের মানুষ দম ফেলে হাসছে। রাজুর লুচ্চামি কি থামল? মোটেও না! বরং সে আরও উৎসাহ পেয়ে গেল।

কিন্তু একদিন সেই লুচ্চামির এমন কাণ্ড ঘটল, যা কেউ ভাবতেও পারেনি...

(আপনি পার্টি 2 পরতে চাইলে ফলো দিয়ে আমার পাশে থাকুন

ধন্যবাদ

টাকার গল্পরফিক চাচা ছিলেন এক সাধারণ চা বিক্রেতা। শহরের এক কোণায় ছোট্ট দোকান, চায়ের কাপ আর কিছু বিস্কুটের প্যাকেটই ছিল তা...
18/02/2025

টাকার গল্প

রফিক চাচা ছিলেন এক সাধারণ চা বিক্রেতা। শহরের এক কোণায় ছোট্ট দোকান, চায়ের কাপ আর কিছু বিস্কুটের প্যাকেটই ছিল তার ব্যবসার মূল ভরসা। কিন্তু তার জীবন বদলে গেল একদিন, যখন হঠাৎই রাস্তার ধারে একটা পুরনো ওয়ালেট কুড়িয়ে পেলেন।

ওয়ালেট খুলে দেখলেন, ভিতরে মোটা অঙ্কের টাকা! সাথে একটি জাতীয় পরিচয়পত্র। কিছুক্ষণ দ্বিধায় থাকলেও, পরক্ষণেই সিদ্ধান্ত নিলেন—এ টাকা ফেরত দিতে হবে। দোকান বন্ধ করে ঠিকানা অনুযায়ী হাজির হলেন এক বড় বাড়ির সামনে।

দরজা খুললেন এক ভদ্রলোক, বেশ চিন্তিত চেহারা। রফিক চাচা ওয়ালেট差িয়ে দিতেই ভদ্রলোক বিস্মিত! "এই ওয়ালেট তো আমি সকালেই হারিয়ে ফেলেছিলাম! এত টাকা ফেরত দিলেন?"

ভদ্রলোকের নাম ছিল রফিক আহমেদ, শহরের বড় ব্যবসায়ী। এত সততা দেখে তিনি মুগ্ধ হলেন। রফিক চাচাকে বললেন, "আপনার মতো সৎ মানুষকে আমি পুরস্কৃত করতে চাই। আপনি কি কিছু বড় করতে চান?"

রফিক চাচা একটু হেসে বললেন, "আমি শুধু পরিশ্রম করে খেতে চাই, স্যার। কিন্তু দোকানটা যদি একটু বড় করতে পারতাম, তাহলে ভালো হতো।"

ব্যবসায়ী রফিক আহমেদ তখনই সিদ্ধান্ত নিলেন চাচার জন্য একটা বড় দোকানের ব্যবস্থা করবেন। কয়েক মাসের মধ্যেই রফিক চাচার ছোট্ট চায়ের দোকান হয়ে গেল এক জমজমাট রেস্টুরেন্ট!

টাকা আসলে ভালো-মন্দ কিছু নয়। এটা নির্ভর করে কার হাতে আছে, কিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। রফিক চাচার সততাই তাকে বদলে দিল, আর টাকা পেল তার প্রকৃত মূল্য।

শিক্ষা:

টাকা জীবনের সব কিছু নয়, কিন্তু সৎ পথে চললে টাকাই জীবন বদলে দিতে পারে।

অন্তরালের প্রেমনীলা আর শুভর সংসার টানা দশ বছরের। একটা সময় দুজনের সম্পর্ক ছিল স্বপ্নের মতো সুন্দর, কিন্তু ধীরে ধীরে সব ফি...
18/02/2025

অন্তরালের প্রেম

নীলা আর শুভর সংসার টানা দশ বছরের। একটা সময় দুজনের সম্পর্ক ছিল স্বপ্নের মতো সুন্দর, কিন্তু ধীরে ধীরে সব ফিকে হয়ে গেল। শুভ এখন ব্যস্ত চাকরি নিয়ে, আর নীলা... সে নিজেকে খুঁজে পায় চার দেয়ালের ভেতরে হারিয়ে যেতে যেতে।

