Spicy Lovers

Spicy Lovers স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর হোমমেইড খাদ্য তৈরিতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ পুষ্টি স্বাদ ও স্বাস্থ্য রন্ধন মসলার বৈশিষ্ট্য

বৃষ্টির দিনে ঘরে তৈরি করুন মচমচে পেঁয়াজুছোট বড় সবাই মচমচে পেঁয়াজু খেতে পছন্দ করেন। তাই অনেকে দোকানের মত মচমচে পেঁয়াজু ঘর...
01/06/2022

বৃষ্টির দিনে ঘরে তৈরি করুন মচমচে পেঁয়াজু

ছোট বড় সবাই মচমচে পেঁয়াজু খেতে পছন্দ করেন। তাই অনেকে দোকানের মত মচমচে পেঁয়াজু ঘরে বানাতে চেষ্টা করেন। কিন্তু অনেক চেষ্টার পরও দোকানের মতো মচমচে হয় না। এখন থেকে রাধুনিকে আর পড়তে হবে না চিন্তায় যদি থাকে ঘরে রন্ধন রেডিমিক্স পেঁয়াজুর ডাল।

প্রথমে রন্ধন রেডিমিক্স পেঁয়াজুর ডাল কমপক্ষে দুই থেকে তিন ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে ভিজিয়ে রাখা ডাল যেন বেশি শক্ত বা নরম না হয় যাতে মাখা মাখা থাকে।

এরপর ভিজিয়ে রাখা ডালের সাথে পেঁয়াজ কুঁচি, কাঁচা মরিচ, হলুদ, লবণ, ধনিয়া পাতা এবং আপনার পছন্দমতো যেকোনো মসলা দিয়ে ভালোভাবে মিক্স করে নিন। এরপর একটি পাত্রে তেল গরম করে তৈরি করুন সুস্বাদু মচমচে পেঁয়াজু।

শাখাওয়াত হোসেন
কো-ফাউন্ডারঃ রন্ধন মসলা ফ্যাক্টরি

আর নয় বাইরের অস্বাস্থ্যকর পেঁয়াজুবৃষ্টির দিনে হবে রন্ধনের রেডিমিক্স পেঁয়াজুছোট বড় সবাই মচমচে পেঁয়াজু খেতে পছন্দ করেন। তা...
30/05/2022

আর নয় বাইরের অস্বাস্থ্যকর পেঁয়াজু
বৃষ্টির দিনে হবে রন্ধনের রেডিমিক্স পেঁয়াজু

ছোট বড় সবাই মচমচে পেঁয়াজু খেতে পছন্দ করেন। তাই অনেকে দোকানের মত মচমচে পেঁয়াজু ঘরে বানাতে চেষ্টা করেন। কিন্তু অনেক চেষ্টার পরও দোকানের মতো মচমচে হয় না। এখন থেকে রাধুনিকে আর পড়তে হবে না চিন্তায় যদি থাকে ঘরে রন্ধন রেডিমিক্স পেঁয়াজুর ডাল।

প্রথমে রন্ধন রেডিমিক্স পেঁয়াজুর ডাল কমপক্ষে তিন ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে ভিজিয়ে রাখা ডাল যেন বেশি শক্ত বা নরম না হয় যাতে মাখা মাখা থাকে।

এরপর ভিজিয়ে রাখা ডালের সাথে পেঁয়াজ কুঁচি, কাঁচা মরিচ, হলুদ, লবণ, ধনিয়া পাতা এবং আপনার পছন্দমতো যেকোনো মসলা দিয়ে ভালোভাবে মিক্স করে নিন। এরপর একটি পাত্রে তেল গরম করে তৈরি করুন সুস্বাদু মচমচে পেঁয়াজু।

শাখাওয়াত হোসেন
কো-ফাউন্ডারঃ রন্ধন মসলা ফ্যাক্টরি

ধনিয়ায় কেন হাইড্রোজে মেশানো হয়? প্রায় সময় আমরা একটা কথা শুনি, আমি বাজার থেকে আস্ত ধনিয়া কিনে ধুয়ে তারপর নিজে মিলিং করি এ...
29/05/2022

ধনিয়ায় কেন হাইড্রোজে মেশানো হয়?

