sujan

sujan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from sujan, Grocers, Dhaka.

সফলতা অর্জনের জন্য অনেক ধৈর্য্য ধরে থাকতে হয়।সততা, আন্তরিকতা, মানবিকতা, বিশ্বাস হল মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ যা কখনো অর্থের মূল্য দিয়ে বিচার করা যায় না।কেবলমাত্র মানুষের প্রতি মানুষের সহানুভূতিশীল আর ভালো বাসার মাধ্যমেই পাওয়া যায়।

20/03/2026
20/03/2026

টুনি ছিল একটা ছোট্ট কার্টুন মেয়ে, যে থাকত রঙিন একটা গ্রামে। তার সবচেয়ে প্রিয় জিনিস ছিল আঁকা। কিন্তু তার একটা দুঃখ ছিল—যা আঁকত, তা কখনো বাস্তব হতো না।
একদিন টুনি বনে ঘুরতে গিয়ে একটা অদ্ভুত পেন্সিল পেল। পেন্সিলটা সোনালি রঙের, আর তার ওপর লেখা ছিল—
“যা আঁকবে, তাই সত্যি হবে!”
টুনি প্রথমে বিশ্বাস করল না। সে একটা ছোট্ট পাখি আঁকল। আঁকা শেষ হতেই—ফুড়ুৎ! পাখিটা উড়ে গেল! 😲
টুনি খুব খুশি হয়ে গেল। সে ফুল আঁকল, খেলনা আঁকল, এমনকি একটা আইসক্রিমও আঁকল—সবই সত্যি হয়ে গেল! 🍦🌸
কিন্তু একদিন মজা করতে গিয়ে সে একটা বড় দুষ্টু দানব এঁকে ফেলল। দানবটা সত্যি হয়ে গিয়ে গ্রামটাকে ভয় দেখাতে লাগল! 😨
সবাই দৌড়ে পালাতে লাগল। টুনি বুঝতে পারল, সে ভুল করেছে।
তখন সে সাহস করে আবার পেন্সিলটা দিয়ে একটা “ভালো সুপারহিরো” আঁকল।
সুপারহিরো এসে দানবটাকে তাড়িয়ে দিল। 🦸‍♂️✨
শেষে টুনি শিখল—
“শক্তি যত বড়ই হোক, সেটা ভালো কাজে ব্যবহার করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”
💙 মোরাল: ভালো কাজ করলে জাদুও সুন্দর হয়ে ওঠে। sujan

         🖤 মিরজাফর বন্ধুর মুখোশআমি কখনো ভাবিনি, বন্ধুত্বের ভেতরেও অভিনয় লুকিয়ে থাকতে পারে।কিন্তু আমার জীবনে একজন ছিল—যাক...
04/03/2026


