Active Life

Active Life People say ‘you are what you eat – it is absolutely true – so eat good and feel good.

অতিরিক্ত মিষ্টি খাচ্ছেন? শরীর যে সংকেত দিতে পারেঅনেকই আছেন যারা চিনিযুক্ত খাবার খুব পছন্দ করেন। ক্ষুধা লাগলেই তাই প্রিয়...
07/07/2024

অতিরিক্ত মিষ্টি খাচ্ছেন? শরীর যে সংকেত দিতে পারে

অনেকই আছেন যারা চিনিযুক্ত খাবার খুব পছন্দ করেন। ক্ষুধা লাগলেই তাই প্রিয় ডেজার্টের চমৎকার স্বাদের কথা মনে পড়ে যায়। তবে চিনিযুক্ত খাবার আনন্দ আর তৃপ্তি দিলেও জটিল স্বাস্থ্য সমস্যায় ফেলে দিতে পারে। আমারা অনেকই জানি না নিজের অজান্তে আমরা চিনির ওপর কতটা নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি।

অধিক পরিমানে চিনি গ্রহণের পর আপনার শরীর আপনাকে বহু সংকেত পাঠাবে।
* অতিরিক্ত চিনি আর্থ্রাইটিস বা বাত, চোখে ছানি, হৃদরোগ, দুর্বল স্মৃতিশক্তি বা কুঁচকে যাওয়া ত্বকসহ খারাপ পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে পারে।

* চিনি দ্রুত হজম হয়, ফলে খাবার খাওয়ার এক ঘণ্টা পরেও আপনি ক্ষুধার্ত বোধ করতে পারেন। চিনি ‘ডোপামিন’ তৈরির ক্ষেত্রে বেশ পরিচিত।

যাকে মাদকদ্রব্যে আসক্ত তৈরি করার সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। আপনি যত বেশি চিনি খাবেন আপনার শরীরের তত বেশি চিনি চাইবে। কারণ চিনিকে মস্তিষ্ক একটি ট্রিট বা পুরস্কার হিসেবে বিবেচনা করে। যা চিনিযুক্ত খাবার এবং অন্যান্য সুস্বাদু খাবারের আকাঙ্খা বাড়িয়ে দিবে।

* গ্লুকোজ শরীরে শক্তি যোগায়, তাই রক্তে শর্করার একটি স্বাস্থ্যকর স্তর বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যখন মিষ্টি খান তখন অগ্ন্যাশয় কোষে গ্লুকোজ পরিবহনে সহায়তা করার জন্য ইনসুলিন নিঃসরণ করে। ফলে আমাদের শক্তি বৃদ্ধি পায়। অতিরিক্ত চিনি এই চক্রটির ওপর প্রভাব ফেলে, চক্রটি চলাকালীন আপনার শক্তির স্তর বাড়ে না উল্টো হ্রাস পায়। কারণ আপনার শরীর আরো চিনি চায়।

তাই শক্তির মাত্রা বজায় রাখতে চিনিযুক্ত এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলা ভালো।
* বেশি চিনিযুক্ত খাবার শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং গ্লাইকেশন প্রক্রিয়া শুরু করে। ফলে প্রোটিন অণুর সঙ্গে চিনির সংযুক্তি ঘটে। এতে শারীরবৃত্তীয় কাজে সমস্যা শুরু হয় যা শেষ পর্যন্ত প্রদাহ এবং ত্বকের সমস্যা ঘটায়। নিয়মিত ত্বকের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়।

* বেশি চিনিযুক্ত খাবার আস্তে আস্তে ওজন বাড়িয়ে দেয়।

* নিঃসন্দেহে চিনিযুক্ত খাবার গহ্বর এবং দাঁতের সমস্যা বাড়িয়ে তুলবে।

* নিয়মিত প্রচুর মিষ্টি খাবার খেলে আপনি মিষ্টি স্বাদে অভ্যস্ত পড়বেন। মিষ্টি ফল তখন আপনার কাছে ততটা মিষ্টি লাগবে না।

* ঘন ঘন ফ্লু এবং সর্দি-কাশিতে ভুগার কারণ হতে পারে চিনি।

* বিভিন্ন খাবার খাওয়ার পর অপ্রীতিকর গ্যাস এবং বদহজমের কারণে অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে। বদহজম বা পেট ফোলর ক্ষেত্রে চিনি উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রাখে। চিনি সাধারণত গ্যাস উৎপাদনকারী ব্যাকটেরিয়া হিসেবে কাজ করে।

সূত্র : এনডিটিভি

ডেঙ্গু নিয়ে সতর্কতা ভুললে চলবে নাডেঙ্গু এখন একটি আতঙ্কের নাম। সাধারণত বর্ষায় এর প্রকোপ বাড়ে। এ বছর বর্ষা শুরু হয়েছে, কিন...
07/07/2024

ডেঙ্গু নিয়ে সতর্কতা ভুললে চলবে না

ডেঙ্গু এখন একটি আতঙ্কের নাম। সাধারণত বর্ষায় এর প্রকোপ বাড়ে। এ বছর বর্ষা শুরু হয়েছে, কিন্তু এখনো ডেঙ্গু নিয়ে সতর্কতামূলক কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। যখন ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেক বেড়ে যাবে ও হাসপাতালগুলো ভরে যাবে, তখন হয়তো সবার টনক নড়বে। এখনই সময় ডেঙ্গুর সম্ভাব্য আক্রমণ সম্পর্কে সতর্ক হওয়া।

লক্ষণ

জ্বর (১০১-১০৪ ডিগ্রি), শরীরব্যথা, মাথায় তীব্র যন্ত্রণা, চোখব্যথা, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, ক্ষুধামান্দ্য, বমি বমি ভাব, বমি করা, গলাব্যথা, কাশি, ত্বকে দানা ইত্যাদি ডেঙ্গুর সাধারণ লক্ষণ। তবে পরিচিত লক্ষণ ছাড়াও কিন্তু ডেঙ্গু হতে পারে। তাই এ মৌসুমে জ্বর হলেই ডেঙ্গু পরীক্ষা করা উচিত। তীব্র ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ হলো প্রচণ্ড পেটব্যথা, ক্রমাগত বমি, অনিয়ন্ত্রিত পাতলা পায়খানা, রক্তক্ষরণ, দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস, নিস্তেজ হওয়া, বিরক্তি ও অস্থিরতা।

কখন ভয়

জ্বর এক থেকে সাত দিন থাকতে পারে। কিন্তু এরপরই শুরু সংকটকাল। জ্বর ছেড়ে যাওয়ার ২৮ থেকে ৪৮ ঘণ্টা স্থায়ী হয় এ সময়। এ সময় হঠাৎ রক্তচাপ কমে যাওয়া ও অন্যান্য জটিলতা দেখা দেয়। জটিলতাগুলো হলো শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে রক্তপাত, প্লাজমা লিকেজ (রক্তনালি থেকে জলীয় অংশ বেরিয়ে যাওয়া) ও রক্তচাপ কমে যাওয়া। এমন ক্ষেত্রে উপযুক্ত চিকিৎসা না দিলে মৃত্যুর আশঙ্কা থাকে।