প্রায় সময় আমরা একটা কথা শুনি, আমি বাজার থেকে আস্ত ধনিয়া কিনে ধুয়ে তারপর নিজে মিলিং করি এবং তৃপ্তির ঢেকুর তুলি আমি বিশুদ্ধ ও নির্ভেজাল ধনিয়ার গুঁড়া খাচ্ছি!

আসলে কি তাই! মোটেও না।
বিশেষজ্ঞরা কি বলে আসুন জেনে নিই।

হাইড্রোজ কি?
*************
ইথিলিন গ্রুপ থেকে তৈরি হাইড্রোজ একটি ক্ষারীয় পদার্থ সাধারণত পাউডার ও তরল দুই অবস্থায় এটি পাওয়া যায়। সস্তা ও সহজলভ্য হওয়ায় বর্তমানে অন্যান্য সব প্রিজারভেটিভের চেয়ে বর্তমানে বেশি ব্যবহূত হচ্ছে হাইড্রোজ। টেক্সটাইল, ওষুধ শিল্প ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ- তিন খাতে হাইড্রোজের প্রয়োজন থাকায় অন্য শিল্পের জন্য আমদানি করা নন-ফুডগ্রেডেড হাইড্রোজ খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহার হচ্ছে।

কেন ধনিয়ায় হাইড্রোজে মেশানো হয়?
*********************************
আস্ত মসলার মধ্যে হলুদের পর সবচেয়ে বেশি কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় ধনিয়ায়। ধনিয়ায় হাইড্রোজ ব্যবহার করা হয় অবাঞ্ছিত কালচে ভাব দূর করতে এবং ধনিয়াকে সতেজ রাখার জন্য। হাইড্রোজ ধনিয়াকে দীর্ঘদিন স্টোরেজ করতেও সহায়তা করে।

ক্ষতিকর হাইড্রোজ যখন আস্ত ধনিয়ায় ব্যবহার করা হয় তখন ধনিয়ার উপরের স্তর ভেদ করে ধনিয়ার ভিতর ঢুকে পড়ে।
তাই বাজার থেকে আস্ত ধনিয়া কিনে ভালো করে ধোয়ার পরও কোন অবস্থাতেই ধনিয়াকে হাইড্রোজ মুক্ত করা সম্ভব নয়। এই অবস্থায় ধনিয়াকে মিলিং করার সাথে সাথে ক্ষতিকর হাইড্রোজ ধনিয়ার গুঁড়ার সাথে মিক্স হয়ে মসলা হিসেবে আমাদের শরীরে সঞ্চারিত হচ্ছে।

হাইড্রোজ কি শরীরের জন্য ক্ষতিকর?
********************************
হাইড্রোজ পেটে গিয়ে পড়ে রক্তের সঙ্গে মিশে শ্বেত কণিকা ও হিমোগ্লোবিনের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়।

হাইড্রোজ নিয়ে জাতীয় জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের (আইপিএইচএন) সাবেক পরিচালক ও ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফাতিমা পারভিন চৌধুরীর মতে, ‘প্রাথমিকভাবে অ্যাসিডিটি থেকে শুরু করে এটি দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারের কারণ। যখন হাইড্রোজ আমাদের পাকস্থলিতে প্রবেশ করে, তখন সেটা অনেক উপকারী সেলকে (কোষ) বিনষ্ট করে ফেলে, যা পরবর্তীতে পরিপাকতন্ত্রের নানা রোগ সৃষ্টি করে। সেটাই দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’

কিন্তু দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে, নিজেই ধনিয়া মিলিং করার পর আমরা নিজের অজান্তে হাইড্রোজ মেশানো ধনিয়ার গুঁড়া খাচ্ছি। এর থেকে পরিত্রাণের পথ দেশের প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধনিয়া ক্রয় করা, যা "রন্ধন মসলা" করে থাকে।

