rafiqul islam+apon

rafiqul islam+apon Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from rafiqul islam+apon, Grocers, goni pur, Pur.

এক বাসায় গিয়েছিলাম নিমন্ত্রনে,ভাল মন্দ খাবার রান্না হইছে।। বাড়ির বারান্দায় একজন মহিলাকে দেখলামভাতের প্লেট নিয়ে ছালার উপ...
14/11/2024

এক বাসায় গিয়েছিলাম নিমন্ত্রনে,
ভাল মন্দ খাবার রান্না হইছে।। বাড়ির বারান্দায় একজন মহিলাকে দেখলাম
ভাতের প্লেট নিয়ে ছালার উপর বসে আছে,,
সামনে প্লেটে ভাত কয়টা আমার এক মুঠিরও কম হবে হয়তো।।
আমার আবার অভ্যেস খারাপ, কোথাও গেলে বাড়ীর সবাইকে কমবেশি জিগ্যেস করি, তাই সেবারও জিজ্ঞেস করলাম।।
- দাদি, ভাল আছেননি?
- হহ ভালা,,,আইন্নেরে চিনলাম না
- চিনবেন না,, তয় এই কয়ডা ভাত নিয়া বইসা আছেন ক্যান।। খাননা কেন? -"বৃদ্ধা বলতে লাগলেন বউ নাকি কয়ডা পোলাও রানচিন,,এল্লাইগ্যা বয়া রইছি দেহি দেয়নি। দিলে পোলাও কয়ডা খায়াম"।।
ভেবেছিলাম ভিক্ষুক হবে হয়তো, কিন্তু না যে বাড়িতে বেড়াতে গেছি সে বাড়িরই মুরব্বি।।
গলাদিয়ে খাবার নামবেনা জেনে অন্যদেরকে রেখে আমি আগেই চলে আসলাম৷৷
কিছু কথা আপুদের উদ্দেশ্যেঃ আপু তোমাকেও জন্ম দিয়েছে এক মা। তুমিও কারও মা হবে।। উজার করে না দিয়ো মুখটা বেজার করে দিয়ো,, তবুও দিয়ো নইলে মানুষগুলো যাবে কোথায় বলো।।
তোমারওতো গায়ের চামড়া ঢিলে হবে, তোমারওতো পেটে ভাজ পরবে, তুমিও একসময় অচল হয়ে যাবে একটু দেখো।। মুখে খাবার তুলে না দিতে পারো, প্লেটটা সামনে ঠেলে দিয়ো, এক মুঠোর বেশিতো আর লাগেনা......

অভিনন্দন প্রিয়। মনির আহমেদ রাজন ভাই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার চন্দ্রগঞ্জ থানা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি হলেন। আপনার...
11/11/2024

অভিনন্দন প্রিয়।
মনির আহমেদ রাজন ভাই
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার চন্দ্রগঞ্জ থানা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি হলেন। আপনার জন্য দোয়া ও ভালোবসা রইল ভাই।

তারা ঢাকা থেকে এসেছে।আমি ঠিক তার পাশাপাশি সিটে বসা, তাদের সামনের সিটে একটা বয়স্ক ভদ্রমহিলা বসে তাদের অনেকক্ষণ যাবত খেয়াল...
21/10/2024

তারা ঢাকা থেকে এসেছে।
আমি ঠিক তার পাশাপাশি সিটে বসা, তাদের সামনের সিটে একটা বয়স্ক ভদ্রমহিলা বসে তাদের অনেকক্ষণ যাবত খেয়াল করছেন। আমিও তাদের সবকিছু ফলো করছি। ছেলেটা একমুহূর্তের জন্যও মেয়েটির হাত ছাড়ছে না। ভদ্রমহিলাটা হঠাৎ তাদের জিগ্যেস করলো এমনে যে মাইনসের সামনে হাত দইরা বইয়া আছ বাবা মাইসে তো অনেককিছু কানাকানি করতাছে। তুমি কি হেরে বেশি ভালোবাসো?
কইত্তে আইছো তোমরা? কই যাইবা? বাড়ি কই? নাম কি তোমডার?
ছেলেটি বললো চাচি আমার নাম আরিফ ওর নাম হলো তারিন। আমরা ঢাকা থেকে এসেছি।
আমি তাকে অনেক ভালোবাসি। দুই বছর হলো আমাদের সম্পর্ক। ওর বড় ভাই আমাদের সম্পর্কের কথা জেনে গেছে তাকে দুইদিন ঘরে আটকে রেখে খুব মেরেছে। তার মা আমাকে পছন্দ করতো তাই আজকে আমরা সুযোগ বুঝে পালিয়ে এসেছি। আসার সময় তার মা আমার হাতে তার মেয়েকে তুলে দিয়ে বললো আমার মেয়ের হাত কখনো ছেড়ো না বাবা, ওর বাবা নেই তুমি তারিনকে কখনো কষ্ট দিও না।
চাচি ভালোবাসা কি আমি বুঝি না আমি শুধু ওরে বুঝি, যা হবে পরে দেখা যাবে। যা ভাবার ভাবুক লোকে এই হাত আমরণ আগলে রাখবো।

