Quranic Cure Ruqyah center

Quranic Cure Ruqyah center Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Quranic Cure Ruqyah center, Health Food Shop, Dhaka.

Quranic Cure Ruqyah Center: রাসূল সা: এর নির্দেশিত চিকিৎসা পদ্ধতির আলোকে জ্বিন-জাদু ও বদ-নজর ইত্যাদি সমস্যার জন্য তাবিজ-কুফরি-শিরিকমুক্ত চিকিৎসার বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান। অ্যাপয়েন্টমেন্ট/শিডিউল নিতে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন।01991663988 (হোয়াটসঅ্যাপ)

গরুর কাঁধের এই চ্যাপ্টা হাড়টি হলো Scapula Bone... এভাবে মাঝ দিয়ে ভেঙে ফেলার বিশেষ গুরুত্ব আছে। অনেক প্রাচীনকাল থেকেই এই ...
28/05/2026

গরুর কাঁধের এই চ্যাপ্টা হাড়টি হলো Scapula Bone... এভাবে মাঝ দিয়ে ভেঙে ফেলার বিশেষ গুরুত্ব আছে। অনেক প্রাচীনকাল থেকেই এই হাড়টাকে—
১. গণকরা ভাগ্য গণনা বা ভবিষ্যদ্বাণী করতে ব্যবহার করে, যেটাকে ইংরেজিতে Scapulimancy বলা হয়। এই হাড়কে বিশেষ প্রকৃয়ায় আগুনে পুরিয়ে হাড়ের গায়ের বিভিন্ন রেখা দেখে ভবিষ্যৎবানী করা হয়।

২. জাদুকররা এই হাড়ের মধ্যে মন্ত্র লিখে সেটা ভিক্টিমের বাড়ির সীমানা বা কবরে পুতে রেখে বেশ ভয়ংকর লেভেলের বান মারে। তাই তাদের কাছে এটি বেশ পছন্দের একটি উপাদান।

৩. জিনদের পছন্দের খাবার হওয়ায়, জিনকে সন্তুষ্ট করতে অনেকে—বিশেষ করে জাদুকররা এই হাড় জিনের উদ্দেশ্যে বিসর্জন দিয়ে থাকে।


তবে এই হাড়কে নিয়ে কিছু কুফরি বিশ্বাসও বিদ্যমান আছে।
অনেকে বিশ্বাস করে, এই হাড় ঘরের চালে রাখলে জিন-শয়তান আর ঘরে প্রবেশ করতে পারে না। ঘর বদনজর থেকে সুরক্ষিত থাকে। কেউ আবার রোগ-বালাই থেকে বাঁচার জন্য জিনের কাছে আশ্রয় চেয়ে এটা তাদের উদ্দেশ্যে রেখে দেয়। এগুলো সবই পরিত্যাজ্য।

মূলত এই হাড়টাকে যেন কোনো জাদুকর মিসইউজ করতে না পারে, এবং সেই সাথে হাড়কে কেন্দ্র করে কোনো শিরকি-বিদআতি কাজ না হয়, তাই এটাকে এভাবে নষ্ট করা উচিত। আপনি চাইলে হাড়টি মাংসের সাথে রান্না করেও খেতে পারেন,কোন বাধা নেই। তবে সম্পুর্ন রেখে দিলে অনেক দুষ্টু লোকের দুষ্টামির ইন্ধন হতে পারে।

Quranic Cure Ruqyah center ©

⚠️ সমাজে প্রচলিত অসংখ্য জাদুর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর ও ধ্বংসাত্মক একটি জাদু হলো — “বিচ্ছেদের জাদু” (سحر التفريق)।এমন এক জা...
21/05/2026

⚠️ সমাজে প্রচলিত অসংখ্য জাদুর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর ও ধ্বংসাত্মক একটি জাদু হলো — “বিচ্ছেদের জাদু” (سحر التفريق)।

এমন এক জাদু, যার মূল উদ্দেশ্যই হলো স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ঘৃণা, সন্দেহ, অশান্তি, দূরত্ব ও বিচ্ছেদ সৃষ্টি করা। আল্লাহ তাআলা কুরআনে এই জাদুর ব্যাপারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন—

> “অতঃপর তারা এমন বিষয় শিক্ষা করত যা দ্বারা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ সৃষ্টি করে”।
📖 (সূরা আল-বাক্বারাহ: ১০২)

বর্তমান সমাজে অসংখ্য পরিবার ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, অথচ অনেকেই বুঝতেই পারছে না যে এর পেছনে জাদু, হিংসা, বদনজর বা জিন-শয়তানের প্রভাব কাজ করছে।

❗ শুধু বিচ্ছেদের জাদুই নয়, অনেক সময় এর সাথে আরো একাধিক জাদু একত্রে করা হয়, যাতে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক সম্পূর্ণ ভেঙে যায় এবং সংসার ধ্বংস হয়ে যায়। যেমন—

🔹 শারীরিক অসুস্থতা সৃষ্টি করার মাধ্যমে বিচ্ছেদের জাদু করা হয়!
যেখানে ব্যক্তি দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকে, শরীরে ব্যথা, জয়েন পেইন, বা মাসেল পেইন, শারীরিক দুর্বলতা অলসতা, মাথা ভার, মাথা ব্যথা, অস্থিরতা ইত্যাদি সমস্যা চলতেই থাকে। ডাক্তার দেখানো হয়, টেস্ট করানো হয়, কিন্তু রোগ স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে না। আবার কখনো রোগ ধরা পড়লেও ঔষধে তেমন উপকার হয় না।

