Shahnaj munni

Shahnaj munni Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Shahnaj munni, Grocers, Chandpur.

24/10/2024
15/12/2023

মিসেস সাথি রহমান আপনি কোনোদিন মা হতে পারবেন না।
কি,,,কি বলছেন আপনি এসব ডক্টর রোদেলা। আপনি মিথ্যা বলেছেন তাই না,,

দেখুন মিসেস সাথি রহমান আমি কেন আপনাকে মিথ্যা বলতে যাব রিপোর্টে
স্পষ্ট লেখা আছে আপনি কোনোদিন মা
হতে পারবেন না।
আমার মাথা ঘুরাচ্ছে ওনি এসব কি বলছেন,, আমি কোনোদিন মা হতে পারবো না,, রাস্তায় এলোমেলো ভাবে হাটঁছি আর রিপোর্ট নিয়ে ভাবছি রেদোয়ান কে আমি কি ভাবে এই কথা বলবো আমি,, আমি কি করে ওর সামনে দাড়াঁবো।
আমি যে ওকে ভীষণ ভালোবাসি ও যদি আমাকে ছেড়ে দেয়। না রেদোয়ান তো আমাকে অনেক ভালোবাসে ও কোনোদিন আমাকে ছেড়ে যাবে না কিন্তু আমি তো নিজের কথা ভাবছি একটি বার ও কি রেদোয়ান কথা ভাবছি ও তো বাবা হওয়ার ইচ্ছা আছে যেটা আমার পক্ষে
কোনোদিন ওকে বাবা ডাক শোনার ক্ষমতা নেই,, আমি যে অক্ষম বলে ডুকরে
কান্না করতে থাকি,,
আমি সাথি রহমান আমার বয়স ২৩ পড়াশোনা স্নাতক আমার বিয়ে হয়েছে চার বছর আমার স্বামী রেদোয়ান রহমান
একজন বড় ব্যবসায়ী আমাদের সন্তান হচ্ছে না দেখে সবাই ডক্টর দেখাতে বলে কিন্তু রেদোয়ান কিছুতে যেতে চাই না তাই আমি আজকে সকালে আমার শ্বাশুড়ি কে বললাম আমার বাহিরে কিছু কাজ আছে
বলে বের হলাম আমার শ্বাশুড়ি অনেক ভালো আমাকে নিজের মেয়ের মতো করে
আপন করে নিয়েছে বিয়ের চারবছর একবারও মনে হয় নেই আমার মা বাবা নেই আমি এতিম আমার শ্বশুর বাড়িতে আমার সংসারটা সুখে শান্তিতে
ছিলাম আমার শ্বশুর শ্বাশুড়ি আর আমার ননদ নিয়ে আমার শ্বশুর বাড়ির সংসারে
রেদোয়ান তাদের এক ছেলে আর আমার ননদ মানে রাহি তাদের এক মেয়ে। রাহি হওয়ার সময় আমার শ্বাশুড়ি কি একটা সমস্যা জন্য তিনি আর মা হতে পারবে না।
তাই তিনি আর সন্তান নিতে পারে নি।
আমার শ্বশুর বাড়ির সবাই আমাকে কতটা ভালোবাসে আমি কি না তাদের আমার জীবন সবচেয়ে বড় ঘটনা গোপন করবো , না আগে রেদোয়ানকে জানাতে হবে না হলে আমি ওর সাথে বেঈমানী করবো,, অতিরিক্ত চিন্তায় আমি
রাস্তায় মাথা ঘুরে পড়ে যায়।
___________________________________
চোখ পিটপিট করে খোলে দেখি আমি একটা পালঙ্কে শুয়ে আছি মাথাটা
ব্যাথা করছে অনেক কিন্তু আমি এখন কোথায়,,,,,,,,৷,,,

আরে ভাবি তুমি ঠিক আছো,, মা মা মা,,
আরে কি হয়েছে বল রাগি কন্ঠ সারা রহমান মেয়েক বললেন,,
রাহি দৌড়ে তার মায়ের কাছে গিয়ে বলে মা ভাবির জ্ঞান ফিরেছে তাড়াতাড়ি আসো।
সারা রহমান ও তাড়াতাড়ি রেদোয়ানের রুমে এসে দেখে সত্যি সাথির জ্ঞান ফিরেছে।
তিনি সাথির মাথা হাত বুলাতে বুলাতে বলেন সকালে না খেয়ে কোথায় বের হয়েছিস,, এখন দেখ তোর কি একটা অবস্থা তুই কি আমাকে চিন্তায় মারবি ভাবছিস তার থেকে একবার মেরে পেল।
আমি তাড়াতাড়ি আম্মু মুখ হাত দিয়ে বললাম এই কথা যেন আমি তোমার মুখে আর না শুনি আম্মু তাহলে কিন্তু তোমার খবর আছে।
আচ্ছা সে না বলবো না,,
আম্মু আমি বাসায় কিভাবে এলাম মানে আমি তো,,,
হ্যাঁ আমি জানি আমার গুনধর মেয়ে রাস্তায় জ্ঞান হারিয়ে পড়ে ছিলো,,তুকে তাফিন দেখছে তারপর রাহিকে ফোন দিয়ে বলে তুই রাস্তা মাথায় ঘুরে পড়ে আসোস।
তারপর রাহি ভার্সিটির থেকে বের হয়ে তোকে নিয়ে আসছে।
সাথি তোকে আমার ছেলে আমার দায়িত্বে
রেখে গেছে,, ও যতদিন দেশে না ফিরে ততদিন দায়িত্ব তো আমাদের তুই যদি এভাবে চলতে থাকোস আমার আর কিছু বলার নেই।

আম্মু আমি তোমাকে কি করে বুঝাবো আমি নিজের প্রতি অযত্নে জন্য জ্ঞান হারায় নেই।
আমি যে আজ যানতে পারলাম আমি কোনোদিন মা হতে পারবো না তোমাকে কোনোদিন দাদি ডাক শুনাতে পারবো না।
তোমরা সবাই আমাকে কত ভালোবাসো
হয়তো এই জন্য বলে সুখ বেশি দিন টিকে না।
ভাবি জানো আজ আমি খুব খুব খুশি
আব্বু আর ভাইয়া কালকের মধ্যে চলে আসবে তারা সবাই খুব খুশি।

