16 ANA FKT

16 ANA FKT prasenjit das, college para, Falakata,alipurduar,west bengal

সুপ্রভাতের  আলো, নতুন আশার গান,প্রতিটা স্বপ্নে হোক পূর্ণতার স্থান।মেঘের ফাঁকে সূর্যের হাসি,আজকের দিন হোক সুখে ভাসি।সুপ্র...
20/12/2024

সুপ্রভাতের আলো, নতুন আশার গান,
প্রতিটা স্বপ্নে হোক পূর্ণতার স্থান।
মেঘের ফাঁকে সূর্যের হাসি,
আজকের দিন হোক সুখে ভাসি।
সুপ্রভাত, শুরু হোক নতুন প্রেরণায়, তোমাদের দিন কাটুক আনন্দের ছায়ায়।♥️♥️♥️♥️♥️

হনুমানজি হিন্দু ধর্মে একজন আদর্শ ভক্ত এবং নীতিবান চরিত্র হিসেবে পরিচিত। তাঁর কথাগুলি জ্ঞান, ভক্তি এবং জীবনের গভীর তত্ত্ব...
19/12/2024

হনুমানজি হিন্দু ধর্মে একজন আদর্শ ভক্ত এবং নীতিবান চরিত্র হিসেবে পরিচিত। তাঁর কথাগুলি জ্ঞান, ভক্তি এবং জীবনের গভীর তত্ত্ব প্রকাশ করে। এখানে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা দেওয়া হলো:

1. "রামের কাজ করার জন্য আমি এসেছি, কোনো শক্তি আমাকে থামাতে পারবে না।"

এই কথা তাঁর নিষ্ঠা ও সংকল্পের প্রতীক।

2. "শক্তি আর জ্ঞানের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই সত্য শক্তি।"

এটি শারীরিক শক্তি এবং জ্ঞানার্জনের সমন্বয়ের গুরুত্ব বোঝায়।

3. "ভক্তির শক্তি সবচেয়ে বড় শক্তি। ভগবানের প্রতি ভক্তি মানুষকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে নিয়ে যায়।"

ভক্তির গুরুত্ব ও মহিমা ব্যাখ্যা করেন হনুমানজি।

4. "আমি রামের দাস, তাঁর সেবা করাই আমার জীবন।"

এটি তাঁর নিঃস্বার্থ ভক্তির প্রকাশ।

5. "কোনো কাজ ছোট নয়, যখন তা ভগবানের উদ্দেশ্যে করা হয়।"

প্রতিটি কাজকেই গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা দেন।

হনুমানজির এই উক্তিগুলি আমাদের জীবনে সঠিক পথে চলার, ভক্তি এবং নৈতিকতা বজায় রাখার প্রেরণা দেয়।

19/12/2024
16/12/2024

Tast 😁😁😁😁

Good  day
16/12/2024

Good day

13/12/2024

Tast 😌😌😌😌

11/12/2024

tast 👌👌👌

Good night😌
10/12/2024

Good night😌

Good evening😁
09/12/2024

Good evening😁

অনেক পুরনো একটি মন্দির ছিল। মন্দিরটি ছিল নির্জন এক পাহাড়ের পাদদেশে। গাছপালায় ঘেরা সেই স্থানে পাখিদের কলকাকলিতে মুখরিত পর...
07/12/2024

অনেক পুরনো একটি মন্দির ছিল। মন্দিরটি ছিল নির্জন এক পাহাড়ের পাদদেশে। গাছপালায় ঘেরা সেই স্থানে পাখিদের কলকাকলিতে মুখরিত পরিবেশ তৈরি হতো। সেখানে এক পণ্ডিত বাস করতেন। পণ্ডিত ছিলেন খুব জ্ঞানী এবং ধর্মপ্রাণ। তিনি দিনে মন্দিরের পূজা-অর্চনা করতেন এবং রাতে শাস্ত্র অধ্যয়ন করতেন।

সাধারণ মানুষরা দূর-দূরান্ত থেকে তার কাছে আসত জ্ঞান অর্জনের জন্য। তিনি শুধু ধর্মীয় জ্ঞানই দিতেন না, জীবনের সমস্যার সমাধান এবং সঠিক পথের দিকনির্দেশনাও দিতেন। তার কথা এতই প্রভাবশালী ছিল যে, অনেকেই তাকে গুরু হিসেবে মানতেন।

