22/07/2025
সকাল সাড়ে ৬টা থেকে বা-র্ন ইনস্টিটিউট এর আইসিইউতে ডিউটি করছি। হয়তো জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ের একটা পার করছি।
এই ছবিটা কে তুলেছে জানিনা। তবে আমার পাশে যেই মা দাঁড়িয়ে আছেন তার ১৫ বছর বয়সী মেয়ে গতকাল রাতে মা-রা গেছেন। আর ৯ বছর বয়সী ছেলেটার ৯৫% বা-র্ন, আইসিইউতে ভর্তি। উনি সকাল থেকে একটাই প্রশ্ন সবাইকে হাজারবার করেছেন, "বাচ্চাটার শ্বা-স আছে তো?" যদি কেউ বলে হ্যাঁ আছে উনি তাতেই খুশি। মাঝেমধ্যে বলছেন ওর হাত পা অনেক ঠান্ডা হয়ে আছে ওকে জেনো ঠিকমতো কম্বল গায়ে দিয়ে দেওয়া হয়। তাকে শে-ষ পর্যন্ত স্বান্তনা দেওয়ারও কোনো ভাষাই আমাদের কারও কাছে ছিল না।
আরেকজন মা ছিলেন। তিনি মাহতাবের মা। মাহতাবও অনেক ক্রিটিক্যাল কন্ডিশনে আছে। ও মায়ের খুব সম্ভবত এই একটাই সন্তান। আইসিইউ থেকে ডাক্তাররা যদি কোনো কারণে পরিবারের খোঁজ করেন তখন তাদের চোখে যে আ-ত-ঙ্ক তা দেখার মতো না।
এইযে এনাদের মতো আরও মায়েরা যারা এখানে আছেন, এনারা শুধু এটুকুতেই খুশি যে তাদের সন্তানদের শ-রী-রে প্রা-ণ আছে। তারা হয়তো বুঝতে পেরেছেন, এই দেশে শুধু দেহে প্রা-ণ থাকাটাই জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন 🙂🤲