Sajjadul khan abir

Sajjadul khan abir Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sajjadul khan abir, Grocers, Khulna.

আসসালামু আলাইকুম.!
প্রিয় পাঠক ও পাঠিকা, আমি একটা উপন্যাস লিখছি, যার নাম ফিরে এসো তুমি,,তোমরা পরতে চাও,,নাম শুনে অনেকেই ভাববে এটা হয়তো স্যাড এন্ডিং হবে কিন্তু না এটা হ্যাপি এন্ডিং হবে,,😊💗
উপন্যাস টার নায়ক ভিলেন হয়ে যায় এবং ভিলেন নায়ক হয়ে যাবে,,😊💗

আসসালামু আলাইকুম,, ওপাশ থেকে সালামের আওয়াজ পেয়ে মাথাটা উপরে তুল্লো রাফসান, তারা সওদাগর ভিলায় এসেছে অনেক আগে কিন্তু সে কা...
18/02/2026

আসসালামু আলাইকুম,, ওপাশ থেকে সালামের আওয়াজ পেয়ে মাথাটা উপরে তুল্লো রাফসান, তারা সওদাগর ভিলায় এসেছে অনেক আগে কিন্তু সে কারো কথায় কান না দিয়ে একধ্যানে ফোন স্ক্রল করছিলো,,আরিফের সালামের আওয়াজে তার ধ্যান ভাংলো,গম্ভীর কন্ঠে কোনোমতে সালামের উত্তর টা দিলো, ওয়ালাইকুম সালাম, তারপর আবার আগের ন্যায় ফোন স্ক্রল করতে লাগলো, আরিফ কিছু একটা বলতে গিয়েও থেমে গেলো,তার বাবার ইশারায়।
______________________________
ফারাজ চৌধুরী এবং আরাফ সওদাগর ভার্সিটির বন্ধু, তখন থেকে আজ অবদি তাদের সম্পর্ক আছে, ভার্সিটির জীবন শেষ করে যখন তারা নিজের নিজের জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলেও ওদের বন্ধুত্বটা আগের মতোই ছিলো একসময় দুই বন্ধু বিয়ে করার পর রাফসান, এবং আরিফ দুজনের জন্ম হয়, এর বছর ৬ পর নুপুরের জন্ম হয় এবং তারা তখনই ঠিক করে নুপুরের সাথে রাফসানের বিয়ে দিবে এখন তারা প্রাপ্ত বয়স্ক তাই তাদের বিয়ের জন্য আজ এখানে আসা। ফারাজ চৌধুরী তার পুএবধু কোনো প্রকার অনুষ্ঠান ছারাই ঘরে তুলতে চায় একদম সাদামাটা ভাবে বিয়েটা দিবে বলে ঠিক করলো দুই বন্ধু। দুপুর গড়িয়ে বিকাল হলো এখন বাড়িতে কাজি এসেছে নুপুরকে নিচে নামিয়ে আনা হয়েছে পরনে তার লাল রঙের বেনারসি, অধর দুটো জুরে হালকা লিপস্টিক, হাতে চুরি তার হাটু ছুই ছুই চুলগুলো হাত কোপা করে ছোট ছোট ক্লিপ দিয়ে আটকানো খোপার চারিপাশ, এতেই অসম্ভব সুন্দরী লাগছে নুপুরকে, এক পলক তাকিয়ে চোখ সরাতে পারলো না রাফসান, কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে চোখ সরিয়ে নিলো, নিজেকে নিজে বকতে লাগলো সে তো রিয়াকে ভালোবাসে তো এই মেয়েকে দেখে এমন অনুভুতি হচ্ছে কেন, এসব হাবিজাবি ভাবছিলো তারমধ্যে কাজি সাহেব বলে উঠলেন, আরাফ সওদাগরের মেয়ে নুসরাত সওদাগর নুপুরকে একলক্ষ এক টাকার দেনমহরে বিবাহ করতে রাজি থাকলে বলো কবুল, রাফসান হাবিজাবি চিন্তা করতে করতেই এক প্রকার ঘোরের মধ্যেই তিন কবুল বলে দিল, নুপুরের কিছু তেই কবুল বলতে মন চাইছে না, সে যে এখনো অনেক পড়তে চায়এসব চিন্তার মধ্যে তার বাবার ধমক ভেসে এলো তার কানে, সে ঘোরের মধ্যে থেকেই তিনবার কবুল বলে দিল, বিয়ে সম্পুর্ন হওয়ার পর নতুন বউকে চৌধুরী পরিবার নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয় তখনই নুপুরের কান্নার রোল পরে সাথে তার মা চাচি এবং ওর থেকে বয়সে ৩ বছরের ছোট কাজিন তিন্নির ও, কাঁদতে কাঁদতে একেক করে সবার থেকে বিদায় নিলো নুপুর কিন্তু তার ছোট বোন তিন্নির সামনে সে কিছু বলতে পারলো না তার আগে তাকে জরিয়ে ধরে তিন্নি হু হু শব্দ করে কেঁদে বল্লো আপা আমার কি হবে.? আমাকে রেখে যেও না তুমিই তো বেস্ট ফ্রেন্ড ছিলে, আমিতো তোমাকে ছারা থাকতে পারবে না, নুপুর তিন্নির মুখটা তার দুই হাতের আজলায় নিয়ে আদুরে স্বরে বল্লো কাঁদে না বনু আমি আবার আসবো ,
নুপুরের এসব কান্নার মাঝে গাড়ির হর্ন ভেসে আসলো সবাই নুপুরকে নিয়ে গিয়ে রাফসানের পাশে বসিয়ে দিলো সাথে নুপুরের বাবা তার কন্যার দ্বায়িত্ব ও রাফসান কে দিলো যদিও এসব কিছু খুব বিরক্ত লাগছে রাফসানের কাছে তবুও তার মায়ের জন্য সবকিছু মেনে নিচ্ছে।
_______________________________________________
বেশ অনেকক্ষণ পরে ব্লাক মারসিটিজটা তার গন্তব্যে চলতে লাগলো, বাসা থেকে অনেকটা দুরে চলে আসছে ওরা তবুও নুপুরের কান্না থামেনি, নুপুরের কান্নার আওয়াজ রাফসানের খুব অসহ্য লাগছে, থাকতে না পেরে একটা ধমক দিলো নুপুরকে এই মেয়ে চুপ করো..কিন্তু হিতে বিপরীত হয়ে গেলো নুপুরের কান্না থামলো না বরং আরো জোর দিয়ে শুরু হলো,ওদের এসব কান্ড দেখে ড্রাইভিং সিট থেকে নিশব্দে হাসছে আরিয়ান, ফারাজ চৌধুরীরা চলে গেছে বাসায়। কিন্তু রাস্তায় মধ্যে নুপুরের শরীরটা খারাপ হয়ে যায় তাই রাফসান রা এখনো বাসায় যেতে পারেনি।
_______________________________________________
সন্ধ্যা ৭ টা চৌধুরী বাড়ির গেটে প্রবেশ করলো ব্ল্যাক মার্সিটিজ টা, গাড়ি থেকে সবাই নামছে একে একে কিন্তু নুপুর এখনো নামেনি, তার এক অন্য রকম ভয় কাজ করছে, একে তো নতুন জায়গা তার উপর ওর সাথেও কেউ আসেনি, এসব ভাবনার মাঝে মেয়েলি কন্ঠে ডেকে উঠলো ভাবি নেমে আসেন, নুপুর মেয়েটার দিকে একপলক তাকালো, মেয়েটার গায়ের রং ফর্সা চুলগুলো একপাশে দুইটা ক্লিপ লাগানো খোলা ঠোঁটে হালকা লিপস্টিক কানে ছোট একটা দুল,সব মিলিয়ে অসম্ভব সুন্দরী, নুপুর মনে মনে ভাবছে মেয়েটা কে.? তার জানা মতে রাফসানের তো কোনো বোন নেই. তাহলে এই মেয়েটা কে.? ঠিক তখনই তার ভাবনার বিপরীতে আয়েশা চৌধুরী বলে উঠল ও তাসমিন আমার মেয়ে, নুপুর অনেকটা চমকে গেলো, আয়েশা চৌধুরী মুচকি একটা হাসি দিয়ে বল্লো কি ভাবছো আমার মেয়ে আছে আর তুমি জানতে না, নুপুর এদিক ওদিক মাথা নেরে সায় দেয়।
_______________________________________________


(কি ভাবছো তাসমিন কে জানতে হলে পাশে থেকো)
সবার কাছে একটা করে অনুরোধ গল্পটা ভালো লাগলে শেয়ার করে দিবেন প্লিজ..! 😊🫶

#ফিরে_এসো_তুমি
#রাকিব_হাসান
্ব_২

"হোয়াট আর সে'য়িং ম'ম,চিল্লিয়ে কথাটা বল্লো রাফসান। বাবা তোর আব্বুর উপরে তো আমি কিছু বলতে পারবো না। কিন্তু তুমি তো জানো আম...
16/02/2026