🔹 সন্তান না হওয়ার মাধ্যমে বিচ্ছেদের জাদু
অনেক দম্পতি বছরের পর বছর চিকিৎসা নেওয়ার পরও সন্তান না হওয়া, বারবার মিসক্যারেজ হওয়া, এতে দাম্পত্য জীবনে হতাশা, দোষারোপ ও দূরত্ব তৈরি হয়।

🔹 মানসিক রোগ বা পাগলামির সমস্যা তৈরী করার মাধ্যমে বিচ্ছেদের জাদু,
যেখানে আক্রান্ত ব্যক্তি অস্বাভাবিক রাগ, সন্দেহ, হতাশা, ডিপ্রেশন, অস্থিরতা, আত্মঘাতী আত্মহত্যার চিন্তা, অতিরিক্ত কান্না বা অকারণে ভয় অনুভব করতে থাকে। ধীরে ধীরে সংসার জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।

🔹 দ্বীন থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা
নামাজে অনীহা, কুরআন শুনলে বিরক্তি, হারাম কাজে জড়িয়ে পড়া, অশ্লীলতার প্রতি আকর্ষণ, অহেতুক রাগ, ঝগড়া-বিবাদ—এসবও অনেক সময় শয়তানের পরিকল্পনার অংশ হয়ে যায়।

📌 এসব কিছুর মূল উদ্দেশ্য একটাই — স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানো এবং পরিবার ধ্বংস করা।

⚠️ যখন কোনো নারীর উপর বিচ্ছেদের উদ্দেশ্যে জিন নিযুক্ত করে জাদু করা হয়, তখন প্রায়শই এমন লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে।

🌿 বিচ্ছেদের জাদুর কমন কিছু লক্ষণ:
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

❶ স্বামীকে অত্যন্ত বিরক্ত লাগা।
❷ স্বামীকে দেখলে, তার কথা শুনলে বা কাছে আসলে অস্থিরতা, রাগ কিংবা ঘৃণা অনুভব হওয়া।
❸ ছোট ছোট বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত ঝগড়া, দুর্ব্যবহার বা মারাত্মক রাগ প্রকাশ করা।
❹ বারবার তালাক চাওয়া বা সংসার ভেঙে ফেলার চিন্তা আসা।
❺ স্বামীর সাথে শারীরিক সম্পর্কে অনীহা তৈরি হওয়া।
❻ অশ্লীল বা ভয়ংকর স্বপ্ন দেখা।
❼ উপর থেকে পড়ে যাওয়া, কেউ তাড়া করছে, খাওয়ার স্বপ্ন বা মৃত্যুভীতি সম্পর্কিত স্বপ্ন দেখা।
❽ সবসময় বুক ধড়ফড় করা, অস্থিরতা বা অজানা ভয় কাজ করা।
❾ একা একা থাকতে ভালো লাগা এবং মানুষ এড়িয়ে চলা।
❿ স্বামীকে অকারণে সন্দেহ করা বা তার প্রতি হঠাৎ ঘৃণা তৈরি হওয়া।
⓫ সাংসারিক জীবনে রহমত, ভালোবাসা ও শান্তি হারিয়ে যাওয়া।

⚠️ এ লক্ষণগুলোর বিপরীত লক্ষণও দেখা যায়
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
অর্থাৎ অনেক সময় সমস্যার বহিঃপ্রকাশ স্বামীর আচরণের মাধ্যমে প্রকাশ পেতে শুরু করে। যেমন—

🔹 স্বামী সামান্য বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত ঝগড়া কিংবা স্ত্রীর গায়ে হাত তোলা।
🔹 স্ত্রীর প্রতি অকারণে রাগ, বিরক্তি বা ঘৃণা তৈরি হওয়া।
🔹 স্ত্রীর চেহারা স্বামীর কাছে অসুন্দর, স্ত্রীকে দেখলেই বিরক্ত লাগা, অস্বাভাবিক মনে হওয়া।
🔹 স্ত্রীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে অনীহা কাজ করা।
🔹 পর্নোগ্রাফি, হারাম সম্পর্ক বা মাস্টারবেশনের দিকে ধাবিত হয়ে যাওয়া।
🔹 কথায় কথায় তালাক দেওয়ার হুমকি বা স্ত্রীকে বারবার চলে যেতে বলা।
🔹 স্ত্রী ও সন্তানদের প্রতি মায়া-মমতা ও ভালোবাসা কমে যাওয়া।
🔹 সংসারের দায়িত্ব বোধ এড়িয়ে চলা বা স্ত্রী-সন্তানের ভরণপোষণে অবহেলা করা।
🔹 অন্য নারীর প্রতি অস্বাভাবিক আকর্ষণ বা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়া ইত্যাদি।

📌 এ কারণেই অনেক স্ত্রী মনে করে থাকেন—“হয়তো আমার স্বামীকে কেউ কিছু করেছে।”

