27/04/2024
অল্প বয়সে ঐশী আপুকে মনে মনে ভালোবাসতাম।ভয়ে বলতে পারিনি,যদি ফিরিয়ে দেয়!একদিন সাহস করে কাছে গিয়ে বললাম
" আপু একটা কথা বলবো "
" আগে আমার কথা শোন।আমার বিয়ে ঠিক হয়েছে,জানিস?
মনের সাথে যেন স্নায়ু যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলো।জ্বলে পু"ড়ে ছার"খার হতে লাগলাম।কি করে তাকে মনের কথা বোঝাই!
সাহস করে বললাম " এই বিয়েতে তোমার মত আছে? "
" থাকবে না কেনো? "
" ওহ আচ্ছা "
" এই দারা,তোর চোখে জল কেনো, কাঁদছিস? "
" তুমি চলে যাবে,তাই কান্না পাচ্ছিলো "
" ধূর বোকা,মন খারাপ করে থাকিস না তো।আম মাখা খাবি? "
আম মাখা খেয়ে বাড়ি চলে আসলাম।দুই রাত জেগে একটা উপন্যাস লিখলাম।নায়কের যায়গায় আমি,নায়িকার যায়গায় ঐশী আপুর নাম লিখলাম।৫৪০ টাকা খরচ করে সেই উপন্যাস বই বাঁধিয়ে আনলাম।
ঐশী আপুর জন্মদিনে সেই বই উপহার দিলাম।বই দেখে আপু বললো " কার লেখা বই রে এটা?লেখকের নাম দেওয়া নেই কেনো? "
" কি জানি! "
বইয়ের ৫ নম্বর পৃষ্ঠায় ঐশী আপুকে ভালোবাসার কথা জানিয়েছি।বইয়ের মাঝখানটায় একটা চিরকুট ও রেখেছি।
দিন যেতে লাগলো।ঐশী আপু আমার সাথে কথা বলা কমিয়ে দিলো।দেখলে এড়িয়ে যায়।বুঝলাম আপু আমার চিরকুটটা পেয়েছে।মনে মনে ভিষণ লজ্জিত এবং অপমানিতবোধ করলাম।ভালোবাসি জেনেও ঐশী আপু আমায় কিছুই বললো না!ওর মনে কি আমায় নিয়ে কোনো অনুভূতিই নেই?
ঈশী আপুর বিয়ে হয়ে গেলো।আমিও মনের বিরহে কাতর হয়ে শহর ছাড়লাম।
সাত বছর কে"টে গেলো।শহরটা খুব কাছে টানছিলো,তাই ফিরলাম।পরিত্যক্ত বাড়িটার কাছে আসতেই বু"ক হাহাকার করে উঠলো।চোখ পরলো পাশের ঐশী আপুদের বাড়ির ছাদে।স্পষ্ট দেখলাম সাদা শাড়ি পরে মলিন দৃষ্টিতে ঐশী আপু দাঁড়িয়ে আছে।
ছাদে আসার সময় ঈশী আপুর মায়ের সাথে কথা বলে জানলাম বিয়ের এক বছরের মাথায় ওর স্বামী রোড এ"ক্সিডেন্টে মা"রা যায়!
ছুটে গেলাম ছাদে।ঐশী আপু ছাদের রেলিঙ ধরে দাঁড়িয়ে আছে।পাশাপাশি দাঁড়ালাম।আলতো করে ওর হাতে হাত রেখে বললাম
" আমি এখনো তোমায় ভালোবাসি।আমার হবে? "
ঐশী আপু কাঁদছে।মনে হলো এক আকাশ মেঘ তার চোখে জমা হয়ে আছে।কাঁদুক,সব মেঘ কে"টে যাক।বৃষ্টির পর রংধনুর সাত রং নিয়ে ফিরবো ওর চোখে।নিজের সবটা ভালোবাসা ছড়িয়ে দিবো ওর মনে।
গল্প #অপেক্ষা
লেখক bad boy anis 😅
সামাজিক রোমান্টিক গল্প পেতে পেজটা ফলো করে রাখতে পারেন🥰