পরীক্ষা

এ সময় যেকোনো ধরনের জ্বরের এক দিন পরই রক্তের কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট ও ডেঙ্গু এনএসওয়ান অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করাতে হবে। জ্বর চার থেকে পাঁচ দিন হয়ে গেলে অ্যান্টিজেন না করে কমপ্লিট ব্লাড কাউন্টের সঙ্গে অ্যান্টি ডেঙ্গু আইজিজি ও আইজিএম অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করা উচিত। এ ছাড়া রোগীর জটিলতার ধরন অনুযায়ী অন্যান্য পরীক্ষা করার প্রয়োজন হবে।

করণীয়

বাসায় বিশ্রাম নিন।

জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল খাবেন, গা মোছাবেন।

তরল খাবার, যেমন স্যালাইন, ডাব, স্যুপ, ফলের জুস, দুধ খাবেন—দুই থেকে আড়াই লিটার প্রতিদিন। অন্যান্য খাবারও খাবেন।

দিনে কয়েকবার রক্তচাপ পরীক্ষা করুন, পালস প্রেশার মাপুন। পালস প্রেশার হলো ওপরের ও নিচের প্রেশারের পার্থক্য। এটি ২০ মিমির কম হলে ঝুঁকি বেড়ে যায়।

প্রস্রাবের পরিমাণ লক্ষ করুন। প্রস্রাব কম হলে ও রক্তচাপ কমে গেলে শিরায় স্যালাইন দিতে হবে, অর্থাৎ দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

প্রতিদিন সিবিসি টেস্ট করানো ভালো।

কখন হাসপাতালে ভর্তি

প্রচণ্ড পেটব্যথা, অতিরিক্ত বমি, শরীরে পানি জমা, রক্তপাত শুরু হওয়া, হেমাটোক্সিট বেড়ে যাওয়া, প্লাটিলেটের পরিমাণ ৫০ হাজারের নিচে নামলে, প্রস্রাব কমে গেলে।

ডা. এ কে এম মূসা, অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ, আলোক হেলথকেয়ার লি., মিরপুর ১০, ঢাকা

source: prothomalo.com

বর্ষাকালে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে যা খেতে হবেবর্ষাকালের অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও তাপমাত্রার পরিবর্তন শরীরে ইমিউন সিস...
07/07/2024

বর্ষাকালে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে যা খেতে হবে

বর্ষাকালের অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও তাপমাত্রার পরিবর্তন শরীরে ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধক্ষমতাকে দুর্বল করে দিতে পারে। ফলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ ও অসুস্থতা দেখা দেয়। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে যা খাবেন:

হলুদ, দুধ ও চা

হলুদে কারকিউমিনসমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে, যা শক্তিশালী প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্যের। নিয়মিত হলুদ–চা ও ঘুমানোর আগে এক গ্লাস কুসুম গরম দুধে হলুদ যোগ করে খেলে সাধারণ অসুস্থতা ও সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করবে।

প্রোবায়োটিক ও ফার্মেন্টেড ফুড

প্রোবায়োটিক অন্ত্রের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দই প্রোবায়োটিকসমৃদ্ধ খাবার, যা বর্ষায় চমৎকার স্বাস্থ্যকর খাবার হতে পারে। আচার ও পান্তাও খেতে পারেন।

স্যুপ ও স্টু

বৃষ্টির দিনে তাজা শাকসবজি দিয়ে স্যুপ ও স্টু শুধু সুস্বাদু নয়, প্রয়োজন মিটবে ভিটামিন ও খনিজেরও।

লেবু

লেবু ভিটামিন সি-এর গুরুত্বপূর্ণ উৎস, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। সালাদ বা কুসুম গরম পানিতে লেবু সর্দি-কাশিসহ সাধারণ অসুখ থেকে বাঁচতে বেশ কার্যকর।

মসলা–চা

মসলা চা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করে। আদা, এলাচি, দারুচিনি যোগ করে এক কাপ গরমমসলার চা ওষুধের মতো কাজ দেবে।

রসুন

রসুনে অ্যালিসিন রয়েছে, যা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। এটি সর্দি-কাশি সংক্রমণে বেশি কার্যকর।

আদা

আদা শরীরে উষ্ণতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। এতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা গলাব্যথা উপশমে ও ফ্লুর বিরুদ্ধে লড়াই করে। তাই চা বা অন্য খাবারে আদা যোগ করুন।

বাদাম

স্ন্যাকস হিসেবে বিভিন্ন ধরনের বাদাম গ্রহণ করুন। এতে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। বর্ষায় এটি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াবে।

করলা

বর্ষায় তিতা সবজি খুব উপকারী, যেমন করলা। এটি রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সতর্কতা

● শাকসবজিতে ময়লা পানি ও জীবাণুর সংস্পর্শ বেশি থাকে বলে পেটে সংক্রমণ হতে পারে, ভালোভাবে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে খেতে হবে।

● এ মৌসুমে দূষণের কারণে সামুদ্রিক খাবার বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, যা খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

● এ সময় বেশি আর্দ্র আবহাওয়ায় ভাজা ও তৈলাক্ত খাবার কম খাবেন।

● রাস্তার খাবার খেলে হতে পারে টাইফয়েড, ডায়রিয়ার মতো পানিবাহিত রোগ।

● সালাদ ও কাঁচা খাবারে ব্যাকটেরিয়া ও প্যাথোজন থাকতে পারে, তাই রান্না করে খাওয়া উচিত।

লিনা আকতার, পুষ্টিবিদ, রায়হান হেলথ কেয়ার হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার, দিনাজপুর

🔥নিজেই তৈরী করুন ঘরোয়া ভাবে, আর হয়ে যান সুপার'ম্যান🔥  দৈহিক ও মানসিক শক্তি বৃদ্ধিতে এটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে।সুপার'ম্যা...
16/02/2023

🔥নিজেই তৈরী করুন ঘরোয়া ভাবে, আর হয়ে যান সুপার'ম্যান🔥
দৈহিক ও মানসিক শক্তি বৃদ্ধিতে এটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

সুপার'ম্যান বলার কারণ হলো এটার অনেক স্বাস্থ্য উপকারীতা রয়েছে যা নিয়মিত ১-২ চামচ খেলে পুরু'ষদের ইরেক'টাইল ডিসফাংসনের প্রাকৃতিক ঘরোয়া নিরাময় হিসেবে কার্যকরী, পুরুষদের টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধি হয় যার উপকারীতা একমাত্র পুরুষরাই টের পাবেন৷

💪 ঠান্ডাজনিত যেকোনো সমস্যায়,
💪হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়,
💪রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো,
💪রক্তে চিনির প্রভাবকে নিয়ন্ত্রণে রাখে,
💪এনার্জি লেভেল বাড়ায়
💪 স্মরণ শক্তি ধরে রাখে
💪 ব্রেইনের স্বাস্থ্য সুরক্ষা দেয়
💪 মুড ভালো রাখা সহ আরও বহু উপকারীতার কারণে এটাকে সুপার ফুড বলা হয়৷

উন্নত বিশ্বের অনেক দেশেই এই গাঁজানো রসুন বিভিন্ন নামি-দামি সুপার শপে পাওয়া যায়। রসুন ও মধু একসাথে সুনির্দিষ্ট গাজন প্রক্রিয়া বা ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় এটা তৈরী করা হয়। যা তৈরী হয়ে খাওয়ার উপযোগী হতে সময় লাগে প্রায় ২ মাস। আপনার যদি সেই ধৈর্য্য ও সময় থাকে তাহলে ঘরেই বানাতে পারবেন।

👍✅কীভাবে বানাবেন?