কিন্তু বাস্তবে মূল সমস্যা থাকে স্ত্রীর উপর করা বিচ্ছেদের জাদুর কারণে।

কারণ বিচ্ছেদের জাদুর সাথে যে জাদুর খাদেম বা শয়তান নিযুক্ত থাকে, সে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে অবস্থান করে বিভিন্ন ধরনের ওয়াসওয়াসা, কুমন্ত্রণা, সন্দেহ, রাগ ও ঘৃণা স্বামীর অন্তরে প্রবেশ করায়। যার ফলে স্বামী এমন আচরণ করতে শুরু করে, যা ধীরে ধীরে সংসার ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়।

অর্থাৎ অনেক সময় সমস্যার মূল কেন্দ্র স্ত্রী হলেও, এর প্রভাব স্বামীর আচরণের মাধ্যমে প্রকাশ পেতে থাকে।

🌿 সমাধান ও করণীয়:
━━━━━━━━━━━━━
✅ সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন যিকির ও দুআ পড়া।
✅ সূরা আল-বাক্বারাহ ঘরে তিলাওয়াত করা।
✅ আয়াতুল কুরসি, সূরা ফালাক ও সূরা নাস নিয়মিত পড়া।
✅ হারাম, গান-বাজনা ও গুনাহ থেকে দূরে থাকা।
✅ শরীয়াহসম্মত রুকইয়াহ চিকিৎসা গ্রহণ করা।
🚫⚠️ সতর্কতা: তাবিজ-কবজ, কুফরি তদবির, জ্যোতিষ/রাশি গণনা, বশীকরণ, জিন চালান ও ভন্ড কবিরাজ/ফকিরদের এসব কাজ সম্পূর্ণ হারাম ও শিরকী প্রতারণা।

🌿 যদি স্ত্রী নিয়মিত রুকইয়াহ চিকিৎসা গ্রহণ করে, তাহলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার অস্বাভাবিক ঝগড়া, ঘৃণা ও অশান্তি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। কারণ আক্রান্ত ব্যক্তির উপর থাকা জাদু ও শয়তানি প্রভাব নষ্ট হয়ে যায়।

✅ তবে সম্ভব হলে স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই রুকইয়াহ করা উত্তম।
✅ আর যদি স্বামী রুকইয়াহ বিশ্বাস না করে, নেগেটিভ থাকে বা তাকে রুকইয়াহ করানো সম্ভব না হয়, তাহলে স্ত্রী একাই নিয়মিত রুকইয়াহ, কুরআনের আমল, দুআ ও যিকির চালিয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ এর মাধ্যমেই উভয়ের মধ্যে থাকা যাদু বদনজর হিংসা বা শয়তানি প্রভাব নষ্ট হ'য়ে যাবে।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ :
━━━━━━━━
বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে,এবং বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে ডাক্তারের চিকিৎসায় লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করার আগে অন্তত একবার হলেও শরীয়াহসম্মত রুকইয়াহ ডায়াগনোসিস সেশন করে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করুন—

আপনার সংসারের অশান্তি, অকারণ ঝগড়া-বিবাদ, শারীরিক অসুস্থতা, মানসিক ডিপ্রেশন, প্রতিটি কাজে বাধা প্রতিবন্ধকতা, অস্থিরতা, স্বামী-স্ত্রীর দূরত্ব, সন্তান ধারণে সমস্যা কিংবা অস্বাভাবিক আচরণের পেছনে জাদু, বদনজর, হাসাদ বা শয়তানি প্রভাব জড়িত রয়েছে কিনা।

কারণ অনেক পরিবার বছরের পর বছর চিকিৎসা, কাউন্সেলিং, ও কুফরি শিরক তাবিজ-কবজ, কবিরাজ ও বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেও তাদের সময় ও ঈমান নষ্ট করে। অথচ মূল সমস্যা থাকে জাদু, বদনজর বা শয়তানি প্রভাব।

❗ মনে রাখবেন, জিন-জাদু কেন্দ্রিক সমস্যাকে নিজের অজ্ঞতার কারণে অবহেলা করা মানে শত্রুকে নিজের ক্ষতি করার সুযোগ করে দেওয়া।

তাই দেরি না করে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করুন, দ্রুত অবিজ্ঞ রাকির নিকট শরীয়াহসম্মত রুকইয়াহ ডায়াগনোসিস সেশন করে সমস্যার প্রকৃত কারণ নির্ণয় করুন, অতঃপর পরামর্শ অনুযায়ী রুকইয়াহ্ চিকিৎসা গ্রহণ করুন এবং ধৈর্যের সাথে সুস্থতার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যান।

🤲 আল্লাহ তা`আলা আমাদের পরিবারগুলোকে শয়তান, জাদু, বদনজর, হাসাদ ও সকল অশান্তি থেকে হেফাজত করুন এবং স্বামী-স্ত্রীর মাঝে রহমত, ভালোবাসা ও বরকত দান করুন। আমিন।

২১/০৫/২৬ [ 2:39:PM]

✍️ Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
↪️ Quranic Cure Ruqyah center
📺 YouTube:
📞সরাসরি কল করুন:
📲01991663988 (Call/Imo/WhatsApp)

#সতর্কতা #বিচ্ছেদের_যাদু #অসুস্থ #বন্ধ্যাত্ব #আত্মহত্যা
#শরঈ #রুকইয়াহ্ #ডায়াগনোসিস