ভদ্রমহিলাটা একটা দীর্ঘ শ্বাস ফেলে বললো, আমিও তোমার চাচার লগে ভাইগ্গা আইছিলাম। এই যে হাত ধরলো এক লগে বুড়ো বুড়ি হইলাম। কতো সুখ দুঃখ এক লগে কাটাইলাম বাবা! তোমার চাচা বড় বালা মানুষ আছিলো, পাঁচবছর আগে মইরা গেছে। কবরটা আমার ঘরের জানালার পাশে দিছি, যতোদিন বাঁইচ্চা থাকমু তার কবরটা দেইখা কাটাই দিমু।

এমন অনেক ছোট বড় ভালোবাসার গল্প আছে আমাদের আসেপাশে। চামড়া ঝুলে যায়, চশমার পাওয়ার বেড়ে যায় তবুও ভালোবাসা কমে না! রাগ, অভিমান, সুখ, দুঃখ নিয়ে তারা একসাথে কাটিয়ে দেয় বেশ কয়েকটি যুগ।
ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল ভালোবাসা ও ভালোবাসার মানুষগুলো।❤
©️

রাত তখন প্রায় দশটা বাজে। আকাশে মেঘ ডাকছে, সাথে বৃষ্টি হচ্ছে প্রচুর। আমি খাটের উপরে শুইয়ে আছি তখন বউ আমার জন্য এক গ্লাস দ...
05/09/2024

রাত তখন প্রায় দশটা বাজে। আকাশে মেঘ ডাকছে, সাথে বৃষ্টি হচ্ছে প্রচুর। আমি খাটের উপরে শুইয়ে আছি তখন বউ আমার জন্য এক গ্লাস দুধ আর দুইটা হাঁসের ডিম এনে আমাকে খেতে বলল। আমিও খেয়ে নিলাম। বউ এবার আমার হাত পা টিপতে শুরু করলো। ভাবলাম বউ আমার অনেক কষ্ট করে তাই তাকে বললাম,

-- তুমি তো সারাদিন বাসায় কতো কাজ করো এখন তোমার একটু রেস্ট করা দরকার। ঘুমিয়ে পড়ো। আমার ও খুব ঘুম পাচ্ছে।

এই কথা বলে আমিও ঘুমিয়ে পড়লাম। পরের দিন সকাল থেকে বউ আর আমার সাথে কথা বলেনা। বুঝলাম না তার কি হইলো? রাতে তো ঝগড়া হওয়ার মতো কিছুই করলাম না।

দুইদিন বউ আমার সাথে কথা বলে নাই। পরে আবার কথা বলা শুরু করছে। আমি কাজে যাচ্ছিলাম তখন বউ আমার কাছে এসে বলল,

-- আজকে রাতে বাসায় আসার সময় মনে করে চকলেট আর স্ট্রবেরি নিয়ে আসবেন ফার্মেসি থেকে।

বউয়ের কথা শুনে আমি তো অবাক হয়ে গেলাম। বউ এই কথা বলে রান্না ঘরে চলে গেলো। আমি মনে মনে ভাবছি বউটা কাজ করতে করতে কেমন যেনো হয়ে গেলো। কোথায় কি পাওয়া যায় সেটাও জানেনা। যাকগে,

অফিসের কাজ শেষ করে বউয়ের জন্য এক কেজি স্ট্রবেরি আর আর দুইটা কিটকেট চকলেট নিলাম। ভাবলাম বউ যেহেতু কিছু খাইতে চাইলো নিয়ে যাই। তাহলে বউ কিছুটা খুশি হবে তাই এগুলো নিয়ে বাসায় গেলাম। গিয়ে বউকে এগুলো দিতেই সে বেগবুগ ঘুছিয়ে নিতে শুরু করল।

-- ও বউ কি হইছে? তুমি যেটা বললে সেটাই তো এনেছি। এখনে রাগ করার কি আছে?