-একটা কাঁচের বয়ামের অর্ধেক পরিমান র মধু নেন। দেশের কোনো কোম্পানিই 'র' মধু বাজারজাত করেনা। সবাই প্রসেসড মধুই সেল করে। আর প্রসেসড মধু দিয়ে এই জিনিস বানানো যাবে না। মধু নিলে অবশ্যই পরিচিত বিশ্বস্ত সোর্স থেকে 'র' মধু কিনবেন।

✅ বড় কোয়ার রসুন ছোট ছোট পিস করে কেটে বোতলের ৪ ভাগের ১ ভাগ অংশ পূর্ণ করুন।মানে কাঁচের বয়ামের অর্ধেক র মধু, ৪ ভাগের ১ ভাগ কাটা রসুন ও ১ ভাগ খালি থাকবে। এবার কাঁচের বয়ামের মুখ ভালো করে বন্ধ করে শুকনো ও অন্ধকার স্থানে রাখুন।

✅ খেয়াল রাখবেন, বয়ামের ভিতরে যেন বাতাস প্রবেশ করতে না পারে। এভাবে মিনিমাম ৭ দিন রেখে দিবেন।
-মিনিমাম ৭ দিন পরে বয়ামের মুখটা খুলে ভিতরে জমা গ্যাস বের করে দিবেন। আরো ৭ দিন পরে দেখবেন রসুনের কালার চেইঞ্জ হয়ে সোনালি কালার হয়ে গেছে দেখবেন। আরেকটা কাজ করবেন, রসুন উপরে ভেসে থাকে, উপরের অংশে মধু লাগে না, তাই ৩/৪ দিন পর পর বয়ামটা ঝাঁকিয়ে রসুন গুলো উপর নিচ করে দিবেন। ২ মাস অপেক্ষা করুন।

✅ এই অবস্থায় বোতল খুলে প্রয়োজন মতো খেতে পারবেন। তবে এই ২ মাসের প্রতি সপ্তাহে একবার বয়ামের মুখ খুলে গ্যাস বের করে দিতে হবে। ২ মাস পরে আর গ্যাস তৈরি হবে না। এখন বয়ামের মুখ না খুললেও সমস্যা নাই। রেডি হয়ে গেল আপনার গাঁজানো রসুন মধু।

বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখতে হবে যেন পুরো পদ্ধতি যথাযথ ভাবে ফলো করে করা হয়। তা না হলে গাঁজানো রসুনের উপকারীতা পাবেন না।

✅ আর এটা তৈরীতে অনেক ধৈর্য্য থাকতে হবে, ধৈর্য্য না থাকলে আমাদের পেইজে অর্ডার করতে পারেন, খুব সহজেই হোম ডেলিভারি পেয়ে যাবেন ইন শা আল্লাহ।

🛒🛒 গাঁজানো রসুন অর্ডার করতে কল করুন
☎️ 01855130045 অথবা মেসেজ করুন।

স্বাস্থ্য ভালো রাখার সঠিক উপায়,চলুন জেনে নেই সুস্থ থাকার কিছু নিয়মাবলী-শরীর ভালো থাকলে মন যেমন ফুরফুরে ও সতেজ থাকে তেম...
01/01/2023

স্বাস্থ্য ভালো রাখার সঠিক উপায়,চলুন জেনে নেই সুস্থ থাকার কিছু নিয়মাবলী-

শরীর ভালো থাকলে মন যেমন ফুরফুরে ও সতেজ থাকে তেমন কাজের স্পৃহাও বাড়ে। আর মন ভালো থাকলে সবকিছুই ভালো লাগে। তাছাড়া সুস্থ, সুন্দর ও ফিট শরীর সবারই কাম্য। স্বাস্থ্যসম্মত জীবন যাপনই পারে কেবন মাত্র মন মেজাজ ঠিক রাখতে এবং সুন্দর ও ফিট শরীর বজায় রাখতে। এখানে এমন কিছু স্বাস্থ্য টিপস দেয়া হল যা অনুসরণ করে আপনিও একটি ভাল ও স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করতে পারেন।

চলুন জেনে নেই সুস্থ থাকার কিছু নিয়মাবলীঃ

১। ভোরে ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রতিদিন খুব সকালে ঘুম থেকে ওঠে ৩০ – ৪০ মিনিট হাঁটুন। মনে রাখবেন হাটার চাইতে আর কোনো ভাল ব্যয়াম নেই। এতে মন এবং শরীর সতেজ থাকবে।

২। নিয়ম করে পরিমিত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন, কম অথবা বেশি খাওয়া দুটাই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। খাবার তালিকায় আঁশযুক্ত খাবার (যেমন শাক সবজি এবং ফলমূল) বাড়ান। চর্বিজাতীয় খাবার কমিয়ে আনুন। ভাজা-পোড়া ও ফাস্টফুড জাতীয় খাবার সম্পূর্ণ বন্ধ করুন।

৩। প্রতিদিন কমপক্ষে ১০-১২ গ্লাস পানি পান করুন। দিনের শুরুতে লেবু ও মধু দিয়ে হালকা গরম পানি পান করুন। খাবারের সময় বেশি পানি পান না করে খাবার শেষে অন্তত এক থেকে দুই ঘণ্টা পর পানি পান করবেন।

৪। লালমাংস (গরু, মহিষ, ছাগলের মাংস), মিষ্টি, ঘি, ডালডা জাতীয় খাবার কম খান।

৫। ফলমূল ও শাকসবজি বেশি করে খাদ্য তালিকায় রাখুন। একবারে বেশি করে খাওয়ার চেয়ে অল্প অল্প করে বার বার খেতে পারেন। প্রত্যেক বারের খাবারে দুই রকমের সবজি এবং একটি ফল অর্ন্তভুক্ত করার চেষ্টা করবেন।

৬। প্রত্যেকবারের খাবারের সময় কাঁচা সবজির সালাদ খাবেন। শুধুমাত্র টাটকা শাক সব্জি খাবেন। তৎক্ষনাত রান্না করা খাবার খাবেন, কখনই বাসি খাবার খাবেন না৷

৭। খাবার থেকে সমস্ত ভাজা ও তেল জাতীয় খাবার ত্যাগ করুন। এছাড়াও খাবারের তালিকা থেকে উচ্চ চিনিযুক্ত খাবার যেমন- হালকা পানীয়, আইসক্রিম, ক্যান্ডি এবং কুকিজ বাদ দিন।