৬ বছরের সম্পর্কের বিয়ের শুরু থেকেই তার শাশুড়ি-ননদ এ বিয়ে মেনে নেয়নি। তবে সবকিছুর পরেও স্বামী-স্ত্রীর সংসার ভালোই চলছিল। ...
20/05/2026

৬ বছরের সম্পর্কের বিয়ের শুরু থেকেই তার শাশুড়ি-ননদ এ বিয়ে মেনে নেয়নি। তবে সবকিছুর পরেও স্বামী-স্ত্রীর সংসার ভালোই চলছিল। বিয়ের ৪ বছর পার হলেও কোনো সন্তান হচ্ছিল না। অনেক ডাক্তার দেখানো হয়েছে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে, ডাক্তারের চিকিৎসা ও ঔষধ চলমান ছিল কিন্তু কোনোভাবেই সফলতা আসছিল না। এর মাঝেই সংসারে শুরু হয় অশান্তি, স্বামী-স্ত্রীর বিছানা আলাদা হয়ে যায়। আফরোজা সরকারি চাকরিজীবী, অন্যদিকে স্বামী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে যার কারণে প্রতিনিয়ত সংসারে অশান্তি বেড়েই চলছিল।

একদিকে সন্তান হচ্ছে না, অন্যদিকে স্বামীর পরকীয়া — সব মিলিয়ে আফরোজা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। আত্মহত্যা করার জন্যও অনেকবার চেষ্টা করেছে কিন্তু ব্যর্থ হয়। একদিন হঠাৎ আমার নাম্বারে ফোন আসে, জিজ্ঞেস করলেন — “আপনি কি Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان ভাই বলছেন?” আমি বললাম — “জি, রাকী আবু রায়হান ভাই বলছি।” এরপর সে রুকইয়াহ্ চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলেন। বিস্তারিত বলার পরে সে রুকইয়াহ্ করার জন্য সিরিয়াল নিয়ে নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী সেন্টারে আসেন। সাথে তার বোনকেও নিয়ে এসেছিলেন।

আসার পরে বিস্তারিত জানতে চাইলাম — কি কি সমস্যা বলুন। রুগি আফরোজা বললেন — “ভাই আমরা ৬ বছর রিলেশন করে বিয়ে করি, বর্তমান বিয়ের বয়স ৪ বছর+, কিন্তু বাচ্চা কনসিভ হচ্ছে না। ডাক্তারের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে তেমন কোনো সমস্যা পায়নি।” এরপর জিজ্ঞেস করলাম — “আর কি সমস্যা?” তিনি বললেন — “আমার শরীর দুর্বল লাগে, সবসময় কোনো কাজ করতে ইচ্ছে করে না, জয়েন্ট পেইন, মাসেল পেইন, কোমরে, কাঁধে, পায়ে, পিঠে ব্যথা, মাথা ব্যথা, ঘাড়ে ব্যথা আছে। আর ভাই আমার রাতে ঠিকমতো ঘুম হয় না, বারবার ঘুম ভেঙে যায়। উল্টাপাল্টা স্বপ্ন দেখি, স্বপ্নে হলুদ বর্ণের সাপ দেখি, নীল বর্ণের সাপ দেখি।” নামাজ কালামে মন বসে না।

জিজ্ঞেস করলাম — “এ স্বপ্ন বিয়ের আগেও দেখতেন?” উত্তরে বললেন — “জি, বিয়ের আগেও দেখতাম, এখন আরো বেশি দেখি।” এরপর বললেন — “স্বপ্নে শারীরিক সম্পর্ক হচ্ছে এমন স্বপ্নও দেখি।” তারপর বললেন — “স্বামী-স্ত্রী কেউ কাউকে সহ্য করতে পারি না, অল্পতেই রাগারাগি হয়ে যায়। শারীরিক সম্পর্কের প্রতি প্রচণ্ড লেভেলের অনিহা কাজ করে। আমার গায়ে হাত দিলে রাগ লাগে, তার প্রতি ঘেন্না কাজ করে, কিন্তু পরে আবার খারাপও লাগে।” সবকিছু বিস্তারিত শুনে ডায়াগনোসিস সেশন বসালাম।

ডায়াগনোসিস সেশন প্রায় ৪৫ মিনিট চললো কিন্তু কোনো রিঅ্যাকশন বা ইফেক্ট তার মধ্যে দেখা গেল না। এটা খুবই চিন্তার বিষয়। সেশন বন্ধ করে তাকে জিজ্ঞেস করলাম — “কি অবস্থা আপনার?” তিনি বললেন — “স্বাভাবিক, কিছুই ফিল করছি না।” বিষয়টা আরো চিন্তার হয়ে গেল। কারণ এত পরিমাণ সমস্যা থাকার পরেও কোনো রিয়াকশন হচ্ছে না। তখন তাকে বললাম — “বোন, আপনি তো আপনার সমস্যাগুলো সম্পর্কে জানেন। এতগুলো সমস্যাই জাদু আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ বহন করে, অথচ কোনো রিয়াকশন নাই। অবশ্যই এর পেছনে কোনো কারণ আছে। আচ্ছা সত্যি করে একটা কথা বলবেন? কোনো গুনাহের মধ্যে আছেন? এমন কোনো গোপন গুনাহ করেছেন যার জন্য এখনো তওবা করেন নাই? হতে পারে আল্লাহ ঐ গুনাহের কারণে আপনার প্রতি নারাজ, অসন্তুষ্ট, যার কারণে কোনো ধরনের রিয়াকশন হচ্ছে না।”