-- আমি আর তোর ভাত খাবোনা।

এই কথা বলে বউ চলে গেলো। আমি বুঝতে পারছিনা আমি কি করলাম ভাই? নাকি স্ট্রবেরি আর চকলেট কম আনাতে রাগ করছে?

বউকে একটা মেসেজ দিলাম,

বউ সরি আমার ভুল হইছে। আমি বুঝতে পারিনি। প্লিজ বাড়িতে আসো এবার তোমার জন্য স্ট্রবেরি ৫ কেজি এনে দেবো আর চকলেট ও বেশি করে আনবো।

বউ আমার এই মেসেজ দেখে আমাকে ব্লক মেরে দিয়ে পরের দিন আমার বাসায় ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে দিয়েছে। আমি আজও বুঝলাম না আমার ডিভোর্সের আসল কারণ কি?

03/05/2024
স্ত্রীর মৃত্যুর পর সকলের পীড়াপীড়িতে দ্বিতীয় বিয়ে করলাম।পাঁচ বছরের মেয়েটাকে ওর দাদুর কাছে রেখে এসছি।বাসররাতে নতুন বউ বললো...
27/04/2024

স্ত্রীর মৃত্যুর পর সকলের পীড়াপীড়িতে দ্বিতীয় বিয়ে করলাম।পাঁচ বছরের মেয়েটাকে ওর দাদুর কাছে রেখে এসছি।বাসররাতে নতুন বউ বললো

" আপনার মেয়ে কোথায়? "

ইতস্তত করে বললাম " ওর দাদুর কাছে রেখে এসছি "

" আনবেন কবে? "

" আনবো না।ওখানেই থাকুক! "

" কেনো? নিজের বাড়ি ছেড়ে ওখানে থাকবে কেনো? "

ওর কথায় বিস্মিত হলাম।সৎ মা ভালো হবে কি না এই ভেবে মেয়েকে দাদু বাড়ি রেখে এসছিলাম।বললাম " এখানে ওর খেয়াল রাখতে পারিনা তাই রেখে এসছি। "

" এখন তো আমি আছি।ওর খেয়াল রাখবো "

তবুও আনতে রাজি হইনি।নতুন বিয়ে,এখন মেয়েকে দেখলে ও মানসিক কষ্ট পাবে।সিদ্ধান্ত নিলাম এক মাস পর মেয়েকে কাছে আনবো।

শেষমেষ বিয়ের দুইদিন পর স্ত্রীর চাপেই মেয়েকে আনতে বাধ্য হলাম।সারাদিন দু'জনে হাঁড়িপাতিল খেলে,খাইয়ে দেয়,কোলে নিয়ে গান গাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেয়।বুঝলাম,স্ত্রী এক আদর্শ মেয়ের সন্তান।

গল্প #স্নেহ
লেখক #আপন চৌধুরী

সামাজিক রোমান্টিক গল্প পেতে পেজটা ফলো করে রাখতে পারেন।

-কলেজের 'খারপ ছেলেটার প্রেমে পরছিলাম। যার কারনে সবাই আমাকে পাগল ভাবতো।-আজ থেকে ৫ বছর আগে ' হঠাৎ তাকে বলে উঠি আমি আপনাকে ...
27/04/2024

