توتول أحمد رابين

توتول أحمد رابين পিল্জ সাপোর্ট করেন
(3)

03/10/2025
01/08/2025

লুল্লুর কান্ড
funnymemes

ঘটনাটি ২০০৮ সালের কথা। বরিশালের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে, কুলসিন্দুর। সেই গ্রামে সুমাইয়া নামের এক ষোড়শী মেয়ের বাস। গ্রাম...
19/06/2025

ঘটনাটি ২০০৮ সালের কথা। বরিশালের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে, কুলসিন্দুর। সেই গ্রামে সুমাইয়া নামের এক ষোড়শী মেয়ের বাস। গ্রামের একেবারে প্রান্তে তাদের পুরনো টিনের ছাউনি দেয়া ছোট একতলা বাড়ি। মা, বাবা, আর ছোট এক ভাই নিয়ে তাদের সংসার। সুমাইয়া তখন দশম শ্রেণিতে পড়ে, শান্ত স্বভাবের, কিন্তু খুব কৌতূহলী।

ঘটনাটি শুরু হয় এক বর্ষার রাতে। মেঘে আকাশ কালো হয়ে আছে। বিদ্যুৎ চলে গেছে, মোমবাতির আলোয় সুমাইয়া তখন পড়ছিল। মা রান্নাঘরে, আর ভাই ঘরের এক কোণে ঘুমিয়ে। এমন সময় সে জানালার ফাঁক দিয়ে দেখে, একটা অচেনা মেয়েলি অবয়ব রাস্তার ধারে একটা গাছের নিচে দাঁড়িয়ে আছে। তার পরনে সাদা শাড়ি, মাথার চুলগুলো হাঁটুর নিচে পর্যন্ত ঝুলে আছে। মুখ দেখা যাচ্ছে না, শুধু স্থির দাঁড়িয়ে থাকা। কেউ হয়তো খেয়ালই করত না, যদি না ঠিক তখন সেই নারী হঠাৎ ঘাড় ঘুরিয়ে সুমাইয়ার দিকে মুখ ফেরাতো।
চোখাচোখি হতেই মেয়েটি অদৃশ্য হয়ে যায়।

সুমাইয়া ভয়ে জানালা বন্ধ করে দেয়। কিন্তু মনে মনে ভাবে, হয়তো চোখের ভুল। রাতে ঘুমাতে যায়। হঠাৎ ঘুমের মধ্যে সে অনুভব করে তার শরীর একদম চলাচলের বাইরে। চিৎ হয়ে পড়ে আছে, কিন্তু নড়াচড়া করতে পারছে না। সে দেখতে পায়, টিনের চালের কোণ থেকে ঝুলে ঝুলে একটানা নিচে নামছে সেই একই নারী অবয়ব। এবার মুখ পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। চামড়া পচা, চোখের জায়গায় ফাঁকা গর্ত, আর জিভ টেনে নামিয়ে রেখেছে ঘাড় অবধি। মুখের কোণ থেকে অদ্ভুত এক গন্ধ আসছে।

সে চিৎকার করতে চায়, পারে না। বুকের ওপর ভীষণ ভার অনুভব করে, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। ঠিক সেই মুহূর্তে তার ছোট ভাই পাশ ফিরে ঘুমের ঘোরে হাত বাড়ায়, আর সাথে সাথেই সুমাইয়া শরীর ঠিক হউ। ভয়ে সে চিৎকার দেয়, ঘেমে উঠেছে, মনে হয় দম বন্ধ হয়ে আসছে। মা এসে জিজ্ঞেস করেন, কী হয়েছে। সুমাইয়া বলে কিছু না, শুধু বলে খারাপ স্বপ্ন দেখেছে।

পরের রাতেও একই ঘটনা ঘটে। এবার সে স্বপ্নে দেখে, সে একটা পুরনো ঘরের মধ্যে বন্দি। ঘরের দেয়ালে একেকটা ছায়া সরে বেড়াচ্ছে, আর মাঝখানে সেই নারী আবার দাঁড়িয়ে আছে। এবার সে বলে,
“তুই আমাকে চেয়েছিলি, না? আমি তো এলাম... এখন পালেতে চাস কেন”

