Al ian

Al ian Customer first with Quality

06/06/2025

আমের নামঃ ফজলি

ফজলি বা ফকিরভোগ হলো আমের একটি প্রকারভেদ। এই ফল দক্ষিণ এশিয়ার পূর্বদিকে বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিম বঙ্গ ও বিহারে পাওয়া যায়। আমের অন্যান্য প্রজাতির থেকে দেরিতে ফলে এই জাতটি। সাধারণত চাটনি ও আচার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় ফজলি আম। আকারে বেশ বড় আমের এই জাতের ওজন এক কিলোগ্রাম বা তারও বেশি হতে পারে। বাংলাদেশের উত্তরদিকের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদা জেলা ফজলি আম চাষের জন্য বিখ্যাত। ফজলি আম বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করে।

নামকরণের ইতিহাসঃ

ইলিইয়াস শাহী বংশের সুলতান ইয়্যুসূফ শাহ্‌(১৪৭৪-১৪৮১ ঈঃ)’র অন্যতম স্ত্রীর নাম ছিলো সুলতানা ফাদ্‌লী বিবি। নতুন বিয়ে হয়ে আসার পর তিনি ১বার ১টি আম খেয়ে তার আঁটি প্রাসাদের বাগানে ফেলেছিলেন। ক্রমান্বয়ে সেই আঁটি থেকে গাছ হয় ও তাঁতে আমও ধরে! আশ্চর্য্যের ব্যাপার হচ্ছে-ওই গাছের আমগুলো দিন দিন বড় হচ্ছিলো, সেই সাথে- ঐ আমের সাথে পাল্লা দিয়েই যেনো সুলতানাও মোটা হচ্ছিলেন! প্রাসাদের দাস-দাসীরা এই নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করতো এবং সুলতানার নামানুসারে আমের নামও দিয়েছিলো ফাদ্‌লী। ১দিন এটা সুলতানার কানেও গেলো ও সুলতানা এ ব্যাপারে সুলতানের কাছে নালিশ দেন। সুলতান একথা শুনে সবার আগে যাচাই করে দেখেন যে- দাসীদের কথাই ঠিক! তাই তিনি খুব হাসলেন ও ঐ আম খুব ভালো জাতের বুঝে তার আরও চারা লাগানোর ব্যবস্থা করলেন। সেই থেকে গৌড়ের প্রাসাদে জন্ম নেয়া এই আম প্রাসাদ থেকে বাহিরে ও ক্রমান্বয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পরে(আহ্‌ওয়াল-ই-গোর-ওয়া-পান্দুয়া)। ছড়িয়ে পরে এর নামও! তবে কালক্রমে ফাদ্‌লী(فَضْليّ ) ফাযলী ও পরে আরও বিকৃত হয়ে ফজলীতে পরিণত হয়

আরও কথিত আছে, ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে মালদহের কালেক্টর র‌্যাভেন সাহেব ঘোড়ার গাড়ি চেপে গৌড় যাচ্ছিলেন। পথে তার জল তেষ্টা মেটানোর জন্য গ্রামের এক মহিলার কাছে জল খেতে চান। ফজলু বিবি নামে সেই মহিলার বাড়ির আঙিনায় বড় একটি আমগাছ ছিল। ফজলু বিবি সেই আম দিয়ে ফকির-সন্ন্যাসীদের আপ্যায়ন করাতেন (এজন্য এই আমের আর এক নাম ফকিরভোগ)। ফজলু বিবি তাকে জলের বদলে একটি আম খেতে দেন। আম খেয়ে কালেক্টর সাহেব ইংরেজিতে তাকে আমের নাম জিজ্ঞেস করেন। বুঝতে না পেরে ওই মহিলা তার নিজের নাম বলে বসেন। সেই থেকে ওই আমের নাম হয়ে যায় ফজলি।

