11/11/2024
ভরা ক্যাম্পাসে একটা মেয়েকে গাছের সাথে চেপে ধরে,, শাড়ির আঁচল টেনে ওর পে*টে জ্বল*ন্ত সিগা*রেট চে'পে ধরে আছে আরাভ। মেয়েটা যন্ত্র*নায় কাত*রাচ্ছে। ঠিক তখনই আরাভ রে'গে মেয়েটার ঠো*ট কাম*ড়ে ধরলো,, মিনিট পাঁচেক পর মেয়েটাকে ছেড়ে দিয়ে কিছুটা দূরে সরে দাড়ালো আরাভ,, তারপর হাসতে হাসতে বললো।
আরাভ : ঠো*টের টেস্টটা কিন্তু দারুন। তবে এটা আমাকে, আরাভ খাঁনকে অ*সভ্য বলার শাস্তি। নেক্সট টাইম লাগতে এসো না আমার সাথে,, তাহলে এর চেয়েও খারাপ হবে তোমার সাথে। বা বাই বেবি।
কিছুক্ষন আগে,, MR Private College এ আজ আলিজা আর কলির প্রথমদিন। ওরা অনার্স ফার্স্ট ইয়ারে পড়ে। কলির মামা এই কলেজেরই একজন প্রফেসর তাই ও তার সাথে দেখা করার জন্য কেবিনের দিকে ছুট দিলো। বেচারি আলিজা কলির দৌড়ের দিকে হা করে তাকিয়ে আছে। আজ কলেজে পোগ্রাম তাই সবাইকে শাড়ি পড়ার জন্য বলেছেন কালচারাল টিচার কলি এটা আগে থেকেই জানতো তাই নিজেরাও শাড়ি পড়ে সেজে এসেছে।
১০মিনিট হয়ে গেছে কলি এখনো আসছে না। বেচারি একা একা ক্যাম্পাসটা ঘুরে দেখার ডিসিশন নিলো। ঠিক তখনই ওর কাঁধে কারোর হাতের ছোঁয়া পেলো,, ভয়ে চোখমুখ খিচে ফেললো ও।
আলিজা : কে.?
পেছনের তাকাতেই আলিজা দেখলো কিছু ছেলেমেয়ের একটা গ্যাং।সবাই পাঞ্জাবি আর শাড়ি পড়া। একটা ছেলে একটু ডিফেরেন্ট সবাই যেমন নীল, লাল,হলুদ পাঞ্জাবি পড়া কিন্তু ও তেমন না। ও একটা কালো পাঞ্জাবি পড়েছে। বেশ ইনোসেন্ট চেহারা। কিন্তু চরিত্র যে এতো কুৎ*সিত জানা ছিলো না কারোর।
শিপু : কি মিস নিউ মনে হচ্ছে। নাম কি? কোন ডিপার্টমেন্ট?
আলিজা : আমি আলিজা। ম্যানেজমেন্ট, অনার্স ফার্স্ট ইয়ার।
আরাভ : বাহ জুনিওর। আজকের দিনটাই মনে হয় তোমার জন্য শুভ হবে। সো গাইস র্যাগিং শুরু হোক.?
আরাভ খাঁন হলো এই কলেজের টপ টু ক্রাশ & চকলেট বয়। ফ্লাটিং এ টপ ক্রাশকেও ছাড়িয়ে যায়। ওর একমাত্র নেশা মেয়ে,,।প্রতিদিন কাউকে না কাউকে টার্গেট করে আর তাদের লাইফ হেল করে দেয়।
আলিজা : মানে.?
আরাভ : ওহ বেবি। তুমি জানো না এই কলেজে র্যাগিং রুলস আছে। এখন আমরা যা করতে বলবো তোমাকে তাই করতে হবে নাহলে আমরা যা করবো সেটা তোমার জন্য খুব একটা ভালো হবে না।
এতো মানুষকে একসাথে দেখে ভয় পেয়ে যায় আলিজা। আমতা আমতা করে বলে ওঠে
আলিজা : কি করতে হবে.?
শিপু : আমার হাতে এই যে দেখছো লাল গোলাপটা। এটা দিয়ে আরাভকে প্রপোজ করতে হবে।
আলিজা : ইমপসিবল। আমি কাউকে প্রপোজ করিনা আর আপনাদের তো করবোই না