ঠিক এই সময়েই তার জীবনে এলো আদিত্য।

আদিত্য নীলার পুরনো বন্ধু। একদিন হঠাৎ সামাজিক মাধ্যমে পুরনো পরিচয় নতুন করে জেগে উঠল। প্রথমে হালকা আলাপ, তারপর গভীর কথা। শুভর অবহেলার মাঝেও আদিত্যর কথায় এক অন্যরকম উষ্ণতা খুঁজে পেল নীলা।

কিছুদিনের মধ্যে নীলার মনজুড়ে শুধুই আদিত্য। সে শুভর উপস্থিতি টের পেলেও, তার কাছে আর কিছুই চাওয়ার নেই।

একদিন বিকেলে নীলা আর আদিত্য দেখা করল এক ক্যাফেতে। নীলা একটু নার্ভাস, কিন্তু আদিত্যর হাসি দেখে সব দ্বিধা উড়ে গেল।

আদিত্য বলল, "তুমি সুখী তো?"

নীলা কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল। তারপর আস্তে করে বলল, "সুখী হওয়ার অভিনয় করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছি…"

আদিত্যর চোখে এক অদ্ভুত মায়া। সে নীলার হাত ধরে বলল, "তাহলে নতুন করে শুরু করি?"

নীলার হৃদয় তখন দোলাচলে। একদিকে শুভ, যার সঙ্গে তার এতগুলো বছর কেটেছে, আরেকদিকে আদিত্য, যার কাছে সে নতুন করে বেঁচে থাকার স্বাদ পেয়েছে।

সে কি আদিত্যর হাত ধরে নতুন পথে পা বাড়াবে? নাকি অতীতের বন্ধনেই থেকে যাবে?

উত্তরটা তখনো অজানা...

শেষ।

নিঃশব্দ আর্তনাদরাত তখন গভীর, কিন্তু রূপার ঘুম আসে না। ঘরের কোণে সেদিনের চোট লাগা শরীরটা কাঁপছে ব্যথায়। চোখের নিচে কালো দ...
18/02/2025

নিঃশব্দ আর্তনাদ

রাত তখন গভীর, কিন্তু রূপার ঘুম আসে না। ঘরের কোণে সেদিনের চোট লাগা শরীরটা কাঁপছে ব্যথায়। চোখের নিচে কালো দাগ, ঠোঁট ফাটা, হাত-পা জুড়ে নীলচে দাগ। কিন্তু সবচেয়ে বেশি ব্যথা লাগছে তার হৃদয়ে।

পাঁচ বছর ধরে রূপা এই সংসারে আটকে আছে। প্রথমে মনে হয়েছিল, অরিত্রর রাগটা সাময়িক, একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু সময়ের সাথে বুঝতে পারল, কিছু কিছু জিনিস বদলায় না—বরং আরও ভয়ানক হয়ে ওঠে।

প্রথম দিকে শুধু চিৎকার করত, ধমক দিত। তারপর ধাক্কা, চড়, কিল-ঘুষি... ধীরে ধীরে এসব রোজকার ঘটনায় পরিণত হলো।

শুরুতে রূপা প্রতিবাদ করত। কিন্তু সমাজ, পরিবার, আত্মীয়রা সবাই একটাই কথা বলত—"স্বামীর সংসার, মানিয়ে নিতে শেখো।"

আজ রাতে যখন অরিত্র আবার রাগের বশে তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল, তখন রূপা বুঝতে পারল—এভাবে আর নয়।

সে উঠে দাঁড়াল। আয়নার সামনে গিয়ে নিজের নীল-কালো মুখটা দেখল। দীর্ঘশ্বাস ফেলল, তারপর আলমারির নিচ থেকে একটা ছোট ব্যাগ বের করল।

আজ সে বেরিয়ে যাবে।

কারণ, নিঃশব্দ আর্তনাদ কেউ শোনে না, যদি না তুমি নিজে চিৎকার করে নিজের মুক্তির পথ তৈরি করো।

শেষ।

অপেক্ষার শেষ রাতনীলার সাথে তন্ময়ের প্রেমটা ছিল সিনেমার মতো। দুজনেই একে অপরকে চোখের মণির মতো ভালোবাসত। কিন্তু এক রাতে একট...
18/02/2025

অপেক্ষার শেষ রাত

নীলার সাথে তন্ময়ের প্রেমটা ছিল সিনেমার মতো। দুজনেই একে অপরকে চোখের মণির মতো ভালোবাসত। কিন্তু এক রাতে একটা ভয়ানক দুর্ঘটনা তন্ময়ের সব স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিল—নীলা মারা গেল!