৮। আপনার শরিরের প্রকৃতি অনুযায়ী ব্যয়াম করুন। যাদের মেদ বা ভুড়ি জমেছে তারা নিয়মিত ও সঠিক ব্যায়াম করতে পারেন। হাঁটা ও অন্যান্য ব্যয়াম এর পাশাপাশি সম্ভব হলে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যয়াম করুন।

৯। অতিমাত্রায় চা ও কফির অভ্যাস ত্যাগ করুন তার পরিবর্তে টাটকা ফলের রস খান। শরীরের নিয়মিত যত্ন নিন। শরীরের সৌন্দর্য বজায় রাখুন।

১০। রাতে তাড়াতাড়ি খাওয়া উচিত। খাওয়ার কম পক্ষে দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর শোওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

১১। প্রতিদিন রাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমের অভ্যাস গড়ুন। সুস্বাস্থ্য ও ফিগারের জন্য নিয়মিত ও পরিমিত ঘুম প্রয়োজন। দিনে শোওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলুন। রাতে শোয়ার আগে ঢিলেঢালা পোশাক পরুন।

স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। কারণ আপনার শরীর যদি ভালো না থাকে তাহলে কোন কিছুতেই আপনি ভালো থাকতে পারবেন না। তাই সবার আগে চাই সুস্থ শরীর।

আয়রনের ঘাটতি হলে কী কী উপসর্গ দেখা দিতে পারে..লৌহ বা আয়রন আমাদের শরীরের অন্যতম অতি প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান। রক্তের লোহিত ক...
22/12/2022

আয়রনের ঘাটতি হলে কী কী উপসর্গ দেখা দিতে পারে..

লৌহ বা আয়রন আমাদের শরীরের অন্যতম অতি প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান। রক্তের লোহিত কণিকা তৈরির কাঁচামাল। এর অভাবে লোহিত কণিকা তৈরি হতে পারে না। তাই রক্তশূন্যতার অন্যতম প্রধান কারণ আয়রনের ঘাটতি।

কিন্তু আয়রন শুধু রক্তকণিকা তৈরি করে না, দেহের শক্তি উৎপাদন থেকে শুরু করে মস্তিষ্কের স্নায়ুপ্রবাহও নির্ভর করে পর্যাপ্ত আয়রনের উপস্থিতির ওপর। তাই দেহে আয়রনের ঘাটতি হলে দেখা দিতে পারে বহুবিধ সমস্যা।

রক্তশূন্যতা আয়রন ঘাটতির সর্বশেষ স্তর। জেনে নিন, আয়রন ঘাটতি হলে আর কী কী উপসর্গ দেখা দিতে পারে—

১. শারীরিক দুর্বলতা।

২. মাথাব্যথা/মাথা ঘোরানো।

৩. মনোযোগ কমে যাওয়া।

৪. স্মরণশক্তির ঘাটতি।

৫. মাংসপেশিতে ব্যথা।

৬. অস্থিসন্ধিতে ব্যথা।

৭. চুল পড়ে যাওয়া।

৮. বুক ধড়ফড় করা বা বুক ভার হয়ে থাকা।

৯. শ্বাসকষ্ট।

১০. স্থূলতা।

১১. রেস্টলেস লেগ সিনড্রোম অর্থাৎ পা/হাতে শিরশির অনুভূতি হাওয়া, পা চিবানো, পায়ে নিস্তেজ ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

এ ছাড়া আয়রনের অভাবজনিত কারণে গলার মধ্যে কিছু আটকে থাকা, নখ বেঁকে যাওয়া, খাবার গিলতে কষ্ট হওয়া, খাদ্য নয় এমন খাবারে আসক্তি ইত্যাদিও হতে পারে।

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চান, প্রতিদিন পাতে রাখুন ৩ খাবারস্বাস্থ্য ভালো রাখতে খাবার খাওয়ার বিষয়ে সচেতন ও যত্নশীল হতে হবে। কি...
21/12/2022

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চান, প্রতিদিন পাতে রাখুন ৩ খাবার

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে খাবার খাওয়ার বিষয়ে সচেতন ও যত্নশীল হতে হবে। কিছু খাবার রয়েছে, যা খেলে ভালো থাকবে আপনার ত্বক; বাড়বে হজমশক্তিও।

আপনি যদি অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চান, তবে সবার আগে দরকার একটি স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাদ্যতালিকা।

খাবার তালিকায় এমন খাবার রাখুন, যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ও ওজন কমাতে সহায়ক।

তবে আমরা অনেকেই জানি না, আমাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে আসলে কী ধরনের খাবার খাওয়া প্রয়োজন। মনে রাখবেন– শুধু খাবার খেলেই হবে না, জানতে হবে কোন খাবারে রয়েছে আপনার শরীর উপযোগী পর্যাপ্ত ভিটামিন, ইবার, প্রোটিনসহ অন্যান্য পুষ্টি পদার্থ।

আজ আপনারদের জানাব এমন তিনটি খাবার সম্পর্কে, যা আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবে ও স্বাস্থ্য ভালো রাখবে।

এই তিনটি খাবার প্রতিদিন অন্তত একবার খেতেই হবে আপনাকে। ঝকঝকে ত্বক ও ভালো হজম শক্তির জন্য এই তিন খাবার খেতে পারেন।

আসুন জেনে নিই এই তিন খাবার সম্পর্কে-

সবুজ শাকসবজি

প্রতিদিন খাবারের তালিকায় রাখুন সবুজ শাকসবজি। সবুজ শাকসবজিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহের পাশাপাশি ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে, যা আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ভালো চুল এবং ত্বকের জন্য অপরিহার্য। সবুজ সবজি ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় পেট ভরাও থাকে অনেকক্ষণ। ফলে খিদে কম লাগে ও ওজন কমে।

ডিম

ডিম খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই আছে। ডিমে আছে উচ্চ প্রোটিন ও সুস্থ ফ্যাট। ডিম ক্রমাগত এইচডিএল বা ‘ভালো’ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়, যা অনেক রোগের ঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, সকালের নাস্তায় ডিম খেলে ক্যালোরি কম হয় এবং ওজন কমায়।

বাদাম

বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসহ স্বাস্থ্যকর চর্বি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। এটি মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে এবং হৃদরোগের বিরুদ্ধেও সুরক্ষা দেয়। যেমন কাজুবাদাম, আমন্ড, পেস্তা, আখরোট ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে পুষ্টির উৎস। বাদাম কম কার্বোহাইড্রেট খাবার।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

চাপে আছেন? এই কাজগুলো করুন, চাপ চলে যাবে...ব্যক্তিজীবন, সংসারের দায়িত্ব বা অফিসের কেপিআই—স্ট্রেস আমাদের নিতেই হয়। স্ট্রে...
20/12/2022

চাপে আছেন? এই কাজগুলো করুন, চাপ চলে যাবে...