আমি কিছুটা অবাক হয়ে বললাম মানে,,
আরে ভাবি আমাদের বাসায় নতুন অতিথি আসতে চলেছে খুশি হবো না।
এই তোরা গল্প কর আমার অনেক কাজ বাকি সব আত্মীয় স্বজনরা আসবে কালকে বলে তিনি চলে যান,,

আমি বললাম কি বলছো এসব নতুন অতিথি মানে তুমি কি বুঝাতে চাইছো একটু পরিস্কার করে বলো আমার গলাটা
কমাগত কাপঁছে।

রাহি যা বললো তাতে আমার পায়ের নিচে মাটি সরে গেলো এটা কি শুনালাম
কোনটা বিশ্বাস করবো এখানে কি কোনো
ষড়যন্ত্র চলছে আমাকে নিয়ে।
ভাবি আমি তো ভাবছি তুমি বুঝতে পারবে
কিন্তু তুমি বুঝতে পারলে না।
তোমাকে বাড়িতে আনার পড়ে আম্মু ডক্টর আঙ্কেল কে ফোন দিয়ে তোমার কন্ডিশনের কথা বলে,, ওনি তোমাকে দেখে বলে তুমি প্রেগনেন্ট।
মানে তুমি মা হতে চলেছো ভাইয়া বাবা আর আমি ফুফি বলে হাসতে হাসতে রাহি রুম থেকে চলে যাই কারন তার ভার্সিটির পড়া আছে।

এটা এটা রাহি কি বলে গেলো আমার শরীরে একটা অস্তিত্ব আছে মানে আপনারা ভাবেন একটা মেয়ে সকালে জানতে পারলো সে কোনোদিন মা হতে
পারবে না কিন্তু সন্ধ্যায় জানলো সে মা হতে চলেছে তাও তার ৩মাস চলছে প্রেগনেন্সির।
কি হচ্ছে আমার সাথে না কাল ডক্টর রোদেলা চেম্বারে যেতে হবে কেন আমাকে মিথ্যা বলেছেন তা তো আমাকে জানতে হবে না জানতে হবে।..........................
#মেঘ কুয়াশা ঢাকা
#লেখিকা:শাহানাজ মুন্নী
#পর্ব:১
[কপি করা নিষিদ্ধ রেসপন্স পেলে পরে পর্ব দিবো ]

[আমার আরেকটা গল্প নিয়ে হাজির হলাম ]

15/12/2023

#মেঘ কুয়াশা ঢাকা
#লেখিকা:শাহানাজ মুন্নী
#পর্ব:২
""
"" আমরা যা চোখে দেখি সব কিন্তু সত্যি হয় না আমাদের অগোচরে অনেক কিছু
আছে যা আমরা কল্পনা ওও করতে পারি
না।
আমার মধ্যে হাজারটা কথা ভাবাচ্ছে
রিপোর্ট স্পষ্ট লেখা ছিলো আমি মা হতে পারবো না এখন শুনি আমি প্রেগনেন্ট
কিছু একটা তো আছে এইসব গোল মিল করছে,,
এসব আর ভাবতে পারছি না,,
নিজেকে কেমন পাগল পাগল লাগছে

আজকে সকালে মনে হয়ছে আমার ভিতর থেকে প্রাণটা বের হয়ে যাবে,,,

তখর সারা রহমান সাথিকে ডাকতে
আসে রাতের খাবার খাওয়া জন্য,, তখন
দেখে সাথি কিছু ভাবছে এতটা ভাবতে মগ্ন যে সারা রহমান যে ওকে ডাকছে
সে শুনতে পাই নেই।

এই সাথি কি এতো ভাবতাছোস
রাতের খাবার খাবি না কখন থেকে
ডাকতাসি তোর কোনো হদিস নেই।

আম্মু আমি খাবার খাবো না ক্ষুদা নেই।

একটা থাপ্পড় দিবো কেন খাবি না দুপুরে সুপ খেয়েছিস তাও খেতে চাস নেই।
এখন আবার কি নাটক শুরু করছোস
তুই না খেলে নেই তোর মধ্যে তো আরেকটা প্রাণ বেড়ে ওঠছে তার জন্য তো একটু খা।

ঠিক তো আগে খাওয়া নিয়ে নইচই করছি
এখন তো আমার মধ্যে একজন আছে তার জন্য খেতে হবে,,
আচ্ছা চলো দূর ভালো লাগে না,,
ঠোঁট ফুলিয়ে নিচে চলে যাই।
সাথি এমন করায় সারা রহমান ফিক হেসে দেয়,,
পাগল মেয়ে কেউ বলবে এই মেয়ে মনে কত কষ্ট ছোটবেলায় বাবা-মা রোড এক্সিডেন্ট মারা যায়।
তারপর দাদা বাড়িতে অবহেলায় বড় হয়।
কলেজ যখন ওঠে তখন রেদোয়ান এক রমণীকে দেখে থমকে যায়।
ওই দিন সকালে মেঘ কুয়াশা ঢাকা ছিলো
চারপাশটা শীতের সময় ছিলো,,,
গ্রামে এক বন্ধু বাড়িতে সব ফ্রেন্ডরা ঘুরতে গিয়ে ছিলো,,
তখন সেই রমণীকে দেখে কিছু থমকে যাই,,
রমণীর টানা টানা বড় বড় আখিঁজুখল,,
দেখে তার প্রেমে পড়ে যায়,,

