25/03/2026
*💐💐💐💐💐💐💐💐💐*
*💎বিকাল-সন্ধ্যার যিকির আযকার সমূহ*
*আরবী উচ্চারণ* + *বঙ্গানুবাদ* + *অর্থ* + *সুস্পষ্ট রেফারেন্স*
🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺
*🌸১। চারটি কালেমা সারা সকাল ইবাদতের চেয়েও ওজনে ভারী:*
কালেমাগুলো এই- (তিনবার বলবে)
سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِ، وَرِضَا نَفْسِهِ، وَزِنَةَ عَرْشِهِ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ
*উচ্চারণ:* "সুব্হা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী ‘আদাদা খালক্বিহী, ওয়া রিদা নাফসিহী, ওয়া যিনাতা ‘আরশিহী, ওয়া মিদা-দা কালিমা-তিহী।"
*🌸অর্থ:* "আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি— তাঁর সৃষ্ট বস্তুসমূহের সংখ্যার সমান, তাঁর নিজের সন্তোষের সমান, তাঁর আরশের ওজনের সমান ও তাঁর বাণীসমূহ লেখার কালি পরিমাণ (অগণিত অসংখ্য)"
_[মুসলিম ৪/২০৯০, নং ২৭২৬।]_
*🌸২। আয়াতুল কুরসি: সূরা আল-বাকারাহ্ ২৫৫-*
اَللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ الۡحَـىُّ الۡقَيُّوۡمُ. لَا تَاۡخُذُهٗ سِنَةٌ وَّلَا نَوۡمٌ, لَهٗ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَمَا فِى الۡاَرۡضِ, مَنۡ ذَا الَّذِىۡ يَشۡفَعُ عِنۡدَهٗۤ اِلَّا بِاِذۡنِهٖ, يَعۡلَمُ مَا بَيۡنَ اَيۡدِيۡهِمۡ وَمَا خَلۡفَهُمۡ, وَلَا يُحِيۡطُوۡنَ بِشَىۡءٍ مِّنۡ عِلۡمِهٖۤ اِلَّا بِمَا شَآءَ, وَسِعَ كُرۡسِيُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ, وَلَا يَـــُٔوۡدُهٗ حِفۡظُهُمَا, وَهُوَ الۡعَلِىُّ الۡعَظِيۡمُ
*উচ্চারণ:* আল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যূল কাইয়্যূমু, লা তা’খুযুহু সিনাতুঁও ওয়ালা নাউম।লাহূ মা-ফিসসামা-ওয়া-তি ওয়ামা ফিল আরদ্বি।মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূ ইল্লা বিইযনিহী।ইয়া‘লামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়ামা খালফাহুম। ওয়ালা ইয়ুহীতূনা বিশাইইম মিন্ ইলমিহী ইল্লা বিমা শাআ।ওয়াসি‘আ কুরসিয়্যুহুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব।ওয়ালা ইয়াউদুহূ হিফযুহুমা, ওয়া হুয়াল ‘আলিয়্যূল ‘আযীম।
*অর্থ:* আল্লাহ্, তিনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই । তিনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না, নিদ্রাও নয়। আসমানসমূহে যা রয়েছে ও যমীনে যা রয়েছে সবই তাঁর। কে সে, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর কাছে সুপারিশ করবে? তাদের সামনে ও পিছনে যা কিছু আছে তা তিনি জানেন। আর যা তিনি ইচ্ছে করেন তা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কোনো কিছুকেই তারা পরিবেষ্টন করতে পারে না। তাঁর ‘কুরসী’ আসমানসমূহ ও যমীনকে পরিব্যাপ্ত করে আছে;
আর এ দুটোর রক্ষণাবেক্ষণ তাঁর জন্য বোঝা হয় না। আর তিনি সুউচ্চ সুমহান।
_[সূরা আল-বাকারাহ্, ২৫৫]_
*🌸৩। সারাদিনের সুরক্ষা:*
*প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস ৩ বার পাঠ করলে তা সব ধরণের ক্ষতি ও অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তা দেয়*
[আবু দাউদ (৫০৮২) ও তিরমিযী (৩৫৭৫) হাদিস]
*🌸৪। জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার দো'আ:*
৩ বার বলবেন,
اَللّٰهُمَّ أَجِرْنِيْ مِنَ النَّارِ
*উচ্চারণ:* "আল্লা-হুম্মা, আজিরনী মিনান না-র।"
*অর্থ:* হে আল্লাহ, আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন।
_[আবু দাঊদ (কিতাবুল আদব,বাব...ইযা আসবাহা) ৪/৩২২ (ভা ২/৬৯৩);সহীহ ইবনু হিব্বান ৫/৩৬৭]_
*🌸৫। (সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত) আসমান ও জমিনের কোনো কিছু তার ক্ষতি করতে পারবে না!:*
যে তিন বার বলবে,
بِسْمِ اللّٰهِ الَّذِيْ لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْمُ
*উচ্চারণ* "বিস্মিল্লা-হিল্লাযী লা ইয়াদ্বুররু মা‘আস্মিহী শাইউন ফিল্ আরদ্বি ওয়ালা ফিস্ সামা-ই, ওয়াহুয়াস্ সামী‘উল ‘আলীম"
*অর্থ:* "আল্লাহ্র নামে; যাঁর নামের সাথে আসমান ও যমীনে কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। আর তিনি সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।”
_[আবূ দাউদ, ৪/৩২৩, নং ৫০৮৮; তিরমিযী, ৫/৪৬৫, নং ৩৩৮৮;]_