🖤 মিরজাফর বন্ধুর মুখোশ
আমি কখনো ভাবিনি, বন্ধুত্বের ভেতরেও অভিনয় লুকিয়ে থাকতে পারে।
কিন্তু আমার জীবনে একজন ছিল—যাকে আমি প্রাণের বন্ধু ভাবতাম, আর সে ছিল আমার “মিরজাফর বন্ধু”।
সে খুব সুন্দর করে মিথ্যা বলতে পারত।
এমনভাবে কথা বলত, যেন সত্যিই তার হৃদয় ভরা ভালোবাসা আর সততায়।
কিন্তু আমি বুঝতাম।
তার চোখের ভেতর যে কাঁপুনি, কথার মাঝের ফাঁক, আচরণের অমিল—সব আমি টের পেতাম।
তবুও আমি কখনো তাকে বুঝতে দিইনি যে আমি তার মিথ্যা বুঝে ফেলেছি।
কারণ…
আমি তাকে বন্ধু মনে করতাম।
সে যখন বলত,
“দোস্ত, তুই ছাড়া আমার কেউ নাই।”
আমি হাসতাম।
ভেতরে ভেতরে ভাবতাম—“এই কথাটাও কি সত্যি?”
সে যখন অন্যদের সামনে আমাকে ছোট করত, পরে এসে বলত—
“আরে মজা করলাম!”
আমি চুপ করে থাকতাম।
কারণ আমি চাইতাম, একদিন সে নিজে থেকেই বুঝুক—
বন্ধুত্ব মানে ব্যবহার না, বিশ্বাস।
অনেকবার সে আমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
আমার কথা অন্যের কাছে বলে দিয়েছে।
আমার বিশ্বাসকে হাসির খোরাক বানিয়েছে।
আমার সরলতাকে দুর্বলতা ভেবেছে।
সে ভাবত—
আমি বুঝি না।
কিন্তু আমি সব বুঝতাম।
আমি শুধু অপেক্ষা করতাম…
যেন একদিন সে নিজের ভুল নিজেই দেখে।
একদিন আর পারলাম না।
আমি শান্ত গলায় তাকে বললাম—
“তুই কি ভাবিস? আমি কিছু বুঝি না? তোর প্রতিটা মিথ্যা, প্রতিটা অভিনয় আমি প্রথম দিন থেকেই বুঝি। শুধু বন্ধুত্বের জন্য চুপ ছিলাম।”
সে থমকে গিয়েছিল।
তার মুখের রঙ বদলে গিয়েছিল।
মনে হয়েছিল, তার মুখোশটা ভেঙে পড়ছে।
আমি চেয়েছিলাম, সে লজ্জা পাবে।
ভুল স্বীকার করবে।
মানুষ হবে।
কিন্তু না…
সে উল্টো আমাকে দোষ দিল।
বলল—
“তুই নাকি আমাকে সন্দেহ করিস! তুই নাকি খারাপ বন্ধু!”
তার কণ্ঠে রাগ ছিল,
কথায় অপমান ছিল।
আমি চুপ করে শুনছিলাম।
কারণ আমি জানতাম—
সত্য কথা শুনতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয় মিথ্যাবাদীর।
সেদিন আমাদের বন্ধুত্ব শেষ হয়ে গেল।
সে একবারও ফিরে তাকায়নি।
একবারও বলেনি—“দোস্ত, আমি ভুল করেছি।”
তার মধ্যে কোনো অনুশোচনা ছিল না।
আমি বুঝলাম—
সবাই ভুল করে,
কিন্তু সবাই মানুষ হয় না।
আজও মাঝে মাঝে ভাবি—
যদি সে একবার সত্যি করে বলত,
“দোস্ত, আমি ভুল করেছি।”
হয়তো বন্ধুত্বটা বেঁচে যেত।
কিন্তু কিছু মানুষ নিজের অহংকারকে বন্ধুত্বের চেয়েও বড় মনে করে।
আর আমি শিখে গেলাম—
মুখোশধারী মানুষকে ভালোবাসা যায়,
কিন্তু বিশ্বাস করা যায় না।
🖤 শেষ কথা:
বন্ধুত্বে যদি অভিনয় থাকে, তবে তা বন্ধুত্ব না—একটা দীর্ঘ প্রতারণা।
আমি হারিয়েছি একজন “মিরজাফর বন্ধু”,
কিন্তু পেয়েছি নিজের আত্মসম্মান।

              🌸 শেষ চিঠিটা 🌸রায়হান কখনো ভাবেনি, নীলা তার জীবনে এতটা জায়গা করে নেবে।কলেজের প্রথম দিনেই নীলার সাথে তার পরি...
26/02/2026