ব্যক্তিজীবন, সংসারের দায়িত্ব বা অফিসের কেপিআই—স্ট্রেস আমাদের নিতেই হয়। স্ট্রেস যেন দিন দিন আমাদের আধুনিক জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠছে।

কিন্তু আপনার যদি মনে হয় যে প্রতিনিয়ত স্ট্রেস সামলাতে গিয়ে অতিরিক্ত চাপ নেওয়া হয়ে যাচ্ছে, আপনার মধ্যে ভয় কাজ করে বা সব ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যেতে মন চায়, তাহলে এটি আপনার জন্য মোটেও সুখকর নয়।

আপনার স্বাস্থ্যের জন্যও তা দীর্ঘ মেয়াদে ডেকে আনবে ভয়াবহ ফল। তবে ছোট্ট কয়েকটা অনুশীলন আপনার মনকে শান্ত করবে। সাহায্য করবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে।

১. গভীরে শ্বাস নিন

কঠিন পরিস্থিতিতে পড়লে আমরা দ্রুত শ্বাস নেই। কারণ, কোনো সমস্যায় পড়লেই আমাদের স্ট্রেস হরমোন নিঃসৃত হতে থাকে। আর এই হরমোন আমাদের অস্থির করে তোলে। গভীরভাবে ধীরে ধীরে শ্বাস নিলে আমাদের স্ট্রেস হরমোন নিঃসরণ বন্ধ হয়ে যায়, আমাদের পেশি শিথিল হতে থাকে।

মস্তিষ্ক একবারে অনেকখানি অক্সিজেন পায়। তাই যখন স্ট্রেসড অনুভব করবেন, তখন অন্তত ২ মিনিট ধরে জোরে শ্বাস নিন, পেটের মধ্যে শ্বাস আটকে রাখুন, ছেড়ে দিন। এই শ্বাসপ্রশ্বাসের ওপর মনোযোগ আমাদের মনকে বিক্ষিপ্ত অবস্থা আর নেতিবাচকতা দূর করে কাজে মন দিতে সাহায্য করে।

২. ইতিবাচক দিকগুলোতে মনোযোগ দিন

যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে আপনার মাথায় খারাপ চিন্তা আসা স্বাভাবিক। তবে এই চিন্তার মধ্যে ডুবে গেলেই সমস্যা! কারণ, এটি অহেতুক আপনার উদ্বেগ বাড়িয়ে তোলে, আতঙ্কিত করে।
নেতিবাচক চিন্তা মাথায় এলে সেটাকে ইতিবাচক কিছুতে বদলে ফেলতে চেষ্টা করুন। এক দিন–দুই দিনের চেষ্টায় হয়তো সেটা করতে পারবেন না। তবে চেষ্টা চালিয়ে যান। কাজ শুরুর আগে কল্পনা করুন, কাজটি ভালোভাবে শেষ হচ্ছে, কাজটির জন্য আপনি প্রশংসিত হচ্ছেন। তারপর কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ুন।
দেখবেন, মনে একটা ফুরফুরে আমেজ আসছে। আপনি অনুভব করতে পারবেন, আগের চেয়ে ভালোভাবে কাজটি করতে পারছেন।

৩. প্রাধান্য পাক রাতের ঘুম

রাতে ভালো ঘুম না হলে কাজ করতে যেমন স্ট্রেসড লাগে, তেমনি স্ট্রেসড থাকলে আমাদের রাতের ঘুম হাওয়া হয়ে যায়। বলা যায়, এটি একটি দুষ্টচক্র। আর এই চক্র ভাঙার দায়িত্ব আপনাকেই নিতে হবে।

রাতে ঘুম আসতে দেরি হলে সন্ধ্যার পর থেকে চা বা কফিজাতীয় খাবার, ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন। মোবাইল-টিভি-ল্যাপটপের স্ক্রিনের নীল আলো আমাদের ঘুমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটায়। রাতে ঘুমানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে নীল রশ্মি থেকে দূরে থাকুন।

৪. ব্যায়াম করুন

প্রেশার আর স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে ব্যায়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যায়াম করলে যে হরমোন নিঃসৃত হয়, তা আমাদের মন ফুরফুরে করে, নতুন করে চিন্তায় সাহায্য করে।

কাজের সময় প্রেশার নিতে না পারলে অফিসেই হালকা ব্যায়াম করুন। বাইরে গিয়ে ৫-১০ মিনিট হেঁটে আসুন। এরপর কাজ করতে বসলে কাজে নতুন প্রেরণা পাবেন। সামান্য বিরতি নিয়ে কাজে বসলে হয়তো পেয়ে যেতে পারেন নাছোড় কোনো সমস্যার সমাধানও!

৫. মেডিটেশন করুন

মেডিটেশন করলে মানসিক চাপ কমে। দীর্ঘদিন ধরে মেডিটেশন আমাদের ঠান্ডা মাথায় ভাবতে সাহায্য করে। বাইরের স্ট্রেস তখন আমাদের স্পর্শ করে কম। অনেকেই ভাবেন মেডিটেশন মানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এক জায়গায় বসে থাকা।

এটা মোটেও কার্যকর পদ্ধতি না। প্রতিদিন ৫ থেকে ১০ মিনিটের জন্য দুই থেকে তিনবার এক জায়গায় চুপচাপ বসুন, কোনো কিছু না ভেবে নিজের নিশ্বাসের ওপর মনোনিবেশ করুন।

চাইলে নিজের জীবনে প্রতিদিনের ভালো ভালো ব্যাপারগুলো নিয়েও ভাবতে পারেন। প্রতিদিন ঘুমানোর আগে দিনে ঘটে যাওয়া সব ভালো কিছুর জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করুন, কৃতজ্ঞ হোন। এতে আপনার মন শান্ত হবে।

৬. ইতিবাচক মানুষকে সঙ্গী বানান

আপনার কর্মক্ষেত্রে যাঁরা আপনাকে চাপের মধ্যে রাখেন, তাঁদের সঙ্গ আপনি হয়তো পরিহার করতে পারবেন না। তবে এমন দু-একজন মানুষ খুঁজে বের করুন, যাঁদের সঙ্গে আপনার মিশতে ভালো লাগে, যাঁরা আপনাকে বোঝেন।

যখন চাপের মধ্যে থাকবেন, বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে বেশি বেশি সময় কাটান। নিজের সমস্যাগুলো খুলে বলুন। আপনার সমস্যা হয়তো দিন শেষে আপনাকেই সমাধান করতে হবে। কিন্তু সমস্যা ভাগ করে নিলে তা আপনাকে চাপমুক্ত থাকতে সাহায্য করবে।

জীবনের ঘটে যাওয়া বেশির ভাগ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার ওপর আমাদের কোনো হাত থাকে না। কিন্তু তাই বলে ভেঙে পড়লে চলবে না। বরং এই অনুশীলনগুলোর মাধ্যমে নিজেকে শান্ত করে তুলুন। যাতে সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় আপনি হয়ে উঠতে পারেন অনন্য।

সূত্রঃprothomalo.com

শীতে ঠোঁট ফাটার সমস্যায় কি করবেন? বিস্তারিত জেনে নিন-শীতকালে ঠোঁট ফাটা একটা স্বাভাবিক ঘটনা। এ সময় ঠোঁটের ত্বক শুষ্ক থ...
18/12/2022