*🌸৬। এটি প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় ৩ বার পাঠ করা সুন্নাহ, যা শরীর, শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তির সুস্থতা এবং বিপদ থেকে রক্ষার জন্য পড়া হয়*
اَللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ بَدَنِيْ، اَللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ سَمْعِيْ، اَللّٰهُمَّ عَافِنِيْ فِيْ بَصَرِيْ، لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ، وَالْفَقْرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ
*উচ্চারণ:* "আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী বাদানী, আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী সাম্‘ঈ আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী বাসারী। লা ইলা-হা ইল্লা আনতা। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল কুফরি ওয়াল-ফাক্বরি ওয়া আ‘উযু বিকা মিন ‘আযা-বিল ক্বাবরি, লা ইলাহা ইল্লা আন্তা।"
*অর্থ:* "হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপত্তা দিন আমার শরীরে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপত্তা দিন আমার শ্রবণশক্তিতে। হে আল্লাহ! আমাকে নিরাপত্তা দিন আমার দৃষ্টিশক্তিতে। আপনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কুফরি ও দারিদ্র্য থেকে। আর আমি আপনার আশ্রয় চাই কবরের আযাব থেকে। আপনি ছাড়া আর কোনো সত্য উপাস্য নেই ।"
_[আবূ দাউদ ৪/৩২৪, নং ৫০৯২; আহমাদ ৫/৪২, নং ২০৪৩০;]_
*🌸৭। উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক এবং কবুলযোগ্য আমলের দো'আ:*
সকালবেলা বলবে,
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا
*উচ্চারণ:* "আল্লা-হুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফে‘আন ওয়া রিয্কান তাইয়্যেবান ওয়া ‘আমালান মুতাক্বাব্বালান"
*অর্থ:* হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক এবং কবুলযোগ্য আমল প্রার্থনা করি।
_[ইবন মাজাহ, নং ৯২৫।]_
*🌸৮। কিয়ামতের দিন তার চেয়ে কেউ উৎকৃষ্ট (বেশি সওয়াব নিয়ে উঠতে পারবেনা) হবে না যে এই দোআ বেশি পড়বে;*
একশত বার বলবে,
سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ
*উচ্চারণ* "সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী"
*অর্থ:* আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি।
_[মুসলিম ৪/২০৭১, নং ২৬৯২]_
*🌸৯। কিয়ামতের দিন রসুলুল্লাহ (ﷺ)এর সুপারিশ লাভ হবে (দুরুদে ইব্রাহিমেরও অনেক ফজিলত রয়েছে):*
দশবার বলবেন,
اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ
*উচ্চারণ:* "আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ"
*অর্থ:* হে আল্লাহ! আপনি সালাত ও সালাম পেশ করুন আমাদের নবী মুহাম্মাদের উপর।
_[মাজমা‘উয যাওয়ায়েদ ১০/১২০; সহীহুত তারগীব ওয়াত তারহীব ১/২৭৩]_
*🌸১০। দশটি দাসমুক্তির অনুরূপ ও একশত সাওয়াব:*
১০০ বার অথবা (অলসতা লাগলে) ১০ বার বলবে,
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ
*উচ্চারণ:* "লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর"
*অর্থ:* একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই ,তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর, আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
_[বুখারী(৬৩-কিতাব বাদইয়িল খালক,১১-বাব সিফাত ইব্লিস...)]_
*🌸১১। এটি অত্যন্ত প্রভাবশালী দো‘আ, বিষাক্ত প্রাণী ও সব ধরনের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষার দোয়া, যা নবী (সা.) শিখিয়েছেন*
৩ বার
أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ
*উচ্চারণ:* আউযু বিকালিমা তিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক
*অর্থ:* আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালেমার (বাণীর) মাধ্যমে তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই
[তিরমিজি (হাদিস ৩৬০৪), মুসলিম]
*🌸১২। দুনিয়া ও আখেরাতের সকল চিন্তাভাবনার জন্য আল্লাহ্ই যথেষ্ট হবেন!:*
৭ বার বলবে,
حَسْبِيَ اللّٰهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ
*উচ্চারণ:* "হাসবিয়াল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুয়া, ‘আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়াহুয়া রব্বুল ‘আরশিল ‘আযীম!"
