Organic Food

Organic Food Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Organic Food, Health Food Shop, R H Home Center, Green Road, Farmgate, Dhaka.

23/04/2026

জমি বা ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে যে সকল বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ -

#আপনি যদি ডেভলপারের নিকট হতে ফ্ল্যাট ক্রয় করতে চান সেক্ষেত্রে কিছু বিষয় নিয়ে আপনাকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে অন্যথায় আপনার সারা জীবনের কষ্টে অর্জিত বা তিল তিল করে জমানো টাকায় স্বপ্নের নিবাস অধরায় রয়ে যাবে।
এ কারনে ফ্ল্যাট ক্রয়ের পুর্বে আপনার উচিৎ হবে সম্পত্তির মালিকানা যাচাই এর জন্য এ বিষয়ে দক্ষ একজন আইনজীবীর মাধ্যমে প্রপার্টি ভেটিং করিয়ে নেওয়া তথাপিও আপনাকে ক্রেতা হিসাবে কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর নজর রাখতে হবেঃ
আইনী পরামর্শ ও সেবা কেন্দ্র
01830-168668

(i) #জমির মালিকানা সি.এস/এস.এ থেকে বর্তমান সিটি জরিপ পর্যন্ত নিষ্কন্টক আছে কি না আইনজীবীর মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করবেন। কাগজপ্ত্রে অথবা বাস্তব দখলে মালিকানায় কোন বিরোধ থাকলে না কেনায় শ্রেয় কারন অনেক সময় আপতত কোন সমস্যা না হলেও দেখবেন ভবন নির্মাণের পরে কোন এক সময় কোন পক্ষ এসে জমির মালিকানা দাবি করলে আপনার ফ্ল্যাটটিও ঝুকির মধ্যে পড়ে যাবে অথবা সমস্যা সমাধানে বাড়তি টাকা গুনতে হবে।

(ii) #ভুমি মালিকের সাথে ডেভলপারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিপত্র এবং পাওয়ার অফ এটর্নি দলিলে ক্রয়ের জন্য প্রস্তাবিত ফ্ল্যাট টি ডেভলপার প্রাপ্য অংশ কি না ভালো করে দেখে নিতে হবে,

(iii) #ভুমি মালিকের সাথে ডেভলপারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিপত্র এবং পাওয়ার অফ এটর্নি দলিলে প্রস্তাবিত ভবনটি ভুমি মালিক কয়তলা পর্যন্ত করার ক্ষমতা ডেভলপারকে দিয়েছে তা ভালো করে দেখে নিতে হবে কারন ধরুন আপনি ৭ম তলার একটি ফ্ল্যাট কিনবেন কিন্তু ভুমি মালিক ডেভলপার কে ৬ তলা পর্যন্ত করার ক্ষমতা দিয়েছে তাহলে আপনার ফ্ল্যাট কেনা বৈধ হবে না।

(iv) #ভুমি মালিকের পক্ষে ডেভলপার রাজউকের নিকট হতে কয়তলা পর্যন্ত করার ক্ষমতা পেয়েছে তা ভালো করে দেখে নিতে হবে কারন ধরুন আপনি ৭ম তলার একটি ফ্ল্যাট কিনবেন কিন্তু ভুমি মালিকের পক্ষে ডেভলপার রাজউকের নিকট হতে ৬ তলা পর্যন্ত করার ক্ষমতা পেয়েছে তাহলে আপনার ৭ম তলার ফ্ল্যাট কেনা অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ হবে কারন রাজউক যে কোন সময় অনুমোদনের বাইরের অংশ ভেঙ্গে ফেলার অধিকার রাখে ।
ধরে রাখেন, ফ্ল্যাট ক্ররের পুর্বে ডেভেলপার কোম্পানি আপনার সাথে একটি বায়না চুক্তি করিয়ে নিবে উক্ত চুক্তির খসড়ার প্রতিটি শর্ত ভালভাবে পড়ে বুঝে তার পরে সই করবেন এবং প্রয়োজনে চুক্তিপত্রটিও একজন আইনজীবীর মাধ্যমে ভেটিং করিয়ে নিবেন।