শীতে ঠোঁট ফাটার সমস্যায় কি করবেন? বিস্তারিত জেনে নিন-

শীতকালে ঠোঁট ফাটা একটা স্বাভাবিক ঘটনা। এ সময় ঠোঁটের ত্বক শুষ্ক থাকে। ফলে ঠোঁট ফাটতে দেখা যায়। শুষ্কতা রোধে অনেকে বারবার জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট ভেজান। কিন্তু এতে ফাটা বন্ধ হয় না; বরং আরও বাড়ে।

আমাদের ত্বকে থাকা সিবেসিয়াস গ্রন্থি থেকে একধরনের তৈলাক্ত (মেদ) বা মোমের মতো রস ক্ষরিত হয়। একে বলে সিবাম। এটি ঘামের সঙ্গে মিশে ত্বকে ছড়িয়ে যায় এবং ত্বক মসৃণ ও আর্দ্র রাখে। ফলে ত্বক ফাটে না।

কিন্তু শীতকালে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমে যাওয়ায় ঘাম কম হয়। এ কারণে সিবেসিয়াস গ্রন্থি থেকে বেরিয়ে আসা তেলতেলে পদার্থ শরীরের চামড়ায় ঠিকমতো ছড়িয়ে পড়তে পারে না। শরীরের শুকনো জায়গাগুলো তখন কুঁচকে গিয়ে ফেটে যায়।

শরীরের অন্য জায়গার তুলনায় ঠোঁটের চামড়া পাতলা। তা ছাড়া এর অবস্থান নাকের নিচে। ফলে নিশ্বাসের সঙ্গে বেরিয়ে আসা গরম বাতাস ঠোঁটকে আরও শুকিয়ে দেয়।

যেসব কারণে সমস্যা বাড়ে

কিছু বিষয় আছে, যা ঠোঁট ফাটা বাড়ায়। যেমন বারবার জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট চাটার অভ্যাস, পুষ্টিহীনতা ও ভিটামিনের অভাব, প্রখর সূর্যের তাপ ও পানিশূন্যতা, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাওয়া, অ্যালার্জি, থাইরয়েডের সমস্যা এবং শরীরে ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অভাব।

ঠোঁট কামড়ানোর মতো অভ্যাসেও ঠোঁট ফাটতে পারে। আবার অনেক সময় ঠোঁটে লাগানো লিপস্টিক, লিপবাম বা লিপজেল সহ্য না হলে চুলকানি হয়ে ঠোঁট ফাটতে পারে। এসব কসমেটিকসে ল্যানোলিন, স্যালিসিলিক অ্যাসিডের মতো উপকরণ থাকে। এগুলো ঠোঁটের সমস্যা বাড়ায়।

অনেকের আবার সাইট্রাস–জাতীয় ফল বেশি খেলে ঠোঁট ফেটে যায়।

যা করবেনঃ

ঠোঁট যাতে সব সময় ভেজা থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। সারা দিনই কিছুক্ষণ পরপর লিপবাম বা ভ্যাসলিন-জাতীয় ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে রাখতে হবে। বাইরে বেরোনোর আগে মুখের পাশাপাশি ঠোঁটেও সানস্ক্রিন দিন। ঠোঁটের লিপবামে সূর্য থেকে সুরক্ষা দেওয়ার মতো উপকরণ (এসপিএফ) আছে কি না, দেখে নিন।

শরীরে যাতে পানিশূন্যতা দেখা না দেয়, সে জন্য প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

লিপস্টিক বা কসমেটিকস ওঠাতে ক্লিনজার ব্যবহার করবেন এবং এরপর পুরু করে ময়েশ্চারাইজার লাগাবেন।

অ্যালোভেরার জেল লাগাতে পারেন। এ ছাড়া ঠোঁটে এক ফোঁটা ঘি লাগিয়ে রাখলেও ঠোঁট নরম থাকবে। মধু ও গ্লিসারিনের পেস্ট বানিয়ে লাগালে ঠোঁট ফাটবে না।

চিনি ভালো স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে এবং মৃত কোষ ঠোঁট থেকে তুলে ঠোঁটকে নরম করে।

ঠোঁটে নারকেল তেল লাগালেও ফাটবে না।

যদি ঠোঁট ফেটে নিয়মিত রক্ত বের হচ্ছে এমনটা মনে হয়, তাহলে অবশ্যই একজন ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন।

-ডা. জাহেদ পারভেজ: সহকারী অধ্যাপক, চর্ম, যৌন ও হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জারি বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

হাড় বাঁচাতে গড়ে তুলুন এই পাঁচ অভ্যাসসামান্য আঘাতেই কোনো বয়স্ক ব্যক্তি হাড় ভেঙে দিনের পর দিন বিছানায় পড়ে থাকেন। এমন দুঃসম...
18/12/2022

হাড় বাঁচাতে গড়ে তুলুন এই পাঁচ অভ্যাস

সামান্য আঘাতেই কোনো বয়স্ক ব্যক্তি হাড় ভেঙে দিনের পর দিন বিছানায় পড়ে থাকেন। এমন দুঃসময়কে চোখের সামনে দেখে হয়তো অনেকেই আফসোস করেন। সামান্য আঘাতে হাড় ভেঙে যাওয়ার কারণ হলো হাড় দুর্বল হয়ে পড়া। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে অনেকেরই এমনটা হয়। পুরুষের তুলনায় নারীর মধ্যে এমন প্রবণতা বেশি দেখা দেয়। তাই একদম ছোট্ট বয়স থেকেই কন্যাশিশুর প্রতি যত্নবান হতে হবে। বড় হওয়ার পরও যাতে নিজের প্রতি সে যত্নশীল থাকে, এভাবেই গড়ে তুলুন সন্তানকে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, সন্তানের দেখভাল করতে গিয়ে নিজের সুস্থতার কথা ভুলেই বসেন অনেক মা। এটাও কিন্তু ঠিক নয়, বরং যত্ন চাই নিত্যদিন।

১. ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খান

দুধ ও দুধের তৈরি খাবার ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস। নরম কাঁটাযুক্ত মাছ খেতে পারেন। ব্রকলি এবং গাঢ় সবুজ রঙের শাক থেকেও পাবেন পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম। আর খাবার থেকে পাওয়া ক্যালসিয়াম সঠিকভাবে শোষণ হওয়ার জন্য চাই ভিটামিন ডি, অর্থাৎ পর্যাপ্ত রোদের সংস্পর্শ।

২. হাড়ের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যায়াম করুন

অন্তত ৩০ মিনিট করে ব্যায়াম করুন, সপ্তাহের প্রতিটি দিনই ব্যায়াম করা ভালো। হাঁটা, দৌড়ানো ও সিঁড়ি বেয়ে ওঠার অভ্যাস রাখুন। এতে শরীরের নিচের অংশের হাড় মজবুত হবে। শরীরের যে অংশে ভর দিয়ে নিয়মিত ব্যায়াম করা হবে, সেই অংশের হাড়ই শক্তিশালী হয়ে উঠবে। তাই বাহুর হাড় মজবুত করতে সাহায্য করবে পুশ-আপ, ভারোত্তলন, বইঠা বাওয়া ও রেজিস্ট্যান্স ব্যান্ডের (বাধা সৃষ্টিকারী ব্যান্ড) সাহায্যে ব্যায়াম। নৃত্যচর্চায়ও হাড় হয় সুগঠিত। সাইকেল চালানোর অভ্যাস থেকে থাকলেও সুগঠিত হাড়ের জন্য উল্লেখিত ব্যায়ামগুলো অভ্যাস করুন।