বিবরণঃ

ফজলি আম গড়ে লম্বায় ১৩.৮ সে.মি. চওড়ায় ৯.৫ সে.মি. উচ্চতায় ৭.৮ সে.মি. হয়। গড়ে ওজন হয় ৬৫৪.৪ গ্রাম। আমটি দীর্ঘ এবং ঈষৎ চ্যাপ্টা। পাকা আমের খোসা কিছুটা হলুদ হয়ে ওঠে। শাঁস হলুদ, আঁশবিহীন, রসালো, সুগন্ধযুক্ত, সুস্বাদু ও মিষ্টি। খোসা পাতলা। আঁটি লম্বা, চ্যাপ্টা ও পাতলা। এই আমে শর্করার পরিমাণ ১৭.৫ শতাংশ। আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে, বা মোটামুটি ৭ই জুলাই থেকে ফজলি আম পাকে।

06/06/2025
06/06/2025
03/06/2025

Aqil Offset Printers & AL-IAN এর সম্মানিত CEO, কৃষি উদ্যোক্তা জনাব "সাইফ মোহাম্মদ ইয়াহ ইয়া"স্যারের রংপুরের বিখ্যাত হাঁড়িভাংগা আম বাগান পরিদর্শন পর্ব ২।

02/06/2025

Aqil Offset Printers & AL-IAN'র সম্মানিত CEO, কৃষি উদ্যোক্তা জনাব সাইফ মোহাম্মদ ইয়াহিয়া স্যারের রংপুরের বিখ্যাত হাঁড়িভাঙগা আম বাগান ভিজিট।

আমের নামঃ সুরমা ফজলিসুরমা ফজলি মধ্য মৌসুমি জাতের আম; যা আঁশবিহীন, রসালো, সুগন্ধযুক্ত, সুস্বাদু ও মিষ্টি। এর অপর নাম চিনি...
01/06/2025

আমের নামঃ সুরমা ফজলি

সুরমা ফজলি মধ্য মৌসুমি জাতের আম; যা আঁশবিহীন, রসালো, সুগন্ধযুক্ত, সুস্বাদু ও মিষ্টি। এর অপর নাম চিনি ফজলি। উৎকৃষ্ট জাতের এই আমটি জুন মাসের মাঝামাঝি পাকা শুরু করে ১৫-২০ দিন থাকে। আমটির আকার লম্বাটে, অনেকটা চ্যাপ্টা।সুরমা ফজলি আম বাংলাদেশের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর প্রভৃতি জেলায় ব্যাপকভাবে চাষ হয়ে থাকে, তবে দিন দিন এর চাষ কমে যাচ্ছে। এছাড়া ভারতের মালদা, পশ্চিমবঙ্গ সহ কিছু কিছু এলাকার চাষীরা এই আমের চাষ অব্যাহত রেখেছে।

বিবরণঃ

পোক্ত অবস্থায় সবুজ, পাকলে গাড় হলুদ রং ধারণ করে। খোসা পাতলা ফিনফিনে। ত্বক মসৃণ। খোসা সহজেই উঠে আসে। শাঁস মোলায়েম, রং হলুদ। সুমিষ্ট, রসাল এবং সুগন্ধযুক্ত এই আমের আটিতে কোনো আঁশ নেই। আহারোপযোগী অংশ প্রায় ৭৫%।

ইতিহাসঃ

নাটোরের কুরিয়াপাড়া নামক গ্রামে, নারদ নদের তীরে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে মোহন লাহীড়ি নামে একজন ব্রাহ্মণ জমিদার বাস করতেন। এই গ্রামের মো. আমজাদ হোসেন সুরমা ফজলী আমের চারা বাগানে রোপণ করেছেন এবং ছড়িয়ে দিয়েছেন। এই আম রাজশাহী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে দেখা গেছে। এখন পর্যন্ত বাণিজ্যিক সফলতা পায়নি। শৌখিন ব্যক্তিদের বাগানে শোভা পাচ্ছে।