তাই "রন্ধন মসলা" দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি হাইড্রোজ মুক্ত আস্ত ধনিয়া ক্রয় করে শতভাগ ভেজাল মুক্ত ধনিয়ার গুঁড়া ভোক্তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর কাজটি করে।আপনারা আত্মবিশ্বাস নিয়ে "রন্ধন মসলার" ধনিয়ার গুঁড়া ব্যবহার করতে পারেন।

শাখাওয়াত হোসেন
কো-ফাউন্ডারঃ রন্ধন মসলা ফ্যাক্টরি

আপনার মরিচের গুঁড়া কি ফাঙ্গাস মুক্ত? মরিচের গুঁড়া লাল এবং তরকারির কালার খুব সুন্দর ও লাল হওয়ার কারণ হচ্ছেঃ১) আমরা মরিচে...
28/05/2022

আপনার মরিচের গুঁড়া কি ফাঙ্গাস মুক্ত?

মরিচের গুঁড়া লাল এবং তরকারির কালার খুব সুন্দর ও লাল হওয়ার কারণ হচ্ছেঃ

১) আমরা মরিচের বোটা ফেলে দিই
২) পটকা বা সাদাটে মরিচ আমরা ব্যবহার করিনা
৩) মরিচ ভালো করে পানিতে ধুয়ে রোদে শুকায়
৪) ফাঙ্গাস যুক্ত কালচে মরিচ ব্যবহার করি না

রন্ধন মসলা বাজার থেকে ফাঙ্গাসযুক্ত আস্ত মরিচ ক্রয় না করে সরাসরি নিজস্ব কৃষক দিয়ে ইউরিয়া সার ও কীটনাশক মুক্ত মরিচ চাষ করছে যা দুই স্তর বিশিষ্ট ফুডগ্রেড পলিব্যাগে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে স্বাস্থ্যসম্মত ভাবে শুষ্ক ও আর্দ্র স্থানে সংরক্ষণ করা হয় যাতে মরিচের রং কালো বর্ন ধারণ করতে না পারে এবং বিষাক্ত পদার্থ ফাঙ্গাসে পরিনত হওয়ার সুযোগ না পাই।

আপনারা নিঃসংকোচে রন্ধন মরিচের গুঁড়া ব্যবহার করতে পারবেন যার প্রতিটি ধাপ পালন করা হয় স্বাস্থ্য সম্মতভাবে এবং বোটা ফেলে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে তারপর মিলিং করা হয় তাই রন্ধন মসলা বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ কতৃক সার্টিফিকেট প্রাপ্ত।

আসুন আমরা সচেতন হই এবং বিশুদ্ধ ও রাসায়নিক সার মুক্ত বোটাবিহীন নির্ভেজাল মরিচের গুঁড়া ব্যবহার করি যা তরকারি রান্নায় সুন্দর কালার আসে এবং ফাঙ্গাসমুক্ত হওয়ায় তরকারি ও অসাধারণ স্বাদ হয়।

শাখাওয়াত হোসেন
কো-ফাউন্ডারঃ রন্ধন মসলা ফ্যাক্টরি

জিরা নাকি, ক্লোন জিরা, কোনটা খাচ্ছি দেশের গরম মসলার বাজারে জিরার চাহিদা বেশি থাকায় বড় বড় পাইকারি ব্যবসায়িরা জিরার বস্তা ...
28/05/2022

জিরা নাকি, ক্লোন জিরা, কোনটা খাচ্ছি

দেশের গরম মসলার বাজারে জিরার চাহিদা বেশি থাকায় বড় বড় পাইকারি ব্যবসায়িরা জিরার বস্তা খুলে জিরার সঙ্গে মিশরীয় ক্যারাওয়ে সিড এবং সলুক বা ডিল সিড মিশিয়ে আবার বস্তা সেলাই করে দেদারসে বিক্রি করে অস্বাভাবিক মুনাফা করছেন একশ্রেণীর ব্যবসায়ী।

মিশরীয় ক্যারাওয়ে এবং সলুক সিড দেখতে হুবহু জিরার মতো একই রকমের হওয়ায় সাধারণ চোখে এটির পার্থক্য ধরতে পারেন না খুচরা ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা। ক্যারাওয়ে সিডের নিজস্ব কোনো ঘ্রাণ না থাকলেও প্রকৃত জিরার সঙ্গে মেশানোর ফলে আলাদা করা কষ্টসাধ্য কোনটা আসল জিরা, কোনটা ক্লোন জিরা।