তন্ময় বিশ্বাসই করতে পারছিল না। প্রতিদিন সে নীলার প্রিয় লেকে গিয়ে বসে থাকত, যেখানে তারা একসঙ্গে কত রাত কাটিয়েছে। একদিন, নীলার চলে যাওয়ার ঠিক এক বছর পর, হঠাৎ করেই অদ্ভুত কিছু ঘটতে শুরু করল।

সেই রাতে তন্ময় লেকের ধারে বসে কাঁদছিল। হঠাৎ পেছন থেকে একটা ঠান্ডা বাতাস বয়ে এল। তার শরীর শিউরে উঠল। মনে হলো কেউ যেন তাকে ডাকছে—"তন্ময়..."

সে ধীরে ধীরে পেছনে তাকাল।

চাঁদের আলোয় দাঁড়িয়ে আছে নীলা! পরনে তার সাদা শাড়ি, চুল এলোমেলো, মুখে এক অদ্ভুত শূন্যতা।

তন্ময় হতভম্ব হয়ে গেল। "নীলা! তুমি… তুমি তো মরে গেছো!"

নীলা ম্লান হাসল, "আমি গেছি, কিন্তু ভালোবাসা মরে না, তন্ময়। আমি প্রতিদিন তোমার অপেক্ষায় ছিলাম।"

তন্ময়ের চোখ দিয়ে অঝোরে পানি ঝরছিল। "কেন এলে?"

নীলা ধীরে ধীরে এগিয়ে এল, তার হাত বাড়িয়ে দিল তন্ময়ের দিকে। "চলো, এবার আমায় ছাড়বে না, তাই তো?"

তন্ময় অনুভব করল, তার শরীর হালকা হয়ে আসছে। সে দেখল, তার হাত ধীরে ধীরে নীলার হাতের সাথে একীভূত হয়ে যাচ্ছে।

সকালের প্রথম আলোয় লেকের ধারে লোকজন তন্ময়ের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখল। তার মুখে ছিল এক অদ্ভুত প্রশান্তির হাসি…

কিন্তু সবাই অবাক হয়ে গেল একটা জিনিস দেখে—তন্ময়ের হাত ছিল শূন্যে প্রসারিত, যেন কারও হাত ধরে রেখেছে…

শেষ।

লুচ্চা প্রেমের কাণ্ডরাসেলের চরিত্র এমন যে তাকে দেখলেই মেয়েরা বিরক্ত হয়, আর ছেলেরা আড়ালে হাসে। তার বন্ধুরা মজা করে বলে, "...
18/02/2025

লুচ্চা প্রেমের কাণ্ড

রাসেলের চরিত্র এমন যে তাকে দেখলেই মেয়েরা বিরক্ত হয়, আর ছেলেরা আড়ালে হাসে। তার বন্ধুরা মজা করে বলে, "তোর চোখ দুটো যেন সারাদিন শুধু সুযোগ খোঁজে!"

বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভর্তি হওয়া মেয়েদের দিকে চোখ রাখাটা তার পুরনো অভ্যাস। ক্লাসের প্রথম দিন থেকেই সে নবাগতদের খুঁজতে ব্যস্ত থাকে। এবারও তার নজর পড়েছে তৃষ্ণার ওপর।

তৃষ্ণা শান্ত, ভদ্র মেয়ে। রাসেলের মতো ছেলেদের সে একদম সহ্য করতে পারে না। কিন্তু রাসেলকে এসব বোঝানো মানে দেওয়ালে মাথা ঠোকা! সে প্রতিদিন কোনো না কোনো বাহানায় তৃষ্ণার সামনে হাজির হয়।

একদিন লাইব্রেরিতে গিয়ে বলে, "এক্সকিউজ মি, আমি কি এই বইটা নিতে পারি? তোমার হাতেই তো আছে!"
তৃষ্ণা বিরক্ত হয়ে বলল, "তুমি কি জানো এটা কিসের বই?"
রাসেল বইটার দিকে তাকিয়ে ভাব নিয়ে বলল, "হ্যাঁ হ্যাঁ, অবশ্যই! এটা তো 'কোয়ান্টাম ফিজিক্স'!"