পরদিন সকালে তার শরীরে আঘাতের দাগ পাওয়া যায়, যেন কেউ আঁচড়ে দিয়েছে। দাগগুলো ঠিক স্বপ্নে যেখানে সে ধরা পড়েছিল সেখানেই।

এই ঘটনার কথা সে তার বান্ধবী কিরণকে জানায়। কিরণ বলে, তাদের গ্রামের এক বৃদ্ধা আছেন, পারুল দাদি, যিনি নাকি একসময় “ভূত প্রেত” নিয়ে কাজ করতেন। মানে, অপদেবতা তাড়ানোর শক্তি ছিল তার।

তাদের দেখা হয় পারুল দাদির সঙ্গে। পারুল দাদি সুমাইয়ার হাত ধরে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকেন। তারপর চোখ মেলে বলেন,
“তুই ওকে নিজে ডেকেছিলি, এখন ওকে ফেরানো সহজ না।

চলবে?

বাকী অংশ কমেন্ট এ

গল্প: কালো পরী
লেখক: ভূতের গল্প লেখক সান

দ্রষ্টব্য: গল্পের লেখায় ছোটখাটো ভুল থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। যদি সম্ভব হয়, মেসেজের মাধ্যমে জানাবেন। সবশেষে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না, আজকের গল্পটি আপনার কেমন লেগেছে।

Note: This AI-generated image portrays a fictional scenario designed for creative and storytelling purposes. It may include elements that could be unsettling to some viewers. Please exercise discretion when viewing. The content aims to delve into themes of suspense and mystery and does not endorse or encourage any form of violence.

#ভূতেরগল্প #ভৌতিক

09/06/2025

ক*বর খুঁড়িয়ে মৃ*ত নারীকে ধ*র্ষণ করে নারীর বেস্ট কেটে ও শরীরের চামড়া তুলে নিয়ে গিয়েছে এক ধ*র্ষনকারী।
কিন্তু এলাকার মানুষের উক্তি এটা কোনো মানুষের কাজ নয়, কোন এক অশরীর আ(ত্মার কাজ হবে।
পত্রিকার প্রথম শিরোনামেই এমন নিউজ প্রথমেই চোখে পড়লো "জুরার"।

শিরোনামটি দেখেই 'জুরার' শরীর কেঁ*পে উঠলো!
আগ্রহ বাড়লো পুরোপুরি ঘটনাটি জানার জন্য।

ঘটনাটি ঘটেছিলো শহর থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে আকিলাপুর গ্রামে।

ঘটনার তদন্তের জন্য এলাকার মানুষের কাছে তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিলো, কেউ কিছু বলতে রাজি হচ্ছে না।

এমন ঘটনা প্রায়ই ঐ এলাকায় ঘটতেছে।

পূর্বে যেই এই ঘটনার সম্পর্কে কিছু বলতে চেয়েছে,
তার একটা না একটা ক্ষয়ক্ষ*তি হয়েছেই।
পুরো এলাকা ভয়ে একাকার।

জুরার কৌতূহল টা বেড়ে গেলো।
কেনো এই ঘটনাটি সম্পর্কে কেউ কিছু বলতে নারাজ।
একজন অপরাধীর ভয়ে কেউ কিছু বলবে না এটা তো মেনে নেওয়া যায় না।
নিশ্চয়ই এর পিছনে কোনো রহস্য রয়েছে।

জুরা সিদ্ধান্ত নিলো,শহরের বাহিরে সেই আকিলাপুরা গ্রামে যাবে। এর রহস্য জানার চেষ্টা করবে। জুরা বিভিন্ন আত্মা ও রহস্য জনক ঘটনার উৎঘটন করে থাকে। যেখানে কোনো রহস্য জনক ঘটনা ঘটে সেখানে জুরা গিয়ে হাজির এর রহস্য জানার জন্য। ছোট থেকেই জুরার এর প্রতি একটি নেশা হয়ে দাড়িয়েছে বর্তমানে।

পরদিন বাসায় জুরা তার আম্মুকে বললো, বন্ধুর বাসায় বেড়াতে যাবে, আসতে কিছুদিন সময় লাগবে।

জুরা আকিলাপুর এসে একটি হোটেল উঠলো।
ততটা উন্নত নয় হোটেল টি। চেনা জানা নেই কিছুই।কারো সাথেই পত্রিকায় দেখা সেই ধর্ষণের সম্পর্কে আলোচনা করতে পারছে না। যদি কেউ কিছু প্রশ্ন করে তাহলে জুরা কি উত্তর দিবে।

রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লো।

সকালে উঠেই শুনতে পেলো আরেকটি নতুন নারীর লাশ কবর থেকে উঠিয়ে নির্যাতন করে, নারীর বেস্ট গুলো বুক থেকে দুই খন্ড করে ধর্ষক নিয়ে গিয়েছে।

অসচেতন অবস্থায় পরে রয়েছে মৃত মেয়েটির দেহ।
মেয়েটির বাবা লাশের কাছে কান্না করতে করতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন। আদরের মেয়েটি গতকাল হঠাৎ মারা যায়, সাজিয়ে গুছিয়ে মেয়েটিকে মাটি দিয়েছিলো মেয়েটির আত্মীয়স্বজনরা। আজ মেয়েটির লাশের এই অবস্থা! মৃত্যুর শোক কাটাতে না কাটাতেই মৃত লাশের সাথে এমন জঘন্য অত্যাচার! কোন বাবাই বা ঠিক থাকার কথা!

এলাকার মানুষের মনে দিন দিন আতঙ্ক বেড়েই চলছে।

জুরা ঘটনাস্থলে গিয়ে,
লাশটির মর্মান্তিক অবস্থা দেখে ভয় পেয়ে গেলো।
পুরো শরীরে অসংখ্য নোখের আচর, গলাতে ভয়ানক ভাবে বিশাল আকৃতির কামরের দাঁত বসানো দাগ। যা কোনো মানুষের কামর হতে পারে না, নিশ্চয়ই কোনো জন্তুর কাজ হতে পারে।

পূর্বের ন্যায় এই ঘটনাটিও পুনরায় গ্রামে হৈচৈ শুরু হয়ে গিয়েছে। গ্রাম থেকে শুরু করে শহরের প্রতিটি অলিতে-গলিতে ছড়িয়ে পরেছে আকিলাপুরে ঘটে যাওয়া একের পর এক ভয়াবহতা, যা এক আতঙ্কিত ঘটনা।

কেউ জানে না এই কাজটি কে করে বা কারা এর সাথে জড়িত। কেউ জানলেও কিছু বলতে নারাজ। পুরো গ্রামই হৈচৈ ও ভয়ে আতঙ্কিত। কখন কার পরিবারের সাথে ঘটে যায় এই ঘটনা। কেউ পতিবাদও করতে রাজি নয়।

গ্রামের মানুষকে বলতে শুনা গিয়েছে একবার এক 'পুরোহিত' এই ঘটনার রহস্য উৎঘটন করতে রাতে এক মৃত নারীর কবরের পাহারা দেওয়ার জন্য চেষ্টা করেছিলো, সকালে তাকে আর জীবিত ফিরে পাওয়া যায় নি। পুরোহিতের লাশটি তিন টুকরোর মধ্যে এক টুকরো কবরস্থানে পাওয়া গিয়েছিলো, বাকি দুই টুকরো আজও খুজে পাওয়া যায় নি। সেই ভয়ে কেউ এর রহস্য উৎঘটন করার জন্য পা বাড়ায় নি।

ইদানীং আকিলাপুর গ্রামে ২০ থেকে ৩০ বছরের মেয়েরাই মারা যাচ্ছে বেশি, যে নারীরাই মারা যাচ্ছে, তাদের মৃত লাশের সাথেই এমন করা হচ্ছে। লোকজনের কাছে শুনা যাচ্ছে এই ঘটনার সাথে সাথে পুরো এলাকার সকল নারীরা বর্তমানে এক অভিশাপে আগমন করছে, সব ধ্বংস হবে সব।

দুই জন পুলিশ এসে মৃত লাঞ্ছিত মহিলার লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাচ্ছে। যাওয়ার সময় পুলিশদের মধ্য থেকে একজন বলতে লাগলো,
একই ঘটনা আর কত দেখবো, পৃথিবীতে এত নিষ্ঠুর প্রাণী রয়েছে একজন মৃত নারীও নির্যাতন থেকে মুক্তি পাচ্ছে না। এরা কেউ এই জন্তুটার খোঁজ দিতে পারছে না। আর কত জানি এমন পরিস্থিতি দেখতে হয়,
কে বা জানে!