🌸 শেষ চিঠিটা 🌸
রায়হান কখনো ভাবেনি, নীলা তার জীবনে এতটা জায়গা করে নেবে।
কলেজের প্রথম দিনেই নীলার সাথে তার পরিচয়। সাদা সালোয়ারে, খোলা চুলে, একদম শান্ত মুখটা দেখে রায়হানের বুকটা কেমন যেন থেমে গিয়েছিল।
প্রথমে বন্ধুত্ব…
তারপর প্রতিদিন কথা…
তারপর অভ্যাস…
আর একসময় সেটা ভালোবাসায় বদলে গেল।
নীলা বলেছিল,
— “তুমি কখনো আমাকে ছেড়ে যাবে না তো?”
রায়হান হেসে বলেছিল,
— “মরলেও না।”
কিন্তু জীবন তো সিনেমা না…
হঠাৎ একদিন নীলার বাসা থেকে জানানো হলো, তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। পরিবারের চাপে সে কিছুই বলতে পারেনি।
শেষবার দেখা করতে এসে নীলা শুধু একটা চিঠি দিয়েছিল।
চিঠিতে লেখা ছিল —
"তোমাকে ভালোবাসা আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ভুল। যদি কখনো অন্য কাউকে ভালোবাসো, তাকে এমনভাবে আগলে রেখো… যেন আমার মতো হারিয়ে না যায়।"
সেদিন রায়হান কিছু বলেনি। শুধু হাসার চেষ্টা করেছিল।
নীলা চলে যাওয়ার পর, রায়হান প্রথমবার বুঝলো—
কাউকে ভালোবাসা সহজ,
কিন্তু তাকে হারিয়ে বেঁচে থাকা… ভীষণ কঠিন।
আজও মাঝে মাঝে বৃষ্টির দিনে,
রায়হান সেই শেষ চিঠিটা পড়ে…
আর মনে মনে বলে—
“ভালোবাসা কখনো মরে না,
শুধু মানুষগুলো দূরে চলে যায়…” 💔

🌧️ শেষবারের মতো ভালোবাসারাত তখন প্রায় বারোটা।রাহাত ফোনটা হাতে নিয়ে বসে আছে। স্ক্রিনে এখনও সেই নামটা জ্বলছে — “মায়া ❤️...
25/02/2026

🌧️ শেষবারের মতো ভালোবাসা
রাত তখন প্রায় বারোটা।
রাহাত ফোনটা হাতে নিয়ে বসে আছে। স্ক্রিনে এখনও সেই নামটা জ্বলছে — “মায়া ❤️”
শেষ মেসেজটা আজও সে ডিলিট করতে পারেনি।
"তুমি খুব ভালো… কিন্তু আমি আর পারছি না।"
চার বছরের সম্পর্ক।
চারটা জন্মদিন।
অসংখ্য রাত জেগে কথা বলা।
অসংখ্য স্বপ্ন।
সবকিছু এক লাইনের মধ্যে শেষ।
রাহাত কখনো বড়লোক ছিল না। দামি গিফট দিতে পারেনি।
শুধু সময় দিয়েছিল, যত্ন দিয়েছিল, আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দিয়েছিল।
মায়া বলেছিল —
“তুমি ছাড়া আমি বাঁচবো না।”
কিন্তু মানুষ বাঁচে।
খুব সহজেই বাঁচে।
একদিন রাহাত দেখলো মায়া নতুন কারো সাথে ছবি দিয়েছে।
ক্যাপশনে লিখেছে —
"Finally found my peace 💍❤️"
রাহাত শুধু হাসলো।
কারণ সে জানে —
যে মানুষ ভালোবাসার মূল্য বোঝেনা,
সে একদিন ভালোবাসা হারিয়ে কাঁদে।
সেদিন মাঝরাতে রাহাত একটা স্ট্যাটাস দিলো—
"আমি তোমাকে দোষ দেই না।
ভালোবাসা যদি সত্যি হতো,
তাহলে বদলে যেত না।"
তারপর চুপচাপ সব ছবি আর্কাইভ করলো।
নাম্বার ডিলিট করলো না —
কারণ কিছু স্মৃতি ডিলিট করা যায় না।
বছর দুয়েক পর,
হঠাৎ একদিন অচেনা নাম্বার থেকে মেসেজ এল—
"ভালো আছো?"
রাহাত রিপ্লাই দিলো না।
শুধু জানালার বাইরে তাকিয়ে রইলো।
কারণ সে শিখে গেছে —
যে চলে যায়,
সে একদিন ফিরে তাকায়।
কিন্তু যে অপেক্ষা করে,
সে আর আগের মতো থাকে না।
💔 শেষ কথা:
বিশ্বাসঘাতকতা মানুষকে ভাঙে,
কিন্তু সেই ভাঙা মানুষটাই একদিন সবচেয়ে শক্ত হয়ে ওঠে।

