14/04/2026
আজ পহেলা বৈশাখ, অনেকেই শখের বসে বা সেলেব্রেশনের নামে পান্তা খাবেন। কিন্তু আর কোনো দিন খাবেন না আবার খাবেন ১৪৩৪ এ। কেন খাবেন না, কারণ আমরা এখন অনেক টাকা পয়সার মালিক, পান্তা গরিবের খাবার, মোটা বানাই ফেলে, ঘুম ঘুম লাগে। কিন্তু আমরা গ্যাসের ট্যাবলেট খাবো। আমরা পান্তার সাইড ইফেক্টস জানি, জানি না মুড়ির মতো গিলতে থাকা গ্যাস এর ওষুধের সাইড ইফেক্ট।
প্রতিটা দেশের কিছু ট্রেডিশানাল ফার্মেন্টেড ফুড থাকে আমাদের ও ছিল অনেক গুলি টিকে নাই কালচার হিসাবে, কারণ একটাই সময় নাই বানানোর, নাই প্রচারণাও । আর্থিক ভাবে একটু উন্নতি করে ওই গুলি আর তেমন ভালো লাগে না বার্গার পিজ্জার মতো।
আমাদের ফার্মেন্টেড খাবার গুলির ভিতর অন্যতম হচ্ছে কুমড়া বড়ি, বিভিন্ন ধরণের আচার ( বিশেষ করে তেলে ডুবানো গুলি) , পান্তা ভাত, চ্যাপা শুঁটকি, টক দই। ; কিভাবে যেন এক অদ্ভুত কথার উৎপত্তি হয়েছে পান্তা ভাতে প্যাথোজেন ব্যাকটেরিয়া তৈরী হয়ে, খাওয়া যাবে না। পান্তাতে থাকে ৬-৭ ধরণের ল্যাক্টোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া। ল্যাক্টোব্যাসিলাস মূলত ল্যাকটিক অ্যাসিড তৈরী করে যা PH এর মাত্রা কমিয়ে প্যাথোজেন গ্রোথ করতে বাধা দেয়।
পান্তা ভাত আমাদের ঐতিহ্য, একে ধরে রাখুন, সপ্তাহে ১-২ বেলা ডায়েট এ রাখার চেষ্টা করুন। ৩- ৪ মাসে আপনার অনেক গ্যাস্ট্রিক, ডমপিরিডন ধরণের ওষুধ নির্ভরতা কমিয়ে নিয়ে আসবে। ব্রেন ফগ, ব্রেইন ও গাঁট এ বেশ পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন। তখন বিশ্বাস করা শুরু করবেন গাঁট ব্যাকটেরিয়া বা অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া কিভাবে উপকারী হতে পারে।
ব্যাকটেরিয়া এর গ্রোথকে ভালো মতো হতে দিতে পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ১২-১৪ ঘন্টা ফ্রিজের বাইরে রাখুন। মরিচ দিয়ে খেতে সমস্যা হলে, মাখিয়ে না খেয়ে ভাতের মতো তরকারি দিয়ে খাবেন।