এটা বলার পরে সে কিছুক্ষণ চুপ ছিল। এরপর বললেন — “আসলে তেমন কিছু খুঁজে পাচ্ছি না।” তখন তাকে বললাম — “আপনি হয়তো কোনো কুফরি বা শিরিক করে ফেলেছেন যার কারণে আল্লাহ আপনার প্রতি অসন্তুষ্ট।” তখন বললেন — “ভাই শিরিক বা কুফরি গুনাহ কিভাবে করেছি বুঝতে পারছি না।” তখন তাকে বললাম — “আচ্ছা আপনি কি কখনো এমন কিছু করেছেন, যে আপনার স্বামীকে বশ করা বা আপনার প্রতি আসক্ত করার জন্য বশীকরণ করা হয়, স্বামীর ভালোবাসা পাওয়ার জন্য?” তখন বললেন — “হ্যাঁ ভাই, এটাতো আমি অনেক হুজুর দিয়ে করাইছি, অনেকবার, কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।”

তখন তাকে বললাম — “দেখুন, কাজ হয়নি কে বলেছে? একটা কাজ তো অবশ্যই হয়েছে — আপনার ঈমান নষ্ট হয়েছে। এটার জন্য তওবা করা খুবই জরুরি।” এরপর তাকে বললাম — “আপনি পাশের রুমে গিয়ে দুই রাকাত সালাত আদায় করুন। আপনার গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে তওবা করুন, আল্লাহ যেন আপনাকে মাফ করে দেন। দেখুন আপনাকে উপকার করার সামর্থ্য আমার নেই, ক্ষতি করার সামর্থ্যও নেই। আল্লাহ যদি আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হন তাহলে অবশ্যই আপনার সমস্যা প্রকাশ পাবে এবং আপনি সমস্যা থেকে বের হতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।”

উনি পাশের রুমে গিয়ে নামাজ আদায় করলেন, আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করে তওবা করলেন। এরপর পুনরায় তাকে আবার সেশনে বসালাম। নতুন করে সেশনে বসার পর যখন সূরা ফাতিহা ও আয়াতুল শিফা তেলাওয়াত শুরু করলাম তখন তার প্রচণ্ড লেভেলের রিয়াকশন শুরু হয়ে যায় — প্রচণ্ড কান্নাকাটি, বমি, লাফালাফি… আল্লাহু আকবার! এটা অনেক বড় একটা শিক্ষা রোগী এবং রাকি উভয়ের জন্য, বিশেষ করে যারা আমাদের ছাত্র আছেন তাদের জন্য।

ডায়াগনোসিস সেশনে যেটা পেলাম সে “سحر موروث” অর্থাৎ বংশগত জাদুতে আক্রান্ত। ছোটবেলা থেকেই সে পারিবারিকভাবে জাদুতে আক্রান্ত ছিল তার মায়ের মাধ্যমে। যখন তাকে বললাম — “আপনি আপনার পারিবারিক জাদুতে আক্রান্ত, আপনার মায়ের মাধ্যমে। আপনার বোনও আক্রান্ত, আপনার মাও আক্রান্ত।” তখন সে বললেন — “ভাই আমার মা অনেক বছর ধরে বিছানাপড়া, আমার মায়ের বয়স ৫০+ হবে। আর আমার বোনের বিয়ে হচ্ছে না, অনেক চেষ্টা করছি কিন্তু কোনোভাবেই বিয়ের ঘর আসে না। সব ঠিকঠাক হওয়ার পরেও ভেঙে যায়। আমার বোনও অসুস্থ, ওর একটা সমস্যা লেগেই থাকে।”

কিন্তু সে মনে করেছিল তার শাশুড়ি-ননদ কেউ জাদু করেছে যার কারণে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে সমস্যা হচ্ছে। অথচ বিষয়টা সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল। শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে কেউ জাদু করেনি, তবে তাদের পক্ষ থেকে তীব্র হিংসা ছিল — এতটুকুই। এখান থেকে রোগী এবং রাকি উভয়ের জন্যই বড় শিক্ষা রয়েছে। বিশেষ করে যারা আমাদের ছাত্র আছেন, তাদের জন্য এই পুরো কেস অত্যন্ত শিক্ষণীয়।

এরপরে বাকি সেশন সম্পন্ন করে আমরা ট্রিটমেন্ট প্লান ও প্রয়োজনীয় গাইডলাইন দিয়েছি। বর্তমানে চিকিৎসা চলমান রয়েছে। আমরা আশাবাদী, সে যে সমস্যা নিয়ে এসেছে আল্লাহ তাকে নিরাশ করবেন না। আল্লাহ যেন তাকে শিফা দান করেন এবং আমাদের এই প্রচেষ্টাকে সফল করেন, ইনশাআল্লাহ।

✍️ Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
↪️ Quranic Cure Ruqyah center
📿 রুকইয়াহ্ চিকিৎসা ও পরামর্শের সরাসরি কল করুন
📞যোগাযোগ:
📲01991663988 (Call/ imo/ WhatsApp)

#পরকীয়া #কেস_হিস্ট্রি #سحر #موروث #সম্পর্কের_বিয়ের
#পারিবারিক_জাদু #বদনজর #হিংসা

রাগ করলা,?
18/05/2026

রাগ করলা,?