একটি বিষয় মাথায় রাখবেন, আপনি একবার চুক্তিতে স্বাক্ষর করে ফেললে পরবর্তীতে বলতে পারবেন না যে, আপনি বোঝেননি বা আপনাকে পড়তে দেয়া হয়নি। চুক্তিতে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেনঃ

১। #চুক্তিতে এ্যাপার্টমেন্ট কত দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে তা দেখে নিন।

২। #নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ্যাপার্টমেন্ট সম্পন্ন না করতে পারলে আপনাকে মাসিক হারে কি পরিমাণ ক্ষতিপূরণ বা ফ্ল্যাট ভাড়ার টাকা দিবে তা দেখে নিন।

৩। #কিস্তির টাকা বাদ পড়লে বা দেরী হলে চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে- এমন শর্ত থাকলে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন না; কিস্তির টাকা বাদ পড়লে বা দিতে দেরী হলে দন্ড সুদ আরোপিত হতে পারে কিন্তু চুক্তি বাতিল তথা ফ্ল্যাট পাবেন না- এমন শর্ত মেনে নিবেন না কারন আপনার ধরেই নেওয়া উচিৎ যে, কোন একটা কিস্তি বাদ পড়তেই পারে, টাকা সবসময় সবার হাতে থাকে না, এ ক্ষেত্রে ডেভ্লপারের পক্ষে চুক্তি বাতিল করা এটা মোক্ষম অস্ত্র হয়ে যাবে সে সুযোগ আপনি জেনে শুনে কেন দেবেন;

৪। #প্রথম কিস্তি অথবা বুকিং মানি দেয়ার সময় এলটমেন্ট লেটার বুঝে নিবেন এবং এলটমেন্ট লেটার-এ অবশ্যই আপনার নামে বরাদ্দকৃত ফ্ল্যাটের নাম এবং কার পার্কিং (যদি থাকে) সুনির্দিষ্টভাবে লিখা আছে কি না দেখে নিবেন;

৫। #ফ্ল্যাটের সাথে কার পার্কিংয়ের বিধান থাকলে চুক্তির তফসিলে অবশ্যই কার পার্কিংয়ের কথা যেন উল্লেখ থাকে তা দেখে নিবেন; না হলে আপনি প্রতারণার স্বীকার হতে পারেন। ক্রেতারা ভালভাবে না পড়ে চুক্তি দস্তখত করেন; কারপার্কিংয়ের জন্য টাকা দিলেন কিন্তু তফসিলে বা চুক্তিতে উল্লেখ না থাকলে আপনি দখল নেয়ার সময় ফ্লাটের সাথে পার্কিং পাবেন না; এছাড়া কারপার্কিং কোন পাশে দিবে পারলে লিখে নেবেন কারন পরবর্তীতে এটা নিয়েও গন্ডগল লেগে যায় ।

৬। #বুকিং মানি দেয়ার সময় এবং কিস্তির টাকা দেয়ার সময় ডেভেলপার কর্তৃক প্রদত্ত প্রতিটি টাকার রশিদ সংগ্রহ করুন এবং ফটোকপি করে এক সেট অন্যত্র রাখুন। কারণ পরবর্তীতে ডেভেলপার দখল, রেজিস্ট্রেশন ইত্যাদি নিয়ে তালবাহানা করলে এই কাগজগুলোই আপনার স্বপক্ষে সাক্ষ্য হিসেবে কাজ করবে;

৭। #চুক্তিপত্রের প্রতিটি ক্লজ ভালভাবে পড়ুন। মনে রাখবেন, ফ্ল্যাটটি নিয়ে আপনার সাথে চুক্তি করার সময় ব্যাংকে বা কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে উক্ত ফ্ল্যাট বা এ্যাপার্টমেন্ট বন্ধক রাখা থাকলে উক্ত চুক্তি সম্পাদন করবেন না;

৮। #ডেভেলপারের কাছ থেকে অঙ্গীকারপত্র নিয়ে নিন যে, সংশ্লিষ্ট পুরো এ্যাপার্টমেন্ট বা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটটি কোন ব্যাংক অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বন্ধক রাখা হয়নি অথবা চুক্তিতে একটি ক্লজ এ বিষয়ে সংযুক্ত করুন;