সেই রমণী আর কেউ না সাথি সুলতানা
সে তখন প্রাইভেট পড়তে সকাল বেলাতে
বের হয়ে ছিলো আকাশে ছিলো মেঘ কুয়াশা ঢাকা যা তার অনেক ভালো লাগেl
এই সময় গ্রামে ঘাসের উপর বিন্দু বিন্দু শিশির যমে থাকে,, খালি পায়ে হাটতে ভালো লাগে।
প্রাইভেট পড়ে নিজের টাকায় সে নিজের হাত খরচের জন্য কয়টা টিউশনি করে পড়াশোনাতে সে মোটামুটি বরাবর ভালো ছিলো,, আর সে ছোট বাচ্চাদের সাথে খুব তাড়াতাড়ি মিশতে পারে যার ধরণ যাদের পড়ায় তারা তো তাকে চোখে হারায়।
কলেজের শিক্ষক যার কাছে সে প্রাইভেট পড়ে তার মেয়ে অধরাকে সে আবার পড়ায় ।
ফাস্ট দেখায় সাথিকে ভালো লাগে রেদোয়ানের,, সে তার ফ্রেন্ড রাকিবকে সাথির সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে।
কারণ রাকিবদের বাসাতে তারা সবাই এসেছে তখন রাকিব বলে সাথি এই গ্রামের নাম তাদের পাশের গ্রামের।
শিমুল স্যার কাছে নাকি সাথি প্রাইভেট পড়ে।
রাকিবে বোন রাখির বেস্টফ্রেন্ড হচ্ছে সাথি তাই সে তার সম্পর্কে জানে।
সাথি সম্পর্কে সব বলে রেদোয়ানকে রাকিব।
তখনি দেখে রাখি আর সাথি একসাথে আসছে,, তারা নিয়ে জানি হাসাহাসি করছে জানি রেদোয়ান খেয়াল করে সাথি
হাসলে তার গালে টোল পড়ে।
অবশ্যই যাদের গালে টোল পড়ে তাদের দেখতে অনেক কিউট লাগে,, [যেমন আমি হি হি যাস্ট মজা করলাম আমার গালেও পড়ে তাই বললাম]
হায় এই হাসিতে পাগল হয়ে গেলাম এই মেয়ে মধ্যে এতো মায়া কই থেকে আসে
ওর দিকে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করে যেন সারাদিন,,
তখন রোহান রেদোয়ানকে একটা ধাক্কা দেয়।
এই তুই কোন ভাবনায় হারিয়ে গেলি,,
তখন তারা বলে হ্যাঁ রে রেদো তুই যেদিন থেকে এখানে আসলি,, তোকে দেখে মনে হচ্ছে তুই কোনো ভাবনায় মগ্ন হুম...কি বেপার কারো প্রেমে পড়লি নাকি
বলে সবাই হাসতে থাকে।
তোরা ঠিক ধরছোনস,,
এক মায়াবতী কন্যার মায়াতে
পড়িছি আমি এক
মেঘ কুয়াশা ঢাকা দিনে
সেই থেকে সেই মেয়ে আমার
এই বুকে দহনে জায়গা দিয়ে দিয়েছি।
ওর কথা শুনে সবাই অনেক অবাক
সবাই একে অপরের দিকে তাকাচ্ছে
তারা মনে হয় এমন কিছু শুনেছে
যেটা তাদের শুনার কথা না।
ওরা ফ্রেন্ড সার্কেল মোট পাঁচজন
রেদোয়ান রহমান,, রাকিব আহমেদ,,
আশরাফুল ইসলাম,, তারা ইসলাম,
সামিমা জাহান জাকিয়া। ওরা একে ওপরের প্রাণ। সবাই তখন মাস্টার্স প্রথম বছরের শিক্ষার্থী ছিলো রেদোয়ানের কখনো মেয়েদের প্রতি ইন্টারেস্ট ছিলো না।
সে বরাবর ফাস্ট বয় ছিলো প্রেম ভালোবাসা তার কাছে বিষের মতো লাগে।
এসব করা মানে সময় নষ্ট হওয়া।
সে পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে স্নাতক করেছে তারা সবাই এই বিষয় নিয়ে স্নাতক করেছে কিন্তু আশরাফুল প্যারানরমাল
বিষয় নিয়ে সব সময় আগ্রহ ছিলো।
তাই সে স্নাতক করার পড় প্যারানরমাল
নিয়ে পড়াশোনা করা শুরু করে,,,

_______________________________
সাথি মা ঠিক করে খাওয়া ঠিক করে করবি না হলে মেরে খাওয়াবো,,
ঠিক তাই মা ভাবি তো এখন আর খাওয়া নিয়ে
বাহানা দিতে পারবে না বলে মুচকি মুচকি হেসে যাচ্ছে।
ওর হাসি যেন আমার শরীর জ্বালানোর জন্য যথেষ্ট।
হ্যাঁ এখন যত হাসা হেসে নেও আমার ও
সময় আসবে তখন দেখবো বলে কোনো রকম করে খাওয়া শুরু করি।
সয়তান মাইয়া এখনো হাসতেসে
মনে হয় আজকে ৩২টা দাতঁ পড়ে যাবে। সয়তান একটা বলে রুমে চলে যাই।
আম্মু আজকে আমাকে কোনো কাজ করতে দিবে না।
আমি রুমে এসে শুয়ে পড়লাম কিন্তু কিছুতে ঘুম আসছে না ওই ঘটনার জন্য কিছুতে হিসাব মিলাতে পারছি না।
তখনি দেখি
মোবাইল বাজে,,
সাতপাচঁ না ভেবে মোবাইলটা নিয়ে দেখি
আমার সাহেবের ফোন,,
রিসিভ করলাম,,
আসসালামু আলাইকুম
ওয়ালাইকুম সালাম আমার মায়াবতী কেমন আছো,,
জ্বি আলহামদুলিল্লাহ ভালো তুমি কেমন আছ,,
বউ যদি এতো সুখবর দেয় আমি কি ভালো না থেকে পাড়ি।
মনটা চাইছে এখনি তোমার কাছে গিয়ে তোমাকে জড়িয়ে ধরি।
তাই নাকি কিছুটা লাজুক শুরুে বললাম।
ইসস,,,বউ এভাবে কথা বলে না

