SSN Organics Food

SSN Organics Food Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from SSN Organics Food, Grocers, দক্ষিণ মধুপুর, ধরনী বাড়ি উলিপুর কুড়িগ্রাম, Ulipur.

SSN Organics Food You will get completely organic products, such as 1, turmeric powder, 2, chili powder, 3, cumin powder, 4, coriander powder, 5, shahi masala, 6, Fish Cooking Spices, everything is 100% pure

 #জিরা  🇧🇩🇧🇩🇧🇩জিরা খাওয়ার উপকারীতা ও অপকারীতা  ❤️❤️মসলা হিসেবে পরিচিত হলেও জিরা আসলে নানা ঔষধিগুণ সম্পন্ন। খাবারের স্বাদ...
03/06/2025

#জিরা 🇧🇩🇧🇩🇧🇩জিরা খাওয়ার উপকারীতা ও অপকারীতা
❤️❤️মসলা হিসেবে পরিচিত হলেও জিরা আসলে নানা ঔষধিগুণ সম্পন্ন। খাবারের স্বাদ ও গন্ধ বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরের অনেক সমস্যার সমাধানও করে জিরা। পেটের বিভিন্ন অসুখ কমানোর পাশাপাশি হজমক্ষমতাও বাড়ায় জিরা। সেইসঙ্গে অ্যাজমার সমস্যা কমায়, বাড়ায় ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য। জিরার রয়েছে অনেকগুলো উপকারিতা। তবে এর কিছু ক্ষতিকর দিকও থাকতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক জিরা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে-
❤️❤️👍গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় সমাধান দেয়
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় সমাধান দিতে পারে জিরা। পেটে ব্যথা কমাতেও এটি দারুণ কার্যকরী। হজমক্ষমতা বাড়াতেও কাজ করে জিরা। যাদের হজমে সমস্যা আছে তারা দিনে তিনবার জিরা দিয়ে তৈরি চা পান করবেন। এতে উপকার পাবেন।

❤️❤️❤️অনিদ্রা দূর করে রাতে ঘুম ভালো না হলে তার প্রভাব শরীরে পড়বেই। সারাদিন মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকবে, কাজে মন দেওয়া যাবে না ঠিকভাবে। অনিদ্রার সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে এটি আরও অনেক অসুখের কারণ হতে পারে। আপনারও এই সমস্যা থাকলে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক চামচ চটকানো কলার সঙ্গে আধা চামচ জিরার গুঁড়া মিশিয়ে খেয়ে নিন। জিরা ও কলা একসঙ্গে খেলে মস্তিষ্কে মেলাটোনিন নামে এক ধরনের কেমিক্যালের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এই কেমিক্যাল ভালো ঘুমের ক্ষেত্রে সাহায্য করে।
❤️❤️❤️জ্বরের প্রকোপ কমায়

👍👍👍জিরার আছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ যা ঠান্ডা লাগা বা জ্বরের প্রকোপ কমাতে কাজ করে। এই প্রকৃতিক উপাদানরোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যে কারণে ফলে ভাইরাল ফিভারের প্রকোপ কমে। এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ জিরা এবং সামান্য আদা মিশিয়ে নিন। এরপর সেই পানি ফুটিয়ে ছেঁকে নিন। সেই পানি দিনে ২-৩ বার পান করতে হবে। এতে জ্বর কমে যাবে।

❤️❤️❤️কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

জিরায় আছে প্রচুর ফাইবার, যা অনেকগুলো এনজাইমের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। জিরা খেলে তা পাইলসের কষ্ট কমাতেও সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ ভাজা জিরা গুঁড়া মিশিয়ে খেয়ে নিন। এতে উপকার মিলবে।

👍👍👍জিরা খাওয়ার উপকারিতা

❤️❤️ বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত জিরা খেলে তা রক্তকে তরল করে দিতে পারে। অতিরিক্ত জিরা খেলে তা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

❤️❤️জিরা বেশি খেলে তা রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ কমিয়ে দিতে পারে। এর ফলে হঠাৎ রক্তচাপ কমে যেতে পারে।

❤️❤️ জিরার তেল অতিরিক্ত ব্যবহার করলে তা অতিরিক্ত প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। 🇧🇩🇧🇩

 #পিপল  🇧🇩🇧🇩❤️❤️ব্যবহার : পিপুলের বাণিজ্যিক ব্যবহার এখনও প্রধানত মশলা হিসেবে। ভেষজের চেয়ে মশলা ফসল হিসেবেই বেশি চাষ করা ...
31/05/2025