৯। #চুক্তিতে একটি ক্লজ সংযুক্ত করাবেন এই মর্মে যে, দখল হস্তান্তর বা এ্যাপার্টমেন্ট নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করতে দেরী হলে কিংবা অন্য যে কোন অযুহাতেই ডেভেলপার বরাদ্বপত্রে উল্লিখিত মূল্যের চেয়ে বেশী মূল্য দাবী করতে পারবে না;

১০। #চুক্তির তফসিল ভাল করে দেখে নিবেন। তফসিলে জমির পরিমাণ লেখা থাকবে।মোট জমির মধ্যে আপনি হারাহারিভাবে কত অযুতাংশের মালিক হচ্ছেন তা সঠিক ভাবে লেখা আছে কি না যাচাই করে নিন। ২য় তফসিলে ফ্ল্যাটের নাম ও বর্ণনা বরাদপত্র অনুযায়ী ঠিক আছে কি না; কার পার্কিং এর উল্লেখ আছে কি না দেখে নিন;

১১। #প্রায় প্রতিটি চুক্তিতেই দেখা যায় ডেভেলপার ও ক্রেতা পক্ষদ্বয়ের মাঝে বিরোধ দেখা দিলে বিষয়টি আরবিট্রেশনের মাধ্যমে মীমাংসা করবে। এ ধরনের ক্লজকে আইনের ভাষায় আমরা বলি আরবিট্রেশন ক্লজ। ডেভেলপারের সাথে আপনার সম্পাদিত চুক্তি একটি ভুক্তা চুক্তি; বাণিজ্যিক চুক্তি নয়। সুতরাং আপনি পারতপক্ষে আরবিট্রেশন ক্লজ থাকলে চুক্তিতে দস্তখত করবেন না। আপনি বুকিং মানি দেয়ার পূর্বেই অঙ্গীকার নিয়ে নিবেন যে, চুক্তিতে কোনভাবেই আরবিট্রেশন ক্লজ থাকতে পারবে না।চুক্তিতে শালিসের ক্লজ থাকলে পরবর্তীতে যখন ডেভেলপার আপনাকে দখল দিতে অস্বীকার করবে কিংবা রেজিস্ট্রেশন দিতে অস্বীকার করবে তখন আপনি বিপদে পড়ে যাবেন। কারণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আরবিট্রেশন সম্পূর্ণ না করে আপনি কোন আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন না। বাংলাদেশে আরবিট্রেশন ক্লজ তথা সালিশের বিধান ফ্ল্যাট ক্রেতার জন্য মরার উপর খাড়ার ঘা হিসেবে দেখা দিবে। সালিশ কার্যক্রম সম্পন্ন না করে নতুন চুক্তির অধীনেও কোন মামলা দায়ের করা যাবে না। তাছাড়া আরবিট্রেশনের খরচ আদালতের খরচের তুলনায় অনেক ক্ষেত্রে বেশী । পুরো আরবিট্রেশন প্রক্রিয়ায় ২-৩ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে যার অর্ধেক আপনাকে এবং অর্ধেক ডেভেলপারকে বহন করতে হবে। আরবিট্রেশন কার্যাবলী বলতে গেলে পুরোপুরি আদালতের মত এবং এখানে এ্যাডভোকেট নিয়োগ ছাড়া রোয়েদাদ পাওয়া অসম্ভব। আরবিট্রেশনের রায় তথা রোয়েদাদ ২৫,০০০ টাকার স্ট্যাম্পে প্রিন্ট করতে হবে এবং এছাড়াও আরবিট্রেটরের সাচিবিক খরচও বিরোধের উভয় পক্ষকে বহন করতে হবে যা প্রতিটি শুনানী অনুযায়ী নির্ধারিত হয়ে থাকে। এর পর আরবিট্রেশনের রোয়েদাদ চ্যালেঞ্জ করে এক পক্ষ জেলা জজের নিকট আপীল করতে পারবে এবং উক্ত আপিল কয়েক বছর ধরে চলমান থাকতে পারে। জেলা জজের রায়ের বিরুদ্ধেও সংক্ষুব্ধ পক্ষ হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন মামলা দায়ের করতে পারবে এবং সাধারণত বড় অংকের টাকা খরচ করে সিনিয়র এবং নামকরা এ্যাডভাোকেট নিয়োগ করতে না পারলে দশ বছরেও রিভিশন মামলার শুনানী হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এখানেই শেষ নয়, হাইকোর্ট রিভিশন মামলায় রায় দিলে সংক্ষুব্ধ পক্ষ উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপীল বিভাগে আপীল দায়ের করতে পারবে এবং আপীল বিভাগে আপীল দায়েরের ক্ষেত্রে নানাভাবে বড় অংকের টাকা ব্যয় করতে হয়। আপীল গৃহীত হলেও শুনানী ও রায় পেতে আরও দশ বছর লেগে যেতে পারে। পেপার বুক তৈরি, লিভ পিটিশন গ্রহণ করানো; অতঃপর আপীল শুনানীর জন্য প্রস্তুত করা এবং অতঃপর শুনানী সম্পন্ন করা ইত্যাদি প্রক্রিয়ায় কয়েক লক্ষ টাকা খরচ হয়ে যাবে।