নিজেকে কন্টোল করতে কষ্ট হয় যে,,
আচ্ছা শুনো তেমার কি চাই বলো আমাকে
আমি তোমার সব ইচ্ছা পূরণ করবো আজকে যা চাইবে তাই পাব।
জানো যখন মা বললো আমি বাবা
হবো তখন যেন নিজের কান কে বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে,,
আমি বাবা হবো সত্যি বাবা হওয়ার আনন্দ যে এতো কখনো বুঝতে পারি নেই।
আজ আমি সবচেয়ে বেশি খুশি।
হ্যাঁ এখন তো আমার ভালোবাসবেন না
এখন সব ভালোবাসা আপনার সন্তানকে ভালোবাসেন হুম।
আচ্ছা আজকে ঘটনা কি আমি রেদোয়ানকে বলবো
না থাক ওও আজ অনেক খুশি আমি চাই না ও শুধু শুধু চিন্তা করে,
কাল সকালে তো আমার সব হিসাব মিলাবো।
[কপি করা নিষিদ্ধ রেসপন্স পেলে পরে পর্ব দিবো ]

15/12/2023

তোমার ওই চোখে কি এমন আছে,,
যত দেখি তত ভালো লাগে,,
ওহে হে আমার না হওয়া
ভালোবাসা তোমাকে যে আমি
নিজের করে পেতে চাই।

তুমি কি জানো কত রাত আমি
তোমার নামে অশ্রু ঝরছি।

জানো কত রাত জেগে
ছিলাম তোমার জন্য।
মধ্যে রাতে যে তোমাকে পাওয়ার
জন্য এই মন ছটফট করে।
জানো কি তুমি কি করে
জানবে তুমি কখনো দেখো নি
আমাকে।

কেন এত ব্যকুলতা হই তোমার জন্য
তোমার ওই চোখে কি এমন আছে।
যা আমার হাজার কষ্ট মুছে যায়,,
তুমি কেন বুঝো না আমাকে
কতটা ভালোবাসি তোমাকে।

তুমি তো বীর পুরুষ তোমার যোগ্য
যে আমি নই,,
তাহলে কেন এলে আমার এই মনে
কেন আমার সুন্দর জীবনটা হাহাকার
ভরে দিলে,,

আমার সুন্দর জীবনটা আধার নেমে
এনে দিলে কেন হ্যাঁ আমার প্রেমিক পুরুষ।

#শাহানাজ মুন্নী
একটু কবিতা লেখার চেষ্টা করছি জীবনের প্রথম
লেখেছি।

15/12/2023

স্কুলের নতুন শিক্ষিকা ক্লাস ৯ ম এর ছাত্রদের সাথে পরিচিত হচ্ছেন

প্রথম ক্লাসেঃ আমি তোমাদের নতুন ম্যাডাম । এসো তোমাদের সাথে পরিচিত হই ।

প্রথমে ছেলেরা একে - একে দাঁড়িয়ে নিজের নাম এবং একটা প্রিয় শখের কথা আমাকে বলো ।

প্রথম জন- আমার নাম শাকিল , আমার শখ পুকুরে পদ্ম দেখা ।

দ্বিতীয় জন- আমার নাম লিটন , আমারও শখ পুকুরে পদ্ম দেখা ।

এভাবে সব ছাত্র তাদের নাম বলল এবং প্রিয় শখের কথা বলল , পুকুরে পদ্ম দেখা ।

শিক্ষিকা তো ছাত্রদের আচরণে অবাক , এরপর

তিনি মেয়েদের দাঁড় করালেন এবং নিজের নাম ও শখের কথা বলতে বললেন ।

প্রথম ছাত্রীটি অত্যন্ত লজ্জিত মুখে উঠে দাঁড়ালো এবং আস্তে আস্তে বললঃ আমার নাম পদ্ম এবং আমার শখ দিনে তিনবার পুকুরে গোসল করা ... !

15/12/2023

শিক্ষা মানে আনন্দ; তাই বলে কমেডি তো নয়!