-কলেজের 'খারপ ছেলেটার প্রেমে পরছিলাম। যার কারনে সবাই আমাকে পাগল ভাবতো।
-আজ থেকে ৫ বছর আগে ' হঠাৎ তাকে বলে উঠি আমি আপনাকে ভালোবাসি।
-আমার সম্পর্কে জানো।
-তোমার সম্পর্কে আমার কোন জানার ইচ্ছে নাই। আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই
-আমি একটি খারাপ ছেলে! মেয়েদের ডিস্টাপ করি! কোন কাজ কর্মও করিনা।
-তবুও তোমাকে আমার চাই।
-কিন্তু।
-কোন কিন্তু না। আমি তোমাকে যা বলছি তাই হবে। নাকি আমাকে পছন্দ হয়নি তোমার।
-তোমার মতো এতো সুন্দরী মেয়েকে পছন্দ হবেনা এইটা কোন কথা বললে তুমি।
-ঠিক আছে তোমার বাসা থেকে আমার বাসায় লোক পাঠাও বিয়ের সমন্ধে।
-ঠিক আছে?
'তো এর পরে হাসিব বাসায় এসে উশার বাসায় বিয়ের জন্যে প্রস্তাব পাঠালে উশার বাড়ির কেউ রাজি হয়না। বরং অপোমান করে পাঠিয়ে দেয়'
'এই সব দেখে উশা বাবা মায়ের কথা অমান‍্য করে হাসিবের সঙ্গে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। এবং দুজন দুজনে বিয়ে করে নেয়।
'এর শুরু হয় নতুন একটি অধ‍্যায়'
-উশা পরাশুনায় অনেক ভালো ছিলো! তাই হাসিব উশাকে বলে '
-শোন উশা তুমি পরাশুনায় অনেক ভালো। তুমি পরাশোনা করো। আমি ব‍্যবসা করি।
-কিন্তু!
-কোন কিন্তু নেই তোমাকে পরাশুনা করে বর হতে হবে।
-ঠিক আছে তুমি যা চাও তাই হবে।
'এর পরে উশা পরাশুনা শুরু করে দেয়, এই দিকে উশার পরাশুনা যাতে সমস্যা না হয় এই কারনে হাসিব নিজেই ভাত রান্না করতো, উঠান ঝারু দিতো। থালা বাসন ধুইতো?
'যা দেখে সবাই বলতো এই মেয়ের জন্যে হাসিব কতো কিছু করতেছে বোকার মতো। এই মেয়ে একদিন ছেরে যাবে হাসিব কে।
'এই সব কথায় আবার উশা বা হাসিব কেউ পাত্তা দিতোনা। তারা নিজের মতো থাকতো।
-এই ভাবে দেখতে দেখতে ৫ বছর হয়ে গেলো। উশা এখন ডাক্তার এবং হাসিব একজন ব‍্যবসায়ি।
-তাদের মধ‍্যে নেই কোন অহংকার, আছে শুধুমাত্র ভালোবাসা।
"আজ উশার পরিবারের সবাই হাসিব কে মেনে নিয়েছে! তারা বেশ সুখেই আছে।
"আসলেই একটি মেয়ে চাইলে একটি ছেলেকে পরিবর্তন করতে পারে' একটি ছেলে চাইলেও একটি মেয়েকে প্রতিষ্টিত করতে পারে।

(সমাপ্ত)

লেখক: আপন চৌধুরী

মাংস রান্না করেছি।লবণে পুড়ে গেছে।দুইবার করে জল দিয়েছি তবুও লবণের খড়ো ভাব যায়নি।স্বামী খেতে বসে এক লোকমা ভাত মুখে দিতেই "...
26/04/2024

মাংস রান্না করেছি।লবণে পুড়ে গেছে।দুইবার করে জল দিয়েছি তবুও লবণের খড়ো ভাব যায়নি।স্বামী খেতে বসে এক লোকমা ভাত মুখে দিতেই

" এটা কি রান্না করছো! "

কথাটা বলেই মুখের ভাতটুকু থু থু করে ফেলে দিলো।একটু ধমকের স্বরে বললো

" এখনো লবণ আন্দাজ করতে পারো না!আমি রান্না পারিনা,তবুও লবণ আন্দাজ করতে দিলে এতোটা বেশি লবণ দিতাম না "

ওর রাগটাকে কিভাবে অনুশোচনায় পরিণত করতে হয় সেই টেকনিক আমার ভালোভাবেই জানা আছে।দুঃখী মুখ করে বললাম

" আমি কিচ্ছু পারি না তাই না?না পারি রান্না করতে, না পারি তোমার খেয়াল রাখতে।আমি খুব খারাপ একটা মেয়ে "

কথাটা বলে মিছেমিছি চোখের জল মোছার অভিনয় করতে লাগলাম।আমার বোকাসোকা বর অমনি গেলো ভরকে।

খাবার টেবিল থেকে ধরফর করে উঠে আমায় বু"কে জ"রিয়ে ধরে বললো

" আরে বোকা মেয়ে,এইটুকুতে মন খারাপ করো কেনো।খিদে পেয়েছে,তাই একটু বকা দিছি।আর বকবো না।সরি গো "

আরো অভিমানী স্বরে বললাম " তুমি ঠিকই বলেছো,আমি কিচ্ছু পারিনা।তোমার যোগ্যই না আমি "