সুতরাং ভেবে দেখুন আরবিট্রেশন ক্লজ যদি চুক্তিতে রাখা হয়, তাহলে এই সালিশপ্রক্রিয়া শেষ হতেই লেগে যাবে প্রায় ২০/৩০ বছর। চুক্তিতে সালিশ ক্লজ থাকলে আপনি হাইকোর্ট বিভাগেও কোন রীট মামলা দায়ের করতে পারবেন না। প্রাথমিকভাবে রীট গৃহীত হলেও মূল শুনানীতে রীট খারিজ হয়ে যায় এবং আপনাকে আবার আরবিট্রেশন প্রক্রিয়ায় ফিরে আসতে হবে।
লেখকের বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে ক্লায়েন্ট কে আরবিট্রেশন খরচের কথা খুলে বলায় অনেকে মামলা না করিয়ে চলে যায় অনেকের আবার খরচের অক্ষমতা শেয়ার করে এবং বলে এমনিতে নিঃশ্ব হয়ে গেছি আর মামলা করতে পারব না ফলে ডেভেলপার অবমুক্তি পেয়ে যায় তাই ফ্ল্যাট ক্রয়ের আগে ভেবে চিনতে চুক্তি করবেন।

#ভূমি #খতিয়ান #দলিল #বিডিএস #জরিমানার #বেদখল #সম্পত্তি #জমি #দাগ #আইনি #সেটেলমেন্ট #সাব #ফৌজদারি #ভূমি #ইউনিয়ন #দলিল #ডিজিটাল

01/05/2025

♦♦আমাদের প্রদত্ত সেবা সমূহ:-

আগাম জামিনের প্রয়োজন হলে বা মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্টের আপীল বিভাগের সকল মামলা সহ যেকোন প্রকার মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে যোগাযোগ করুন:-
Advocate Md. Mozammel Hoque (অ্যাডভোকেট মো: মোজাম্মেল হক) 01830-168668 (Whatsapp) আইনী পরামর্শ ও সেবা কেন্দ্র

১: ফৌজদারী মামলা (সকল ধরনের),

২:দেওয়ানী মামলা(জমি-জমা সংক্রান্ত মামলা)

৩:Land vetting

৪:Flat Vetting
আইনগত মতামত

৫:: পারিবারিক মোকদ্দমা।

৬: সকল ধরনের এফিডেভিড।

৭: কোম্পানি রেজিষ্ট্রেশন সহ সকল বিষয়াদি।

৮: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা।

৯. ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত সকল সমস্যা সমাধান করা হয়