14/12/2023

#তুমি আমার শ্রুকতারা
#লেখিকা :শাহানাজ মুন্নী
পর্ব:২

"পরে দিন যা শুনালাম তা শুনে আমার পায়ের নিচে মাটি সরে গেলো,, এটা কি হওয়ার ছিলো না হলে কি এমন ক্ষতি হতো,, আচ্ছা এটা শুনে আমার এতো কষ্ট হচ্ছে কেন কষ্ট পাওয়ার কথা নয় আমি কি জুনায়েদকে ভালোবেসে পেলে নিতো হুম ভালোবাসে পেলেছি তো..
ফ্ল্যাশব্যাক,,
আমি যখন ভার্সিটিতে এসেছি তখন দেখি সবাই কি নিয়ে জানি কানাঘুষাঁ করছে একজন আরেকজনকে কি নিয়ে কথা জানি বলছে,, তখন আমি এতো পাওা দি নেই।
আমি তাড়াতাড়ি ক্লাসে দিকে যাওয়া শুরু করি কারণ আজকে ঘুম থেকে ওঠতে দেরি হয়ে গিয়েছে।"তাই ভার্সিতে আসতে লেট হয়ে গেছে।
ক্লাস ঢুকে দেখি স্যার এখন আসি নেই যাক বাবা বাঁচা গেছে। না হলে স্যার বাহিরে দাড়িঁয়ে রাখতো।
তখনি কই থেকে স্রোতি আর সামিয়া কই থেকে দৌঁড়ে আসে রাহিত ও আসে কিন্তু ও ওদের মতো আসে না ও স্বাভাবিক ভাবে হেঁটে আসে।
স্রোতি আর সামিয়া হাঁপিয়ে গেছে অনেকটা।
এই তোরা কই থেকেএত জোড়ে দৌড়ে আসলি,,
আরে তুই কিছু শুনেছ নাই কলেজে যে একটা বড় কান্ড হয়ে গেছে।
আরে আমি কি শুনবো মাএ তো ভার্সিটিতে আসলাম,, এসে দেখি কেউ ক্লাসরুমে নেই।
আচ্ছা শুন বলছি কি হয়েছে,,
তোরা কই ছিলো আচ্ছা তোরা তো হাপিঁয়ে গেছোস,, আগে পানি খেয়ে নেয়
তারপর বলিস কি হয়েছে।
স্রোতি আমার থেকে পানির বোতল নিয়ে খাওয়া শুরু করে,, তখন সামিয়া বলে
এই আমাকেও পানি দেয়।
তখন রাহিত বলে আরে এই শাঁকচুন্নিদের
না হওয়া ভালোবাসা এখন ওই মারিয়া আন্টির বয়ফ্রেন্ড।
মানে কি বলছিস এসব রাহিত।
তখনই মারিয়া কান্না করতে শুরু করে,
আরে জানু তুই কান্না করেস কেন কি হয়ে খুলে বল তখন মারিয়া যা বলে তা শুনে আমার পুরো পৃথিবী থমকে যাই সারা শরীর কাঁপতে থাকে।
মুন্নী আমাদের ভার্সিটির সবচেয়ে ফেমাস রকস্টার জুনায়েদ ভাইয়া ওই কালনাগিনী মারিয়া সাথে রিলেশন করে,,
তিনি আজ নিজের মুখে সেটা বলেছেন,,
আমি নিজেকে স্বাভাবিক করে জুনায়েদ কে না চেনার ভান করে বললাম যে জুনায়েদ টা কে আর মারিয়া সে আবার কে,, আসলে আমি চাই না কেউ আমার সিক্রেট সম্পর্কে জানাতে,, আর আমি মারিয়া কে চিনি তিনি জুনায়েদ সাথে এক ব্যাচে পড়ে,, মারিয়া একজন মডেল দেখতে অনেক সুন্দর ভার্সিটির অর্ধেক ছেলে পাগল ওনার জন্য,
কিন্তু ওনি নাকি জুনায়েদকে ভালোবাসেন অবশ্য আমি শুনেছি ওনি নাকি মারিয়া আপুকে পাওা ও দিতো না। কিন্তু জুনায়েদ আবার কবে রকস্টার হলো সেটা তো আমি জানি না এসব ভাবছি,,,
তখন স্রোতি বলে তুই জুনায়েদ ভাইয়াকে কে চিনেস না ভার্সিটি অর্ধেক মেয়ে তো তার জন্য পাগল ফেসবুক তো তার একটা ফ্যান গ্রুপ আছে। জুনায়েদ ভাইয়া আমাদের এক ইয়ার সিনিয়র আর মারিয়া আপুও, ওনাকে সবাই জুনাহা রকস্টার হিসেবে সবাই চিনে আর তুই ওনাকে চিনোস না।
না আমি কি করে চিনতে যাবো আর সে যার সাথে রিলেশন করোক তাতে তোদের কি ওনার কি কোনো মন নেই।
ওনি ও একজনকে ভালোবাসতে পারে তাতে আমাদের কি এসব বাদ দেয়।
আজ ক্লাস হবে না কেউ তো আসছে না।
আরে হ্যাঁ তোকে তো বলতে ভুলে গেছি আজ প্রথম ঘন্টা হবে না কারণ স্যারে হসপিটালে ওনার স্ত্রী ডেলিভারি আজ।
আর তুই ঠিক বলছোস জুনায়েদ ভাইয়া ও রিলেশন করতে পারে আর মারিয়া আপু দেখতে সুন্দর ওনাদের মতো একই
হাই সোসাইটি। এমন মেয়েকে তো সবাই পছন্দ করবে।
কিন্তু সামিয়া চুপ করে আছে কি তুই কি ওনাকে ভালোবাসো নাকি যেভাবে বসে আসোস এটা বলে সবাই হাসতে থাকি।
কিন্তু সামিয়া চুপ করে আছে,,
আসলে আমি ওনার সাথে মারিয়াকে পছন্দ হয় নেই,,আর ওনাকে তো আমি ভাইয়ের চোখে দেখি,,
মারিয়া আপু যায়গাতে যদি মুন্নী থাকতো তাহলে আমার চেয়ে কেউ খুশি হতো না এটা সে আস্তে বলে।
এই সামিয়া কি বললি আবার বল,,
আরে কই কি বলছি আমি কিছু বলি নাই স্রোতি তুই একটু বেশি কানে শুনোস আচ্ছা গাইস আমি বাড়িতে চলে যাই
বাই,, এটা বলে সে কোনো রকম তাড়াতাড়ি কেটে পড়ে।
এটা কি হলো মুন্নী আমার মনে হচ্ছে সামিয়া কিছু একটা লুকাচ্চে আমাদের থেকে।
হুম তুই ঠিক বলছোস কিন্তু এখন এসব ভাবিস না না হলে তোর সুন্দর মুখটা পেন্তির মতো হয়ে যাবে বেশি ভাবলে এটা বলে রিহাত বএিঁশটা দাঁত বের করে হাসতে থাকে।
রাহিতার বাচ্ছা আজ তোর একদিন কি আর জামাইর একদিন এটা বলে রাহিত কে দৌড়াঁনো শুরু করে।
এই দুইটা কোনোদিন ভালো হবে আমি আর ভার্সিটিতে না থেকে বাসায় চলে এলাম।
তাড়াতাড়ি রুমে এসে দরজা বন্ধ করে ব্যাগটা কাবাডে রেখে দেয়ালে সাথে লেগে বসে কান্না করতে থাকি।
আসলে তখন কোনো রকম নিজেকে স্বাভাবিক রেখেছি,, কিন্তু এখন সব এক সাথে দলা বন্ধ ভাবে আসছে মনে হচ্ছে দম বন্ধ হয়ে আসবে।
নিয়তি কি আজব তাই না আমি আজকে বুঝতে পারছি আমি জুনায়েদ কে ভালোবাসি কিন্তু ওনাকে ভালোবাসি বলার আগে ওনি অন্য কারো ভবনে,,
তার মনে অন্য কারো বসবাস আমার যাস্ট সহ্য হচ্ছে না কতক্ষণ কান্না করছি জানি না আমার দমবন্ধ হয়ে যাওয়া অনুভূতি।
এখন আর ওনাকে দেখে এসব ভালোবাসা ভাবনা আনতে পারবো না কারণ সে অন্য কারোর কেন সে আমার হলো না কেন,, কেন হলে কি কোনো অসুবিধা হতো আমি তো তার জন্য অনুভূতি চেয়ে আনতে যায় নি সেটা অজান্তে চলে আসছে।
আমার কিছু ভালো লাগছে না আল্লাহ শুধু বলছে কেন তাকে আমার জীবনে দিলা না
আরো হাজারো কথা মাথায় ঘুর পাক খাচ্ছে।
মাথাটা প্রচন্ড ধরছে আমি যখন কান্না করি তখন মাথা ভার হয়ে আসে।
ওয়াশরুমের গিয়ে মুখে পানি দিলাম।
তারপর সাওয়ার নিলাম
শরীরটা কিছুটা হালকা লাগছে,, জামা কাপড় ছাদে মেলে দিয়ে রুমে এসে,, বিছানাতে শুয়ে পড়লাম।
আজ আমি বিষণ ক্লান্ত কিছুক্ষনের মধ্যে চোখে নিদ্রা এসে গেলো।
এই মুন্নী মুন্নী ওঠ এই....
এই মেয়েকে নিয়ে পারি না ছেলেটা তো নম্রভদ্র হয়েছে কিন্তু মেয়ে হয়েছে বান্দর এই সন্ধ্যা সময় কোন মানুষটা ঘুমায়।
তিনি তখন মুন্নী গায়ে হাত দিয়ে দেখলেন নাহার সুলতানা কিছুটা ঘাবড়ে গেলেন তিনি তাড়াতাড়ি ওনার আদরের কন্যার মাথা চেক করে দেখে ওনার মনে হচ্ছে হাত পুড়ে যাচ্ছে,,তিনি বিরবির বললেন ওর তো জ্বর আসছে,,
তিনি আর এক সেকেন্ড ও সময় নষ্ট না করে শায়েদ কাজী মানে মুন্নীর বাবার কাছে যান।
ওনাকে তড়িঘড়ি ভাবে আসতে দেখে
সায়েম জিজ্ঞেস করে আম্মু তোমাকে এমন চিন্তিত দেখাচ্ছে কেন,, সায়েম হচ্ছে মুন্নী বড় ভাই সায়েম গাজী বাবা মায়ের বাধ্য সন্তান এবার সে অনার্স লাস্ট ইয়ারে পড়াশোনা করছে সে মুন্নী ১'৫বছরের বড় তাই সে মুন্নী এক ইয়ার সিনিয়র সে তাদের ইউনিভার্সিটি পড়ে,, সে খুব মেধাবী ছাত্র। ইউনিভার্সিটি কেউ জানে না
সায়েম মুন্নীর ভাই কারণ মুন্নী জানতে দেয় নেয় স্কুল কলেজ থাকতে মেয়েরা তার কাছে তার ভাইয়ের জন্য লাভ লেটার দিয়ে যেতো তার তো তখন সে বিষণ বিরক্ত বোধ করতো অবশ্য পরে সে সায়েমকে এর জন্য ইচ্ছা মতো মারধর করতো সায়েম আর মুন্নী সম্পর্ক সাপ নেউলের সায়েম গায়ের রং হলুদ ফর্সা হাইট ৫'১১ চাপ দাড়িঁ সে সব সময় ডেভিল ভাবে হাসে যা মুন্নী সহ্য করতে পারে না,, কিন্তু মেয়েরা এই হাসি দেখে প্রেমে পড়ে,, অবশ্য মুন্নী ও কম কি গায়ে রং ফর্সা চোখের মনি নীল ব্রাউন [এটা আমার চোখের মনি নীল ব্রাউন]
হাইট ৫'৬ দেখলে যে কেউ প্রেমে পড়ে যাবে কিন্তু সে তার সৌন্দর্য সব সময় লুকিয়ে রাখে সে পর্দা করে।