‎অমানবিক নির্যাতনের শিকার শিশু তাহসিন! ‎‎কার বাসায় বন্দি ছিল জানেন? তার নিজেরই বাসায়! কোনো প্রতিষ্ঠানে নয়, কোনো শিক্ষ...
17/05/2026

‎অমানবিক নির্যাতনের শিকার শিশু তাহসিন!

‎‎কার বাসায় বন্দি ছিল জানেন? তার নিজেরই বাসায়! কোনো প্রতিষ্ঠানে নয়, কোনো শিক্ষকের হাতে নির্যাতিত হয়নি। নির্যাতিত হয়েছে এক কুলাঙ্গার জানোয়ারের হাতে।
‎সন্তানকে নির্যাতন থেকে বাঁচাতে তার 'মমতাময়ী' মায়ের ভূমিকা কী ছিল জানেন? কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটা দেয়া! হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। তাহসিনের মা আক্ষরিক অর্থেই কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিত! পিটুনি শেষ করে জানোয়ারটা জখমে ব্লেড দিয়ে পোস দিত। এরপর তার নির্দেশে তাহসিনের মা ক্ষতস্থানে লবণ ও গুঁড়ামরিচ মিশিয়ে দিত। ওই কাজে ওর দুই খালাও জড়িত। 'কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা' এতো দিন রূপকার্থে শুনলেও একজন মায়ের হাতে বাস্তবিক রূপ নিয়েছে! ভাবা যায়?!

‎'অমানবিক' বলবো না অন্যকিছু, ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। শিশুটির শরীরের এক ইঞ্চি জায়গাও আঘাত থেকে বাদ পড়েনি। পুরোটা শরীর ঝাঁঝরা করে দিয়েছে জানোয়ারের বাচ্চা! নির্বিঘ্নে, নিশ্চিন্তে, মা ও খালাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায়, নয় মাস ধরে, বর্বর ও নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করে আসছিল পাষাণ জানোয়ার!

‎নির্যাতনে তাহসিনের মা ও দুই খালার পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা ছিল। তারা তাহসিনের উভয় হাত পেছন দিকে জানালার গ্রিলের সঙ্গে বেঁধে দিত। এরপর ওই লোকটা হাতের কাছে যা পেত, তা দিয়ে পিটাত। তাহসিন বাঁচাও বাঁচাও বলে গগনবিদারী চিৎকার করত। চিৎকার যত বাড়ত, ওই জানোয়ার তত বেশি মারত। দরজা-জানালা বন্ধ সত্ত্বেও বাহির থেকে তাহসিনের আর্তচিৎকার কিছুটা শুনা যেত।

‎চিৎকার শুনতেন আশিক ভাই। পরখ করলেন কোন বাসা থেকে এতো চিৎকার আসে। গেলেন বাসায়। ১৫ পারার হাফিজ, ১০ বছরের নিষ্পাপ শিশুকে অমানবিক নির্যাতনের কারণ জানতে চাইলে জানোয়ারটা বলল—'আমার সন্তানকে আমি মারছি, তুই কে? তোর কী হইছে?!' তাহসিনের মা বলল—'বাপ তার ছেলেকে মারছে, তোমার কী?!' খালাদেরও একই কথা।

‎ওই জানোয়ারটা কি আসলেই বাবা? তাহসিন এক ভিডিওতে বলেছে—“আমি তাকে চিনি না। সে আমাদের কেউ নয়। আমার আব্বা প্রবাসী। তিনি এসব জানেন না। সে আমার আম্মা ও খালাদের সাথে লুডু খেলত। আমার খালাদের সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমাতে দেখতাম।”
‎তাহসিনের এই বর্ণনা থেকে তার মা ও খালাদের সঙ্গে ওর সম্পর্কের ধরনটা বুঝতে বাকি নাই। একজন পরপুরুষ, যার সঙ্গে আত্মীয়তা কিংবা বৈবাহিক কোনো সম্পর্ক নেই—সে পাঁচজন (মা, দুই খালা, বোন ও খালাতো বোন) নারীদের নিয়ে একই বাসায় বছর ধরে একত্রে বসবাস ও খেলতামাশা করে আসছিল—বিষয়টা কি খুব স্বাভাবিক? ওদের গোমর ফাঁস করে দেয়ার ভয়ে তাহসিনকে ধীরে ধীরে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছে—এটাও অসম্ভব নয়!