১০. ইনকাম ট্যাক্স, ভ্যাট, কোম্পানী ম্যাটার

১১: ব্যাংকিং খাতে সকল সমস্যা ।।

১২: শ্রম আদালতের মোকদ্দমা

১৩: বিবাহের তালাক সংক্রান্ত সকল জটিলতা সমাধান।

১৪: স্পেশাল ম্যারেজের আওতায় বিবাহ সহ সকল প্রকার সমস্যা সমাধান করা হয় ৷

১৫: জমা জমি সংক্রান্তে সকল বিষয়াদি এ কোন জটিলতার সম্মুখীন হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমাদের চেষ্টা থাকবে সঠিক পরামর্শ ও সেবা প্রদান করা।
১৬: লিগ্যাল নোটিশ
সহ আইনী যে কোনা সেবা।
আইনী পরামর্শ ও সেবা পেতে ফরমটি পূরণ করুন।
https://forms.gle/Khm7HchWtrHKW9P39

01/03/2025

বিস্তারিত কমেন্টে--

22/01/2025

ফ্ল্যাট কেনার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন, যাতে আপনি ভবিষ্যতে কোনো ঝামেলায় না পড়েন। নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নজরে রাখা খুবই জরুরি:
◼️ ১. আইনি বৈধতা ও কাগজপত্র
- ফ্ল্যাটের মালিকানার কাগজপত্র: ফ্ল্যাটের ডেভেলপারের কাছে প্রয়োজনীয় জমির দলিল, প্রকল্পের অনুমোদনপত্র, এবং অন্যান্য কাগজপত্র চেক করা অত্যন্ত জরুরি।
- খতিয়ান ও পর্চা: জমির বৈধতা নিশ্চিত করতে জমির খতিয়ান ও পর্চা যাচাই করতে হবে। এটি ভূমির প্রকৃত মালিকের প্রমাণ দেয়।
- সিটি কর্পোরেশন বা RAJUK অনুমোদন: ফ্ল্যাটের নকশা এবং নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন থাকা আবশ্যক।
- BNBC (বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড): ফ্ল্যাটের নির্মাণ BNBC-এর নিয়ম মেনে হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। এটি ফ্ল্যাটের স্থায়িত্ব এবং নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
◼️ ২. প্রকল্পের অবস্থান ও পরিবেশ
- অবস্থান: ফ্ল্যাটের লোকেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিকটবর্তী স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, মার্কেট, এবং অফিস থেকে দূরত্ব লক্ষ্য করুন। এছাড়াও পরিবহন সুবিধা, রাস্তা, এবং নিকটবর্তী যানজটের অবস্থা বিবেচনা করুন।
- ভবিষ্যৎ উন্নয়ন: এলাকার উন্নয়ন সম্ভাবনা আছে কিনা তা বিবেচনায় রাখুন, যেমন রেলওয়ে, মেট্রোরেল, বা অন্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প।
◼️ ৩. বিল্ডিংয়ের মান ও নির্মাণের গুণগত মান**
- নির্মাণ সামগ্রী: ফ্ল্যাট নির্মাণে ব্যবহার করা সামগ্রী (সিমেন্ট, ইট, রড ইত্যাদি) ভালো মানের কিনা তা নিশ্চিত করুন। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহৃত হলে ভবিষ্যতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- প্লাম্বিং এবং বৈদ্যুতিক কাজ: ভবনের ভিতরে যে প্লাম্বিং এবং ইলেকট্রিক্যাল কাজ করা হয়েছে, তা ভালোভাবে চেক করুন। পানির প্রবাহ, ইলেকট্রিক্যাল ওয়্যারিং, এবং ফিটিং সঠিক মানের কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।