আরে সায়েম বাবা তোর বোনের ভীষণ জ্বর ভার্সিটির থেকে এসে সেই যে রুমে ঢুকছে এখন বাহির হয় নেই আজকে মেয়েটা খাবার খাই নেই এই মেয়েকে নিয়ে আমি আর পারি না।
[আমি ঠিক করে গোছানো ভাবে লেখতে পারি নেই ভুলকুটি থাকতে ক্ষমা করে দিবেন]
[কপি করা নিষিদ্ধ রেসপন্স পেলে পরের পর্ব দিবো ]

14/12/2023

চারদিকে আলোর চকচক করছে সবাই যে যার মতো কাজ করছে ছোটরা ছোটাছুটি করছে কেউ এদিকে যাচ্ছে কেউ বা ওদিকে বড়রা অনেক ব্যস্ত।
ব্যস্ত হবে না কেন আজকে যে এই বাড়ি একমাএ মেয়ে মুন্নী বিয়ে পুরো নাম শাহানাজ মুন্নী সে এবার একটা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে অনার্স থার্ড ইয়ারে পড়ে রসায়ন সাবজেক্ট নিয়ে।
পরিবারে সবাই খুশি তাদের একমাএ মেয়ে বিয়ে দিবে বলে আত্মীয় স্বজনরা বলাবলি করছে মুন্নী তো রাজ কপাল কারণ তার হবু জামাইরা নাকি অনেক বড়

লোক ছেলে নাকি সরকারি চাকরি করে।
এমনিতে এই দেশে সরকারি চাকরি করা ছেলেদের অনেক মূল্য তার অপর ছেলেরা নাকি কোন কিছুর দাবি নেই।
এসব তারা একজন আরেকজন বলছে।
এদিকে আবার নাহার সুলতানা বুকটা হাহাকার করছে তিনি মুন্নীর মা।
ওনার একটা মাএ মেয়ে সে কালবাদে পরশু পরের ঘরে চলে যাবে। এসব ভাবতে চোখ দিয়ে কখন এক ফোটাঁ পানি পড়লো তিনি ক্ষণেখানিও টের পান নেই।