ফলে সাধারণ ভোক্তারা জিরা মনে করে তুলনামূলক কম দামে ৯০% ক্লোন জিরা ক্রয় করছেন খুচরা দোকানদার অথবা উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে।

তাই নির্ভেজাল জিরা পেতে হলে ইম্পোটার থেকে সরাসরি আস্ত জিরার বস্তা লট আকারে কিনতে হবে এবং সত্যিকারের রসনার স্বাদ পেতে হলে এক্সপার্ট উদ্যোক্তা থেকে জিরার গুঁড়া ক্রয় করতে হবে যারা সরাসরি ইম্পোটার থেকে আস্ত জিরা লট আকারে কিনে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে মিলিং করে তাদের কাছ থেকে অন্যথায় নির্ভেজাল জিরা পাওয়া কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়।

কিন্তু প্রকৃত সত্য হচ্ছে, বেশিরভাগ খুচরা দোকানদার ও উদ্যোক্তা চিনতে পারেনা কোনটা আসল জিরা, কোনটা ক্লোন জিরা বা মিশরীয় ক্যারাওয়ে সিড।

আসল জিরার স্বাদ হবে ঝাঁঝালো ও গন্ধ হবে তীব্র যা মসলা এক্সপার্ট ছাড়া বুঝতে পারা খুবই কষ্টসাধ্য।

তাই রন্ধন মসলা ফ্যাক্টরি সরাসরি ইম্পোটার থেকে ইরানি জিরা ক্রয় করে ধুয়ে শুকিয়ে মিলিং করে ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর কাজটি করে থাকে তাই রন্ধন জিরার গুঁড়া ১০০% বিশুদ্ধ ও নির্ভেজাল।আপনারা নিঃসংকোচে রন্ধন জিরার গুঁড়া ব্যবহার করতে পারেন।

জিনাত সুলতানা
ফাউন্ডারঃ রন্ধন মসলা ফ্যাক্টরি

শরীরের গঠনে হালিমের বিকল্প নেই পুষ্টিবিদের মতে, হালিম খুবই উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার। এই খাবারটি নিয়মিত খেলে সারাদিন কাজক...
27/05/2022

শরীরের গঠনে হালিমের বিকল্প নেই

পুষ্টিবিদের মতে, হালিম খুবই উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার। এই খাবারটি নিয়মিত খেলে সারাদিন কাজকর্ম ও না খেয়ে থাকার ফলে পুষ্টিজনিত যে ঘাটতি হয় তা অনায়াসে পূরণ করা যায়।

আমাদের সবার দেহের গঠন ও ক্ষয়পূরণের জন্য প্রোটিন অত্যন্ত জরুরি উপাদান যা আমরা নবাবি হালিম মিক্স থেকে খুব সহজে পেতে পারি।

প্রোটিনের অভাব হলে শিশু অপুষ্টির শিকার হতে পারে। গর্ভাবস্থায় এবং প্রসূতি মায়েদের প্রোটিনের চাহিদা মেটানোর জন্য উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার "রন্ধন নবাবি হালিম মিক্স" গ্রহণ করা উচিত।

আমরা ডাল থেকে পেয়ে থাকি সেকেন্ড ক্লাস প্রোটিন কিন্তু দেখা গেছে হালিমের মধ্যে বিভিন্ন রকমের ডাল সঠিক মাত্রায় একত্র করে রান্না করলে ফার্স্ট ক্লাস প্রোটিনে পরিণত হয়। আর ডাল যখন হালিম রান্নার সময় দেওয়া প্রাণিজ প্রোটিন মাংসের সাথে মিক্স হয় তখন উচ্চমানের প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারে রূপান্তরিত হয় এই হালিম।

নবাবি হালিম মিক্স তৈরি করা হয় ১২ রকমের ডাল এবং উন্নতমানের গম ও দুই ধরনের সুগন্ধি চালের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়। তাই রন্ধন "নবাবি হালিম মিক্স" পুষ্টি গুণে ভরপুর থাকে।