◼️ ৪. জমির মালিকানার স্ট্যাটাস ও প্রকল্পের আইনি অবস্থান
- জমির মালিকানার স্ট্যাটাস: জমির উপরে কোনো আইনি সমস্যা (মামলা, বিরোধ) আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। প্রয়োজনে আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে জমির মালিকানার খোঁজ নিতে পারেন।
- ডেভেলপারের রেপুটেশন: ডেভেলপারের পূর্ববর্তী প্রকল্প এবং তাদের রেপুটেশন যাচাই করুন। ডেভেলপার নির্দিষ্ট সময়ে ফ্ল্যাট ডেলিভারি দিতে সক্ষম হয়েছে কিনা তা দেখুন।
◼️ ৫. ফ্ল্যাটের ডিজাইন ও ফ্যাসিলিটিজ
- ইন্টেরিয়র ডিজাইন: ফ্ল্যাটের ডিজাইন, ঘরের আকার, প্রয়োজনীয় বাথরুম এবং বেডরুমের সংখ্যা, এবং অন্যান্য ফ্যাসিলিটিজ চেক করুন।
- উত্তরণ ও আলো-বাতাসের ব্যবস্থা: ফ্ল্যাটে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশ করছে কিনা, এবং প্রতিদিনের রোদ-বাতাসের প্রবাহ কেমন, তা যাচাই করুন।
- সার্ভিস সুবিধা: লিফট, জেনারেটর, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পার্কিং, এবং কমন স্পেসের অবস্থা যাচাই করতে হবে। পার্কিংয়ের জন্য আলাদা ফি বা জায়গার ব্যবস্থা আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
◼️ ৬. ফ্ল্যাটের মূল্যের সাথে তুলনা
- মূল্য নির্ধারণ: ফ্ল্যাটের দাম বাজারের সঙ্গে তুলনা করে দেখুন। একই এলাকায় অন্যান্য ফ্ল্যাটের মূল্য কত, তা জেনে নেওয়া ভালো।
- EMI বা লোন সুবিধা: ব্যাংক লোনের মাধ্যমে ফ্ল্যাট কিনতে চাইলে সেই অপশনগুলি সম্পর্কে জানতে হবে। কোন ব্যাংক কত শতাংশ ইন্টারেস্টে লোন দিচ্ছে তা যাচাই করা প্রয়োজন।
◼️ ৭. রক্ষণাবেক্ষণ খরচ
- মাসিক বা বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ: ডেভেলপার বা অ্যাসোসিয়েশন রক্ষণাবেক্ষণ খরচ নেয় কিনা এবং তা কী কী সার্ভিসের জন্য, তা আগে থেকেই জেনে নিতে হবে।
◼️ ৮. প্রকল্পের ডেলিভারি সময়
- নির্ধারিত সময়: ফ্ল্যাট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে কিনা তা নিয়ে ডেভেলপারের কাছ থেকে নিশ্চিত হতে হবে। সময়মতো ডেলিভারি না পেলে কীভাবে সমাধান হবে, সেই শর্তগুলো চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
◼️ ৯. অ্যামেনিটিস
- কমন ফ্যাসিলিটিজ: ভবনের কমন ফ্যাসিলিটিজ যেমন কমিউনিটি হল, গার্ডেন, সুইমিং পুল ইত্যাদি আছে কিনা তা জেনে নিন। এই সুবিধাগুলোর জন্য অতিরিক্ত ফি লাগবে কিনা তাও জানুন।
◼️ ১০. রেজিস্ট্রেশন ও নামজারি খরচ
- ফ্ল্যাট কেনার সময় স্ট্যাম্প ডিউটি, রেজিস্ট্রেশন ফি, ভ্যাট, এবং নামজারি খরচ কত হবে তা আগেই হিসাব করে নিন।
এসব বিষয়গুলো ভালোভাবে যাচাই করলে, ফ্ল্যাট
কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক সহজ ও নিরাপদ হবে।
আইনগত বিষয়ে পরামর্শের বা সার্বিক সহযোগীতার জন্য
01830-168668
আইনী পরামর্শ ও সেবা কেন্দ্র
#ভূমি #ফ্ল্যাট #আইন #জমি

