22/03/2023
★রামাদান_রুটিনঃ
২:৩০-২:৪০ > ঘুম থেকে উঠা, টয়লেট, ওযু।
২:৪০-২:৪৫ > তাহ্যিয়াতুল ওযুর ২ রাকাত নামাজ।
২:৪৫-৩:৩০ > তাহাজ্জুদের ৮ রাকাত নামাজ (বোনরা বিতিরের নামাজ এই সময় পড়বেন এবং ফাঁকে ফাঁকে সাহরীর জন্য খাবার গরম করে ফেলবেন)
৩:৩০-৩:৩৫ > ইস্তিগফার
৩:৩৫-৩:৪৫ > দুয়া-মুনাজাত
৩:৪৫-৪:০৫> সাহরী করা।
৪:০৫- ফজরের আযান পর্যন্ত কোরআন পড়া, ইস্তিগফার করা।
ফজরের নামাজ, জিকির, কোরআন তিলাওয়াত। সম্ভব হলে এশরাক পর্যন্ত জেগে থাকবেন। আর যদি সকালে কাজ থাকে তবে নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে যেতে পারেন।
৯:০০-৯:১৫ ঘুম থেকে উঠা, টয়লেট, ওযু, তাহ্যিয়াতুল ওযুর নামাজ।
( এটা যার যার সুবিধামত ঠিক করবেন)
৯:১৫-১:০০- যারা বাইরে কাজ করবেন তারা কাজে চলে যাবেন। যারা বাসায় থাকবেন তারা বাসার কাজ সেরে চেষ্টা করবেন যেন অন্তত ১ ঘন্টা কোরআন তিলাওয়াত করা যায়। কাজের ফাঁকে ফাঁকে ইস্তেগফার, জিকির করতে থাকবেন।
১:০০-১:৪৫- যোহরের সালাত
১:৪৫-২:১৫- কোরআন তিলাওয়াত।
২:১৫-৩:৩০- বাসায় ফেরা, দ্বীনি ইলম অর্জন, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির, দুয়া ইত্যাদি।
৩:৩০-৪:৩০ - দুপুরের ঘুম।
৪:৪৫-৫:১০ -আসরের সালাত।
৫:১০-৫:৩০- মাসনুন জিকির, কোরআন তিলাওয়াত, দুয়া করা।
৫:৩০-৬:১০- ইফতারি তৈরি/ তৈরিতে সাহায্য করা।
৬:১০-ইফতার পর্যন্ত - দুয়া করা।
মাগরীব থেকে ৭:০০- ইফতার, মাগরীবের সালাত।
৭:০০-৮:০০- বিশ্রাম। এই সময় বিভিন্ন মোটিভেশনাল লেকচার, কোরআন তিলাওয়াত শোনা যেতে পারে।
৮:০০-১১:০০ এশার সালাত, তারাবীহ্।
১১:০০-১১:১৫- কোরআন তিলাওয়াত।
১১:১৫-১১:৩০- ঘুমের প্রস্তুতি।
১১:৩০- ঘুম।
এই রুটিনটা একটা খসড়া রুটিন। যার যার সুবিধামত একে পরিবর্তন করে নিতে পারেন। সবার সাথে টাইমিং না মিললেও আমলের ক্রমধারা বজায় রাখার চেষ্টা করতে পারেন। রমাদানে সবচেয়ে বেশি নফল যে আমল করতে হবে তা হল কোরআন পড়া। এরপর রাতের সালাত। গোনাহ থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকতে হবে। গিবত, চোগলখোরি ত্যাগ করতে হবে। বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদের যথাসম্ভব দ্বীনের দাওয়াত দেয়া দরকার। বেশি বেশি সাদাকা করা উচিত। মনে রাখতে হবে রমাদান মাস আমলের মাস। যে যত বেশি আমল করবে সে তত লাভবান। দুনিয়াবি ব্যস্ততা, মার্কেটে ঘুরা এসব কমিয়ে আনা উচিত।
আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের আমলে পরিপূর্ণ রমাদান কাটানোর তৌফিক দিন।