জিনাত সুলতানা
ফাউন্ডারঃ রন্ধন মসলা ফ্যাক্টরি

গুরুপাক খাবার বর্জন করুন, টেস্টিং সল্ট মুক্ত খান্দানি মাংসের মসলায় রান্না করুন  আমাদের সবার মধ্যে একটা বদ্ধমূল ধারণা জন্...
27/05/2022

গুরুপাক খাবার বর্জন করুন, টেস্টিং সল্ট মুক্ত খান্দানি মাংসের মসলায় রান্না করুন

আমাদের সবার মধ্যে একটা বদ্ধমূল ধারণা জন্ম নিয়েছে খাবারে বেশি মসলা ব্যবহার ও টেস্টিং সল্ট ছাড়া মাংস জাতীয় রান্নায় স্বাদ আনা সম্ভব নয়।

গবেষকদের মতে, টেস্টিং-সল্ট নানাভাবে মস্তিষ্কের ক্ষতিসাধন করে। বিভিন্ন গবেষণা-প্রতিবেদনে তাই একে অভিহিত করা হয়েছে ‘স্নায়ু বিষ’ হিসেবে। শিশুদের জন্যে এটি আরো মারাত্মক।

তাই টেস্টিং সল্টের ক্ষতিকর দিক থেকে পরিত্রাণ পাবার জন্য রন্ধন খান্দানি মাংসের মসলায় ৩০ প্রকারের মসলা উপকরণের আনুপাতিক হার ঠিক রেখে পুষ্টি ও স্বাদের একটা অপূর্ব মেলবন্ধন রেখে পুষ্টি, স্বাদ ও স্বাস্থ্য সবকিছু বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে টেস্টিং সল্ট বিহীন খান্দানি মাংসের মসলা তৈরি করছে যা বাংলাদেশে সমাদৃত হয়ে এখন বিশ্বের নানা প্রান্তের বাঙালিদের মাঝেও সুনাম ও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

রন্ধন খান্দানি মাংসের মসলায় কোন কৃত্রিম গন্ধ, কৃত্রিম রং, কোন অতিরিক্ত সংরক্ষক পদার্থ, টেস্টিং সল্ট ও পোস্তদানা মিক্স করা হয়নি তাই ১০০% হালাল।

জিনাত সুলতানা
ফাউন্ডারঃ রন্ধন মসলা ফ্যাক্টরি

হাকিম হামাম ছাড়া কেউ জানত না,সম্রাট আকবরের খাবারের মেনুরসনা তৃপ্তির ব্যাপারে সম্রাটদের মধ্যে সেরা ও শৌখিন মানুষটি ছিলেন ...
26/05/2022

হাকিম হামাম ছাড়া কেউ জানত না,
সম্রাট আকবরের খাবারের মেনু

রসনা তৃপ্তির ব্যাপারে সম্রাটদের মধ্যে সেরা ও শৌখিন মানুষটি ছিলেন সম্রাট আকবর। তিনি মোগলাই খানাকে এক ভিন্ন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছিলেন।আকবরের সুবিশাল ও রাজকীয় রন্ধনশালায় থাকতেন একজন কোষাধ্যক্ষ, একজন গুদামরক্ষক, খাদ্য-পরীক্ষক, কয়েকজন কেরানি, একজন প্রধান পাচক এবং প্রায় ৪০০ জন রাঁধুনি। এই ৪০০ জন রাঁধুনিদের উত্তর ভারত ও পারস্য থেকে রীতিমতো পরীক্ষা করে বেছে নেওয়া হত ।

আকবরের রন্ধনশালায় মির-বাকাওয়াল (তত্ত্বাবধায়ক) এর পদটি ছিল রন্ধনশালার সবচেয়ে সম্মানীয় ও আর্থিক দিক থেকে লোভনীয় পদ।