29/05/2024
29/05/2024

Mozammel Hoque
Advocate
01830-168668

নিজের মোবাইল দিয়ে পুরাতন দলিল বের করুন নিচের নিয়মগুলো অনুসরণ করে খুব সহজে ঃ

সারা বাংলাদেশের যে কোনো সালের যে কোনো দলিল খুঁজে বের করার বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো 'পুরাতন দলিল তল্লাশি'-র আগে আমাদের জানা দরকার যে,এই পুরাতন দলিল কা'দের কা'দের প্রয়োজন? অনেকেই আছেন যে, তা'রা এই পুরাতন দলিল খুজে পাচ্ছে না। যার জন্য অনেক কাজ কর্ম সমাধান করতে পারছে না। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় যে, যারা এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় চলে গেছে। তাদের সম্পত্তি গুলো তাদের দখলে নেই। বা তাদের কাছে কোনো প্রমাণ বা দলিল নেই। অথবা এই জমি গুলো খুজে বের করতে পারছেন না। তাদের জন্য এই ছোট বিজ্ঞাপন টি গুরুত্বপূর্ণ।

জমি জমার বিষয় টি এমন ও হতে পারে। যাদের মামার বাড়ির বা নানার বাড়ির সম্পত্তির ওয়ারিশ হিসেবে প্রাপ্ত জমি বুঝাইয়া না দিলে বা কোনো কাগজপত্র না দিলে আপনি কখনো জমি বের করতে পারবেন না। আর বিক্রি ও করতে পারবেন না। আর যদি আপনি জমির দলিল খুজে বের করতে পারেন, তাহলে আপনি ওয়ারিশান সার্টিফিকেট দিয়ে ও জমি বিক্রি করতে পারবেন।

তবে বন্টননামা যে ১০০% কার্যকর হইছে তা কিন্তু নয়। বন্টননামা ছাড়াও আপনার দলিল থাকলেই ওয়ারিশান সার্টিফিকেট দিয়ে ও জমি বিক্রি করতে পারবেন। মেইন দলিলের যে ক্ষমতা, ঠিক অবিকল নকল বা সার্টিফাইড কপি দলিলে ও ঠিক একই ক্ষমতা। আপনার আসল দলিল যদি না থাকে তাহলে অবিকল নকল বা সার্টিফাইড কপি দলিল তুলে কাজ করতে পারবেন।

যদি কোনো কারনে যদি মনে হয় যে,আপনার ওয়ারিশানদের কোনো জায়গায় কোনো সম্পত্তি আছে। কিন্তু দলিলে অভাবে আপনি দখল করতে বা মামলা মোকদ্দমা করতে পারছেন না। বা মামলা মোকদ্দমায় না দিয়ে ও সমস্যা সমাধান করতে পারেন। সেটা শালিশী বৈঠকে বা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমেই হোক। অথবা কম দামে অন্য কারো কাছে বিক্রি করে। তবে সর্বপ্রথম দলিল খুজে বের করতে হবে।

পুরাতন দলিল কিভাবে খুঁজে বের করবে??

প্রথম যে বিষয়টি হলো, আপনার সামান্য কোনো প্রমাণ আছে। এটার একটি পদ্ধতি। আর কোনো প্রমাণ ই যদি না থাকে। সেটার আর একটি পদ্ধতি।
আপনার কাছে সামান্য প্রমান আছে, আর সেটা হলো, আপনি দাতা বা গ্রহীতার নাম জানেন। মানে কে কাকে জমি দিয়েছে। আপনার বাবাকে আপনার দাদা হেবা দলিল করে দিয়েছিলো বা আপনার মা কে আপনার নানা হেবা দলিল করে দিয়ে ছিলো। দাতা, গ্রহীতার নাম জানেন এবং আনুমানিক সাল জানেন। সেই অনুযায়ী আপনার পরিশ্রম টা কমে আসবে। তখন আপনি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যাবেন। সাব রেজিস্ট্রি অফিসে পাওয়া না গেলে জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে যাবেন। এবং যারা দলিল তল্লাশি কারক যারা আছেন। তাদের কাছে যাবেন এবং বলবেন যে,দাতার নাম,গ্রহীতার নাম এবং আনুমানিক সাল, এবং মৌজার নাম বললে খজে দেখিবেন। তাছাড়া ও আপনার যদি দলিল নাম্বার থাকে তাহলে খুব সহজেই পেয়ে যাবেন।