৩. খাদ্যতালিকা থেকে চিনি কমিয়ে দিন

কোমল পানীয়, মিষ্টান্ন, কুকি, বিস্কুট এবং প্রক্রিয়াজাত অন্যান্য খাবারের মাধ্যমে দেহে অতিরিক্ত চিনি প্রবেশ করে। অতিরিক্ত চিনি নানান দিক থেকেই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। হাড়েরও ক্ষতি করে এই অতিরিক্ত চিনি। এর প্রভাবে হাড় মজবুতকারী উপাদান (ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম) শরীর থেকে বেরিয়ে যায়; তা ছাড়া খাবারের মধ্যে থাকা ক্যালসিয়াম শোষণও বাধাগ্রস্ত হয়।

৪. অতিরিক্ত চা-কফি ও বাড়তি লবণ খাবেন না

অতিরিক্ত চা-কফি খেলে হাড়ের মধ্যকার ক্যালসিয়াম কমে গিয়ে হাড় দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। তা ছাড়া বাড়তি লবণও শরীরের ক্যালসিয়াম কমিয়ে দেয়। তাই পাতে বাড়তি লবণ এড়িয়ে চলুন। চিপসজাতীয় খাবার বর্জনীয়। লবণ দিয়ে সংরক্ষিত খাবার এবং পনিরও কম খেতে হবে।

৫. ধূমপান ও অ্যালকোহল বর্জন করুন

নিকোটিন এবং সিগারেটের অন্যান্য রাসায়নিক উপাদানের প্রভাবে হাড়ের প্রয়োজনীয় কোষ তৈরি বাধাগ্রস্ত হয়। তা ছাড়া এগুলোর প্রভাবে হাড়ে রক্তসঞ্চালনও কমে যায়। অ্যালকোহলের কারণেও হাড়ের কোষের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

সূত্রঃ prothomalo.com

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার ১০ উপায়মনের স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে শরীরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। সাধারণত আমরা শরীরের অসুখ টের পেলেও...
08/11/2022

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার ১০ উপায়

মনের স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে শরীরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। সাধারণত আমরা শরীরের অসুখ টের পেলেও নিজের কিংবা অন্যের মনের অসুখ টের পাই না। এ কারণে অনেকেই মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত, নেশাগ্রস্ত কিংবা আত্মহননকারী হয়ে ওঠেন। যা কারও কাম্য নয়।

এজন্য ফিট ও সুস্থ থাকতে অবশ্যই মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া জরুরি। তবে কর্মব্যস্ত জীবনে অনেকেরই দু’দণ্ড বসে কাটানোর ফুরসত নেই। এ কারণেই মানুষের মধ্যে চাপ ও উদ্বেগ বাড়ছে। দীর্ঘদিন এভাবে থাকতে থাকতে মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।

সম্প্রতি ব্রিটিশ জার্নাল অব সাইকেয়েট্রিতে প্রকাশিত ‘কান্ট্রি পেপার অন মেন্টাল হেলথ-বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন অনুসারে, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ১৮.৭ শতাংশ মানুষ বিভিন্ন ধরনের মানসিক রোগে আক্রান্ত।

প্রতিবেদন অনুসারে, মহামারি করোনার কারণে মানসিক রোগের ব্যাপকতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন এক পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই রোববার (১০ অক্টোবর) বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত হচ্ছে। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য ‘অসম বিশ্বে মানসিক স্বাস্থ্য’।

নিজেকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখার দায়িত্ব কিন্তু আপনারই। তাই মানসিক রোগ যেন বাসা না বাঁধে সেদিকে সময় থাকতে সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার ১০ উপায় মেনে চলুন-

পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে

ঘুম শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘুম মস্তিষ্কের রাসায়নিক পদার্থগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এই রাসায়নিকগুলো আমাদের মেজাজ ও আবেগ পরিচালনা করে।

যদি আমরা পর্যাপ্ত না ঘুমায়, তাহলে মস্তিষ্কে বিভিন্ন অংশ ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। ফলে হতাশ ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়া স্বাভাবিক। তাই পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই।

পুষ্টিকর খাবার

পুষ্টিকর খাবার শুধু শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং মনের জন্যও উপকারী। কিছু খনিজ যেমন- আয়রন ও ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি মেজাজ পরিবর্তনের জন্য দায়ী। তাই সুষম খাবার খাওয়া জরুরি। আপনি যদি খিটখিটে মেজাজ, হতাশা বা উদ্বিগ্নতায় ভোগেন তাহলে কফি খাওয়া কমিয়ে আনুন।

অ্যালকোহল, ধূমপান ও মাদক পরিহার

অনেকেই হতাশ হয়ে ধূমপান ও মাদকের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। তবে জানেন কি, এগুলো হতাশা কাটায় না বরং শরীর ও মনে বিরূপ প্রভাব ফেলে। দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত মদ্যপানে শরীরে থায়ামিনের ঘাটতি হতে পারে। থায়ামিন মস্তিষ্কের কার্যকারিতার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এর ঘাটতি দেখা দিলে স্মৃতি বিভ্রাট, মনোযোগের অভাব, বিভ্রান্তি ও চোখের সমস্যা হতে পারে। আবার যদি আপনি ধূমপান করেন, এতে থাকা নিকোটিন শরীর ও মস্তিষ্ক উভয়েরই ক্ষতি করে। পরবর্তীতে ধূমপান বন্ধ করলে আপনি আরও বিরক্ত ও উদ্বিগ্ন হয়ে উঠতে পারেন। তাই মাদকমুক্ত জীবন গড়ুন।

সূর্যের আলো গায়ে মাখুন

সূর্যালোক ভিটামিন ডি এর একটি বড় উৎস। ভিটামিন ডি শরীর ও মস্তিষ্কের খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি মস্তিষ্কের ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে। ফলে মেজাজ আরও উন্নত হয়। কারণ অ্যান্ডোরফিন ও সেরোটোনিন এর উৎপাদন বেড়ে যায়। তবে রোদে গেলে ত্বক ও চোখকে নিরাপদ রাখুন।

প্রতিদিন অন্তত আধা ঘণ্টা থেকে ২ ঘণ্টা গায়ে সূর্যের আলো মাখুন। শীতের সময় অনেকেই হতাশ হয়ে পড়েন। কারণ তখন সূর্যের দেখা কম পাওয়া যায়। এটি সিজনাল অ্যাফেকটিভ ডিসঅর্ডার (এসএডি) নামে পরিচিত। তাই পর্যাপ্ত সূর্যের আলো গায়ে মাখুন, এতে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটবে।

দুশ্চিন্তা দূরে রাখুন

সবার জীবনেই কাজের চাপ আছে। তাই বলে এ নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করা উচিত নয়। এ সমস্যা সমাধানে আপনাকে জানতে হবে কীভাবে আপনি চাপ সামলাবেন। যদি না পারেন তাহলে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়বেন।

এজন্য দৈনন্দিন জীবনের কোনো না কোনো সমস্যার তালিকা তৈরি করুন। এরপর তা সমাধানের উপায় খুঁজুন। অযথা অলীক কল্পনায় ডুবে থাকবেন না। যখন দেখবেন আপনার ঘুমাতে সমস্যা হচ্ছে, তার অর্থ হলো আপনি বেশি দুশ্চিন্তা করছেন!

