10/09/2026
মধু ভেজাল নিয়ে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ আসে, এর কিছু ভৌত রুপ (Physical appearance) দেখে। এর মধ্যে আবার কমন হচ্ছে, মধু কিছু জমে গেছে বা পুরোটা জমে গেছে, নিচে চিনির মতো ক্রিস্টাল জমেছে, ইত্যাদি ইত্যাদি।
ল্যাব টেস্টের প্রথম প্যারামিটারে দেখেন কি বলা আছে,
"মধুর রঙ প্রায় বর্ণহীন থেকে শুরু করে গাঢ় বাদামী পর্যন্ত হতে পারে। এর ঘনত্ব বা সান্দ্র তরল হতে পারে অথবা আংশিক থেকে সম্পূর্ণ স্ফটিকাকার (দানাদার) হতে পারে। এর স্বাদ এবং ঘ্রাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়, তবে এগুলো মূলত উদ্ভিদের উৎস থেকে আসে।"
আমরা জানি সরিষা ফুলের মধু জমতে পারে। তবে এখন দেখা যায় বিদেশ থেকে চাক সহ মধু আনে অনেকে। এগুলো কিছুটা জমা জমা এবং এগুলো নির্ভর করে উদ্ভিদের জাতের উপর।
যেমন সানফ্লাওয়ার, আলফা আলফা, ক্লোভার, ফ্যাসিলা, ক্যানোলা এসব উদ্ভিদ নেক্টারে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি থাকায় এই ফুলের মধু চাকেই শক্ত হয়ে জমাট বেঁধে যায়।
কিছু দিন কে জানি বিদেশ থেকে চাক সহ মধু আমদানি করেছে, খুব সম্ভবত মোঙ্গলিয়া থেকে! অনেক বলছে এখন মধু কোথায় পায়!!!
একেক দেশে মধুর সিজন ও কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন সময়ে হতে পারে। আমাদের দেশে মূলত নভেম্বর থেকে মে পর্যন্ত ৭ মাস। এশিয়া এবং ইউরোপে প্রায় ৭ মাস মধু পাওয়া যায়!
কিন্তু মঙ্গোলিয়ায় এখন সিজন কেবল শেষ হলে ও, সেখানে সিজন থাকে বছরে মাত্র ২ মাস! জুন শেষ থেকে অগাস্টের শেষ!
চীনের ইউনান, গুয়াংসি, হাইনান ও ফুজিয়ানে সারা বছর মধু পাওয়া যায়।
ব্রাজিলের আমাজন অববাহিকায়, কেনিয়া ও ইথিওপিয়ার সাভানা, দক্ষিন ভারত ও হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে সারা বছর ই মধু পাওয়া যায়!