বরের মুখটা আরো করুন হয়ে গেলো।বেচারা আমায় কি বলে সান্ত্বনা দিবে খুঁজেই পায় না।বরের রাগ কন্ট্রোল করার সকল অস্ত্র আমার জানা।

লেখক : আপন চৌধুরী

সামাজিক রোমান্টিক গল্প পেতে পেজটা ফলো করে রাখতে পারেন।এইটা লেখকের নিজস্ব পেজ 🤍

( হাসতে হাসতে পেট ব্যাথা 🤣🤣 )এক বাচ্চা, থানায় ফোন করে: হ্যালো, এটা কি থানা?পুলিশ - হ্যাঁ, এটা থানা।বাচ্চা - আপনি কে বলছে...
26/04/2024

( হাসতে হাসতে পেট ব্যাথা 🤣🤣 )
এক বাচ্চা, থানায় ফোন করে: হ্যালো, এটা কি থানা?
পুলিশ - হ্যাঁ, এটা থানা।

বাচ্চা - আপনি কে বলছেন?
পুলিশ - আমি ওসি বলছি।

বাচ্চা - আপনার হাতে লা!ঠি আছে?
পুলিশ - হ্যাঁ, আছে।

বাচ্চা- তাহলে ওটা নিজের পেছনে ঢু!কিয়ে নিন।

ফোন কে!টে গেল। ওসি সাহেব চুপ করে রইলেন।

একটু পরে আবার ফোন। রিসিভ করতেই প্রশ্ন:

বাচ্চা - হ্যালো, এটা কি থানা?
পুলিশ - হ্যাঁ, এটা থানা।

বাচ্চা - আপনি কে বলছেন?

পুলি!শ বুঝতে পারলো সেই বিচ্ছুটাই।

ওসি সাহেব সাবধানে জবাব দিলেন:
আমি ওসি বলছি।

বাচ্চা - আপনার হাতে লা!ঠি আছে?
পুলিশ - না, নেই।

বাচ্চা - বাঃ! একবার বলতেই পিছনে ঢুকি!য়ে নিয়েছেন? সাবাশ!

সিএলআই দেখে ওসি ওই নম্বরে ফোন করলেন।
ধরলেন এক ভদ্রমহিলা।

ওসি সাহেব বললেন: আমি থানা থেকে ওসি বলছি। এই নম্বর থেকে একটি বাচ্চা ছেলে আমাকে ফোন করেছিল। বলেছে, হাতের লাঠিটা নিজের পেছনে ঢু!কিয়ে নিন।

বাচ্চার মা - এ মা! কখন?
পুলিশ - মিনিট দশেক আগে।

বাচ্চার মা - ছিছি, বের করে ফেলুন। বাচ্চাদের কথা কেউ সিরিয়াসলি নেয়? শুধু শুধু দশ মিনিট কষ্ট পেলেন! বাড়ি গিয়ে একটু মলম লাগিয়ে নেবেন___,🤣

স্বামী মজা করে তাঁর স্ত্রীকে অফিসের সহকর্মীর নাম্বার থেকে ম্যাসেজ দিলো।“ আনিকা, আমাকে মনে আছে তোমার? ” খুব স্বাভাবিক উত্...
26/04/2024

স্বামী মজা করে তাঁর স্ত্রীকে অফিসের সহকর্মীর নাম্বার থেকে ম্যাসেজ দিলো।

“ আনিকা, আমাকে মনে আছে তোমার? ”
খুব স্বাভাবিক উত্তর আনিকার।
“ হ্যাঁ, তুমি সজিব না? ”
“ না। আমাকে চিনতে পারলে না তুমি? আনিকা নামে শুধু তোমাকে আমিই ডাকতাম। ”
“ রাফিন তো? কী খবর তোমার? বিয়েটিয়ে করেছো? তুমি তো বিয়ের পাগল ছিলে। ”
লোকটা চমকে গেলো।
“ কী যে বলো আনিকা। রাফিন হতে যাবো কেনো? তুমি আমাদের মুহূর্তগুলো ভুলে গেলে? আমরা কক্সবাজার গিয়েছিলাম মনে নেই? ”
“ আগে বললেই পারতে। তুমি নাহিদ তো? তোমার নাক ডাকার অভ্যাসটা গেছে? ”

লোকটা নড়েচড়ে বসলো। তাঁদের পারিবারিক বিয়ে। তাঁর বৌ বলেছিলো সে নাকি বিয়ের আগে কোনো প্রেম করেনি।

