13/05/2026
☘️☘️শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন প্লিজ....
হামের সাধারণ লক্ষণঃ
প্রথম ধাপ (প্রথম ২–৪ দিন)
উচ্চ জ্বর, সর্দি, কাশি, চোখ লাল হওয়া /পানি পড়া, আলোতে তাকাতে কষ্ট হওয়া, দুর্বল লাগা, মুখের ভেতরে ছোট সাদা দানা বা দাগ দেখা যেতে পারে।
দ্বিতীয় ধাপ: র্যাশ ওঠা, সাধারণত জ্বরের ৩–৫ দিন পর:
প্রথমে মুখে/কানের পাশে লাল দানা ওঠে, তারপর ঘাড়, বুক, পিঠ, হাত–পা হয়ে পুরো শরীরে ছড়ায়, অনেক সময় জ্বর তখন আরও বেড়ে যায়।
বিপজ্জনক লক্ষণ (দ্রুত ডাক্তার দরকার)
যদি এগুলো হয়:
শ্বাসকষ্ট, খুব বেশি ঝিমানো, খেতে না পারা, খিঁচুনি, ঠোঁট নীল হওয়া, ডিহাইড্রেশন (প্রস্রাব কমে যাওয়া), কানের তীব্র ব্যথা, জ্বর অনেকদিন থাকা।
হাম ছড়ায় কিভাবে?
1) হাঁচি–কাশির ড্রপলেট থেকে
হাম আক্রান্ত কেউ কাশি বা হাঁচি দিলে বাতাসে ভাইরাসযুক্ত ছোট ছোট পানির কণা ছড়িয়ে পড়ে।
সেগুলো শ্বাসের সঙ্গে অন্য মানুষ শরীরে ঢুকে যায়।
2) কাছাকাছি থাকলে বাতাসের মাধ্যমে
হাম ভাইরাস বাতাসে কিছু সময় (প্রায় ১–২ ঘণ্টা পর্যন্ত) সক্রিয় থাকতে পারে।
তাই একই ঘর বা বন্ধ জায়গায় থাকলেও সংক্রমণ হতে পারে।
3) আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে
একই ঘরে থাকা, একসাথে বসা/খেলা করা, রোগীর ব্যবহার করা জিনিস স্পর্শ করা (কম সম্ভাবনা, কিন্তু সম্ভব)
কখন বেশি ছড়ায়?
র্যাশ উঠার ৪ দিন আগে থেকে ৪ দিন পরে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রামক থাকে।
খুব গুরুত্বপূর্ণঃ
হাম খুব দ্রুত ছড়ায় (কোভিড থেকেও অনেক বেশি সংক্রামক)
টিকা না নেওয়া শিশুদের মধ্যে বেশি ছড়ায়।
কিভাবে প্রতিরোধ করবেন?
MMR vaccine (হাম–রুবেলা–মাম্পস টিকা) নেওয়া
আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রাখা
মাস্ক ব্যবহার ও হাত পরিষ্কার রাখা
ভিড় এড়িয়ে চলা।
সরকারি বা বেসরকারি কোন সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের অপেক্ষা না করে ফেসবুকে এই লেখাটি ছরিয়ে দিতে পারেন।
৫০০০০ এরও বেশি শিশু হামে আক্রান্ত। ভাবতে পারছেন কী দিন আসছে?
**কপি ফ্রম তামান্না সেতু আপু**
#হাম #শিশুদেরহামপ্রতিরোধ #বাংলাদেশ