বর্তমানে আমাদের রাজশাহী, চাঁপাই ও নওগা সাপাহারের হিমসাগরের কাজ চলছে।

AL-IAN এর আম সাপাহার থেকে সরবরাহ করা হবে।
বুকিং করতে যোগাযোগ করুন:

WhatsApp:
+8801770282872
+8801716808474

E-mail:
[email protected]

website:
www.al-ian.com

আম পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে উৎপাদিত একটি জনপ্রিয় ফল, এবং বিশ্বব্যাপী এর প্রায় ১,০০০ থেকে ১,২০০ প্রজাতি বা জাত (cultivars) ...
27/05/2025

আম পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে উৎপাদিত একটি জনপ্রিয় ফল, এবং বিশ্বব্যাপী এর প্রায় ১,০০০ থেকে ১,২০০ প্রজাতি বা জাত (cultivars) পাওয়া যায়। তবে এর মধ্যে কিছু জাতই বাণিজ্যিকভাবে বেশি জনপ্রিয় এবং চাষযোগ্য।

বিশ্বের বিখ্যাত আমের জাতসমূহ:

বাংলাদেশে জনপ্রিয় জাতসমূহ:

হিমসাগর – রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিখ্যাত।

ল্যাংড়া – সুমিষ্ট ও আঁশবিহীন।

গোপালভোগ – মৌসুমের শুরুতেই আসে।

ফজলি – আকারে বড়, রসালো।

আম্রপালি – খাটো গাছ, বাগান উপযোগী।

আলফানসো (ভারতীয় জাত) – কখনও বাংলাদেশে পরীক্ষামূলক চাষ হয়।

ভারতের বিখ্যাত জাতসমূহ:

আলফানসো (Alphonso) – মহারাষ্ট্র ও গোয়ায় বিখ্যাত, বিশ্বখ্যাত।

কেসর (Kesar) – গুজরাটে বেশি হয়।

বাদামি – কর্ণাটকের বিখ্যাত জাত।

পাকিস্তানের জাতসমূহ:

চৌনসা (Chaunsa) – রসালো, সুগন্ধযুক্ত।

সিন্দ্রি (Sindhri) – বড় আকারের এবং মিষ্টি।

মেক্সিকো ও দক্ষিণ আমেরিকা:

Tommy Atkins – সবচেয়ে বেশি রপ্তানিযোগ্য জাত, দেখতে সুন্দর, কিন্তু স্বাদে মাঝারি।

Kent, Keitt, Haden – মূলত রপ্তানি ও সুপারমার্কেটজাত আম।

ফিলিপাইন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া:

Carabao (বা Manila mango) – অত্যন্ত মিষ্টি এবং তুলনামূলকভাবে ছোট।

বিশ্বে আম উৎপাদনের শীর্ষ দেশগুলো:

ভারত – বিশ্বের মোট আমের প্রায় ৪০-৪৫% উৎপাদন করে।
চীন
থাইল্যান্ড
ইন্দোনেশিয়া
মেক্সিকো
বাংলাদেশ – বিশ্বে ৭ম থেকে ৮ম অবস্থানে।

25/05/2025

দেশি গরুর জাত পরিচিতি:

বাংলাদেশে গবাদিপশুর মধ্যে গরু অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীন পোষা প্রাণী। আমাদের দেশের জলবায়ু ও পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানো কিছু দেশি গরুর জাত রয়েছে, যেগুলি প্রাকৃতিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ও দীর্ঘস্থায়ী। নিচে বাংলাদেশের জনপ্রিয় দেশি গরুর জাতগুলোর পরিচিতি তুলে ধরা হলো:

১) রেড চিটাগাং (Red Chittagong Cattle - RCC)

# উৎপত্তি স্থান: চট্টগ্রাম অঞ্চল।

#বৈশিষ্ট্য: গায়ের রঙ গাঢ় লাল, ছোট আকৃতির তবে দুধ ও মাংস উৎপাদনে ভালো।

#বিশেষত্ব: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি, খর্বাকৃতি কিন্তু উৎপাদনে কার্যকর।