শাহেনশা আকবরের খাবার মেনু ঠিক করতেন ‘হাকিম হামাম’। সম্রাট আকবর রোজ কী খাবেন, সেই মেনু ঠিক করতেন আকবরের নিজস্ব হাকিম (রাজবৈদ্য)। হাকিম সাহেব মরশুম বুঝে ও আকবরের শরীর বুঝে খাদ্যতালিকা তৈরি করতেন। অত্যন্ত গোপনে রাখা হত সেই তালিকা। হাকিম ছাড়া আর কেউ ঘুণাক্ষরেও জানতেন না পরের দিনে সম্রাট কী খেতে চলেছেন।

সম্রাট আকবরের রন্ধনশালায় ছিলেন একজন অত্যন্ত বিশ্বস্ত খাদ্য-পরীক্ষক। তিনি রন্ধনশালার ভেতরেই সব ধরণের খাবার একটু করে খেয়ে পরীক্ষা করতেন। খাবারে যে বিষ নেই, সেই বিষয়ে খাদ্য-পরীক্ষক নিঃসন্দেহ হলেও, আরেকবার সেই খাদ্যগুলি চেখে দেখতেন রন্ধনশালার মির-বাকাওয়াল (তত্ত্বাবধায়ক)। এই পদটি ছিল রন্ধনশালার সবচেয়ে সম্মানীয় ও আর্থিক দিক থেকে লোভনীয় পদ।

খুব ভোরে উঠে হাকিম সাহেব আকবরের রন্ধনশালায় গিয়ে নির্দেশ দিতেন। সেই মতো তৈরি হত সম্রাটের খানা। তাই সব ধরণের উপকরণ প্রস্তুত থাকত গুদামঘরে। যতক্ষণ রান্না হত হাকিম (রাজবৈদ্য) প্রাসাদের রন্ধনশালায় উপস্থিত থাকতেন। আকবরের খাদ্যে ঔষধি গুণ যুক্ত উপাদান যাচ্ছে কিনা তার খেয়াল রাখতেন।

সম্রাট আকবর খাবার টেবিলে আসার পর, মির-বাকাওয়াল আবার সেই সব খাবার কয়েক চামচ দইয়ে মিশিয়ে জিভে ফেলতেন। তারপর সম্রাট আকবর তাঁর ভোজন শুরু করতেন। শতাধিক পদের সামান্য অংশই চেখে দেখতেন সম্রাট আকবর। বাকি বিশাল অংশ বিলিয়ে দেওয়া হত ভিক্ষুকদের মধ্যে।

আমি রাঙ্গামাটি জেলার দূর্গম পাহাড়ের “পাহাড়ি হলুদ” ও চট্টগ্রাম জেলার “ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি ও ঝাল মরিচ” এবং ধনিয়া, ইরানি জিরা,সুপার নুডলস মসলা, রন্ধন মাছের মসলা, নবাবি হালিম মিক্স ও টেস্টিং সল্ট মুক্ত ৩০প্রকারের মসলা উপকরণ দিয়ে তৈরি খান্দানি মাংসের মসলা সহ সব ধরনের নির্ভেজাল ও বিশুদ্ধ মসলা পণ্য নিয়ে ই-কমার্সের দেশীয় পণ্যের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছি।

জিনাত সুলতানা
ফাউন্ডারঃ রন্ধন মসলা

আস্ত ধনিয়া ধোয়ার পরও কি নিরাপদ? প্রায় সময় আমরা একটা কথা শুনি, আমি বাজার থেকে আস্ত ধনিয়া কিনে ধুয়ে তারপর নিজে মিলিং করি এ...
26/05/2022

আস্ত ধনিয়া ধোয়ার পরও কি নিরাপদ?

প্রায় সময় আমরা একটা কথা শুনি, আমি বাজার থেকে আস্ত ধনিয়া কিনে ধুয়ে তারপর নিজে মিলিং করি এবং তৃপ্তির ঢেকুর তুলি আমি বিশুদ্ধ ও নির্ভেজাল ধনিয়ার গুঁড়া খাচ্ছি!

