08/09/2026
#গল্প_তবুও_তুমি_আমার
#পর্ব_১
#লেখিকা_নুসরাত_জাহান_আরশি
(কপি করা সম্পূর্ণভাবে নিষেধ)
,
,
,
সকালের আলো ফুটেছে দুই ঘন্টা হলো মানুষ চলেছে নিজ গন্তব্যে। সেই সকালের ব্যস্ত রাস্তায় তিনজন বিশিষ্ট রিক্সা যাচ্ছে আপন মনে, তাদের গন্তব্য কোথায় শেষ হবে, তা তারা নিজেরাও জানে না। এতোক্ষণ সব ঠিক থাকলেও এখন আর কিছুই ভালো লাগছে না আরশির। বিরক্তির রেশ তার মুখে স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।এবার আর চুপ থাকতে না পেরে প্রশ্ন করেই ফেললো সে,
"কলেজ ফাঁকি দিয়ে কোথায় যাওয়া হচ্ছে বলবি কেউ?"
জেসমিন সংক্ষেপে যাকে সবাই জেসি বলে ডাকে,জেসি বললো,
" এতো কৌতুহল কেনো তোর? রিক্সা তোকে যেই খানে নিয়ে যাচ্ছে আমরাও তো সেখানেই যাচ্ছি। এমনভাব করছিস যেন জীবনেও কলেজ ফাঁকি দিসনি!"
আরশির বিরক্ত লাগলেও বলার কিছু নেই শুধু মনে মনে বললো,
" আল্লাহ জীবনে কি এমন পাপ করেছিলাম যে এদের মতো কিছু মাথার তার ছিড়া ফ্রেন্ড দিসো। নিজেরা তো বাঁশ খায় খায় সাথে সাথে আমাকেও খাওয়ায়।আমার উপর কি মায়া হয় না তোমার।"
ভাবনার মাঝেই আরশিকে হাল্কা ধাক্কা দেয় মাহি,
" কিরে কি ভাবছিস? "
আরশি করুন মুখ নিয়ে বললো,
" ভাবছি তোদের জন্য আমাকে এইবার কি ধরনের বাঁশ টাই না খেতে হবে।আরে বাপরে মরলে নিজেরা মর আমাকে কেন নিয়ে নেস তোদের সাথে। যেদিন আমার আব্বু শুনবে আমার আলতু ফালতু কাজের কথা,কলেজ ফাঁকি দেওয়ার কথা আব্বু আমাকে ঘর থেকে বের করে দিবে। তখন আমি কোথায় যামু! "
আরশি কথাটি বলেই মেকি কান্না শুরু করে দিলো।
জেসি এবার বিরক্ত চোখে আরশিকে দেখতে লাগলো আর নাক মুখ কুঁচকে বললো,
" যখন আমাদের সাথে ফ্রেন্ডশীপ করেছিলি, তখন তোর এই সব ভাবার দরকার ছিলো। তখন তো আমরা বলেই ছিলাম জীবনে সাফল্য অর্জন করতে হলে সবাই একসাথে করবো, বাঁশ খেলে ও সবাই একসাথেই খাবো।এই আরশি তুই বল এই পর্যন্ত তোর বাসায় একটা কমপ্লেইন ও গিয়েছে? আর ভয় পাওয়ার কিছুই নেই, আমরা জাস্ট ফান করবো আর ঘুরতেই তো যাচ্ছি। আমরা কোনোদিন কোনো খারাপ কাজ তো আর করিনি।"
মাহি তিরস্কার করে বললো,
" আর সাফল্য.... তোরা সাথে থাকলে সাফল্য আশেপাশে ও আসবে না।"
আরশি আর জেসি একসাথে বলে উঠলো,
" চুপ করররর।"
মাহি দাঁত বের করে হেসে ফেললো,
" হেই গাইস ইটস জাস্ট ফর ফান!"
তাদের কথা বলার মাঝেই রিক্সাওয়ালা মামা বলে উঠলেন,
" কোথায় যাবেন বললেন নাতো আপনেরা? কই থামাইতাম গাড়ি?"
জেসি বললো,
" এইতো মামা সামনেই,সোজা রাস্তায় যান।"
দুই মিনিট পরই জেসির