03/06/2026
এই জায়গাটা হলো আমার জন্ম বাড়ি। যেখানে শৈশব এবং কিশোরের বড় একটা সময় কেটেছে, সেখানে গেলে চোখে পানি এসে এপ টপ করে পড়ে; যেন মনে হয় সেখানে থেকে যায়। কিন্তু সেটা চাইলেও আর হবে না।
কারণ এটা আগে ছিলো আমার বাড়ির পাশে 'খান জাহান আলী বিমানবন্দর, ফয়লাহাট' সেটা যখন এমন খবর শুনি তখন একটু ভালো লাগে। আমি তেমন বড় ন। তখন বয়স হবে, আমার ১০ বছর আনুমানিক। সেখানে পরে ২০১৬ সালের দিকে শুনি তখন এটা বড় করে ৯৮ একর জামি নিয়ে বিমানবন্দর হবে।
তারপর, কয়েটা গ্রাম নিয়ে নেই গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, তার মধ্যে ছিলো আমার জন্ম বাড়ি। আমার শৈশব এবং কিশোরে বেড়ে ওঠা বাড়ি, ২০১৮ সালে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার নিয়ে নেই। জমির তখনের বাজার মূল্যের চেয়েও তিন গুন বেশি মূল্য দেয়।
তারপর আস্তে আস্তে সেখান বাউন্ডারির কাজ করে তখন সবাই আস্তে আস্তে জমি কিনে চলে যায়, আমরা গিয়ে পাশের গ্রামে বাড়ি করি। কিন্তু যখনই এখানে যায়, তখনই যেন মনের হৃৎপিণ্ডে আঘাত আনে। যেখানে আজ ৯ বছর ধরে পড়ে আছে।
সেখানে আছে শুধু ঘরের চৌকাঠের চাতক, আর কিছু ঘরের কলম। সেই পুকুরে যে পুকুরে আমার প্রথম গোসল এবং সেই পুকুরে সাতার শেখা। জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা সময় সেখানে কাটানো। এখন সেই স্থান যেন বন-জঙ্গলে ভরা, সাপের বসবাস।
এই কত শত জায়গা জুড়ে। যেখানে মানুষ আনাগোনা আগের থেকে কম। সেখানে আগে সুখ ছিলো, আর এখন সেই জায়গায় আমার কত শত স্মৃতি আছে, যেটা প্রতিনিয়ত একবার মনে পড়ে।