আসলে কি তাই! মোটেও না।
বিশেষজ্ঞরা কি বলে আসুন জেনে নিই।

হাইড্রোজ কি?
*************
ইথিলিন গ্রুপ থেকে তৈরি হাইড্রোজ একটি ক্ষারীয় পদার্থ সাধারণত পাউডার ও তরল দুই অবস্থায় এটি পাওয়া যায়। সস্তা ও সহজলভ্য হওয়ায় বর্তমানে অন্যান্য সব প্রিজারভেটিভের চেয়ে বর্তমানে বেশি ব্যবহূত হচ্ছে হাইড্রোজ। টেক্সটাইল, ওষুধ শিল্প ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ- তিন খাতে হাইড্রোজের প্রয়োজন থাকায় অন্য শিল্পের জন্য আমদানি করা নন-ফুডগ্রেডেড হাইড্রোজ খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহার হচ্ছে।

কেন ধনিয়ায় হাইড্রোজে মেশানো হয়?
*********************************
আস্ত মসলার মধ্যে হলুদের পর সবচেয়ে বেশি কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় ধনিয়ায়। ধনিয়ায় হাইড্রোজ ব্যবহার করা হয় অবাঞ্ছিত কালচে ভাব দূর করতে এবং ধনিয়াকে সতেজ রাখার জন্য। হাইড্রোজ ধনিয়াকে দীর্ঘদিন স্টোরেজ করতেও সহায়তা করে।

ক্ষতিকর হাইড্রোজ যখন আস্ত ধনিয়ায় ব্যবহার করা হয় তখন ধনিয়ার উপরের স্তর ভেদ করে ধনিয়ার ভিতর ঢুকে পড়ে।
তাই বাজার থেকে আস্ত ধনিয়া কিনে ভালো করে ধোয়ার পরও কোন অবস্থাতেই ধনিয়াকে হাইড্রোজ মুক্ত করা সম্ভব নয়। এই অবস্থায় ধনিয়াকে মিলিং করার সাথে সাথে ক্ষতিকর হাইড্রোজ ধনিয়ার গুঁড়ার সাথে মিক্স হয়ে মসলা হিসেবে আমাদের শরীরে সঞ্চারিত হচ্ছে।

হাইড্রোজ কি শরীরের জন্য ক্ষতিকর?
********************************
হাইড্রোজ পেটে গিয়ে পড়ে রক্তের সঙ্গে মিশে শ্বেত কণিকা ও হিমোগ্লোবিনের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়।

হাইড্রোজ নিয়ে জাতীয় জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের (আইপিএইচএন) সাবেক পরিচালক ও ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফাতিমা পারভিন চৌধুরীর মতে, ‘প্রাথমিকভাবে অ্যাসিডিটি থেকে শুরু করে এটি দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারের কারণ। যখন হাইড্রোজ আমাদের পাকস্থলিতে প্রবেশ করে, তখন সেটা অনেক উপকারী সেলকে (কোষ) বিনষ্ট করে ফেলে, যা পরবর্তীতে পরিপাকতন্ত্রের নানা রোগ সৃষ্টি করে। সেটাই দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’

কিন্তু দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে, নিজেই ধনিয়া মিলিং করার পর আমরা নিজের অজান্তে হাইড্রোজ মেশানো ধনিয়ার গুঁড়া খাচ্ছি। এর থেকে পরিত্রাণের পথ দেশের প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধনিয়া ক্রয় করা, যা "রন্ধন মসলা" করে থাকে।

তাই "রন্ধন মসলা" দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি হাইড্রোজ মুক্ত আস্ত ধনিয়া ক্রয় করে শতভাগ ভেজাল মুক্ত ধনিয়ার গুঁড়া ভোক্তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর কাজটি করে।আপনারা আত্মবিশ্বাস নিয়ে "রন্ধন মসলার" ধনিয়ার গুঁড়া ব্যবহার করতে পারেন।

জিনাত সুলতানা
ফাউন্ডারঃ রন্ধন মসলা ফ্যাক্টরি

Address

অফিসঃ কবির টাওয়ার (২য় তলা), সাতঘাটিয়া পুকুরপাড়, বরমা, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম।
Chittagong
৪৩৮৩

Telephone

01825082376

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Spicy Lovers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Spicy Lovers:

Share