এবার আসি যাকে নিয়ে সবাই উল্লাস করছে যার বিয়েতে এতো খুশি সবাই
সে কি এই বিয়েতে রাজি ওম,,
আসলে সে এই বিয়ে তে রাজি না কারণটা হলো সে যে একজনকে তার মনটা দিয়ে রেখেছে সে আর অন্য কেউ না তাদের ভার্সিটির সবচেয়ে ফেমাস ছেলে জুনায়েদ আহমেদ জোয়ান । সে মুন্নীর এক বছরের সিনিয়র,, সে যখন প্রথম ভার্সিটিতে পা রাখে ভার্সিটিতে ঢুকে দেখতে পেলো দক্ষিণ সাইডে সবাই জোড় হয়ে আছে তাই সে কৌতুহল হয়ে সেদিকে পা বাড়ালো সে দেখলো একটা ছেলে গাছে নিচে গিটার নিয়ে গান করছে,,
গানটা এমন ছিলো,,
আমি ভাবি...!
যদি আবার...!
ছুঁতে পারতাম তোমাকে...!
সত্যি বা...!
স্বপ্নই হোক..."
এই দূরত্ব শেষ হয়ে যেত যে.!!!
এতোক্ষণ মন দিয়ে গানটা শুনছিলাম চোখ বন্ধ করে,,
হঠাৎ করে দেখি গানটা আর শুনা যাচ্ছে না কি মিষ্টি কন্ঠ ইসস আমার
কন্ঠটা যদি এমন হতো কিন্তু আমার কন্ঠ তো কাক কন্ঠ চেয়ে খারাপ।
সেদিন ওনার গানের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম।সেখানে আর না দাড়িয়ে ক্লাস চলে গিয়েছিলাম সেখানে স্রোতি নামে একটা মেয়ের সাথে ফ্রেন্ডশিপ করেছিলাম যে এখন আমার বেস্টফেন্ড
মেয়েটার আমি বলতে অজ্ঞান আমাকে ছাড়া কিছু বুঝে না।

"" ওনি প্রতিদিন বড় বটগাছটার নিচে পড়ে ওনার কোকিলের মতো সুরেলা কন্ঠ গান গাইতো আর আমি প্রতিদিন সেই গানে কন্ঠ প্রেমে পড়তাম,,
ওনাকে প্রতিদিন আমি আড়াঁলে দেখতাম
সময়ে সাথে সাথে ওনার জন্য আমার অনুভুতি গুলো বাড়ঁতে থাকে বুঝতে পারি নেই এবাবে দুইটা বছর চলে গেলো স্রোতির সাথে আমার সম্পর্ক অনেক গাড় হলো তখন আমরো দুইজনের সাথে ফ্রেন্ডশিপ হয়েছে একজন ছেলে রাহিত যে স্রোতির চাচাতো ভাই,, তারা একসাথে ছোট থেকে একসাথে বড় হয়েছে। তারা একজন আরেকজনকে দেখতে পারে না সারাদিন ঝগড়া করে কিন্তু কেউ কারো সাথে কথা না বলে থাকতে পারে না মানে সামথিং সামথিং এরা একজন আরেকজনকে ভালোবাসে,

যেটা তারা একজন আরেকজনকে বুঝতে দেয় না, কিন্তু আমি আর সামিয়া ঠিক বুঝতে পারছি,, সামিয়া হচ্ছে আরেক বেস্টফ্রেন্ড যে পড়াশোনা ছাড়া কিছু বুঝতো না আগে এখন এমন কিন্তু
এখন তিনজন বান্দরের সাথে চলে এইরকম হয়ে গেছে মানে আমাদের সাথে চলে আমরা তিনটা যে এক একটা বড় রকমের ফাঁকিবাজ।
একদিন ওনি কলেজে আসে নেই যার জন্য তখন মনটা অনেক খারাপ হয়ে যায় কারণ আমি ওনার গান না শুনলে আমার দিনটা ভালে লাগে না আমি ভার্সি ছুটির দিনে ওনার আড্ডা জায়গায় লুকিয়ে গিয়ে গান শুনতাম,, আজ ভাবলাম আবার ওই লুকিয়ে যাবো তারপর ও ওনার গান আমাকে শুনতে হবে,

পরে শুনি ওনি নাকি অসুস্থ যেটা শুনে আমার অনেক কষ্ট হলো কেন হলো বুঝলাম না,, শুধু গান না শুনার জন্য তো এতো কষ্ট লাগতো না কারণ গান না শুনলে একটু খারাপ লাগে এইরকম বুক হাহাকার করে না। এইরকম তো কোনোদিন আমার হয় নেই,,
সেইদিন বাড়িতে ফিরে আমার মধ্যে অস্থিরতা কাজ করছিলো কেন করছে বুঝলাম না।

আমার মাথায় শুধু এটা আসছিল যে ওনি এখন কেমন আছেন,, ওনার জ্বর সারছে
আরো কত চিন্তা মাথায় ভর করেছিলো।
সারারাত একফোঁটা ঘুমাতে পারেনি সে।