‎পনের-বিশ দিন থেকে তাহসিনের আর্তচিৎকার শুনতে না পেয়ে আশিক ভাই চিন্তায় পড়ে গেলেন যে, মনে হয় ওরা ছেলেটাকে মেরে ফেলেছে! বন্ধু-বান্ধব কয়েকজনকে নিয়ে খোঁজখবর নিতে গেলেন। তখনই দেখতে পেলেন তাহসিনের এই করুণ অবস্থা! আওয়াজ যাতে বাইরে না যায়— সেজন্য মুখে স্কচটিপ পেঁচিয়ে, কখনো গামছা দিয়ে বেঁধে পিটাত জানোয়ারটা। একারণে আহাজারির আওয়াজ শুনা যাচ্ছিল না। ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশ ডাকলেন। পুলিশ এসে তদন্ত করে, জানোয়ারটাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

‎তাহসিনের আব্বাকে ফোন করে বিষয়টি অবগত করলে তিনি কান্না শুরু করেন। তিনি বলেন—“আমার বাসায় তো কোনো পুরুষ মানুষ নাই। ওই লোকটাকে আমি চিনি না। আমার ছেলের ওপর নির্যাতনের বিষয়ে আমি জানতাম না।”

‎তাহসিন তার আব্বার সঙ্গে ফোনের সুযোগ পেত না। কখনো কথা বললে, ওর মা সামনে খাড়া থাকতেন। একারণে সে বিষয়টি বলতে পারত না। নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ভয়ে বলতও না।

‎তাহসিনকে নির্যাতনের স্ট্রিমরোলার থেকে উদ্ধার করে, অপরাধীকে পুলিশে সোপর্দ করা পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সঙ্গে ওর পাশে দাঁড়িয়েছেন, তারা হলেন— আশিক ভাই, আনসার ভাই, দেওয়ান তাকওয়া সহ হিলভিউ টাওয়ার ও খাদিমপাড়ার বেশকয়েকজন তরুণ। মজলুমের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য তাদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।

‎মিডিয়ায় দেখলাম শাহবাগ এলাকার জনৈক নেতা পুরো ক্রেডিট নিচ্ছেন, অথচ পুলিশে সোপর্দ করা পর্যন্ত তার কোনো দেখা মিলেনি। ক্রেডিট নিন, সমস্যা নাই। তবে সমস্যার জায়গা হলো—তিনি ফেসবুকে 'শিক্ষকের হাতে নির্যাতন' বলে পোস্ট করেছেন। অনেকেই ভুল বোঝাবুঝি বশত তার পূর্বের মাদরাসার নাম নিয়ে পোস্ট করছেন। কেউ মাদরাসায় শিক্ষকের হাতে নির্যাতন বলে পোস্ট করছেন। অথচ তাহসিন দীর্ঘ নয় মাস ধরে নির্যাতনের শিকার হয়েছে—তারই বাসায়, তারই মা ও খালাদের সহযোগিতায়, এক জানোয়ার পাষাণ্ড কুলাঙ্গারের হাতে! পূর্বের মাদরাসা থেকে নয় মাস আগেই তাকে নেওয়া হয়েছে।

‎তাহসিনের আত্মীয়দের কাছে অনুরোধ করছি—বিষয়টা শক্ত করে ধরুন। চুল পরিমাণ ছাড় দিবেন না। মা ও খালাদের ছেড়ে দিবেন না। কুলাঙ্গার গ্রেফতার হলেই হবে না, ওর শাস্তি নিশ্চিত করুন। একই সঙ্গে ওর মা ও খালাদের আইনের কাছে সোপর্দ করুন। সবার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করুন। সবার শাস্তি নিশ্চিত করুন।


✍️ Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
↪️ Quranic Cure Ruqyah center ©

06/05/2026

🔥 আঈন/হাসাদ ও জাদু ধ্বংসের রুকইয়াহ্

🎙️ওস্তাদ: Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان

04/05/2026

যাদুর প্রভাব যখন মারাত্মকভাবে ব্রেনের উপরে প্রভাব বিস্তার করে তখন মানুষের (OCD) ওয়াসওয়াসা বেশি হয়,এবং তখন মানুষ প্রচন্ড ভয়, আতঙ্ক ও সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে থাকে,।

✍️ Quranic Cure Ruqyah center
📿 01991-663988 Call imo WhatsApp

02/05/2026

বিচ্ছেদের জাদুর ভয়ংকর দিক হচ্ছে স্বামী অথবা স্ত্রী হারাম সম্পর্ক পরকীয়াতে লিপ্ত হয়ে যায়, এবং হালাল সম্পর্ক সহবাসের প্রতি ঘৃণা, রাগ সৃষ্টি হয় অল্পতেই রাগান্বিত হয় এবং একে অপরকে সহ্য করতে পারেনা।

29/04/2026

তাদের বিয়ে ছিল সম্পর্কের মাধ্যমে (লাভ ম্যারেজ)। ভালোবাসা থেকেই শুরু, দুজনের স্বপ্ন ছিল সুন্দর একটা সুখের সংসার গড়ার।

বিয়ের পর প্রথমদিকে তাদের সংসার জীবন ভালোই চলছিল। কিন্তু সমস্যার শুরু হয় তখন, যখন ছেলের মা এই বিয়ে মেনে নিতে পারেননি। ভেতরে ভেতরে বিরোধ, রাগ খোব হিংসা,এবং নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা তৈরি হতে থাকে।