জুরা হোটেলে এসে ভাবতে লাগলো, এটা কোনো ধর্ষণ কারীর তো কাজ হতে পারে না। একজন ধর্ষক যত বড়ই ধর্ষকই হোক না কেনো মৃত ব্যক্তির প্রতি তার কামণা কখনই জাগবে না। কেননা তার তৃপ্তি তো জীবিতদের উপর।

কোনো নেশা খোরের পক্ষেও এটা সম্ভব নয়, সে নেশার তাড়নায় যতই মিশে থাকুক না কেনো- মাঝ রাতে কবর খুড়িয়ে কাউকে ধর্ষণ ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেটে নিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব নয়।

তাহলে কে হতে পারে! মৃত নিষ্পাপ নারীদেরকে ধর্ষেণের পর শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গুলো কেটে নিয়ে যেতে পারে।

আচ্ছা মৃত মহিলাটির শরীরে তো অসংখ্য নোখের দাগ ছিলো, গলায় বিশাল আকৃতির মুখের কামরের দাগ ছিলো। যাওয়ার সময় পুলিশ গুলো বলে গেলে কোনো জন্তুর কথা, তাহলে কি এই কাজটি মানুষ নয় কোনো জন্তু বা আত্মা করেছে! কিন্তু এলাকার কেউ তো ভয়ে কিছু বলছে না। বললে তো কোনো না কোনো সূত্র বের করা যেতো। কিন্তু পুরোহিতের মৃত্যুর ঘটনাটি বিশাল কোনো রহস্যের ঘ্রাণ বুঝা যাচ্ছে।

হোটেলের ম্যানেজারকে জুরা গিয়ে জিজ্ঞেস করলো - আচ্ছা আপনাদের এইখানে এই যে একের পর এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে এর সাথে কারা জড়িত রয়েছে বা কারা এই সব করে আপনি কি কোনো তথ্য দিতে পারবেন?

-ম্যানেজার কিছুই বলতে রাজি নয়।

ম্যানেজার কথাটাকে না শুনার ভান করে বললো স্যার
আপনি দ্বিতীয় বার এটা কারো কাছে জানার চেষ্টা করিয়েন না, আপনার পূর্বেও দুইজন ছেলে এসেছিলো এর রহস্য জানার জন্য, দু'জনের একজন পাগল হয়ে গিয়েছিলো, আরেকজন কে খুঁজে পাওয়া যায় নি।
দয়া করে আপনিও তাদের পথে পা বাড়াবেন না।

স্যার আমরা কি আপনাকে আমরা আমাদের হোটেল থেকে আর কোনো স্পেশিয়াল ভাবে সেবা দিতে পারি?

জুরা ম্যানেজারের কথা শুনে আরো চিন্তিত হয়ে পড়লো, কিছুটা ভয় সঞ্চার হতে থাকলো। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি ভয় পেয়ে হেরে যাওয়ার মানুষ তো জুরা নয়। জুরা এর রহস্য না জানা পর্যন্ত এইখান থেকে কোথায়ও এক পা যাবে না।

জুরা রাতে গ্রামের অলিতে-গলিতে হাঁটা শুরু করলো।
হাঁটতে হাঁটতে জুরা রাতের আঁধারে সে কবরস্থানের কাছে গিয়ে পৌছুলো।...চলবে...
গল্পঃ এডজ্বিন
লেখাঃ জুরা চৌধুরি
পর্ব- 1
কেমন হলো মতামত জানাবেন আর লাইক, কমেন্টস শেয়ার করতে ভুলবেন না কিন্তু যারা প্রতিদিন এমন অসাধারণ সব গল্প পড়তে চান,,তারা পেজটা ফলো করে রাখতে পারেন। আমি কথা দিলাম পেজের গল্পগুলা আপনাদের মন ছুঁয়ে যাবে।🥰

04/05/2025

একটি ছোট শহরে, যেখানে সবুজ গাছপালা এবং ফুলের গন্ধে ভরা পরিবেশ ছিল, সেখানে একটি সুন্দর প্রেমের গল্প শুরু হয়। শহরের এক কোণে ছিল একটি পুরানো গ্রন্থাগার, যেখানে প্রতিদিন অনেক শিক্ষার্থী পড়তে আসত। গ্রন্থাগারের একজন নিয়মিত দর্শক ছিল, নাম তার সারা। সারা বই পড়তে খুব পছন্দ করত এবং সে সবসময় নতুন বইয়ের খোঁজে থাকত।