“ না আমি নিশাচর আনিকা। সিগারেট ছাড়া যার এক মুহূর্ত চলে না। এবার বলো চিনতে পারছো কী না? ”

“ আরেহ শুভ তুমি? গাঞ্জা খাওয়া ছেড়ে দিছো? হোটেলের ভিতরে তুমি যেভাবে গাঞ্জা খেয়েছিলে! উফ আমার মনে হলেই গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যায়। ”

লোকটা সিগারেট ধরালো। গরম চা নিজের মাথায় ঢেলে শান্ত হওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রাখলো।

“ খুব কষ্ট পেলাম আনিকা। তোমাকে সবসময় নামিদামি মেকাপ বক্স উপহার দিতাম আমি। কেনাকাটা করে দিতাম প্রতি সপ্তাহে। ”

“ মনে পড়েছে, আসিফ তুমি এখনো কেমন যেন রয়ে গেছো। কী অবস্থা তোমার? বিয়ে করেছো? ”

লোকটা চোখের পানি ধরে রাখতে পারলো না! কান্নায় ভেঙে পড়লো।

“ হ্যাঁ করেছি বিয়ে। কিন্তু আমি আসিফ না। তোমার হতভাগা জামাই। ”

বলেই বাড়ির দিকে রওনা দিলো। মিথ্যা বলার কারণে বৌকে গিয়ে মা/র/বে। বেশিদূর না অফিস থেকে বাড়ির দূরত্ব।

সরাসরি গিয়ে জিজ্ঞেস করলো।

“ তুমি এতো প্রেম করেছ বিয়ের আগে? বললে কী আমি তোমাকে মেনে নিতাম না? ”

বৌ উল্টে ঝারি দিয়ে বললো।

“ তোমার ফোন বাড়িতে রেখে গেছিলে কেনো? তোমার সাথে নিয়ে গেলে তো আমি দুঃখ পেতাম না। ”

“ ক্যান আবার? কী হয়েছে? ”

“ লাবনী ফোন করেছিলো। তোমার শরীর সাস্থের খবর নিতে। লাবনী কে? ”

“ ওহ, বলতে ভুলে গিয়েছিলাম। আমার প্রাক্তন প্রেমিকা। ”

“ ওহ, তাহলে ঝুমুর কে? যার নামে আপনার ফোনের লক? ”

“ ও আমার যাষ্ট ফ্রেন্ড। ”

“ খুব ভালো, ফেসবুকে যে মেয়েকে নিয়ে রোজ কবিতা লিখতেন সে কে? ”

“ ও প্রেমে ছ্যাকা খেয়েছে তাই শান্তনা দিতাম। ”

“ সেন্ট মার্টিন সান হোটেলের রুম নাম্বার তেরো। মেয়েটাকে নাম আমি বলবো? ”

“ এটা আর তেমন কী বিষয়? ওর শরীর খারাপ তাই ওখানে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে গেছি। ”

দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে আনিকা বললো।

“ আর কতো লুকাবেন? ”

“ কতো লুকানোর কী আছে? আমি তোমার মতো না। সবার কথা তো বলেই দিলাম। আর শুধু তিশার সাথে তিন মাসের সম্পর্ক ছিলো। ওর বান্ধবীর সাথে এক মাস। স্যারের মেয়ে বেশি কথা বলতো তাই বাদ দিয়ে দিছিলাম। জিনিয়া, মৌমিতা, লামিয়া আর সেতুর সাথে একবার করে মাত্র ঢাকার বাইরে ঘুরতে গেছি। মিম, রীমা, সনিয়া, স্বর্ণালী, আর কবিতার সাথে তো জমার আগেই বিয়ে হয়ে গেছে। নাবিলা, মাহমুদা, তানজিনা, রাত্রি, ইসরাত লিজা তো আমাকে ছ্যা'কা দিয়ে চলে গেছে এটুকুই। আর তুমি? ”

আনিকা ঠাস করে মাটিতে পড়ে গেলো। অ-জ্ঞান হওয়ার আগে বললো।

“ আরেহ তুমি যে তোমার কলিগের নাম্বার থেকে ম্যাসেজ দিবে তা উনি তখনই বলে দিয়েছিলো ফোন করে। তাই মজা করেছিলাম। কিন্তু তুমি? আমার বুঝি আর বেঁচে থাকা হলো না আ......................ম্মু............! ”

Address

Goni Pur
Pur
3704

Telephone

+8801825987035

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when rafiqul islam+apon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to rafiqul islam+apon:

Share

Category