"হোয়াট আর সে'য়িং ম'ম,চিল্লিয়ে কথাটা বল্লো রাফসান। বাবা তোর আব্বুর উপরে তো আমি কিছু বলতে পারবো না। কিন্তু তুমি তো জানো আমি রিয়াকে ভালোবাসি, কে কাকে ভালোবাসে গম্ভীর কণ্ঠে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে কথাটা বল্লেন ফারাজ চৌধুরী, ফারাজ চৌধুরীর দুই ছেলে বড় ছেলের নাম, রাদিফ চৌধুরী রাফসান এবং ছোট ছেলের নাম আরিয়ান চৌধুরী রোদ,

ফারাজ চৌধুরী তার স্ত্রী আয়েশা চৌধুরী কে উদ্দেশ্য করে বল্লেন তোমার ছেলেকে সকালে তাড়াতাড়ি উঠে রেডি হয়ে থাকতে বলবে আমরা কালকেই যাবো ওদের বাড়িতে,ব্যাস এতটুকু বলে চলে গেলেন ফারাজ চৌধুরী, এদিকে রাফসান রাগে ফুসতে ফুসতে তার মাকে বল্লো আমি রিয়াকে ভালোবাসি আর ওকে ছারা অন্য কাউকে বিয়ে করবো না, কথাটা বলে বড় বড় পা ফেলে জায়গা ত্যাগ করলো রাফসান, ছেলের যাওয়ার দিকে অসহায় চোখে তাকিয়ে থাকলেন আয়েশা চৌধুরী।

______________________________

সকাল ৮ টা রাগে ফুসতে ফুসতে গাড়ি ড্রাইভিং করছে রাফসান, পিছনের প্যাসেন্জার সিটে বসে তার ছোট ভাই আরিয়ান,,, রাফসান এবং আরিয়ান পিছনের গাড়িতে এবং সামনের গাড়িতে যাচ্ছে ফারাজ চৌধুরী আর তার স্ত্রী আয়েশা চৌধুরী,, গন্তব্য তাদের ফারাজ চৌধুরীর বন্ধু আরাফ সওদাগরের বাড়ি,প্রচন্ড রাগ ও জেদে তীরের গতীতে গাড়ি ড্রাইভিং করছে রাফসান, তার এমন বেপরোয়া ব্যবহার দেখে আরিয়ান ভয়ে জুবুথুবু হয়ে গেছে, সে কখনো তার ভাইকে এমন বিহেব করতে দেখি নি।
______________________________
কলেজ থেকে মাএ ফিরেছে নুপুর, সদর দরজা পেরানোর আগেই তার মা সাদিকা সওদাগর বলে উঠলেন, আজকে এত দেরি হলো কেন..? নুপুর খুব ছোট করে উত্তর দিলো এক্সটা ক্লাস ছিলো আজ,, সাদিকা সওদাগর খুব করে বুঝতে পেরেছে মেয়ে তার কিছু লুকাচ্ছে,,মেয়েকে উদ্দেশ্য করে বল্লেন মিথ্যা যকন বলতে পারো না তখন মিথ্যা বলতে যাও কেনো..?