          শেষ চিঠির ভালোবাসা 💔(একটি দীর্ঘ বেদনাময় প্রেমের গল্প)শীতের হালকা কুয়াশা ঢাকা এক বিকেলে, নদীর পাড়ে বসে ছিল অ...
25/02/2026


শেষ চিঠির ভালোবাসা 💔
(একটি দীর্ঘ বেদনাময় প্রেমের গল্প)
শীতের হালকা কুয়াশা ঢাকা এক বিকেলে, নদীর পাড়ে বসে ছিল অর্ণব। তার হাতে একটা পুরোনো ডায়েরি। ডায়েরির পাতাগুলো হলুদ হয়ে গেছে, কিন্তু ভেতরের শব্দগুলো এখনো টাটকা—কারণ সেগুলো লেখা হয়েছিল ভালোবাসা দিয়ে।
অর্ণব আর মেঘলার প্রথম দেখা হয়েছিল কলেজের প্রথম দিনে।
মেঘলা ছিল খুব চুপচাপ, শান্ত, সাদা সালোয়ারে এক টুকরো মেঘের মতো।
অর্ণব ছিল একটু দুষ্টু, একটু বেপরোয়া—কিন্তু হৃদয়টা ছিল একদম নরম।
প্রথম দিনেই অর্ণব মেঘলাকে বলেছিল—
— “তুমি কি জানো, তোমার চোখে আকাশ লুকিয়ে আছে?”
মেঘলা হেসে বলেছিল—
— “আকাশ সবাই দেখে, কিন্তু বুঝতে পারে কয়জন?”
সেদিন থেকেই শুরু।
🌸 ভালোবাসার দিনগুলো
কলেজের ক্যান্টিন, লাইব্রেরির নিরবতা, বৃষ্টিভেজা দুপুর—সব জায়গাতেই ছিল তাদের গল্প।
মেঘলা খুব সাধারণ স্বপ্ন দেখত—ছোট্ট একটা সংসার, মায়ের জন্য একটা শাড়ি, আর অর্ণবের হাত ধরে সারাজীবন হাঁটা।
অর্ণব বলত—
— “আমি বড় কিছু হতে চাই না, শুধু তোমার পাশে থাকতে চাই।”
কিন্তু জীবন কখনো গল্পের মতো সহজ হয় না।
অর্ণবের পরিবার ছিল খুব সাধারণ। বাবার ছোট চাকরি, সংসারের টানাটানি।
অন্যদিকে মেঘলার পরিবার ছিল বেশ স্বচ্ছল। তার বাবা চাইতেন মেঘলার বিয়ে হোক প্রতিষ্ঠিত কারও সাথে।
🌧️ ঝড়ের শুরু
একদিন হঠাৎ মেঘলা কাঁদতে কাঁদতে বলল—
— “বাবা আমার জন্য পাত্র দেখছে…”
অর্ণব থমকে গেল।
— “তুমি কি চাও?”
মেঘলার চোখ ভিজে উঠল—
— “আমি শুধু তোমাকেই চাই… কিন্তু আমি বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে যেতে পারবো না।”
সেই রাতটা ছিল অর্ণবের জীবনের সবচেয়ে লম্বা রাত।
সে ভাবছিল—ভালোবাসা কি শুধু দু’জনের হলেই হয়?
নাকি সমাজ, পরিবার, অর্থ—সবকিছুর অনুমতি লাগে?
💔 শেষ দেখা
মেঘলার বিয়ের আগের দিন তারা শেষবার দেখা করেছিল নদীর ধারে।
মেঘলার হাতে একটা চিঠি।
— “যদি কোনোদিন আমাকে খুব মনে পড়ে, এই চিঠিটা পড়বে।”
অর্ণব বলল—
— “তুমি কি একবারও ভাবলে না, আমি কিভাবে থাকবো?”
মেঘলা কাঁপা গলায় বলল—