#পিপল 🇧🇩🇧🇩❤️❤️ব্যবহার : পিপুলের বাণিজ্যিক ব্যবহার এখনও প্রধানত মশলা হিসেবে। ভেষজের চেয়ে মশলা ফসল হিসেবেই বেশি চাষ করা হয়। আচার ও চাটনি তৈরিতে পিপুল চূর্ণ মশলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। উত্তর আফ্রিকা, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় কোনো কোনো খাদ্য সামগ্রী রান্নায় পিপুল ব্যবহার করা হয়। ভারতের বাজারে মুদি দোকানে পিপুল চূর্ণ পাওয়া যায়। পাকিস্তানে নিহারি বা নেহারি রাঁধতে পিপুল চূর্ণ এক আবশ্যকীয় মশলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। মশলা ছাড়া এর যথেষ্ট ভেষজ গুরুত্ব রয়েছে। 👍


👍👍ভেষজ গুণ : চরকসংহিতার সূত্র স্থানে ৯টি বিশিষ্ট রোগে পিপুলকে প্রয়োগ করার ব্যবস্থা দেয়া হয়েছে। এ ৯টি রোগ হলো- কণ্ঠ রোগ, তৃষ্ণা রোগ, শিরো রোগ, হিক্কা, কাশি, শূলরোগ, শীত বা ঠাণ্ডা লাগা প্রশমন ও দীপনীয়। সে যুগে পিপুল এতোটাই গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে যেন কৃমিরোগ ও অন্ত্ররোগ চিকিৎসায় দেবতারাই তা গ্রহণ করতেন। দেহের বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় পিপুল কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। ফুসফুসের ক্যান্সার, ব্রেস্ট ক্যান্সার, আন্ত্রিক ক্যান্সার, লিউকোমিয়া, মস্তিষ্কেও টিউমার, গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার প্রভৃতি রোগের বিরুদ্ধে পিপুল কার্যকর। পিপুলের মধ্যে পিপারলংগুমিনাইন নামক রাসায়নিক যৌগ থাকায় তা এসব ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়াও আরও যেসব রাসায়নিক উপাদান পিপুলে রয়েছে সেগুলো হলো পিপারিন, পিপলারটাইন, পিপারনোলিন, লং এমাইড, পিপারলংগিন, পিপারসাইড, পেল্লিটোরিন, বিভিন্ন এসেনশিয়াল অয়েল ইত্যাদি। শিকড়ে রয়েছে পিপারিন, স্টেরয়েডস, গ্লুকোসাইডস, পিপেলারটিন ও পিপারলংগুমিনাইন নামক রাসায়নিক উপাদান। ওষুধার্থে পিপুলের শিকড় ও ফল ব্যবহৃত হয়। সাধারণ পিপুল ফলের গুঁড়া আধা থেকে ১ গ্রাম পরিমাণ এক মাত্রা হিসেবে রোজ সেবন করা হয়। নিচে পিপুলের উল্লেখযোগ্য ভেষজ গুণ ও ব্যবহার সম্পর্কে সংক্ষেপে বর্ণনা করা হলো- 👍👍


১,❤️❤️❤️নিদ্রাহীনতা দূর করে : রাত গভীর হচ্ছে অথচ কিছুতেই ঘুম আসছে না। এ অবস্থাটা আসলে অসহ্য। একে বলে নিদ্রহীনতা। এ অবস্থা হলে পিপুলের শরণাপন্ন হতে হবে। পিপুলের ১-৩ গ্রাম শিকড় সামান্য চিনি সহকারে ছেঁচে বা বেঁটে সেই রস ছেঁকে দিনে দুবার সকাল বিকেলে খেতে হবে। বয়স্ক লোকদের এই রস সেবনে বিশেষ উপকার হয়। চিনির বদলে আখের গুড়ও ব্যবহার করা যায়। এতে হজমও ভালো হয়।


২,🇧🇩🇧🇩🇧🇩কাশি সারে : খুসখুসে কাশি আর ঘুষঘুষে জ্বর। এটা যক্ষ্মা রোগের পূর্ব লক্ষণ। এরূপ অবস্থা হলে তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে ও পরীক্ষা করাতে হবে। তবে তার আগে পিপুলচূর্ণ ২৫০ মিলিলিটার সামান্য গরম জলে গুলে সকাল-বিকেল অর্থাৎ দিনে দুইবার খেতে হবে। এভাবে ৪-৫ দিন খাওয়ার পর সেটা চলে যেতে পারে। যদি না যায়, তখন অবশ্যই যক্ষ্মা রোগের পরীক্ষা করাতে হবে।


৩,👍👍👍জ্বর সারায় : যে জ্বরে রক্তের বল কমে যাচ্ছে, শরীর ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছে, চামড়া শুষ্ক হয়ে পড়ছে, চোখ ফ্যাকাসে হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চলছে, অথচ জ্বর সারছে না। সেক্ষেত্রে ২৫০ মিলিগ্রাম পিপুল চূর্ণ ৫/১০ ফোঁটা ঘি মিশিয়ে রোজ খেলে কয়েক দিনের মধ্যে এই জীর্ণ জ্বর সেরে যাবে।