*অর্থ:* "আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া আর কোনো সত্য উপাস্য নেই । আমি তাঁর উপরই ভরসা করি। আর তিনি মহান আরশের রব্ব।"
_যাদুল মা‘আদ ২/৩৭৬।_
*🌸১৩। সায়্যিদুল ইসতিগফার (ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দোআ):*
اَللّٰهُمَّ أَنْتَ رَبِّيْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِيْ وَأَنَا عَبْدُكَ, وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ, أَبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوْءُ بِذَنْبِيْ, فَاغْفِرْ لِيْ فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ
*উচ্চারণ:* "আল্লা-হুম্মা আনতা রব্বী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খলাক্বতানী ওয়া আনা ‘আব্দুকা, ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাস্তাত্বা‘তু। আ‘উযু বিকা মিন শাররি মা সানা‘তু, আবূউলাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ বিযাম্বী। ফাগফির লী, ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা"
*অর্থ:* হে আল্লাহ্! আপনি আমার রব্ব, আপনি ছাড়া আর কোনো সত্য উপাস্য নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আর আমি আমার সাধ্য মতো আপনার (তাওহীদের) অঙ্গীকার ও (জান্নাতের) প্রতিশ্রুতির উপর রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আপনি আমাকে আপনার যে নিয়ামত দিয়েছেন তা আমি স্বীকার করছি, আর আমি স্বীকার করছি আমার অপরাধ।অতএব আপনি আমাকে মাফ করুন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহসমূহ মাফ করে না।'
_[বুখারী, ৭/১৫০, নং ৬৩০৬।]_
*🌸১৪। শিরক থেকে বাঁচার দোয়া ৩ বার*
اللَّهُمَّ إنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ شَيْئاً وَأَنَا أَعْلَمُ، وَأَسْتَغْفِرُكَ مِنَ الذَّنْبِ الَّذِيْ لا أَعْلَمُ
*উচ্চারণ:* আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা আন উশরিকা বিকা ওয়া আনা আ'লামু ওয়া আস্তাগফিরুকা লিমা- লা আ'লামু
*অর্থ:* "হে আল্লাহ! আমি জেনে-শুনে তোমার সাথে কোনো কিছুকে শরিক করা থেকে আশ্রয় চাচ্ছি, আর না জেনে যে শিরক হয়েছে, তার জন্য তোমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি"
[সহীহুত তারগীব ওয়াত তারহীব, ১/১৯ [১০]
*🌸১৫। দ্বীনের উপর টিকে থাকার দোয়া সকাল ও বিকালে বলবেন,*
শক্তিশালী ও প্রসিদ্ধ দোয়াটি হলো:
يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِى عَلَى دِينِكَ
*উচ্চারণ:* ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব, সাব্বিত কালবি আ‘লা দীনিক।
*অর্থ:* হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের ওপর অটল ও অবিচল রাখো।
[সুন্নানে তিরমিজি, হাদিস নম্বর: ৩৫২২ - ইসলামিক ফাউন্ডেশন,]
*🌸🌸। কঠিন বিপদ-আপদে পড়ার দোয়া*
আরবি: إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ، اللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا
*উচ্চারণ:* ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, আল্লাহুম্মা আজিরনি ফি মুসিবাতি ওয়া আখলিফ-লি খাইরাম মিনহা
*অর্থ:* "নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং আমাদেরকে তারই দিকে ফিরে যেতে হবে। হে আল্লাহ! আমার বিপদে আমাকে সওয়াব (প্রতিদান) দান করুন এবং যা হারিয়েছি, তার বদলে তার চেয়ে উত্তম কিছু দান করুন"
[সহিহ মুসলিম হাদিস নং- ৯১৮]
*🌸১৬। দুনিয়া ও পরকালে অশেষ কল্যাণ ও মুক্তি লাভের সবচেয়ে উত্তম ও সুপরিচিত কোরআনিক দোয়া*
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ"
*উচ্চারণ:* রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাও ওয়া কিনা আজাবান্নার
*অর্থ:* "হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে ইহকালে কল্যাণ দান কর এবং পরকালেও কল্যাণ দান কর এবং জাহান্নামের আজাব থেকে রক্ষা কর"
[সূরা আল-বাকারাহ,আয়াত নং ২০১]
*🌸১৭। চোখ, লজ্জা স্থান, জিহ্বা এবং অন্তরের অনিষ্ট বা ফিতনা থেকে বাঁচতে নবীজী (সা.) যে দোয়াটি শিক্ষা দিয়েছেন তা হলো:*
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ سَمْعِي، وَمِنْ شَرِّ بَصَرِي، وَمِنْ شَرِّ لِسَانِي، وَمِنْ شَرِّ قَلْبِي، وَمِنْ شَرِّ مَنِيِّي
*উচ্চারণ:* আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিন শাররি সাম‘ঈ, ওয়া শাররি বাসারি, ওয়া শাররি লিসানি, ওয়া শাররি ক্বলবি, ওয়া শাররি মানিয়্যি।
*অর্থ:* হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই আমার কানের অনিষ্ট থেকে, চোখের অনিষ্ট থেকে, জিহ্বার অনিষ্ট থেকে, অন্তরের অনিষ্ট থেকে এবং আমার বীর্যের (লজ্জাস্থানের) অনিষ্ট থেকে
[সুনানে আবু দাউদ (১৫৫১), তিরমিজি, এবং নাসাঈ শরীফে বর্ণিত হয়েছে]