রাত ফেরিয়ে সূর্য উদয় হলো চারিদিকে আযানের কলধ্বনি কি মধু শব্দ তার কানে বাজছে তার কাছে এখন মনে হচ্ছে পৃথিবী যতো সুন্দর গান আছে তা আযানের কাছে কিছু না সব মূলহীন,, পাখিদের কিচির মিচির ডাকাডকি শুনা যাচ্ছে,, হালকা মৃদ বাতাস আসছে অন্য সময় হলে মুন্নী সেটা উপভোগ করতো কিন্তু" আজকে পরিস্থিতি বিভিন্ন আজ যে
তার মনে শান্তি নেই।
একটু যদি সে জুনায়েদকে দেখতে পারতো
তাহলে হয়তো তার মনে প্রশান্তি বন্যা বসতো।
সে আর দেরি না করে বিছনাতে থেকে নেমে ওয়াশরুম গিয়ে ওযু করে নিলো রুমে এসে নামাজ পড়ে কুরআন তেলাওয়াত করে,, দরজা খোলে দাদির রুমের দিকে রওনা হলো এটা তার নিত্যদিনের অভ্যাস,, সেখানে গিয়ে দাদা আর দাদির লাভস্টোরি শুনে তার দাদি প্রচুর শৌখিন মানুষ।
কি গো বুড়ি আজকে যে তোমার সুরেলা কন্ঠে কুরআন তেলাওয়াত শুনলাম না?
আরে আমার বুবুজান যে আসো এইদিকে এখানে বসো,, আইজ আমার শরীরডা একটু খারাপ তাই পড়ি নাই নামাজ পইড়া এইহানে বইসা রইছি।
দাদা কি মসজিদে গিয়েছে।
হো তোর দাদা একটু আগে গেছে একটু হর চইলা আইবো,,
দাদা তোমাকে অনেক ভালোবাসে তাই না
দাদি।
এ,,কচু ভালোবাসে কাইলা রাতে কইছি আমারে নিয়া একটু হাটতে বের হইতে।
কিন্তু এতে ওনার ঘোর আপওি
আমারে নিয়া বাহির হবে না আমার নাকি শরীর খারাপ হবে। এই বুড়া বয়সে হাঁটা লাগবে না।
তহন আমি ও বলছি যে ও আমি আপনার কাছে এহন বুড়া হইয়া গেছি এহন তো আমারে ভালো লাগবে না অন্য কারে মনে ধরছে ওই কমলা বানুরেনি তোমার মনে ধরছে ও আল্লাহ গো এই বুইড়া বয়সে সতিনের মুখ দেখতে হবে গো এসব বলে আহাজারি করছে আর দাদা এসব না ঘেটে শুয়ে পড়ে দাদিরে শক্ত করে দাদা জানে যত কথা বাড়াবে তত কত কথা বাড়বে তাই চুপ থেকে দাদিকে শক্ত করে ধরে ঘুমিয়ে যায় আর দাদি তো দাদি বিলাপ করতে করতে ঘুমিয়ে যায়।
দাদির কথা শুনে আমি হসতে হাসতে বিছানা থেকে পড়ে যাওয়ার উপক্রম

তখন দাদি ধমক দিয়ে বলে এই চেমরি হাসোস কা তোকে জ্বিন ভুত ধরছে নাকি
দাদি কথা শুনে আমি আরো জোড়ে হাসতে থাকি।
দাদি কিছু না বলে আমার হাসি দেখতে থাকে দাদির কোনো মেয়ে নেই ওনার দুই ছেলে আমার আব্বু ছোট শায়েদ কাজী
আমরা কাজীর বংশের বড়আব্বু আসিফ কাজী আমাদের নিজেদের বাজারে পারিবারিক ব্যবসা আছে।
আমি সেইদিন দাদির সাথে কতক্ষণ কথা বলে ভার্সিটি জন্য রেডি হয়ে কোনো রকম ভাবে একটু নাস্তা খেয়ে ভার্সির দিকে ছুটলাম,, এট দেখে আম্মু বকা দিতে শুরু করে আমি নাকি খাবার খাই না,, না খেয়ে কঙ্কাল করছি নিজেকে এটা আমার প্রতিদিনের কাজ আর প্রতিদিন আম্মু বকা অর্ধেক শুনি।

ভার্সিতে গিয়ে শুনি আজকেও নাকি আসবে না এবাবে দুইদিন পার হয় আমি ওনাকে প্রচুর মিস করি এইও বুঝতে পারি
ওনার জন্য আমার মনে কিছু একটা আছে।
পরে দিন যা শুনালাম......

[কপি করা নিষিদ্ধ রেসপন্স পেলে পরের পর্ব দিবো। পরের পর্ব পেতে এই পেইজ ফলো করে দিবেন]
#তুমি আমার শ্রুকতারা
#লেখিকা:শাহানাজ মুন্নী
পর্ব:১

21/10/2023



-ভাইয়ারা Edit ছারা একটা পিক দেনতো এলাকার বাচ্চাদের ভয় দেখাবো, ভারি দুষ্টমি করতাছে🤣

20/10/2023

পরীক্ষা চলছিলো স্যার প্রচুর কড়া গার্ড দিচ্ছিলো। 😑
হঠাৎ পকেট থেকে নকলটা বের করে লেখা শুরু করলাম। 😇
স্যারের হাতে ধরা খেয়ে গেলাম। 😑
স্যার নকলটা নিয়ে পড়লেন। 🙂
তারপরে গিয়ে চেয়ারে বসে রইলেন। 🥱
৩ ঘন্টা পরীক্ষা দিলাম কিন্তু স্যারে আর চেয়ার থেকে উঠলো না। 🙂
এই সুযোগে সবাই দেখাদেখি করে লেখলাম। 🥱

পরীক্ষা শেষ,
সবাই প্রশ্ন করলো কিরে তোর নকলে কি লেখা ছিলো?স্যারে যে ৩ ঘন্টায় চেয়ার ছেড়ে উঠলেন না?
আমি বললাম,"আরে ওটা নকল ছিলো না। ওটাতে লেখা ছিলো "স্যার আপনার প্যান্টের পিছনের সেলাইটা ছুটে গেছে।" 🥱🙃🤣

মন ছুঁ'য়ে যেতে নতুন নতুন গল্প পেতে আমার আইডি ফলো করে রাখুন 🥰

20/10/2023

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অভিশাপ, মধ্যবিত্ত হয়ে জন্মানো
শুধু স্বপ্নই আছে পূর্ণতা নেই।😔

20/10/2023

🗣️ব্রেকিং নিউজ:

২৫ দিনের বাচ্চার ওজন ৪০ কেজি!😳

কুমিল্লা জেলার শিদলাই গ্ৰামে এই অদ্ভূত বাচ্চাটির জ!ন্ম হয়েছে😧

জ!ন্মে!র ১০ মিনিট পরই সে ওঠে দারায়😦

তার ৫ মিনিট পর সে দৌড়াতে শুরু করে😮

পরে ওজন মেপে দেখা গেছে যে বাচ্চাটির ওজন ৪০। কেজি😯

ঘটনা সত্য কারণ বাচ্চাটি গরুর ছিল 🤠

©️
মন ছুঁ'য়ে যেতে নতুন নতুন গল্প পেতে আমার আইডি ফলো করে রাখুন 🥰

Address

Chandpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shahnaj munni posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category