— “তুমি শক্ত থাকবে। কারণ তুমি আমাকে সত্যিকারের ভালোবেসেছো… আর সত্যিকারের ভালোবাসা কখনো অভিশাপ হয় না।”
তারপর মেঘলা চলে গেল।
চিরতরে।
📖 চিঠির শব্দ
বিয়ের এক সপ্তাহ পর অর্ণব সেই চিঠিটা খুলল।
চিঠিতে লেখা ছিল—
*"অর্ণব,
আমি তোমাকে হারাতে চাইনি। কিন্তু আমি চাই না তুমি আমার জন্য নিজের স্বপ্নগুলো ভেঙে ফেলো।
তুমি একদিন অনেক বড় হবে।
সেদিন হয়তো আমি দূর থেকে শুনবো—
‘অর্ণব আজ সফল।’
আমি তখন মনে মনে বলবো—
ও তো আমার ভালোবাসা ছিল…”*
চিঠির শেষ লাইনে লেখা—
"যদি অন্য কাউকে ভালোবাসো কোনোদিন, তাকে আমার চেয়েও বেশি ভালোবাসবে। কারণ আমি চাই, তুমি সুখী হও।”
🌫️ বহু বছর পরে
পাঁচ বছর কেটে গেছে।
অর্ণব এখন একজন প্রতিষ্ঠিত মানুষ।
নিজের পরিশ্রমে দাঁড়িয়েছে।
কিন্তু নদীর পাড়ে গেলে আজও তার মনে পড়ে—
সাদা সালোয়ার, নরম হাসি, আর একটা মেয়ের বলা কথা—
"আকাশ সবাই দেখে, কিন্তু বুঝতে পারে কয়জন?"
অর্ণব বুঝেছিল।
কিন্তু ধরে রাখতে পারেনি।
একদিন হঠাৎ খবর পেল—মেঘলা খুব অসুস্থ।
অর্ণব ছুটে গেল।
হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা মেঘলা খুব শুকিয়ে গেছে।
তবুও হাসলো—
— “দেখেছো? তুমি পারছো…”
অর্ণব চোখের জল লুকিয়ে বলল—
— “তুমি আমার সাথে থাকলে আরও ভালো লাগতো।”
মেঘলা ধীরে বলল—
— “সব ভালোবাসা একসাথে থাকার জন্য না… কিছু ভালোবাসা শুধু মনে রাখার জন্য।”
সেদিন রাতেই মেঘলা চলে গেল।
🌧️ শেষ দৃশ্য
আজও অর্ণব বিয়ে করেনি।
কারণ সে কাউকে প্রতিশ্রুতি দিতে পারেনি—যে জায়গাটা একবার ভরে গিয়েছিল, সেটা আবার নতুন করে ভরতে।
নদীর ধারে বসে সে মাঝে মাঝে বলে—
"ভালোবাসা কখনো মরে না।
মানুষ মরে, সময় বদলায়,
কিন্তু ভালোবাসা…
চিঠির পাতায়, স্মৃতির কোণে,
চিরকাল বেঁচে থাকে।”
💔 সমাপ্তি

ICC Champions Trophy India vs  Pakistan Today live Cricket match 2025live cricket match link--click now pic
23/02/2025

ICC Champions Trophy India vs Pakistan Today live Cricket match 2025
live cricket match link--click now pic

ICC Champions Trophy India vs Pakistan Today live Cricket match 2025

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when sujan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category