একদিন, সারা গ্রন্থাগারে একটি পুরানো বই খুঁজে পেয়েছিল, যা তার আগ্রহকে জাগিয়ে তুলেছিল। সেই বইয়ের লেখক ছিলেন একজন অজানা কবি, যিনি প্রেম এবং প্রকৃতির সম্পর্কে কবিতা লিখতেন। সারা সেই বইটি নিয়ে পড়তে শুরু করল এবং তার মধ্যে এক বিশেষ কবিতায় তার হৃদয় ধক করে উঠল।

সেই সময়, গ্রন্থাগারের অন্য প্রান্তে ছিল জন, একজন তরুণ চিত্রশিল্পী। জনের চোখে সারা কে প্রথম দেখার পর থেকেই তার হৃদয়ে একটি অদ্ভুত অনুভূতি জন্ম নেয়। সে সারার দিকে তাকিয়ে থাকত এবং তার চিত্র আঁকতে চেয়েছিল। কিন্তু বলা যায় না, সে সাহস করতে পারছিল না।

একদিন, সারা যখন গ্রন্থাগারে আসছিল, তখন জন একটি চিত্র আঁকছিল। সারা জনের চিত্রে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখতে পেয়ে অবাক হয়ে গেল। সে ধীরে ধীরে জনের কাছে এগিয়ে গেল এবং বলল, "আপনি কি আমাকে আঁকছেন?" জন প্রথমে লজ্জিত হয়ে গেল, কিন্তু পরে বলল, "হ্যাঁ, আমি আপনাকে দেখতে পেয়ে খুব অনুপ্রাণিত হয়েছি।"

এই কথোপকথনের পর, তাদের মধ্যে একটি বন্ধুত্ব গড়ে উঠতে শুরু করল। তারা একসাথে বই পড়তে যেত, কবিতা নিয়ে আলোচনা করত এবং জন সারাকে তার চিত্রে স্থান দিত। সময়ের সাথে সাথে, তাদের সম্পর্ক আরো গভীর হতে থাকে। সারা বুঝতে পারে যে জনের প্রতি তার হৃদয়ে একটি বিশেষ অনুভূতি জন্মেছে।

একদিন, জন সারাকে একটি বিশেষ জায়গায় নিয়ে গেল, যেখানে একটি সুন্দর জলপ্রপাত ছিল। পেছনে সবুজ গাছপালা আর সামনে বয়ে চলা জল। জন সারা কে বলল, "আমি তোমার জন্য এই চিত্রটি তৈরি করেছি।" তিনি একটি চিত্র তুলে ধরলেন, যেখানে সারা একটি ফুলের গাছের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। সারা চিত্রটি দেখে বিস্মিত হয়ে গেল এবং তার চোখে জল আসল।

জন বলল, "আমি তোমাকে পছন্দ করি, সারা। তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অংশ।" সারা তার দিকে তাকিয়ে বলল, "আমি জানি, আমি তোমাকেও ভালোবাসি।" সেই মুহূর্তে, জলপ্রপাতের শব্দের মাঝে তাদের হৃদয়ের আওয়াজ মিলিয়ে গেল, এবং তারা একে অপরকে আলিঙ্গন করল।

সেই দিন থেকে, তাদের প্রেম blossomed, এবং তারা একসাথে অসাধারণ সময় কাটতো

28/04/2025

একদিন এক গ্রামের স্কুলে শিক্ষক ছাত্রদের জিজ্ঞেস করলেন,
— বলো তো, যদি তোমাদের কাছে একটা বুদ্ধিমান খরগোশ আর একটা বোকা কচ্ছপ থাকে, তাহলে কার সঙ্গে তোমরা কথা বলতে চাও?

এক ছাত্র হাত তুলে বলল,
— স্যার, আমি বোকা কচ্ছপের সঙ্গে কথা বলতে চাই!

শিক্ষক অবাক হয়ে বললেন,
— কেন? সবাই তো বুদ্ধিমান খরগোশের সঙ্গেই কথা বলতে চাইবে!😃

(বাকিটা কমেন্টে)




Address

Dhaka Chandragati

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when توتول أحمد رابين posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category