আর সবচেয়ে কঠিন পদ্ধতি যেটা, যে আমি কিছুই জানি না। তাহলে আমি কি করে বের করি। তাহলে আপনি মৌজা টা অবশ্যই চিনেন বা কোনো মৌজায় জমি আছে। অথবা কোনো ভাবে জানেন যে কোথায় জমি পাবেন। কোথায় কোথায় জমি পাবেন তা না জানলেও আপনার পূর্বের দাতার জমি গুলো কোথায় কোথায় আছে যেটা অবশ্যই জানেন। বা জমি না চিনলে ঐ এলাকার স্থানীয় দের নিকট থেকে জেনে নিবেন। এবং ঐ জমিতে যাবেন। এবং পাশের জমির মালিক কে বলবেন যে, এই জমির দাগ নাম্বার কত অথবা ঐ এলাকার একজন স্থানীয় সার্ভেয়ার বা আমিন কে নিয়ে যাবে। এবং বলবেন যে এই জমির দাগ নাম্বার কত। আর এই দাগ নাম্বার টি নিয়ে আপনি আপনার ইউনিয়ন তৌসিল অফিসে যাবেন বা শহর হলে পৌর ভূমি অফিস বা সার্কেল অফিস থাকেন সেখানে যাবেন। নিকটস্থ যেখানে সেখানে যাবেন।

এবং জানার জন্য বলবেন যে, এই দাগ নাম্বারে জমি আমার বাবার নামে বা মায়ের নামে হেবা দলিল হয়েছিলো কি না। বা আমার বাবার নামে খারিজ আছে কি না বা আমার মায়ের নামে খারিজ আছে কি না। অথবা এই জমি টা কার কাছে আসলো কিভাবে আসলো বা কে কিভাবে মালিক হলো এটার ও একটা প্রমান থাকে ভূমি অফিসে। রেজিস্ট্রি অফিসে খারিজ হলে দলিল নাম্বার লেখা থাকে। হেবা দলিল হলে ও খারিজে দলিল নাম্বার লিখা হয়ে থাকে। এছাড়াও আরও বিভিন্ন ভাবে দলিল নাম্বার সহ জমির প্রমাণ ভূমি তৌসিল অফিসে সংরক্ষিত থাকে।

একটি দলিল খুজে বের করতে অনেকটা সময় লেগে যাবে। এরপর ও চেষ্টা করে দলিল নাম্বার টা বের করবেন। যদি দলিল নাম্বার পেয়ে যান,তাহলে তো খুব সহজেই পেয়ে যাবেন। দলিল নাম্বার না পাইলে,জমির দাগ নাম্বার এবং মৌজা এবং আনুমানিক সাল অনুযায়ী সাব রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশি করে দেখতে পারেন। তবে তল্লাশি করতে আপনাকে খরচ করতে হবে। যত বেশি সাল অনুযায়ী দেখবেন তত বেশি খরচ হবে। আপনার আনুমানিক সাল অনুযায়ী তল্লাশি দিবেন তাহলে পেয়ে যাবেন, যদি রেকর্ড থাকে। এরপর যদি দেখা যায় যে, দলিল নেই বা দলিলে নেই। আপনি রেকর্ড মূলে মালিক।

তাহলে আপনাকে রেকর্ড তুলতে হবে। আপনার বাবা বা দাদার পূর্ব পুরুষের জমি যদি বেচা কেনা না হয়। ওয়ারিশ মূলে মালিক হয়ে থাকে তাহলে দলিল থাকবে না। তাহলে রেকর্ড মুলে মালিক হবেন। তখন সিএস খতিয়ান, আরএস খতিয়ান, এসএ খতিয়ান থাকবে। তখন দাগ নাম্বার দিয়েই রেকর্ড রের করতে পারবেন। খতিয়ান রের করাও খুব সহজ, আপনি চাইলে অনলাইন থেকে আবেদন করে সার্টিফাইড কপি নিতে পারেন।।
#দান #এসি_ল্যান্ড_এর_করণীয়_কি #মিস_কেসের_পর_করণীয়_কি #জমি #ওয়রিশ #অংশ #বন্টন #খারিজ

Address

R H Home Center, Green Road, Farmgate
Dhaka
1203

Telephone

+8801681373744

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Organic Food posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share