মা বুঝে ফেলেছে, বুঝতে পেরে নুপুর ভয়ে কাপতে লাগল,,সাদিকা সওদাগর জিজ্ঞেস করলেন কোথায় গিয়েছিলে,, নুপুর একদমই মিথ্যা বলতে পারে না সে সব ফটাফট বলে দিলো,, আজকে তার বান্ধবী রিয়া তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে দেখা করতে যাওয়ার সময় একপ্রকার জোর করেই নুপুরকে ধরে নিয়ে গেছিলো তাই আসতে অনেক টা দেরি হয়ে গেছে, বকাবকি শুনে আরাফ সওদাগর ঘর থেকে বেরিয়ে এসে গম্ভীর কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করলেন, কি হয়েছে? সাদিকা সওদাগর মেয়ের দিকে রাগী দৃষ্টি নিক্ষেপ করে আরাফ সওদাগরের উদ্দেশ্য করে বল্লেন তোমার মেয়ে কলেজ যাওয়ার নাম করে প্রেম করে বেড়াচ্ছে,,ধমক দিয়ে আরাফ তার স্ত্রীকে চুপ করিয়ে দিয়ে,, মেয়ের দিকে তাকিয়ে বল্লেন আমার বন্ধু ফারাজের বড় ছেলের সাথে আজকে তোমার বিয়ে তারাতাড়ি রেডি হয়ে থাকো ওরা আসছে,,,নুপুরের সাহস নেই তার বাবার উপর কথা বলার সে মনে মনে তার ভাইয়াকে ডাকতে লাগলো,,তখনই চেচামেচি শুনে উপর থেকে নেমে এলো আরিফ সম্পর্কে সে নুপুরের বড় ভাই,, আরিফের পিছনে পিছনে তার কাজিন রিদ ও এলো,, আরিফ সবাইকে উদ্দেশ্য করে জিজ্ঞেস করলেন কি হয়েছে.?
আরাফ সওদাগের এক ভাই ও দুই বোন, বোনের নাম ফাতিমা সেন , এবং ভাই তুহিন সওদাগর, ফাতিমা সেন এর দুই ছেলে,, তাশরীক ও ইরফান,,এবং ভাইয়ের এক ছেলে দুই মেয়ে,, ছেলে নাদিম সওদাগর রিদ বড় মেয়ে আফসানা সওদাগর আলো,ছোট মেয়ে তানিয়া সওদাগর তিন্নি,, এবং আরাফ সওদাগরের এক ছেলে এক মেয়ে ছেলে নাফিজ সওদাগর আরিফ এবং মেয়ে,, নুসরাত সওদাগর নুপুর,, এখন নুপুরের বিয়ের কথাই হচ্ছে,, এ বিষয়টা জানার সাথে সাথে আরিফ চিল্লাতে শুরু করে দিছে সে কিছুতেই তার বোনের বিয়ে দিবে না তার বোন মাএ ইন্টার ফাস্ট ইয়ারে পড়াশোনা করছে, তবুও তার চিল্লাচিল্লি কাজে আসলো না তার বাবা এবং চাচার কাছে,তাদের একটাই কথা রাফসান খুবই ভালো ছেলে এবং সে একজন নামকরা বিজনেস ম্যান,মেইন গেইটের সামনের থেকে দুইটা গাড়ির হর্নের শব্দে ধ্যান ভাঙলো নুপুরের সে অবাক হয়ে সবাইকে দেখছিলো তাকে তারানোর এত তাড়া কেন এই মানুষগুলোর এসব হাবিজাবি ভাবছিলো,, গেইটের থেকে নুপুরের চোখ সরলো তার বাবার গম্ভীর গলার স্বরে, ওইতো ওরা চলে আসছে,, সাদিকা তোমার মেয়েকে নিয়ে যাও তারাতাড়ি রেডি করো,,, দ্বিতীয় বারের মতো আরিফ আর কিছু বলতে পারলো না নুপুর ও নিজের জীবনের হিসাব মিলাতে মিলাতে মায়ের পায়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলে গেলো উপরে,,
______________________________

উপন্যাস: #ফিরে_এসো_তুমি
লেখক: #রাকিব_হাসান
#সুচনা_পর্ব

( লাইফে ফাস্ট টাইম লিখছি, ভুল ক্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন, আর উপন্যাস টা কেমন হচ্ছে বলবেন, আপনাদের মতামত দিবেন..! 😊🫶

13/02/2026

আসসালামু আলাইকুম.!
প্রিয় পাঠক ও পাঠিকা, আমি একটা উপন্যাস লিখছি, যার নাম ফিরে এসো তুমি,,তোমরা পরতে চাও,,নাম শুনে অনেকেই ভাববে এটা হয়তো স্যাড এন্ডিং হবে কিন্তু না এটা হ্যাপি এন্ডিং হবে,,😊💗
উপন্যাস টার নায়ক ভিলেন হয়ে যায় এবং ভিলেন নায়ক হয়ে যাবে,,😊

পড়তে চাইলে পেইজটাকে ফলো দিয়ে কমেন্ট করুন,, ১৫ তারিখ রবিবার থেকে দিতে শুরু করবো ইনশাআল্লাহ..!😊💗🫶

10/01/2026

Hmm...Asolei...!!!🫶🌺🥺

07/12/2025

ফজরের সালাত হলো দিনের প্রথম সফলতা,এটুকু অর্জন করলে দিনটাই বরকতময় হয়ে যায়!🤲💙

07/12/2025

কি হা'রা'লেন এই বছর?😅💔

07/12/2025

কিগো ফলো কি দিবা নাকি তোমাদের বাড়ি যাইয়া বইলা আসতে হবে...🤌🐸

07/12/2025

-প্রতিটা ব্যর্থতা থেকে জন্ম হয় সফলতা🌼
- আর প্রতিটা আঘাত থেকে জন্ম হয় অভিজ্ঞতা.🌸

Address

Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sajjadul khan abir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category