তৃষ্ণা বইটা উল্টে দেখিয়ে বলল, "এটা 'নারীদের অধিকার' বই। কোয়ান্টাম ফিজিক্স খুঁজতে এসেছো, তাই না?"

রাসেল বিব্রত হয়ে হাসল, "আরে না, আসলে আমি তো নারী অধিকার নিয়ে খুবই আগ্রহী!"

তৃষ্ণা কোনো উত্তর না দিয়ে বই হাতে চলে গেল। কিন্তু রাসেল দমার ছেলে নয়!

পরদিন ক্যান্টিনে গিয়ে আবার ধরা দিল। বলল, "তৃষ্ণা, তোমার ব্যাগটা ভারী লাগছে, আমি নিয়ে দেব?"
তৃষ্ণা ঠান্ডা গলায় বলল, "না, লাগবে না। তবে তুমি যদি সত্যিই সাহায্য করতে চাও, তাহলে নিজে ভারী হয়ে যাওয়া তোমার লুচ্চামিটা নামিয়ে ফেলো!"

বন্ধুরা পাশ থেকে হাসিতে ফেটে পড়ল। রাসেল মাথা চুলকে বলল, "আচ্ছা, একটু কমাই তাহলে!"

কিন্তু রাসেল কি সত্যি কমাবে? সেটা নিয়েই সন্দেহ!

শেষ!

ভালবাসার শেষ ঠিকানারাতের আকাশে চাঁদটা একা জ্বলজ্বল করছিল, যেন কেউ তার একাকীত্বের গল্প শুনতে চায় না। দীপা বারান্দায় দাঁড়ি...
18/02/2025

ভালবাসার শেষ ঠিকানা

রাতের আকাশে চাঁদটা একা জ্বলজ্বল করছিল, যেন কেউ তার একাকীত্বের গল্প শুনতে চায় না। দীপা বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল, গরম চায়ের কাপ হাতে নিয়ে। হালকা বাতাস চুল উড়িয়ে দিচ্ছিল, কিন্তু তার মন তখনো আটকে ছিল অতীতে।

তিন বছর আগে, এই একই রাতে, অর্ণব প্রথমবার তাকে বলেছিল, "আমি তোমাকে ভালোবাসি, দীপা!" সেই কথাগুলো আজও তার মনে গেঁথে আছে।

অর্ণব আর দীপার গল্পটা কোনো সিনেমার মতো নিখুঁত ছিল না। তারা দুজন দুজনকে ভালোবাসত, কিন্তু বাস্তবতা তাদের ভালোবাসার পথটাকে কাঁটায় ভরিয়ে রেখেছিল। অর্ণব ছিল একজন চঞ্চল আর স্বাধীনচেতা মানুষ, আর দীপা ছিল শান্ত ও সংযত। কিন্তু তাদের সম্পর্কের মধ্যে ছিল এক অদ্ভুত ভালোবাসা, যা পৃথিবীর সব নিয়ম ভেঙে বেঁচে থাকতে চেয়েছিল।

একসময় পরিবার আর সমাজের চাপে তাদের দূরে চলে যেতে হয়। দীপা অনেক রাত কেঁদেছে, অনেকবার ফোন হাতে নিয়ে অর্ণবের নম্বর ডায়াল করতে চেয়েছে, কিন্তু পারেনি।

আজ হঠাৎ ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনে নামটা দেখেই দীপার বুক কেঁপে উঠল—অর্ণব।

সে ধীর হাতে ফোনটা তুলল। ওপাশ থেকে পরিচিত সেই কণ্ঠ, "কেমন আছো?"

দীপা কিছুক্ষণ চুপ করে রইল, তারপর চোখের জল মুছে হাসল। "ভালো। তুমি?"

অর্ণব নিঃশ্বাস ফেলল, "ভালো হতেই হবে, কারণ তোমার শহরে ফিরে এসেছি, এবার আর হারিয়ে যেতে চাই না!"

দীপা চাঁদের দিকে তাকাল। হয়তো এবার সত্যি তাদের ভালোবাসার শেষ ঠিকানায় পৌঁছানোর সময় হয়েছে…

শেষ।

Address

Gazipur Kaliganj
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sall Market posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category