২) মিরপুরি গরু (Mirpur Cattle)

#উৎপত্তি স্থান: কুষ্টিয়ার মিরপুর।

#বৈশিষ্ট্য: ছোট ও শক্তিশালী দেহ, কৃষিকাজে ব্যবহৃত হতো।

#বিশেষত্ব: অত্যন্ত সহনশীল ও কম খরচে পালনযোগ্য।

৩)সিন্দি জাত (Sindhi) – দেশি হলেও কিছুটা সংকরিত

#উৎপত্তি: ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত থেকে আগত হলেও দেশে অভিযোজিত।

#বৈশিষ্ট্য: লালচে-বাদামী গায়ের রঙ, দুধ উৎপাদনে ভালো।

#বিশেষত্ব: দেশি জাতের তুলনায় একটু বেশি দুধ দেয়।

৪)সাহেবগঞ্জি গরু

#উৎপত্তি স্থান: সাহেবগঞ্জ, রাজশাহী।

#বৈশিষ্ট্য: গাঢ় বাদামী, মাঝারি আকৃতির, দুধ ও মাংসের জন্য উপযোগী।

#বিশেষত্ব: স্থানীয় খামারিদের কাছে জনপ্রিয়।

AL-IAN এর কোরবানির গরু নওগা থেকে সরবরাহ করা হবে।
বুকিং করতে যোগাযোগ করুন:

WhatsApp:
+8801770282872
+8801716808474

E-mail:
[email protected]

website:
www.al-ian.com

আমের নামঃ আম্রপালি আম্রপালি আম, আমের উন্নতমানের একটি জাত। ১৯৭১ সালে এই হাইব্রিড জাতটি উদ্ভাবন করা হয়। ভারতীয় কৃষি গবেষ...
25/05/2025

আমের নামঃ আম্রপালি

আম্রপালি আম, আমের উন্নতমানের একটি জাত। ১৯৭১ সালে এই হাইব্রিড জাতটি উদ্ভাবন করা হয়। ভারতীয় কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী ড. পিযুষ কান্তি মজুমদার 'দশেরী' এবং 'নিলম' জাতের দুটি আমের সংকরায়নের মাধ্যমে নতুন এ জাতটি উদ্ভাবন করেন। যার নাম দেয়া হয় আম্রপালি।তারপর থেকে এই আমটি সারা ভারতের খামার এবং বাগানগুলিতে রোপন করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার চাকদহে আম্রপালি আম প্রথম রোপণ করা হয়। ভারতীয় আমের এ জাতটি বাংলাদেশে আসে ১৯৮৪ সালে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ এনামুল হক এবং চুয়াডাঙ্গার আজাদ হাইব্রিড নার্সারির কর্ণধার আবুল কালাম আজাদের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে এই জাতটি আমদানি করা হয়।

বৈশিষ্ট্যঃ

এই জাতের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। উন্নত জাতের আম এক গাছে এক বছর ফলে, পরের বছর ফলে না। কিন্তু আম্রপালি প্রতিবছর ফলে। এর মিষ্টতার পরিমাণ ল্যাংড়া বা হিমসাগরের চেয়ে বেশি। আম গাছটি গঠন ছোট, গাছে ছোট আকারের আমের গুচ্ছ ধরতে দেখা যায়। আমের রং কমলা-লাল এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক জাতের আমের তুলনায় এতে প্রায় ২.৫-৩.০ গুণ বেশি বিটা ক্যারোটিন থাকে। তবে এই গাছের জীবনকাল সংক্ষিপ্ত। গড় ফলন প্রতি হেক্টরে ১৬ টন।

Pre-Booking contact for :-

WhatsApp:

+8801770-282872

+8801716-808474

E-mail: [email protected]

Website: www.al-ian.com

Address

Motijheel
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al ian posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share