একদিন হঠাৎ মন্দিরের পাশ দিয়ে যাওয়া এক বণিক সেখানে এসে উপস্থিত হলো। বণিকটি ক্লান্ত ছিল এবং কিছু সময় বিশ্রাম নিতে চেয়েছিল। পণ্ডিত তাকে আশ্রয় দিলেন এবং খাবার দিলেন। বিশ্রামের সময় বণিক তার জীবনের দুঃখ-কষ্টের কথা শোনাল। পণ্ডিত মনোযোগ দিয়ে সব শুনলেন এবং তাকে কিছু পরামর্শ দিলেন। বণিক সেই পরামর্শ মেনে চলল এবং পরে তার জীবন বদলে গেল।

এই মন্দির এবং পণ্ডিতের গল্প অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরটি ক্ষয়প্রাপ্ত হতে শুরু করলেও, সেই পণ্ডিতের জ্ঞান এবং শিক্ষা মানুষের মনে অমর হয়ে রয়ে গেল।

একদিন সন্ধ্যা নামার পর হঠাৎ মন্দিরের চারপাশে এক অদ্ভুত অশান্তি ছড়িয়ে পড়ল। বাতাস ভারী হয়ে এলো, পাখিদের ডাক থেমে গেল, আর গাছের পাতা সোঁ সোঁ করে কাঁপতে লাগল। মন্দিরের দরজার সামনে হঠাৎ এক বিশাল দানব উপস্থিত হলো। তার উচ্চতা ছিল আকাশছোঁয়া, আর চোখ থেকে জ্বলজ্বলে লাল আলো বের হচ্ছিল।

দানবটি প্রচণ্ড ক্রোধে মন্দিরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করল। তার পায়ের ভারে মন্দিরের মেঝে কেঁপে উঠল, আর ছাদের পুরনো পাথরগুলোর ভারসাম্য নষ্ট হয়ে কিছুটা ভেঙে পড়তে শুরু করল। মন্দিরের সমস্ত পরিবেশ আতঙ্কে স্তব্ধ হয়ে গেল।

পণ্ডিত তখন পূজারত অবস্থায় ছিলেন। হঠাৎ এই ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখে তিনি ধৈর্য হারালেন না। ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ালেন এবং দানবের দিকে তাকিয়ে শান্ত স্বরে বললেন, "তুমি কে এবং কেন এভাবে পবিত্র স্থানের শান্তি নষ্ট করতে এসেছো?"

দানব গর্জন করে বলল, "আমি এই জায়গার প্রকৃত অধিকারী। এই মন্দির তৈরি হওয়ার আগে আমি এখানে রাজত্ব করতাম। মানুষ আমাকে ভুলে গেছে। আমি এসেছি সব কিছু ধ্বংস করতে।"

পণ্ডিত শান্তভাবে দানবকে বোঝানোর চেষ্টা করলেন। তিনি বললেন, "তোমার ক্রোধ তোমাকে অন্ধ করছে। এই মন্দির শুধু মানুষের তৈরি স্থাপনা নয়, এটি সবার জন্য শান্তি ও কল্যাণের স্থান। তুমি যদি সত্যিকারের শক্তিশালী হও, তবে শান্তি ফিরিয়ে আনার ক্ষমতাও তোমার আছে।"

দানব কিছুক্ষণ পণ্ডিতের কথা শুনল, কিন্তু তার ক্রোধ কমল না। সে তার শক্তি দিয়ে মন্দিরের একটি স্তম্ভ ভেঙে ফেলল। মন্দিরের ভারসাম্য আরও নষ্ট হয়ে পড়ল। কিন্তু তখন পণ্ডিত গভীর ধ্যানে মগ্ন হলেন। তার মনের শক্তি দিয়ে তিনি প্রকৃতির শক্তির আহ্বান করলেন।

আকাশে বিদ্যুৎ চমকালো, আর হঠাৎ করে একটি উজ্জ্বল আলো নেমে এলো। সেই আলো দানবের ক্রোধ কমিয়ে দিল এবং তাকে শান্ত করল। দানব বুঝতে পারল যে তার ক্রোধ কোনো সমাধান আনবে না। সে মাথা নিচু করে পণ্ডিতের কাছে ক্ষমা চাইলো এবং প্রতিজ্ঞা করল যে, আর কখনো এই মন্দির বা এর চারপাশের শান্তি নষ্ট করবে না।

পণ্ডিত তার জ্ঞান আর ধৈর্য দিয়ে দানবকে বদলে দিলেন। মন্দির ধীরে ধীরে তার ভারসাম্য ফিরে পেল, আর সেই ঘটনার কথা মানুষ হাজার বছর ধরে গল্প হিসেবে বলতে লাগল।🤔🤔🤔🤔👌👌👌👌

Address

Falakata
735211

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when 16 ANA FKT posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category