৪,❤️❤️❤️মেদ কমায় : যারা মোটা ও মেদস্বী তারা মেদ কমাতে চাইলে রোজ খাওয়ার ১০-১৫ মিনিট পর ১ কাপ হালকা গরম জলে ২৫০ মিলিগ্রাম পিপুল চূর্ণ গুলে তাতে আধা চা-চামচ মধু মিশিয়ে খাবেন। দিনে দুইবার খাওয়া যায়। এভাবে ১০-১৫ দিন খেলে মেদ কমবে। এ সময় কোনো চিনি বা মিষ্টি খাওয়া চলবে না ও একবেলা ভাত ও দুইবেলা রুটি খেতে হবে। এটা খাওয়ার ১ ঘণ্টার মধ্যে কোনো শক্ত খাবার খাওয়া যাবে না, তবে তরল খাবার খাওয়া যেতে পারে।


৫,❤️❤️❤️হাঁপানির উপশম হয় : অল্প পরিশ্রমে যাদের শ্বাসকষ্ট হয়, হাঁপ ধরে তারা পিপুলচূর্ণ ২৫০ মিলিলিটার সামান্য ১ কাপ জলে গুলে খাবার গ্রহণের কিছু পরে খেতে পারেন। তা না হলে ২ গ্রাম পিপুল ফল একটু থেঁতো করে ৪ কাপ জলে সিদ্ধ করে ১ কাপ থাকতে নামিয়ে ২-৩ ঘণ্টা পর পর তা ৩-৪ বারে খেতে পারেন। এতে শ্বাসের কষ্ট কমবে।


৬,🇧🇩🇧🇩🇧🇩কৃমি কমায় : শিশু বৃদ্ধ যারই গুঁড়া বা ঝুড়ো কৃমি হোক তাদের উচিত রোজ সকাল-বিকেল ১ কাপ বাসি জলে ২৫০ মিলিগ্রাম পিপুল চূর্ণ গুলে খাওয়া। এতে কৃমির উপদ্রব কমবে।
৭,মাথাব্যথা কমায় : মাথা ব্যথা হলে তা সারানোর সবচেয়ে সহজ ওষুধ হলো পিপুল ফল বেঁটে মলমের মতো করে কপালে লেপে দেয়া। এতে দ্রুত মাথাব্যথা কমে। এছাড়া পিপুল, গোলমরিচ ও আদা একসাথে জলের সাথে বেঁটে ছেঁকে সেই রস রোগীকে খাওয়ানো। এতেও মাথাব্যথার উপশম হয়।


৮,👍👍👍দাঁত ব্যথা সারায় : দাঁতে যন্ত্রণা হলে ১-২ গ্রাম পিপুল চূর্ণ লবণ, হলুদের গুঁড়া ও সরিষার তেলে মিশিয়ে দাঁতের ব্যথা স্থানে লাগালে তা কমে যায়।


৯,❤️❤️❤️হৃদরোগে : সমপরিমাণ পিপুল মূল ও দারচিনি একসাথে বেঁটে মিহি গুঁড়া করতে হবে। তারপর তা ঘিয়ের সাথে মিশিয়ে রোজ দুইবার খেতে হবে। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য ও হৃদরোগের উপশম হয়। সমপরিমাণ শুকনো পিপুল মূল ও লেবুর গাছের শিকড়ের বাকল একসাথে বেঁটে গুঁড়া বানাতে হবে। রাতে ১ কাপ জলে অর্জুনের ছাল ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে সেই অর্জুনের ক্বাথের সাথে এই চূর্ণ মিশিয়ে খালি পেটে খেতে হবে। এতে হৃৎপিণ্ডের ব্যথা থাকলে তাও সেরে যায়।


১০,🇧🇩🇧🇩🇧🇩অর্শ নিরাময় করে : অর্শ হলে আধা চা-চামচ পিপুল চূর্ণ, ভাজা জিরার গুঁড়া সামান্য লবণ ১ গ্লাস ঘোলে মিশিয়ে খালি পেটে খেতে হবে। এতে অর্শ রোগ কমে যাবে। ঘোল পাওয়া না গেলে ছাগলের দুধে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। এমনকি এই মিশ্রণ জ্বাল দিয়ে ঘন করে মলমের মতো অর্শের বুটিতে লাগিয়ে দেয়া যায়।


১১,❤️❤️❤️কীট দংশনের ব্যথা কমায় : পিপুলের শিকড় বেঁটে পোকামাকড়ের কামড়ানো স্থানে লেপে দিলে দ্রুত ব্যথা কমে যায়।


সতর্কতা : দুধের শিশু, গর্ভবতী ও প্রসূতিদের পিপুল খাওয়ানো চলবে না। মাত্রারিক্ত সেবনে অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে, অন্ত্র ফুলে যেতে পারে ও দেহের তাপ বেড়ে যেতে পারে। 🇧🇩🇧🇩🇧🇩

Address

দক্ষিণ মধুপুর, ধরনী বাড়ি উলিপুর কুড়িগ্রাম
Ulipur
5620

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SSN Organics Food posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category