16/08/2025
জয়েন ফ্যামিলিতে একজন নারী যখন বউ হয়ে আসে তখন এ্যাডজাস্টমেন্টের ধরণটা ভিন্ন । দুটো পরিবারের রান্না তো কখনোই এরকম হয়না, এক এলাকার হলেও হয়না। কিছু না কিছু তফাৎ তো থাকেই। এই রান্নার ব্যাপারটাতেই এ্যাডজাস্টমেন্ট হয় সংসারের নতুন আসা নারীটার একেবারেই একতরফা। শ্বশুরবাড়ির মতো রান্না খাওয়া থেকে শেখা সবই বউদের বেলাতেই, সপ্তাহে সাতদিনই। এই সাতদিনের মধ্যে একদিনও কী পরিবারের সবাই মিলে নতুন বউয়ের নিজস্ব রান্নার ধরনের খাবারটা খেতে পারেনা? একদিন না হোক, একবেলাও পারেনা?
পারেনা তা নয়, পারতেই চায়না। এ্যাডজাস্টমেন্টটা হবে শুধুমাত্র বাড়ির বউয়ের। নতুন একটা মানুষ আসলে যে পরিবারের সবারও তার সাথে এ্যাডজাস্ট করতে সেই চিন্তা কখনো কারোর মাথাতেও আসবেনা। কারণ, বোধহয় এখানে বাড়ির বউদের রান্নাঘরের হাড়িপাতিলের চেয়ে আলাদা করে কিছু ভাবা হয়না!
কেয়া নামের একটা মেয়ে ২৫ বছর বয়েসি। মেয়েটার ৪টা বাচ্চা ছিলো। এতো অল্প বয়সে ৪টা বাচ্চা হওয়ার কারণ তার স্বামীটির কন/ডম পরলে ফিল আসতোনা।
কেয়া ভিকারুননিসায় পড়তো। স্কুলে পড়ার সময়ে গান গাইতো, হ্যান্ডবল খেলতো। কিন্তু অল্প বয়সে সংসার জীবনে ঢোকার পর আর পড়াশোনাটাও করতে পারেনাই। কারণ, ওর সংসার সামলাইতে হয় আবার বছর-বছর বাচ্চাও জন্ম দিতে হয়।
তারপরেও হয়তো কেয়া এ্যাডজাস্ট করে সুখী হতে পারতো, কার সুখ কোথায় কে বলতে পারে! কিন্তু, কেয়ার ব্যবসায়ী স্বামীর আবার বিরাট মাথাগরম। মাথাগরম হলেই বউয়ের গায়ে "একটু-আধটু" হাত তুলে ফেলতোই। সাথে শ্বশুরবাড়ির অত্যাচার তো আছেই। কেয়া এসব ওর নিজের পরিবারকে জানিয়েছিলো, কিন্তু ওর পরিবার এ্যাডজাস্ট করতেই বলেছিলো। এতোগুলো বাচ্চা হয়ে গেছে এ্যাডজাস্ট না করে উপায় কী!
কেয়া এতো এ্যাডজাস্ট করে হেরেছে নাকি জিতেছে জানিনা, তবে এটা জানি কেয়া ম/রে গেছে। উঁহু, কেয়া ম/রে যায়নি, কেয়াকে গলাটি/পে মে/রে ফেলা হয়েছে। মে/রেছে ওর মাথাগরম স্বামী। পুরুষ মানুষের মাথাগরম হলে একটু গলাটি/পে ধরতেই তো পারে, কেয়া কেমন বউ যে এ্যাডজাস্ট না করে ম/রে গেলো! এমন নারীদের বউ হওয়ার যোগ্যতাই তো নেই!