18/05/2026
আগামী ২০/২১ তারিখে (২/৩ দিন পরেই) এবছরের প্রথম #হিমসাগর ডেলিভারি হবে ইনশাআল্লাহ। আশাকরি শতভাগ পরিপক্ক আম পাবেন, শতভাগ স্প্রে মুক্ত আম হলেও সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করলে ঈদুল আজহা অবধি সংরক্ষণ করে খেতে পারবেন।
🥭 প্রথম কমেন্টে ফটোকার্ডে মূল্য ও অর্ডারের পরিমান দেয়া আছে।
⚪ কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরিঃ-
▫️গাছ থেকে নামানোর পর আপনার হাতে পৌঁছানো অবধি এই আমে কোনোপ্রকার রাসায়নিকের ছোঁয়া থেকে মুক্ত রাখার দায়িত্ব আমার।
▫️এই দায়িত্ব পালন করার কারণে সংগত কারণেই আমাদের আমগুলো সচরাচর বাজারে প্রাপ্ত আমের তুলনায় একটু দ্রুত পঁচতে শুরু করে। ফলে আমরা যেইটুকু অর্ডার হয় এক চালানে সাধারণত তারচেয়ে বেশী আম আনি না।
▫️ট্রেডিশনাল আড়ৎদারি পদ্ধতিতে ব্যবসায়ীরা পঁচন রোধ করার উদ্দেশ্যে ফরমালিন, কার্বাইড, ইথিফন, এথ্রেল, বেনোমিল, ওয়াক্স কোটিং ও প্রিজার্ভেটিভ গ্যাস সহ বিভিন্ন প্রকার অনুমোদিত-অনঅনুমোদিত রাসায়নিক ব্যবহার করে থাকে!! এগুলো অনেকক্ষেত্রে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
▫আড়ৎদার ভাইদের পঁচনের ভয় কম ও অধিক পাইকার থাকায় তারা একই ট্রাকে আড়াই হাজার- তিন হাজার কেজি আম একবারে পরিবহন করতে পারে, ফলে প্রতি কেজি আমে তাদের পরিবহন খরচ আসে মাত্র ৩/৪ টাকা।
▫️পক্ষান্তরে আমাদের প্রতি চালানে মাত্র তইনশো-চারশো কেজি আম আনতে হয়, ফলে এতো অল্প আম পরিবহনে কুরিয়ার সার্ভিসের উপর ভরসা করা ছাড়া আমাদের বিকল্প কোনো উপায় থাকে না। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় পাঠাতে কুরিয়ারে আমাদের প্রতি কেজি আমে ২৫ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়ে থাকে।
▫️আড়ৎদার ভাইয়েরা সরাসরি গাড়ি নিয়ে যাতায়াত করার কারণে একই ক্যারট (ঝুড়ি) তারা অসংখ্যবার ব্যবহার করতে পারে, এক্ষেত্রে আমরা একই ক্যারট একবারের বেশী ব্যবহার করতে পারিনা। ফলে প্রতি ২০/২২ কেজি আমে আমাদেরকে ৩০০ টাকা দামের একটি ক্যারোট প্রোভাইড করতে হয়। তা'ও অনেক ক্ষেত্রে বাজারে চরম সংকট থাকে।
▫️আমরা তুলনামূলক বাছাই করা সাইজটা দেয়ার চেষ্টা করি, হিমসাগর মানে হিমসাগরই একটাও গুটি আম থাকবে না। যেইক্ষেত্রে অনেক ক্রেতা ভাইয়েরাই বাজার থেকে গুটি ও হিমসাগর মেশানো থাকলে আলাদা করে বেছে নিতে পারেন না।
🙂 উপরোক্ত কারণগুলো ছাড়াও আরো কিছু বিশেষ কিছু কারণে আমাদের আমে বাজারের আমের চেয়ে ২৫/৩০ টাকা বেশী দাম হয়।
হ্যা! এটা মেনে নিয়েই আমাদের বিশ্বস্ত ক্রেতাগন প্রতি বছর আমাদের থেকে আম নিয়ে থাকেন।।