এই অবস্থায় মা ছেলের উপর বশীকরণমূলক জাদু করে, যাতে সে মায়ের নিয়ন্ত্রণে থাকে। এমনকি অত্যন্ত নিকৃষ্ট পদ্ধতিতে— এই জাদু করা হয়েছে অপবিত্র জিনিস (পিরিয়ডের রক্ত) ব্যবহার করে খাওয়ানোর মতো কাজও করা হয়েছে তার মা। একই সাথে ছেলে ও তার স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ তৈরি করার জন্যও (সিহরুত তাফরিক) বিচ্ছেদের জাদু করে—এখানেই শেষ নয়।

এর কিছুদিন পর থেকেই সংসারে অশান্তি শুরু হয়—স্বামীর আচরণ পরিবর্তন, অকারণে স্বামী স্ত্রীর ঝগড়া, দূরত্ব, কেউ কাউকে সহ্য করতে পারে না, অস্বাভাবিক মনোভাব—সব মিলিয়ে সম্পর্ক ভেঙে পড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।

স্বামীর এই পরিবর্তনে দিশেহারা হয়ে পড়ে স্ত্রীও। স্বামীর ভালোবাসা ফিরে পাওয়ার আশায়, সেও ভুল পথে পা বাড়ায়—কোন এক হুজুরের মাধ্যমে (سحر التسخير.) অর্থাৎ স্বামীর উপর বশীকরণ জাদু করে।

ফলাফল—একজন মানুষের উপর একাধিক জাদুর প্রভাব।
ধীরে ধীরে ছেলেটির শারীরিক অবস্থাও খারাপ হতে থাকে। বিভিন্ন চিকিৎসা নেওয়ার পরও উন্নতি হয়নি। এক পর্যায়ে সে প্যারালাইসড হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে কোলন ক্যানসার ধরা পড়ে। চিকিৎসা চললেও তেমন কোনো উন্নতি হচ্ছিল না।

এই অবস্থায় স্বামী কে নিয়ে স্ত্রী রুকইয়াহ করার জন্য আমাদের Quranic Cure Ruqyah Centre-এ আসে। স্বামী স্ত্রী দুজনার অবস্থা খুবই খারাপ চিকিৎসা চলমান রয়েছে..

✍️কেস স্টাডি: Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
🎙️প্রধান রাকি: Quranic Cure Ruqyah center
📿 রুকইয়াহ্ চিকিৎসা ও পরামর্শের জন্য সরাসরি কল করুন 01991-663988 Call imo WhatsApp

​ #বিচ্ছেদের_জাদু #প্যারালাইসিস #ক্যান্সার_ও_জাদু ​ #মা_ছেলের_সম্পর্ক #কেস_স্টাডি #বশীকরণ_জাদু #سحرالتسخير

জাদুগ্রস্ত কিংবা বদনজরে আক্রান্ত মানুষের জীবনটা যেন এক অদৃশ্য দেয়ালের ভেতর বন্দি। তার চিন্তা, বুদ্ধি,আত্মা আর শরীর—সবই য...
28/04/2026

জাদুগ্রস্ত কিংবা বদনজরে আক্রান্ত মানুষের জীবনটা যেন এক অদৃশ্য দেয়ালের ভেতর বন্দি। তার চিন্তা, বুদ্ধি,আত্মা আর শরীর—সবই যেন নিজের ভেতরেই আটকে থাকে। জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে সে এক ব্যাখ্যাতীত বাঁধার সম্মুখীন হয়।

​অকারণে ভয় আর অহেতুক বিষণ্ণতা তার নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়ায়। শরীরে কোনো সুনির্দিষ্ট রোগ ধরা না পড়লেও, সে প্রতিনিয়ত এক ক্লান্তিকর অসুস্থতা বয়ে বেড়ায়। এ যেন এক জীবন্ত বন্দিশালা, যেখানে মুক্তির পথ চেনা থাকলেও পা বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে। 🍃

🤲 হে আল্লাহ! যে ব্যক্তি জাদুর তিক্ততা, যন্ত্রণা ও নিষ্ঠুরতা সহ্য করছে—তাকে আপনি শিফা দান করুন।

✍️ লেখা: Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
↪️ Quranic Cure Ruqyah center
📿 01991-663988 Call imo WhatsApp

28/04/2026

আপনার কি প্রায়ই ঘুমের সমস্যা হয়? কোনো কারণ ছাড়াই শরীরে যন্ত্রণা হয় কিংবা জ্বালাপোড়া করে? অথবা ঘুমের সমস্যা এবং শারীরিক যন্ত্রণা—উভয় সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন মাঝে মধ্যেই? তাহলে এই রুকইয়াহ'র আমল করুন টানা কিছুদিন। রাতে শোয়ার আগে আমল করা উত্তম হবে, প্রয়োজনে একাধিকবার আমল করতে সমস্যা নেই ইনশাআল্লাহ; বরং উত্তম। উল্লেখ্য, অবশ্যই হেড ফোনে সহনীয় মাত্রার সাউন্ড দিয়ে শুনবেন।

🤲 নিয়াতঃ ইয়া আল্লাহ! যে নজর হাসাদের কারণে শারীরিক যন্ত্রণা এবং ঘুমের সমস্যা হয় তা দূর করে দিন।




#العين

🎙️ Raqi Abu Rayhan راقي أبو ريحان
↪️ Quranic Cure Ruqyah center
01991-663988 Call imo WhatsApp

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Quranic Cure Ruqyah center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Quranic Cure Ruqyah center:

Share