18/04/2024
প্রত্যুদাহরণ — আমার বড় বেশী পছন্দ।
শূন্যতার ভীড়ে ভুল পাড়ে দাঁড়িয়ে
গন্তব্যের অপর স্টেশন —!
জ্যোৎস্নাভেজা মাতাল হাওয়া
ষষ্ঠীজোটে ভর করে মতান্তরে—
— তুমুল ভালোবেসেছিলে।
তাইতো—
হররোজ আমি স্টেশনে
নয়তো পার্কে —!
আমি দোকানী বড্ড নরম সরম
দু- আনা দিবি —!?
তো নিয়ে যা সুদে- মূলে!
মনের ভেতর আগুন আছে
যা বিক্রিলদ্ধ নয়—!
কারণ — প্রাচীন গন্দমগ্রাসী
মায়ায় ফেলে —
উড়ে গেছে শূন্যে —!
রদবদল হয় কেনাবেঁচায়
তারপর দীর্ঘদেহী বয়ানের পাশে
জুম কাঠের কয়লা —
যার অন্দর _ বাহির এক
রাত দিনের তফাৎ নেই।...... বস্তুত এখন মন খারাপির শহর।
মানুষ গুলো ভোঁতা
ভোঁতা শহরটা রাতের আঁধারে—
অকামের খোশগল্পে মাতে।
বাতাসের ভাঁজে ভাঁজে
— ঋতুজীবি ঘুম।
জোনাকি নিয়তির সাঁকো নাড়ে।
ঘুমকাতুরে আমি লিকলিকে
স্বপ্নে — তোমায় দেখি আবছা নয় স্পষ্ট।
আত্মঘাতি হতে পারে বাঁধার শিকল
তাই — আমি নিমগ্ন থাকি।
বড় আঁকিয়ে আমি ঘুমঘোরে
আঁকতে গিয়ে সমুদ্র করে ফেলি
— ফেনিল জোছনাকে।
তবুও — ইচ্ছের ঘরে সুঁই সুঁতো বাঁধাই করা
— ফ্রেমের ব্যর্থ প্রয়াস!
জানি একদিন চলে যাবে—
যদি চলে — যাও
তবে তুমুল যাবে — সাদাসিধে যাওয়া
— আমার পছন্দ নয়!
সকাল থেকে সন্ধে গড়ায়
আমি দাঁড়িয়ে এক ঠাঁই!
জীবনে যা উন্মাদ — তা বৈতালিকি!
ঘোমটার আড়ালে থেকে
আঁধারের রমণি — কোথায় তবে তার রমণ?
আঁচলে অনল বেঁধে
অতিশয়োক্তি পুরাকাল
সেতো প্রভুত্বতার বাহির—!
রুহানি আধিক্য বাদে —
অসহায় কুন্ঠিত আত্মকেন্দ্রিক আধ- জাগ্রত
কবেকার — মৃদ পানশালা খোর
— শব্দের উঠানামা!
সংসারের এঁটোকাঁটা হররোজের — জীবনালিপি— কেড়ে নেয় আমার এক চিলতে — আকাশ।
শূন্যে জ্বলে থাকে বিস্মৃত প্রায় আলো
সবাসনে কর্পোরেট জীবন।
ফুঁৎকারে মেলে দিই — ডানা
উড়নচণ্ডী আকাশে — তিমির রাত্রি নিভিয়ে।