শরীরচর্চা আবশ্যক

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে অবশ্যই আপনাকে নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে। কারণ যত বেশি সক্রিয় থাকবেন, মস্তিষ্কের রাসায়নিক পদার্থগুলোও বেড়ে যায়। যা মেজাজ ভালো রাখতে সহায়তা করে। অন্যদিকে শরীরচর্চার অভাবে মেজাজ খারাপ হতে পারে।

পাশাপাশি উদ্বেগ, চাপ, ক্লান্তি ও অলসতা বোধ করতে পারেন। তাই শরীর ও মন দু’টোই ভালো রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। ম্যারাথন দৌড় বা ফুটবল খেলার প্রয়োজন নেই, আপনি নিয়মিত হাঁটাহাঁটি ও কায়িক পরিশ্রম করেও সুস্থ থাকতে পারবেন।

যা ভালো লাগে, তা-ই করুন

আপনার যা ভালো লাগবে বা করতে ইচ্ছে করবে তা-ই করুন। আপনার যদি ঘুরতে যেতে, শপিং করতে কিংবা ছবি আঁকতে ভালো লাগে তাহলে তা-ই করুন। আপনি যা উপভোগ করেন সেই কাজগুলো যখন করবেন তখন মনও ভালো থাকবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা অন্যের বাধ্যগত হয়ে নিজের খুশিকে দমিয়ে রাখেন, তাদের মধ্যে খিটখিটে মেজাজ ও অসুখী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি দেখা যায়। তাই নিজের ভালো লাগাকে প্রাধান্য দিন।

মিশুক হওয়ার চেষ্টা করুন

অন্যদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করুন। যখনই সুযোগ পাবেন মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। গবেষণায় দেখা গেছে, অন্যদের সঙ্গে মাত্র ১০ মিনিট কথা বলা স্মৃতিশক্তি ও পরীক্ষার স্কোর উন্নত করতে পারে! তাই মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ান ও মিশুক হওয়ার চেষ্টা করুন।

অন্যের জন্য কিছু করুন

কাউকে সাহায্য করলে নিজের মধ্যেও অন্যরকম ভালো লাগার অনুভূতি কাজ করে। তাই অন্যের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন। কোনো দরিদ্রকে খাবার বা পোশাক কিনে দিন কিংবা সামান্য অর্থ দিয়ে সাহায্য করুন। দেখবেন আপনার মন ভালো হয়ে যাবে।

তখন নির্দিষ্ট কোনো বিষয় নিয়ে হতাশ না হয়ে বরং বিশ্ব সম্পর্কে ধারণা তৈরি হবে। নিজেকে অসহায় ভাবার আগে না খেয়ে থাকা মুখগুলোর ছবি ভাসবে মনে। ফলে অন্যের জন্য কিছু করার স্পৃহা জন্মাবে। এর মাধ্যমে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ পাবেন।

সাহায্য নিন

আপনি যদি মানসিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তাহলে অন্যের সাহায্য নিন। মুখ বুজে থাকবেন না। নিজের অসুবিধার কথা সবার সঙ্গে শেয়ার করুন। কারণ অত্যাধিক মানসিক চাপে আপনি বিকারগ্রস্তও হয়ে পড়তে পারেন। অনেকেই মনে করেন, মন ভালো নেই এ বিষয়ে কাউকে জানালে সে পাগল বলবে!

এ ধারণা থেকে সরে আসুন। মানুষের শরীর যেমন সবদিন ভালো যায় না, ঠিক তেমনই মনও সব সময় ভালো থাকে না। তাই মানসিকভাবে চাপ অনুভব করলে কাউন্সিলিং করুন বা মনোবিদের সাহায্য নিন। তার আগে পরিবারের সঙ্গে শেয়ার করুন।

সূত্র: মেন্টাল হেলথ/পিপল ফার্স্ট ইনফো

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চান, প্রতিদিন পাতে রাখুন ৩ খাবারস্বাস্থ্য ভালো রাখতে খাবার খাওয়ার বিষয়ে সচেতন ও যত্নশীল হতে হবে। কি...
07/11/2022

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চান, প্রতিদিন পাতে রাখুন ৩ খাবার

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে খাবার খাওয়ার বিষয়ে সচেতন ও যত্নশীল হতে হবে। কিছু খাবার রয়েছে, যা খেলে ভালো থাকবে আপনার ত্বক; বাড়বে হজমশক্তিও।
আপনি যদি অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চান, তবে সবার আগে দরকার একটি স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাদ্যতালিকা।

খাবার তালিকায় এমন খাবার রাখুন, যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ও ওজন কমাতে সহায়ক।

তবে আমরা অনেকেই জানি না, আমাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে আসলে কী ধরনের খাবার খাওয়া প্রয়োজন। মনে রাখবেন– শুধু খাবার খেলেই হবে না, জানতে হবে কোন খাবারে রয়েছে আপনার শরীর উপযোগী পর্যাপ্ত ভিটামিন, ইবার, প্রোটিনসহ অন্যান্য পুষ্টি পদার্থ।

আজ আপনারদের জানাব এমন তিনটি খাবার সম্পর্কে, যা আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবে ও স্বাস্থ্য ভালো রাখবে।

এই তিনটি খাবার প্রতিদিন অন্তত একবার খেতেই হবে আপনাকে। ঝকঝকে ত্বক ও ভালো হজম শক্তির জন্য এই তিন খাবার খেতে পারেন।

আসুন জেনে নিই এই তিন খাবার সম্পর্কে-

সবুজ শাকসবজি

প্রতিদিন খাবারের তালিকায় রাখুন সবুজ শাকসবজি। সবুজ শাকসবজিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহের পাশাপাশি ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে, যা আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ভালো চুল এবং ত্বকের জন্য অপরিহার্য। সবুজ সবজি ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় পেট ভরাও থাকে অনেকক্ষণ। ফলে খিদে কম লাগে ও ওজন কমে।

ডিম

ডিম খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই আছে। ডিমে আছে উচ্চ প্রোটিন ও সুস্থ ফ্যাট। ডিম ক্রমাগত এইচডিএল বা ‘ভালো’ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়, যা অনেক রোগের ঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, সকালের নাস্তায় ডিম খেলে ক্যালোরি কম হয় এবং ওজন কমায়।

বাদাম

বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসহ স্বাস্থ্যকর চর্বি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। এটি মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে এবং হৃদরোগের বিরুদ্ধেও সুরক্ষা দেয়। যেমন কাজুবাদাম, আমন্ড, পেস্তা, আখরোট ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে পুষ্টির উৎস। বাদাম কম কার্বোহাইড্রেট খাবার।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

Address

Dhanmondi
Dhanmondi

Telephone

+8801855130045

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Active Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share